08/08/2026
SHIS Eye Care Hospital পরিদর্শনে ডা. তেজা — সুন্দরবন ও দুই ২৪ পরগনায় নতুন সম্ভাবনার আলোচনা
গত ৭ আগস্ট ২০২৬, SHIS Eye Care Hospital পরিদর্শন করেন অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আগত ডা. তেজা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী এবং আরও একজন সহকর্মী।
এই পরিদর্শনটি ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও ফলপ্রসূ। SHIS Eye Care Hospital-এর বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং আরও বৃহত্তর পরিসরে মানুষের কাছে চক্ষু চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।
এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন মিসেস বেন্জামিন (ফ্রান্স), এবাদত মন্ডল, তাহমিনা পারভিন, ডাক্তার তানবীর, মুকুল, বুলবুল সাবিত্রী পাল (প্রেসিডেন্ট) এবং অপুর্ব ঘোষাল। তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মতামত আলোচনাকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।
বিশেষভাবে আলোচনা হয়—কীভাবে হাসপাতালের পরিকাঠামো, চিকিৎসা পরিষেবা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সহযোগিতা এবং আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা যায়। একই সঙ্গে হাসপাতালের পরিষেবাকে হাসপাতালকেন্দ্রিক না রেখে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও কীভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল সুন্দরবন, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন ব্লকে চক্ষু চিকিৎসা ও সচেতনতা কর্মসূচি সম্প্রসারণ। প্রত্যন্ত ও প্রান্তিক মানুষের মধ্যে চক্ষু পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, ছানি শনাক্তকরণ, রেফারেল এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা আরও সুসংগঠিতভাবে করার বিষয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতার দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ডা. তেজা ও তাঁর সহযাত্রীদের পাশাপাশি উপস্থিত সকল অতিথির আগ্রহ, অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতার মানসিকতা আমাদের কাছে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। ভবিষ্যতে তাঁদের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে SHIS Eye Care Hospital-এর কার্যক্রমকে আরও উন্নত করা এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে মানসম্মত চক্ষু চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে বলে আমরা আশাবাদী।
একটি হাসপাতাল শুধু একটি ভবন নয়—মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার একটি অঙ্গীকার।
সুন্দরবন এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য সেই অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই ধরনের সহযোগিতা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডা. তেজা, তাঁর স্ত্রী এবং সহকর্মীসহ সকল অতিথিকে SHIS Eye Care Hospital-এ আন্তরিক স্বাগত ও ধন্যবাদ। তাঁদের এই সফর ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে—এই প্রত্যাশা রইল।
SHIS — স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অধিকার মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা !