Ujjiban Society

Ujjiban Society Journey of this organization started from 2001. A small group of young people started to dream to do some social works.

'দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জলসম্পদ'
-সূরজ দাশ।
পাবেন 'পরম্পরা প্রকাশন', কলকাতা অথবা
রাজকৃষ্ণ পুস্তকালয়, বালুরঘাট ।
ফোন করুন : 9563001821

Written by Suraj Das The first step was a little magazine to aware people for social change naming ” Unmader Pathakram” means “Lunatic syllabus of young people”. Then we started another little magazine naming “Uttar Dakshin” m

eans “Grass root connection between North Bengal and South Bengal”. Where we focused the contemporary various topics like violation of Human Rights, Ganaga River Erosion Movement and Land Movements etc through Bengali Poem, Story, Article and Columns. In the year 2006 we got a survey work in the district D/Dinajpur related to ‘Backward Village Study’ monitoring by North Bengal University and sponsored by SRD. This the major break in our social activity inspired us to set up a NGO (Society). Finally we got registration of our society on 20th Dec’2007 in the name of “Ujjiban Society for Social, Economic, Environmental and Rural Development” under West Bengal Societies Registration Act XXVI of 1961.

ভদ্রবাহুর জন্মস্থান—এই ঐতিহাসিক সত্য প্রতিষ্ঠায় বরেণ্য ঐতিহাসিক অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকারের গবেষণা এক অনন্য কীর্তি।জৈ...
22/05/2026

ভদ্রবাহুর জন্মস্থান—এই ঐতিহাসিক সত্য প্রতিষ্ঠায় বরেণ্য ঐতিহাসিক অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকারের গবেষণা এক অনন্য কীর্তি।

জৈনধর্মের ইতিহাসে ‘ভদ্রবাহু’ নামটি এক মহিমান্বিত অধ্যায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে একটি গুরুতর বিভ্রান্তি লক্ষ্য করা যায়—দুই ভিন্ন যুগের দুই ভদ্রবাহুকে একই ব্যক্তি বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। একজন ছিলেন জৈনদের সর্বশেষ শ্রুতকেবলী, অপরজন ছিলেন ‘কল্পসূত্র’-এর প্রণেতা এবং মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য-এর সমসাময়িক। এই ঐতিহাসিক বিভ্রান্তির আবরণ ভেদ করে উত্তরবঙ্গের প্রাচীন ইতিহাসে এক যুগান্তকারী সত্য উন্মোচন করেছেন বরেণ্য ঐতিহাসিক অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকার। তাঁর গবেষণালব্ধ বিশ্লেষণ প্রমাণ করে যে, জৈনদের সর্বশেষ শ্রুতকেবলী ভদ্রবাহুর জন্মভূমি ছিল বর্তমান দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর অঞ্চলের প্রাচীন দেবকোট বা কোটিবর্ষ।

অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকারের এই আবিষ্কার উত্তরবঙ্গের ইতিহাসচর্চায় এক অনন্য সংযোজন। দীর্ঘকাল ধরে বহু ঐতিহাসিক ভদ্রবাহুর জন্মস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকলেও তিনি প্রাচীন জৈন সাহিত্য, শিলালিপি, আঞ্চলিক ইতিহাস এবং ভূগোল বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে, প্রাচীন পৌণ্ড্রবর্ধনের অন্তর্গত কোট্টপুর বা দেবকোট্টই ছিল ভদ্রবাহুর জন্মস্থান। বর্তমান গঙ্গারামপুর থানার বাণগড় সংলগ্ন পুনর্ভবা নদীতীরবর্তী অঞ্চলই সেই ঐতিহাসিক দেবকোট। মধ্যযুগেও এই অঞ্চল ‘দেবকোট’ নামে সুপরিচিত ছিল এবং মোঘল আমলে এখানে গঠিত হয়েছিল দেবকোট পরগনা।

