Smiley - স্মাইলি

Smiley - স্মাইলি Hey Hearty People! �
Welcome to our SMILEY world.

We feel so blessed to help those little hearts who cannot live in that good circumstances like us, haven't enough clothes to wear or protect themsel

"সমাজের কল্যানই মানব জীবনের সবচেয়ে বড়ো ব্রত" - নিজেদের সাধ্য মতো সামান্য কিছু পঠন-পাঠন সামগ্রী বিতরণীর মধ্য দিয়েই আজাদী ...
15/08/2022

"সমাজের কল্যানই মানব জীবনের সবচেয়ে বড়ো ব্রত" - নিজেদের সাধ্য মতো সামান্য কিছু পঠন-পাঠন সামগ্রী বিতরণীর মধ্য দিয়েই আজাদী কি মহোৎসব পালন সম্পন্ন হলো আজ |🌼✨

11/08/2022

আজকের এই পবিত্র দিনে
সবাইকে জানাই
রাখী বন্ধনের প্রীতি ও শুভেচ্ছা…
সকল ভাই-বোনের সম্পর্ক
হোক নির্মল ও অটুট..
শুভ রাখিবন্ধন 🌼

07/08/2022

```আগামী 15 আগস্ট আমরা একটা কর্মসূচী করার উদ্যোগ নিয়েছি , স্থানীয় দুঃস্থ শিশুদের শিক্ষা সরঞ্জাম বিতরণের মাধ্যমে লেখাপড়ায় উৎসাহিত করার আমাদের উদ্যোগকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।```❤️

- SMILEY- স্মাইলি

𝗛𝗮𝗽𝗽𝘆 𝗽𝗮𝗿𝗲𝗻𝘁𝘀 𝗱𝗮𝘆🖤✨ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল বাবা মা🖤😌
24/07/2022

𝗛𝗮𝗽𝗽𝘆 𝗽𝗮𝗿𝗲𝗻𝘁𝘀 𝗱𝗮𝘆🖤✨
ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল বাবা মা🖤😌

𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐁𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲 𝐭𝐨 𝐨𝐮𝐫 𝐍𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐅𝐥𝐚𝐠. 🧡🤍💚🇮🇳আজ বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী পতাকার জন্মদিন!১৯৪৭ সালের ২২শে জুলাই, ভারতীয় গণপরি...
22/07/2022

𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐁𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲 𝐭𝐨 𝐨𝐮𝐫 𝐍𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐅𝐥𝐚𝐠. 🧡🤍💚🇮🇳
আজ বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী পতাকার জন্মদিন!
১৯৪৭ সালের ২২শে জুলাই, ভারতীয় গণপরিষদ ভারতীয় তেরঙ্গাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গ্রহণ করেন।
প্রত্যেকটা ভারতবাসীর কাছে দিনটা গর্বের।❤️🇮🇳
𝙅𝙖𝙞 𝙃𝙞𝙣𝙙 🇮🇳 ,𝙑𝙖𝙣𝙙𝙚 𝙈𝙖𝙖𝙩𝙖𝙧𝙖𝙢❤

দূরে থেকেও কাছে থাকে,মনের এক কোণে থাকে,সে নয় নতুন জন,সাঁঝ বাতির মতোথাকে উজ্জ্বল মনেছোট-বড় ভাই-বোন।জীবনের মাঝে,সকাল-সাঁঝে...
19/07/2022

দূরে থেকেও কাছে থাকে,
মনের এক কোণে থাকে,
সে নয় নতুন জন,
সাঁঝ বাতির মতো
থাকে উজ্জ্বল মনে
ছোট-বড় ভাই-বোন।

জীবনের মাঝে,
সকাল-সাঁঝে
মনে দুয়ারে আসে,
এক নিমেষে ইচ্ছে হয়,
ওদের কাছে এসে,
প্রশ্ন করি মনে প‌ড়ে
ছোটবেলার ক্ষণ?
হারিয়ে গেছে সেই বেলা
ফিরে আসবে না কখন।

ছোটবেলাটা বড়োই সুখের,
এক সুন্দর অনুভূতি,
সবটাই জুড়ে আছে
ওদের মধুর স্মৃতি।

চাওয়া-পাওয়ার সীমা ছাড়িয়ে
ঘুচিয়ে দিয়ে ক্লেশ,
মনোমালিন্যের স্মৃতি জড়ানো
সব কিছু ধূলায় মিশুক বেশ।

রক্তের সম্পর্ক বড়ই মায়ার,
এক অদ্ভুত টান,
খানিকটা হলেও মিল থাকে,
হয় না কখনও ম্লান। 🌼

🌼❤️ শুভ জন্মাষ্টমী ❤️🌼
30/08/2021

🌼❤️ শুভ জন্মাষ্টমী ❤️🌼

❤️ এলো উৎসব রাখীর,❤️    🥀কত খুশীর বাহার,🥀বোনেরা বাঁধলো ভাইয়ের কব্জিতে🍂ভালোবাসায় ভরা উপহার..🍂    🌼 শুভ রাখী পূর্ণিমা 🌼
22/08/2021

❤️ এলো উৎসব রাখীর,❤️
🥀কত খুশীর বাহার,🥀
বোনেরা বাঁধলো ভাইয়ের কব্জিতে
