ICCHE Charitable Trust

ICCHE Charitable Trust Our life is the centre inside the circle of the world. We have little time in our hand from the busy schedule.

We need "icchey(the desire)" to utilize that particular time to help others, transform this mundane world to heaven. Your empathy and fraternity are the only fulcrum of our noble mission to help the poor children who are unable to enlighten themselves in the light of proper education earnest request to all please be our friends in the mission by supporting us.
...................................

..............................................

পৃথিবী ছোটো, মানুষের জীবন আরোই ক্ষুদ্র। এই স্বল্প সময়ে অল্প ব্যস্ততার ফাঁকে সবচেয়ে মূল্যবান হয় "ইচ্ছে", ইচ্ছে কিছু ভালো করার, কারোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার, কিছু ছোটো ছোটো চারাকে বড়ো বৃক্ষে পরিণত করার। আপনাদের সহানুভূতি আর বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষিকতাই পারে একটি শিশুর স্বাভাবিক জীবন আরো সুন্দর করে তুলতে। শিক্ষার মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিতদের শিক্ষার আলোকে আলোকিত কোরতে আমাদের পাশে থাকুন...আমাদের ছোট্ট প্রয়াসে আমাদের সঙ্গী হন।

2nd mission successfully completed
09/06/2021

2nd mission successfully completed

কখনো ভেবে দেখেছেন বিনা ইলেকট্রিক বিনা খাওয়ার জল বিনা ঘরে দিনের পর দিন কাটাতে কেমন লাগে?? ভেবে দেখেছেন কখনো জলের নীচে যদি...
31/05/2021

কখনো ভেবে দেখেছেন বিনা ইলেকট্রিক বিনা খাওয়ার জল বিনা ঘরে দিনের পর দিন কাটাতে কেমন লাগে?? ভেবে দেখেছেন কখনো জলের নীচে যদি সংসারের যাবতীয় জিনিস ভেসে চলে যায় কেমন লাগে??

আমরা হয়তো এগুলো ভাবলেই আধ মরা হয়ে যাই কিন্তু সুন্দরবনের মানুষের কাছে এগুলোই জীবনের অঙ্গ। তারা জানে আজ যেগুলো তাদের আছে কাল সেগুলোই যেতে পারে জলের তলায়।জীবন যুদ্ধে এভাবেই অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটে সুন্দরবনের মানুষের।

সুন্দরবনের বাঘ জলে কুমির আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ এগুলো যেন এদের জীবনের অঙ্গ। গতবারের আমফানের দুর্যোগ কাটতে না কাটতে আবার আছাড় খেলো "যশ"।

গতবার ঠিক যেই ভাবে "ইচ্ছে" আমফান পরবর্তী সময়ে সুন্দরবনের পাশে ছিল এবারও আবার তারা "যশ" বিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বদ্ধ পরিকর। সেইরকমই একটি গ্রাম ঘোড়ামারা দ্বীপের খাসিমারা তে আমাদের টিম পৌঁছে গেছিল কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে।

◆◆আর যাদের জন্য এই কাজটা সম্ভব হলো তাদের এইটুকুই বলা এইভাবেই আমাদের পাশে থেকে ওই মানুষগুলোর পাশে থাকুন।

◆◆আর একদম শেষে দূর থেকে কিছুই করতে না পেরে পুরো টিমকে সেলাম আর কালকের পুরো দিনটার Abhishek Chowdhary Deepjoy Ghosh Gourav Das Sujay Kr Mondal কে কুর্নিশ 👍

26/05/2021

২০ই মে ২০২০ বিশ সালের সবথেকে বিষাক্ত দিন হয়তো এটাই গোটা সুন্দরবন বাসির জন্য। ১৫৫-১৬০ গতিবেগে ধেয়ে আসা আমফান কেড়ে নিয়েছিল বহু প্রাণ বহু ঘর বাড়ি, বহু মানুষ শুধু মাত্র প্রাণে বেঁচে গেছে হারিয়েছে তাদের সবকিছুই।

এই আমফানের একবছর হতে না হতেই আবার ওই সমস্ত এলাকাতে থাবা বসিয়েছে "যশ"।সুন্দরবনের কুলতলি, পাখিরালা,পেটকুল চাঁদ আবারও মুখ থুবড়ে পড়েছে "যশ" এর তান্ডবে।সুন্দরী সুন্দরবন আবারও যেন ভগ্নপ্রায়।