জৈনাচার্য হরিষেণ রচিত ‘বৃহৎ কথাকোষ’ গ্রন্থে উল্লেখ আছে—পৌণ্ড্রবর্ধন দেশে অবস্থিত কোটিপুর নামে এক নগর পরবর্তীকালে দেবকোট্ট নামে পরিচিত হয়। সেই নগরের রাজা ছিলেন পদ্মরথ এবং তাঁর আশ্রিত ব্রাহ্মণ সোমশর্মার গৃহেই জন্মগ্রহণ করেন ভদ্রবাহু। আবার পঞ্চদশ শতকের জৈনাচার্য রত্ননন্দী তাঁর ‘ভদ্রবাহু চরিত্র’ গ্রন্থে দেবকোট নগরের শোভা-বৈভবের বিস্ময়কর বর্ণনা দিয়েছেন। সুবিশাল অট্টালিকা, প্রাকার, পরিখা ও তোরণে সমৃদ্ধ এই নগরকে তিনি তুলনা করেছেন স্বর্ণখণ্ডের সঙ্গে।

এই দুই প্রাচীন গ্রন্থের তুলনামূলক পাঠ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকার যে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, বর্তমান দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর অঞ্চল শুধু একটি প্রাচীন নগরকেন্দ্রই ছিল না; এটি ছিল উত্তরবঙ্গের জ্ঞানচর্চা, ধর্মচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

জৈন কাহিনি অনুসারে, জৈন সম্প্রদায়ের তৎকালীন নেতা গোবর্ধনাচার্য একদা পাঁচশত জৈন সন্ন্যাসীসহ দেবকোট নগর অতিক্রম করছিলেন। সেই সময় পুরোহিত-পুত্র ভদ্রবাহুর সদ্য উপনয়ন সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি অন্যান্য বালকদের সঙ্গে নগরপ্রান্তে খেলায় মগ্ন ছিলেন। গোবর্ধনাচার্যের দৃষ্টি পড়ে এই অসাধারণ প্রতিভাসম্পন্ন বালকের উপর। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনের পর তিনি উপলব্ধি করেন যে, এই বালকের মধ্যেই নিহিত রয়েছে এক মহাপুরুষের লক্ষণ। পরে পিতা সোমশর্মার সম্মতিতে ভদ্রবাহুকে সঙ্গে নিয়ে যান তিনি।

পরবর্তীকালে জৈন দর্শন, তপস্যা ও জ্ঞানচর্চায় অসামান্য কৃতিত্ব অর্জন করে ভদ্রবাহু জৈন সমাজের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত হন। তিনি খ্যাতি অর্জন করেন পঞ্চম তথা সর্বশেষ শ্রুতকেবলী হিসেবে—অর্থাৎ তিনিই ছিলেন সেই শেষ জৈন আচার্য যাঁর আয়ত্তে ছিল সমস্ত অঙ্গশাস্ত্র। তাঁর রচিত নির্যুক্তিগুলির মধ্যে আবশ্যক সূত্র, উত্তরাধ্যয়ন সূত্র, দশ বৈকালিক সূত্র, ব্যবহার সূত্র ও সূর্যপ্রজ্ঞপ্তি সূত্র বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ফলে তিনি কেবল ধর্মীয় নেতা নন, ভারতীয় জ্ঞান-ঐতিহ্যেরও এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব।

অপরদিকে, অপেক্ষাকৃত পরবর্তী যুগের আরেক ভদ্রবাহু ছিলেন ‘কল্পসূত্র’-এর প্রণেতা। তিনি মৌর্য যুগের মানুষ এবং সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য-এর সমসাময়িক। উত্তর ভারতে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে তাঁর নেতৃত্বেই জৈন সম্প্রদায়ের একাংশ দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকে গমন করে। ইতিহাসের এই দুই ভদ্রবাহুকে একত্রে বিবেচনা করার ফলেই বহু বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকারের গবেষণা এই বিভ্রান্তি নিরসনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

‘কল্পসূত্র’-এ উল্লিখিত গোদাসগণীয় শাখাগুলির মধ্যে তাম্রলিপ্তিকা, কোটিবর্ষীয়া, পৌণ্ড্রবর্ধনীয়া এবং দাসী খর্বটিকা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে কোটিবর্ষ ও পৌণ্ড্রবর্ধন উভয়ই উত্তরবঙ্গের ভূখণ্ড। ফলে স্পষ্ট হয় যে, খ্রিস্টপূর্ব যুগ থেকেই উত্তরবঙ্গে জৈনধর্ম সুপ্রতিষ্ঠিত ছিল। বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ড. নীহার রঞ্জন রায় -ও মত প্রকাশ করেছিলেন যে, খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীর মধ্যেই এই জৈন শাখাগুলি সুসংগঠিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠে।