🍂ভালোবাসায় ভরা উপহার..🍂
🌼 শুভ রাখী পূর্ণিমা 🌼

Happy Independence Day! 🧡🤍💚
15/08/2021

Happy Independence Day! 🧡🤍💚

🌼 স্বাধীনতা দিবস ...🌼স্বাধীনতা দিবসে মন ...খুশিতে উচ্ছ্বসিত !স্বাধীন দেশের জন্মলগ্নেচঞ্চল হয় চিত্ত !শিহরিত তনুমন ..ভাবে ...
15/08/2021

🌼 স্বাধীনতা দিবস ...🌼

স্বাধীনতা দিবসে মন ...
খুশিতে উচ্ছ্বসিত !
স্বাধীন দেশের জন্মলগ্নে
চঞ্চল হয় চিত্ত !
শিহরিত তনুমন ..
ভাবে আজ এই দিন
আমার ভারত হয়েছিল স্বাধীন ..
কত মানুষের আশা আকাঙ্খার
পূরণের সেই দিনে ...
কত সন্তানহারা পিতা মাতা ...
কত স্বামীহারা স্ত্রী ...
সান্ত্বনা পেল মনে মনে ...
কত শত লোক খুশিতে পাগল !
ওড়ায় জাতীয় পতাকা ...
স্বাধীন দেশের নাগরিকবোধে
মনেতে খুশির রেখা ...
দুইশত সাল ফিরিঙ্গী লোকে
দেশটাকে খেল লুটে !
আজ আমার দেশ , আমার কথার
মূল্য তো আছে বটে ...
আজ আমি স্বাধীন ;
স্বাধীন চিন্তা , স্বাধীন মূল্যবোধ ...
আমাকেই আজ করে যেতে হবে ,
মায়ের ঋণের শোধ ..
আমি আজ খুশি স্বতন্ত্রতায়,
খুশি নয় সব কাজে !
ভারত আমার এগিয়ে চলুক
সাজুক নতুন সাজে ...
সচেতনতায় আধুনিকতায়
জ্ঞানে আর প্রগতিতে ..
সততায় আর ন্যায়নিষ্ঠায়
নাম চাই পৃথিবীতে !
তাই আজ আমি দৃপ্তকন্ঠে ,
জয়হিন্দ বলে ফেলি …
কত শহীদের রক্তে দেশের ,
মুক্তি .. কি করে ভুলি ?

----------------------------------

জয় হিন্দ ... বন্দেমাতরম ..
ভারতমাতা কি জয় ..... 🧡🤍💚

ক্ষুদিরাম বসু(১৮৮৯ -১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ)ব্রিটিশ ভারতের বিপ্লবী। ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩রা ডিসেম্বর মেদিনীপুর জেলার হাবিবপুর গ্...
11/08/2021

ক্ষুদিরাম বসু
(১৮৮৯ -১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ)
ব্রিটিশ ভারতের বিপ্লবী।

১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩রা ডিসেম্বর মেদিনীপুর জেলার হাবিবপুর গ্রামে ক্ষুদিরামের জন্ম হয়। পিতা ত্রৈলোক্যনাথ বসু এবং মা লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী। এঁদের দুই পুত্র শৈশবেই মৃত্যুবরণ করেন। তাই তিন কন্যার পর যখন তাঁর জন্ম হয়, তখন পরিবার-পরিজনের কথা শুনে, তিনি এই পুত্রকে তার বড় বোনের কাছে তিন মুঠি খুদের (শস্যের খুদ) বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। খুদের বিনিময়ে ক্রয়কৃত শিশুটির নাম পরবর্তীতে ক্ষুদিরাম রাখা হয়।

১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর পিতা ত্রৈলোক্যনাথ বসু এবং মা লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবীর মৃত্যু হয়। এই সময় থেকে তাঁকে প্রতিপালন করেন তার বড় বোন অপরূপা'র কাছে। গ্রামের বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার পর তমলুকের 'হ্যামিল্টন' স্কুলে লেখপড়া করেন।

১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে ক্ষুদিরাম ভগ্নীপতি অমৃতের সাথে মেদিনীপুর শহরে চলে আসেন। এই কারণে তমলুক-এর 'হ্যামিল্টন' স্কুল তাঁকে ত্যাগ করতে হয়। ভ্গ্নীপতি তাঁকে মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করে দেন।