এই অবস্থায় যখন ওই সমস্ত এলাকার মানুষ সাহায্যের জন্য অনুরোধ জানায় তখন দায়িত্ব টা আমার আপনার সবারই হয় যায়। ঠিক যেমন আগের বার আমফানের সময় প্রতিটা মুহূর্তে সবার অবদান টের পেয়েছি।

তাই আবারো বলছি এবারও আবার সবাই মিলে এখনই ঝাঁপিয়ে পড়লে সুন্দরবন কে আবারও মাথা উঁচু করে আমরা দাঁড় করাবোই।

◆◆সাহায্যের জন্য নীচে গুগুল পে আর ফোন পে নাম্বার দেওয়া হলো। সামর্থ মত সাহায্য করে ওই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান

Phone pe-8335917674
Google pey-8335917674

03/05/2021

আমরা ইচ্ছে চ্যারিটেবল ট্রাস্ট প্রতিটি দুর্বিপাকের মত এই মহামারীর সময়েও চেষ্টা চালিয়ে যাবো সাধারণ মানুষের পাশে থাকার, তাদের বোঝানোর। এই মুহূর্তে আমরা ঠিক করেছি এই পরিস্থিতিতে যেটা সবচেয়ে দরকার মাস্ক আর স্যানিটাইজার এই দুটো জিনিস আমরা নিয়মিত বিতরন করবো দুঃস্থ মানুষের মধ্যে। আর সাথে ব্যারাকপুরের করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের যে কোনো ধরনের দরকারে পাশে দাড়ানোর জন্যও "ইচ্ছে" অঙ্গীকারবদ্ধ।

এই মুহূর্তে করোনা রুখতে সবার এক হওয়া টা জরুরি।সেটা মাঠে নেমেই হোক বা ঘরে বসে।
তাই কেউ আক্রান্ত হলে যদি প্রয়োজন মনে করেন, দৈনন্দিন বা চিকিৎসা সহায়তায় নিঃসংকোচে আমাদের যে কোনো সদস্যের সাথে যোগাযোগ করুন।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। করোনাও হয়তো সেই সূত্র মেনেই আরো জোড়ালো হয় থা...
02/05/2021

নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। করোনাও হয়তো সেই সূত্র মেনেই আরো জোড়ালো হয় থাবা বসিয়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে।গতবারের মহামারী অতিমারী কাটিয়ে যখনই মানুষ একটু স্বাভাবিক হওয়া শুরু করেছে তখনই আসতে আসতে করোনাও অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছে আরো ভয়ংকর ভাবে।করোনার করাল গ্রাসে প্রাণ গিয়েছে বহু মানুষের।অর্থনীতির চিন্তা করে হয়তো এখনো লকডাউন করা সম্ভব হয়নি কিন্তু মানুষ যদি আগেরবারের ভুল থেকে শিক্ষা না নেয় তাহলে এর পরিণাম কতটা ভয়ানক হতে পারে তা বলে বোঝানোর নয়।

তাই আমরা ইচ্ছে চ্যারিটেবল ট্রাস্ট আগের বারের মত এবারও চেষ্টা চালিয়ে যাবো সাধারণ মানুষের পাশে থাকার তাদের বোঝানোর। এই মুহূর্তে আমরা ঠিক করেছি এই পরিস্থিতিতে যেটা সবচেয়ে দরকার মাস্ক আর স্যানিটাইজার এই দুটো জিনিস আমরা বিতরন করবো কিছু দুঃস্থ মানুষের মধ্যে।

যে যেই ভাবে পারেন(অর্থনৈতিক হোক বা জিনিস কিনেই হোক) সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। এই মুহূর্তে করোনা রুখতে সবার এক হওয়া টা জরুরি।সেটা মাঠে নেমেই হোক বা ঘরে বসে।

লকডাউনকোরোনাআমফানমহামারীএই কতগুলো শব্দ গত ৬-৭ মাস ধরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িয়ে গেছে যেন। কাগজ খুললেই প্রতিদিন  ...
08/09/2020