অতএব, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর তথা প্রাচীন দেবকোট যে জৈনধর্মের ইতিহাসে এক অসামান্য তীর্থভূমি এবং সর্বশেষ শ্রুতকেবলী ভদ্রবাহুর জন্মস্থান—এই ঐতিহাসিক সত্য প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকারের গবেষণা এক অনন্য কীর্তি। তাঁর আবিষ্কার শুধু উত্তরবঙ্গের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেনি, সমগ্র ভারতীয় ধর্ম-দর্শনের ইতিহাসেও যুক্ত করেছে এক নতুন আলোকবর্তিকা।

#অধ্যাপক_হিমাংশু_কুমার_সরকার #ভদ্রবাহু
#শ্রুতকেবলী_ভদ্রবাহু
#দেবকোট
#কোটিবর্ষ
#গঙ্গারামপুর
#দক্ষিণ_দিনাজপুর
#পৌণ্ড্রবর্ধন
#উত্তরবঙ্গের_ইতিহাস
#জৈনধর্ম
#জৈন_ইতিহাস
#হিমাংশু_কুমার_সরকার
#অধ্যাপক_হিমাংশু_কুমার_সরকার
#বাংলার_ঐতিহ্য
#প্রাচীন_বাংলা
#বাণগড়
#বরেন্দ্রভূমি
#ভারতের_ইতিহাস
#ঐতিহাসিক_আবিষ্কার
#বাংলার_গৌরব
#ঐতিহ্যের_সন্ধানে

20/05/2026
পুনর্ভবা নদীর পুনর্জীবন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী প্রতিবেদন আজ প্রকাশিত হয়েছে উত্তরবঙ্গ সংবাদপত্রে। প্রতিব...
18/05/2026

পুনর্ভবা নদীর পুনর্জীবন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী প্রতিবেদন আজ প্রকাশিত হয়েছে উত্তরবঙ্গ সংবাদপত্রে। প্রতিবেদনটি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে তুলে ধরেছেন সাংবাদিক রাজু হালদার।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রাণপ্রবাহ পুনর্ভবা নদীর বর্তমান সংকট, জলশূন্যতা, দূষণ, নাব্যতা হারানো এবং সীমান্তবর্তী জলনিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে নদী পুনর্জীবনের প্রয়োজনীয়তা ও সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাও এই প্রতিবেদনে যথার্থভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

এমন একটি জনস্বার্থমূলক বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিক রাজু হালদার মহাশয়কে আন্তরিক অভিনন্দন ও অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, প্রশাসন, পরিবেশপ্রেমী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে একদিন পুনর্ভবা নদী আবার তার হারানো প্রাণ ফিরে পাবে।

📚✨ With Your Small Support, a Child’s Future Can Change ✨📚Instead of throwing away your child’s old but usable books, no...
16/05/2026

📚✨ With Your Small Support, a Child’s Future Can Change ✨📚

Instead of throwing away your child’s old but usable books, notebooks, study materials, or unused books at home, place them in the hands of children who are falling behind in education due to financial hardship.

A single book can become the first step toward fulfilling someone’s dream.
Let us all work together to spread the light of education to every child. ❤️

📖 Donate to our Book Bank and contribute to the library of Ujjiban Society with any unused books lying at home—

✔️ School textbooks
✔️ Storybooks and books of any kind
✔️ Notebooks, pens, school bags
✔️ Other educational materials

📩 Contact / Message:
Ujjiban Society
📞 9563001821

16/05/2026

'দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জলসম্পদ' গ্রন্থটি তুলে দিলাম মাননীয় সুব্রত কুমার বর্মণ, মহকুমাশাসক বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর মহাশয়ের হাতে।

সঙ্গে ছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয় দিদি মাননীয়া শিক্ষারত্ন মন্দিরা রায়, চেয়ারপার্সন শিশু সুরক্ষা কমিটি, দক্ষিণ দিনাজপুর ।