১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বিপ্লবীদের একটি নবগঠিত দলে যুগান্তরে যোগদান করেন। ১৯০২-০৩ খ্রিষ্টাব্দে যখন বিপ্লবী নেতা শ্রীঅরবিন্দ এবং সিস্টার নিবেদিতা মেদিনীপুর ভ্রমণ করে জনসম্মুখে বক্তব্য রাখেন। তখন তাঁদের এই বক্তব্য শুনে ক্ষুদিরাম বিপ্লবে যোগ দিতে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ঋষি রাজনারায়ণ বসুর (১৮২৬-১৮৯৯) ভাইয়ের ছেলে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সান্নিধ্যলাভ করেন। উল্লেখ্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু ছিলেন তাঁর শিক্ষক।

১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মেদিনীপুরের কলেজিয়েট ভর্তি হন এবং অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি শিক্ষা লাভ করেন।

১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশী আন্দোলনের দ্বারা ক্ষুদিরাম প্রভাবিত হন এবং পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে সত্যেন বসুর গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন। এই সমিতিতে তিনি আরও কয়েকজনের সাথে শরীরচর্চা ও রাজনৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করতে থাকেন। এই সময় সশস্ত্র বিপ্লবের জন্য নেজেকে তৈরি করার জন্য, পিস্তল চালনা শেখেন। স্বদেশী আন্দোলনের অংশ হিসেবে, তিনি ইংল্যাণ্ডে উৎপাদিত কাপড় পোড়ানো ও ইংল্যাণ্ড থেকে আমদানিকৃত লবণ বোঝাই নৌকা ডোবানোর কাজে ক্ষুদিরাম অংশগ্রহণ করেন।

১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে মেদিনীপুরের এক কৃষি ও শিল্পমেলায় বিপ্লবী পত্রিকা ‘সোনার বাংলা’ বিলি করার সময়, ক্ষুদিরাম প্রথম পুলিশের হাতে ধরা পড়েন, কিন্তু পালিয়ে যেতেও সক্ষম হন। পরবর্তী মাসে একই কাজ করার জন্য তিনি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন এবং আদালতে বিচারের সম্মুখীন হন। কিন্তু অল্প বয়সের জন্য তিনি মুক্তি পান।

১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে বিপ্লবীদের গোপন সংস্থায় অর্থের প্রয়োজনে, হাটগাছায় বিপ্লবীরা ডাকের থলি লুট করেন। ধারণা করা হয় ক্ষুদিরাম এই দলের সাথে ছিলেন। এই বছরের ৬ই ডিসেম্বর নারায়ণগড় রেল স্টেশনের কাছে বঙ্গের ছোটলাটের বিশেষ রেলগাড়িতে বোমা আক্রমণের ঘটনার সাথে তিনি জড়িত ছিলেন বলেও ধারণা করা হয়। একই বছরে মেদিনীপুর শহরে অনুষ্ঠিত এক রাজনৈতিক সভায় সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যপন্থী রাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শিত হলে, তিনি তাতে অংশগ্রহণ করেন।

ক্ষুদিরামের স্বদেশী আন্দোলনের সাথে যুক্ত থাকার জন্য, তাঁর জামাইবাবু সরকারি চাকুরিতে অসুবিধা সৃষ্টি হয়। তাই তিনি ক্ষুদিরামকে অন্য আশ্রয়ে যেতে বলেন। এই সময় তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিলেন মেদেনীপুরের উকিল সৈয়দ আব্দুল ওয়াজেদের বোন।

এই সময় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশী আন্দোলনের কর্মীদের কঠোর সাজা ও দমননীতির কারণে, কলকাতার প্রধান প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড বাঙালিদের অত্যন্ত ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন। বিশেষ করে, আলিপুর আদালত প্রাঙ্গনে 'বন্দেমাতরম' ধ্বনি উচ্চারণ করার জন্য কলকাতার প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড, সুশীল সেন নামক ১৬ বছরের এক কিশোরকে প্রকাশ্য স্থানে বেত মারার আদেশ দেন।