লকডাউন
কোরোনা
আমফান
মহামারী

এই কতগুলো শব্দ গত ৬-৭ মাস ধরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িয়ে গেছে যেন। কাগজ খুললেই প্রতিদিন কোরোনার রেকর্ড ভাঙার খবর বা মন ভোলানো ভ্যাকসিন এর কথা বলে সান্তনা দেওয়া।
এই কোনোকিছুই যেখানে পাত্তা পায়না সেরকম এক জায়গা হলো ঘোড়ামারা আইল্যান্ড। যেখানে করোনায় লোকদের কাত করতে পারেনি আবার আমফান সব কেড়ে নেওয়ার পরেও তাদের মুখে হাসি আবার বাঁধ ভেঙে জল ঢুকে সারা গ্রাম ভেসে গেলেও তারা ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখে।
এখানেই কোথাও পিট সিগার এর "we shall overcome" গানটি এই লোকগুলোর সাথে মিলেমিশে একাকার হয় যায়।

এত শর্ট নোটিসে এত সুন্দর করে কাজ গুলো করে ফেলার জন্য পুরো টিমকে কুর্ণিশ। আর যাদের আর্থিক সাহায্য ছাড়া এত কিছু সম্ভব হতোনা তাদের আবারও সালাম পাশে থাকার জন্য

জল যেমন জীবন দেয় জল তেমন জীবন নেয়। এই জিনিসটা হাড়ে হাড়ে টের পায় যারা নদীকেন্দ্রিক জীবন যাপন করে। কলকাতা থেকে ১০০-১২০ কিল...
31/08/2020

জল যেমন জীবন দেয় জল তেমন জীবন নেয়। এই জিনিসটা হাড়ে হাড়ে টের পায় যারা নদীকেন্দ্রিক জীবন যাপন করে। কলকাতা থেকে ১০০-১২০ কিলোমিটার এর মধ্যেই রয়েছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এর রাজত্বে ঘেরা সুন্দরবন। যার কথা আমরা ঘরে বসে খবরে গুগুলে অনবরত পেয়ে যাই আর ভাবি কি রহস্যময় একটা জায়গা আবার কখনো একটা চার চাকা ভাড়া করে দল বেঁধে চলে যাই একদিনের ছুটি কাটাতে।

কিন্তু কখনো কি ওই সব অঞ্চলের মানুষদের জীবন যাপন নিয়ে ভেবে দেখেছি?? যে কি করে তারা ওই জঙ্গল নদী সব কিছুর মধ্যেই জীবন বাজি রেখে দিন কাটাচ্ছে?? কি করে নদীর পাড়ে একচালা ঘর নিয়ে জীবন ঝুঁকি নিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছে এক একটা দিন??

গত কয়েকদিনের নিম্নচাপের কারণে সুন্দরবনের সাগরদ্বীপ নামখানা মৌসুনি সব গ্রাম প্রায় জলের তলায়। বেশিরভাগ লোকের থাকার জায়গা হারিয়েছে কারুর রান্নার বাসন নেই কারুর গায় দেওয়ার জামা কাপড় নেই। বাঁধ ভেঙ্গে জল এসেই চলেছে।

এই সংকট পরিস্থিতিতে ইচ্ছের আবার ইচ্ছে হলো কিছু করার তাই আবারো দুর্গত এলাকায় পৌঁছে যেতে চাই আমরা যদি আপনাদের সাহায্য পাই প্রতিবারের মতন।

শুকনো খাবার নিয়েই যাবো।কত কি পরিমান দেব সেইটা পোস্টার দেখে বুঝে ডোনেট করবেন সময় খুবই কম

সুন্দরবন মানেই বাঘ,কুমির বনবিবি ছাড়াও একটা অন্য পৃথিবী আছে যেটা এই টানা ৬ টা রবিবার সেখানে না গেলে নিজেরা বুঝতাম না।পুরা...
05/07/2020

সুন্দরবন মানেই বাঘ,কুমির বনবিবি ছাড়াও একটা অন্য পৃথিবী আছে যেটা এই টানা ৬ টা রবিবার সেখানে না গেলে নিজেরা বুঝতাম না।