বালুরঘাট : মহকুমা শাসকের দপ্তর।
তারিখ - 15.05.2024

#দক্ষিণ_দিনাজপুর_জেলার_জলসম্পদ

'পরম্পরা প্রকাশনা'র স্টলে পাওয়া যাচ্ছে, কলেজ স্ট্রিট, ২০এ বেনিয়াটোলা লেন, কলকাতা - ৯ ।
এছাড়াও বালুরঘাট রাজকৃষ্ণ পুস্তকালয়ে পাওয়া যাচ্ছে এই বইটি।
প্রথম প্রকাশ : জানুয়ারি ২০২৪, কলকাতা বইমেলা
লেখক : সূরজ দাশ
প্রকাশক : গৌতম দাশ
পরম্পরা প্রকাশন
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২৪৮
প্রচ্ছদ : গৌতম মাঝি
ISBN : 978-93-95642-64-4
মূল্য : ₹ ৩৫০.০০

16/05/2026

বালুরঘাট মহাবিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার প্রাক্তন অধ্যাপক মাননীয় ড. আশিস দাস মহাশয়ের হাতে আমার ’দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জলসম্পদ' গ্রন্থটি তুলে দিলাম।

স্থান: বালুরঘাট বিএড কলেজ।
তারিখ - 08.05.2024

#দক্ষিণ_দিনাজপুর_জেলার_জলসম্পদ

'পরম্পরা প্রকাশনা'র স্টলে পাওয়া যাচ্ছে, কলেজ স্ট্রিট, ২০এ বেনিয়াটোলা লেন, কলকাতা - ৯ ।
এছাড়াও বালুরঘাট রাজকৃষ্ণ পুস্তকালয়ে পাওয়া যাচ্ছে এই বইটি।
প্রথম প্রকাশ : জানুয়ারি ২০২৪, কলকাতা বইমেলা
লেখক : সূরজ দাশ
প্রকাশক : গৌতম দাশ
পরম্পরা প্রকাশন
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২৪৮
প্রচ্ছদ : গৌতম মাঝি
ISBN : 978-93-95642-64-4
মূল্য : ₹ ৩৫০.০০

16/05/2026
আজ দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অত্যন্ত মর্যাদা ও সাংস্কৃতিক আবহে পালিত হলো রবীন্দ্র জয়ন্তী উৎসব। কবিগুরু র...
15/05/2026

আজ দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অত্যন্ত মর্যাদা ও সাংস্কৃতিক আবহে পালিত হলো রবীন্দ্র জয়ন্তী উৎসব। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য, সংগীত, দর্শন ও মানবিক চেতনার আলোয় আলোকিত হয়ে উঠেছিল সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

এই মনোজ্ঞ ও হৃদয়স্পর্শী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত ও আনন্দিত। এমন একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল আয়োজনের জন্য দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর প্রণব ঘোষ মহাশয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই। পাশাপাশি অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও আয়োজকদের প্রতিও রইল আন্তরিক অভিনন্দন।

রবীন্দ্রচেতনা আমাদের মনন, মানবতা ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করুক।

১৫ মে ২০২৬

#রবীন্দ্রজয়ন্তী

#রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর


#দক্ষিণ_দিনাজপুর_বিশ্ববিদ্যালয়
#বাংলা_সংস্কৃতি
#সাংস্কৃতিক_অনুষ্ঠান
#বিশ্বকবি
#বাংলা_সাহিত্য
#রবীন্দ্রসঙ্গীত
#সাহিত্য_সংস্কৃতি
#বাংলার_গর্ব


#বাংলা_ঐতিহ্য
#গর্বের_মুহূর্ত
#শিক্ষা_ও_সংস্কৃতি





It was a matter of immense pride and honor to attend the International Seminar on “Law, Power and Politics: Domestic & I...
15/05/2026

It was a matter of immense pride and honor to attend the International Seminar on “Law, Power and Politics: Domestic & International Discourses” organized by Dakshin Dinajpur University today at Mangalpur, Balurghat.

The seminar witnessed the gracious presence of eminent academicians and distinguished speakers including Prof. (Dr.) Mahesh Senanayake, Prof. (Dr.) Pradip Basu, Dr. Kalyan Kumar Sarkar, and Prof. (Dr.) Pranab Ghosh.

I sincerely express my heartfelt gratitude, warm regards, and congratulations to the Hon’ble Vice Chancellor, respected professors, academicians, researchers, students, and everyone associated with this wonderful academic gathering. Such intellectual discussions on law, politics, and global discourse truly inspire us toward deeper understanding and progressive thought.






















Address

Teor, Kishan Mandi, Hili Block, Dakshin Dinajpur, NH 512
Balurghat
733145

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ujjiban Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ujjiban Society:

Share