১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে অল্প কাল পরে কলকাতাস্থ মানিকতলায় মুরারীপুকুরে বারীনকুমার ঘোষের বাগান বাড়িতে একটি সশস্ত্র বিপ্লবী দলটি গঠিত হয়েছিল। এই দলটি পরবর্তী সময়ে 'যুগান্তর বিপ্লবী দল' নামে পরিচিতি লাভ করে। যুগান্তর বিপ্লবী দলের পক্ষ থেকে 'কিংসফোর্ড'কে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। নিরাপত্তার কারণে কিংসফোর্ডকে বিহারের মজফফরপুরে বদলি করা হয়। ফলে কিংসফোর্ড'কে হত্যা করার দায়িত্ব পড়ে প্রফুল্ল চাকী ও ক্ষুদিরামের উপর।

১৯০৮ সালের ৩০শে এপ্রিল রাত ৮টার সময় ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী রাতের অন্ধকারে, স্থানীয় ইউরোপীয় ক্লাবের গেটের কাছে একটি গাছের আড়াল থেকে কিংসফোর্ডের গাড়ি ভেবে, একটি ঘোড়ার গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করে। এর ফলে এই গাড়িতে বসা নিরপরাধ মিসেস কেনেডি ও তার কন্যা মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে, পুলিশ সমগ্র অঞ্চল জুড়ে তল্লাসি চালাতে থাকে। ক্ষুদিরাম বসু হত্যাকাণ্ডের স্থল থেকে প্রাণ ২৫ মাইল দূরে ওয়েইনি ১লা মে স্টেশনে ধরা পড়েন। এই সময় অপর বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকীকেও ধরার চেষ্টা করা হলে, তিনি নিজের রিভলবারের গুলিতে আত্মঘাতী হন। তিনি বোমা নিক্ষেপের সমস্ত দায়িত্ব নিজের উপর নিয়ে নেন। কিন্তু অপর কোনো সহযোগীর পরিচয় দিতে বা কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হন নি। ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩০২ ধারা অনুসারে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। ফাঁসির আদেশ শুনে ক্ষুদিরাম বসু হাসিমুখে বলেন যে, মৃত্যুতে তাঁর কিছুমাত্র ভয় নাই।

ফাঁসী কার্যকর করার আগে তাঁর শেষ ইচ্ছা কি জানতে চাওয়া হলে- তিনি বলেন যে, তিনি বোমা বানাতে পারেন। অনুমতি দিলে তিনি তা সকলকে শিখিয়ে দিতে পারেন। বলাই বাহুল্য এই ইচ্ছা ব্রিটিশ কর্মকর্তারা গ্রহণ করেন নি। এরপর এর পরিবর্তে দ্বিতীয় ইচ্ছা পূরণের কথা বলা হলে- তিনি তাঁর বোন অরূপাদেবীর সাথে দেখা করতে চান। কিন্তু তাঁর জামাইবাবুর বাধায় সে ইচ্ছা পূর্ণ হয় নি। তবে মেদেনীপুরের উকিল সৈয়দ আব্দুল ওয়াজেদের বোন (নাম জানা যায় নি), তাঁকে বোনের স্নেহে আশ্রয় দিয়েছিলেন। তিনি বিপদ মাথায় নিয়ে ক্ষুদিরামের সাথে দেখা করেছিলেন।

মজফফরপুর জেলেই ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ১১ আগস্ট ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এই সময় তাঁর বয়স ছিল ১৮ বৎসর ৭ মাস ১১দিন।

❤️ Smiley-স্মাইলি ❤️

❤️🌼 বাবা 🌼❤️যেদিন আমি ছোট ছিলাম, যুবক ছিলেন বাবা ,সেদিন টি আসবে ফিরে যায় কি তা আজ ভাবা ?বাবার কাছেই হাঁটতে শিখি, শিখি চল...
10/08/2021

❤️🌼 বাবা 🌼❤️

যেদিন আমি ছোট ছিলাম, যুবক ছিলেন বাবা ,
সেদিন টি আসবে ফিরে যায় কি তা আজ ভাবা ?
বাবার কাছেই হাঁটতে শিখি, শিখি চলা-বলা,
সারাটি দিন কাটতো আমার জড়িয়ে তার গলা ।
বাবার হাতেই হাতে খড়ি, প্রথম পড়া লেখা,
বিশ্বটাকে প্রথম আমার বাবার চোখেই দেখা ।
আজকে বাবার চুল পেকেছে গ্রাস করেছে জড়া,
তবু বুঝি বাবা থাকলেই লাগে ভুবন ভরা ।
বাবা এখন চশমা পড়েন পার করেছেন আশি-
আজো তাকে আগের মতোই অনেক ভালোবাসি

Address

Baidyabati

Telephone

+919875348595

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smiley - স্মাইলি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share