পুরানে দুর্গার দশটা হাত দেখেছিলাম নারী শক্তির প্রতীক হিসেবে। আর এই সুন্দরবনে দেখলাম দু হাতের দুর্গা। যারা ওই দুহাতে নিজের সংসারটাও সামলায় ঘরের সব কাজ করে, এদের অনেকেরই বাড়িতে মরদ নেই, তারা হয় বাঘের পেটে নয়ত কুমিরের খপ্পরে । তাই ঘরের সাথে সাথে নিজের আর বাচ্চাদের পেট চালাতে সংসারের হাল ধরতে এরাই নেমে গেছে কাঁকড়া ধরার জীবিকাতে।

তাই যখন আগের সপ্তাহে এদের সাথে কথা বলছিলাম আর এক একজন বলছে যে আমফানে কারুর ঘরের ছাউনি নেই বা কারুর গায়ে পড়ার সব শাড়ি ভেসে গেছে বা কারুর সব বাসন ভেসে গেছে তখন মনে হচ্ছিল যত কষ্টই হোক যদি এদের জন্য কিছু করতে পারি সেটা সত্যি কিছু করা হবে। যারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সারাক্ষন লড়ে যাচ্ছে নিজের পরিবারকে ঠিক রাখার জন্য তাদের জন্য ওই সামান্য কাজ করাই যায়।

যেমন ভাবা তেমন কাজ, ৬ দিনের মধ্যে আমরা ৫০ টা ত্রিপল ৮৯ টা শাড়ি এবং বেশ কিছু পুরোনো বাসন জোগাড় করে আমরা ভোর বেলা রওনা দিলাম বনবিবির দেশে।

সত্যি বলছি একটানা ১৬ ঘন্টা কাজ করার পড়ে শরীরে আর কিছু থাকে না কিন্তু বিশ্বাস করুন যখনই ওই হাসি মুখ গুলো মনে পড়ছে ওগুলো আবার অক্সিজেন এর কাজ করছে।

২১ জুন ইচ্ছের টিম যখন সুন্দরবন দেউল পাড়া যায় ফিরে আসার পর সবাই ভেবেছিলাম এটাই হয়তো আমাদের আমফানের জন্য শেষ কাজ। কিন্তু ফ...
29/06/2020

২১ জুন ইচ্ছের টিম যখন সুন্দরবন দেউল পাড়া যায় ফিরে আসার পর সবাই ভেবেছিলাম এটাই হয়তো আমাদের আমফানের জন্য শেষ কাজ। কিন্তু ফেরার পথে সেখানকার এক আদিবাসী গ্রাম পেটকুল চাঁদের কিছু লোক আমাদের রাস্তা আটকে সাহায্যের আবেদন জানায়। আমরাও তাদের পুরোপুরি আশ্বস্ত না করেই চলে আসি। কারণ সমস্যা ছিল ফান্ডের।

বাড়ি ফিরে ফুল টিম ঝাঁপিয়ে পড়ে ফান্ড জোগাড় করতে সবার লক্ষ তখন ওই পেটকুলচাঁদের লোকেদের মুখের হাসি দেখার। যেমন ভাবা তেমন কাজ ৫ দিনের মধ্যে আমরা সবাই ওই গ্রামে ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার ব্যাবস্থা করতে পারলাম।

এবার আসি গ্রামের কথায়--টানা ৬ ঘন্টা জার্নি করার পর যখন গ্রামে গিয়ে ঢুকলাম গিয়ে দেখি কারুর বাড়ির চাল নেই, কারুর ঘরের দরজা নেই। এই অবস্থাতেও যেটা আছে সেটা হলো মানবিকতা। কারুর জামাকাপড় ভেসে গেছে, কারুর বাসন ভেসে গেছে, কারুর জমি যা ছিল সবই জলের তলায়। রোজগারের পথ পুরোপুরি বন্ধ। সরকার বা বন বিভাগ থেকে যা ত্রিপল পাওয়া গেছে তাও সবার কপালে জোটেনি।

বাঘ যেখানে যখন তখন টহল দেয় সেখানে মানুষের ঘর হলো খড় বা বিচালির। বাড়ির গেট হলো বাসের কঞ্চির। এখানকার মানুষেরা সত্যি বাঘের সাথে এক ঘাটে জল খায়।

এইরকম একটা গ্রামে কাজ করতে পেরে সত্যি মনে হচ্ছে টিম ইচ্ছের ইচ্ছে ডানা লোকের ইচ্ছে পূরণ করার জন্য তিড়িংবিড়িং লাফায় এবং চাই আরো লাফাক।

আর এই পুরো কর্মযজ্ঞ যাদের জন্য সম্ভব তাদের কে প্রতিবারই এই ভাবে পাশে পাওয়ার জন্যই যেন আমরা আরো কাজ করার সাহসটা দেখাতে পারি।

একটু সময় দিলে আপনাদের ১০০ টাকার একটা হিসেব দেখাবো যাতে করে আমরা আবারও আরেকটা আমফান বিধস্ত গ্রামে ত্রাণ নিয়ে যেতে পারি।চি...
25/06/2020

একটু সময় দিলে আপনাদের ১০০ টাকার একটা হিসেব দেখাবো যাতে করে আমরা আবারও আরেকটা আমফান বিধস্ত গ্রামে ত্রাণ নিয়ে যেতে পারি।
চিড়ে-৭০০ গ্রাম
মুড়ি- ২ প্যাকেট
ছাতু-২০০ গ্রাম
বিস্কুট- ১ টা বড়ো প্যাকেট
----------------------------------------
এই চারটে মিলিয়ে জন প্রতি মেরেকেটে ১০০ টাকা খরচা হবে। এবার দেখুন আপনাদের একটা ১০০ টাকার নোট এই সমস্ত মানুষের বেশ কয়েক দিনের মুখের হাসি আর পেটের জ্বালা নিভানোর কারণ হয় দাঁড়াতে পারে।।

আগামী ২৮ তারিখ হাসনাবাদ তালতলার এই গ্রামে আমরা মোট ১৫০ জনের জন্য জিনিস নিয়ে যাবো। আপনারা যেভাবে পারেন সাহায্য করুন। জিনিস কিনে দিলেও আমরা সেটা নেবো আবার কেউ যদি এক একজনের দায়িত্ব নেন সেটাও নেব।
বি.দ্র- আমাদের পুরোনো জামাকাপড় ও লাগবে। কারুর থাকলে জানাবেন। শুধু ছেড়া ফাটা নোংরা টা দেবেন না কেউ।

সাহায্যের জন্য
Gpay/phonpe- 9836317062

একঝাঁক ইচ্ছেডানার গল্প- যারা একটানা ৭৮ দিন অনেক বাধা বিপত্তি কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সারাদেশ জুড়ে চলা মহামারী হোক বা সারা বা...
21/06/2020

একঝাঁক ইচ্ছেডানার গল্প- যারা একটানা ৭৮ দিন অনেক বাধা বিপত্তি কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সারাদেশ জুড়ে চলা মহামারী হোক বা সারা বাংলা জুড়ে চলা আমফান হোক সবেতেই না দমে মানুষের জন্য যেকোনো পরিস্থিতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
শুরুটা হয়েছিল ২৫ এ মার্চ যখন দেশ জুড়ে লকডাউন শুরু হলো তখন থেকেই। টিমের সবার মাথায় নিজে কি খাবো তো আছেই তার সাথে সাথে ঘুরছে চারপাশের দিন আনা দিন খাওয়া মানুষরা কি খাবে?? নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে প্রথম মাঠে নামা হলো ৫ই এপ্রিল রবিবার নিজেদের চারপাশে গোটা ৩০ টা পরিবার এর পাশে দাঁড়ানোর জন্য। বিশ্বাস করুন তখন কেউই ভাবিনি যে একটানা এত দিন ধরে আমরা কাজ করে যেতে পারবো। প্রতি সপ্তাহের পর ভাবতাম পরের সপ্তাহে কি করবো?? তবুও মনে জেদ ছিল সবার যে হাল আমরা ছাড়বো না। পুরো লকডাউন আমরা কাজ করবো।

