15/03/2026
পবিত্র কোরআনে দান-খয়রাত ও সাদাকাহর অশেষ ফজিলত ও গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, "যারা আল্লাহর রাস্তায় নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ হলো একটি বীজের মতো, যা সাতটি শীষ উৎপন্ন করে এবং প্রতিটি শীষে একশ দানা থাকে..." (সূরা বাকারা: ২৬১)। এ ছাড়াও, গোপনে দান করা উত্তম বলে কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে (সূরা বাকারা: ২৭১)।
দান-খয়রাত নিয়ে কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ আয়াতসমূহ:
দান আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার মাধ্যম: "কেউ যদি তার ধন-সম্পদে বরকতের আশা করে, তার উচিত সাধ্যমতো দান-সদকা করা। তা ছাড়া দান-সদকার মাধ্যমে মহান আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যায়" (কুরআনের আলোকে)।
গোপনে ও প্রকাশ্যে দান: "যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-সদকা কর, তবে তা কতই না উত্তম। আর যদি গোপনে ফকির-মিসকিনকে দান করে দাও, তবে আরো বেশি উত্তম। আর তিনি তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন" (সূরা বাকারা, আয়াত: ২৭১)।
সম্পদ বৃদ্ধি ও বরকত: "আল্লাহ সুদকে মিটিয়ে দেন এবং সদকাকে (দান-খয়রাত) বৃদ্ধি করেন" (সূরা বাকারা, আয়াত: ২৭৬)।
প্রকৃত মুমিনের গুণ: "যারা সুখে-দুঃখে (আল্লাহর রাস্তায়) ব্যয় করে..." (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৪)।
যাদের দান করা যাবে: "...দান-সদকা আসলে অভাবগ্রস্তদের জন্য..." (সূরা তাওবা, আয়াত: ৬০)।
দান-খয়রাত গ্রহণ: "তাদের সম্পদ থেকে সাদকা (জাকাত) গ্রহণ করুন, যা দিয়ে আপনি তাদেরকে পবিত্র করবেন এবং বরকত দান করবেন..." (সূরা তাওবা, আয়াত: ১০৩)।
মূল শিক্ষা: ইসলামে দান-সদকা মানুষের পাপ মোচন করে, ধন সম্পদ বৃদ্ধি করে, বিপদ-আপদ দূর করে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সহায়তা করে।
Jothi
.Mollla
Jothi Jothi
Jothi