তারউপর একা লকডাউন এ রক্ষে নেই আমফান দোসর ১৬ই মে বাংলার বুকে আছড়ে পড়লো দানবিক আমফান যা ২০০ বছরের ইতিহাসে ভয়াবহ। সুন্দরবন আবারও বুক পেতে সব ঝঞ্জা সহ্য করলো। আবারও সুন্দরবন ভগ্নপ্রায়। তখনও আমাদের টিম ঘরে বসে থাকতে পারেনি। সেই মুহূর্তে ঠিক হলো সুন্দরবন রওনা দেবো। টানা ৪ টে সপ্তাহ সুন্দরবনে কাঁচামাল নিয়ে গেছে টিম একবার ৪০০ জনের আর ৩ বার গড়ে ১৫০ ,জনের। আজকেও টিম রাত ২.৩০ টে তে বেরিয়ে গেছিলো সুন্দরবনের পথে।
এই ৭৮ দিনে কম করে ১৫০০-২০০০ লোকের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছে ইচ্ছে।
এবার আসি তাদের কথায় যারা ছাড়া এই ৭৮ দিন আমরা অন্ধকার দেখতাম। টিমের প্রতিটা সদস্য যখনই যার কাছে সাহায্য চেয়েছে সাহায্য পেয়েছে। সেটা ৫০ টাকাই হোক আর ৫০০০ টাকা। আজ তোরা/তোমরা/আপনারা এইভাবে পাশে না দাঁড়ালে কখনই ইচ্ছের ইচ্ছেডানা এতদূর মেলতে পারতো না।
ধন্যবাদ দিয়ে কাউকে লোকদেখাচ্ছি না। যেই ভাবে পাশে পেয়েছি প্রতিবার আবারো একই ভাবে পাশে চাই।
পরের সপ্তাহে আবারও এই মানুষগুলোর মুখে হাসি দেখতে চাই আমরা তার জন্য তোমাদের/ তোদের কেই আবারও পাশে চাই।

16/06/2020

দেখুন আমরা সবাই জানি আমরা যেটুকু ত্রাণ নিয়ে যাই তাতে সুন্দরবনের কিছু হবেনা। ওই 7 দিনের খাবার দিয়ে কখনো একটা অঞ্চলের মানুষ বেঁচে উঠতে পারেনা। আমরাই প্রগতির গুঁতোয় সুন্দরবনকে কোমড় থেকে ভেঙে দিয়েছি। আমাদের জ্ঞানত দুটো বড়ো বড়ো ঝড় আয়লা ও আমফান দুটোই বাংলার বুকে আছড়ে পড়লেও তার সিংহ ভাগ বুক পেতে নিয়েছে এই সুন্দরবন।শহুরে আমরা এখানে ঝড়ের কতটা ভয়াবহ রূপ হতে পারে তা দেখতে পারিনা যতটা ওই মানুষগুলো দেখে। প্রতি ঝড়েই কারুর ঘরের চাল ওড়ে কারুর জমি নষ্ট হয়।
মোট ৫ লক্ষের বেশি মানুষের বাস সুন্দরবনে, এদের মধ্যে ২ লক্ষ মত মানুষ আছে বিপদ সীমার মধ্যে। গত এগারো বছরে সুন্দরবনের আর্থিক ক্ষতি কয়েক হাজার কোটি টাকার মত।এই ক্ষতি থেকে কখনোই আমরা সুন্দরবন কে সামান্য ত্রাণ দিয়ে টেনে তুলতে পারবো না।

কিন্তু আমরা যেটা পারি নিজেরা ওদের পাশে দাঁড়িয়ে আরো দশটা দলকে ওদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান করতে।
আগামী রবিবার আমরা আবারও সুন্দরবন যাচ্ছি সেখানকার মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে- চাল , ডাল, সোয়াবিন, তেল, সাবান, নুন, হরলিক্স আর স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে।
এই সব জিনিসের মোট দাম 151 টাকা।
দেখুন সারাদিনে প্রচুর টাকা আমরা নষ্ট করি অনেক খাতে। ১৫১ টাকা দিয়ে যদি আমরা একটা পরিবারের ৪ দিনের দায়িত্ব নিতে পারি সেটা অনেক ভালো একটা জিনিস হবে।
তাই বলছি সবাই এগিয়ে আসুন এক একজন একটা পরিবারের দায়িত্ব নিন। মাত্র ১৫১ টাকার ব্যাপার।

Address

Barrackpore

Telephone

+919836317062

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ICCHE Charitable Trust posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ICCHE Charitable Trust:

Share