Orphan Children Foundation

Orphan Children Foundation এতিমখানা ও মাদ্রাসা সাহায্য সহযোগিতার জন্য এই পেইজ

"ঈদের নামাজের আগেই সাদাকাতুল ফিতর আদায় করুন" টাকা দিয়ে সাদক্বাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করা কি বৈধ? _______________সাদক্বাত...
18/03/2026

"ঈদের নামাজের আগেই সাদাকাতুল ফিতর আদায় করুন"

টাকা দিয়ে সাদক্বাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করা কি বৈধ?
_______________

সাদক্বাতুল ফিতর আদায় করা খুবই জরুরি। এর হুকুম নিয়ে মতানৈক্য থাকলেও মোটামোটা ভাবে হাদীস গুলো পড়লে মনে হবে এটা আল্লাহ তাআলা আবশ্যক করে দিয়েছেন। ইবনে উমারের (রা) এর হাদীসে "ফারাদ্বা রাসূলুল্লাহ" শব্দটা অনেক শক্ত, ফলে অধিকাংশ উলামার এইটাকে ফরয বলার পেছনে অনেক সুন্দর যুক্তি মেলে।

আমাদের নবী (সা) এটা আদায় করতে যে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন তাতে খাদ্য দ্রব্যের নাম নিয়েছেন। সেখানে আটা, খেজুর, গম ইত্যাদির কথা বলেছেন।

এখন এই সাদাক্বাহ আদায় করতে যেয়ে খাদ্যের দাম দিলে আদায় হবে কিনা এই নিয়ে আলিমগণের মাঝে দ্বিমত চলে আসছে সেই সালাফের যুগ থেকেই। এ সম্পর্কে ৩টি মতই প্রসিদ্ধঃ

১- খাদ্য দ্রব্যই দিতে হবে, এর মূল্য দিলে আদায় হবে না। এই মতটা অধিকাংশ ফাক্বীহগণের সিদ্ধান্ত। এই ব্যপারে মালেকি, শাফেঈ ও হানবালী আলিমগণ মোটামুটি একমত।

২- খাদ্য দ্রব্য দেয়া ভালো। তবে এর অর্থ দিলেও আদায় হবে। এটা হানাফী মাযহাবের সর্বসাকুল্য রায়। এমনকি ইমাম শাফেঈ থেকেও এমন একটা মত আছে। ইমাম আহমদের ও একটা মত এমন ছিলো।

৩- এই দুই প্রান্তিকতার মাঝখানে আছেন ইমাম ইবন তাইমিয়্যাহ। তিনি বলেছেন, খাদ্য দ্রব্য দিয়ে সাদক্বাতুল ফিতর আদায় করাই হলো মৌলিক নির্দেশ। তবে যদি কোন প্রয়োজন দেখা দেয়, অথবা টাকা দিলে ভালো মনে হয় তাহলে টাকা দিলেও আদায় হবে।

আমাদের শুয়ুখগণ মদীনাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মতটাই গ্রহন করে অন্য কোন মতের দিকে দৃষ্টি দেননি। অনেক শুয়ুখ তো বলেই দিয়েছেন যে, যদি কেও টাকা দিয়ে সাদক্বাতুল ফিতর আদায় করে তাহলে তা আদায় হবে না।

আমার মনে আছে, মদীনায় এই মাসআলাটা বিদায়াতুল মুজতাহিদ পড়ানোর সময় আমাদের শায়খ খুব বিপদে পড়েছিলেন। প্রায় ৯০% ছাত্ররা ছিলো টাকা দেয়া উত্তমের পক্ষে। তখন যে সব কথা গুলো এসেছিলো তা আমার বেশ ভালো লাগে।

১- আমাদের নবী (সা) সাদাক্বাতুল ফিতর আদায় করার জন্য কিছু খাদ্যের নাম বলেছিলেন। যেমন, যব, গম, আটা, কিসমিস, খেজুর ইত্যাদি। এখন যদি আপনি বলেন যেহেতু আমাদের নবী (সা) খাদ্যের নাম করেছেন, তাই খাদ্যই দিতে হবে অর্থ নয়, তা হলে দুইটা প্রশ্ন আসবেঃ

এক- তিনি তো সব খাদ্যের নাম বলেননি, মাত্র কয়েকটির নাম বলেছেন। এখন কোন দেশে ঐ খাদ্য যদি না খাওয়া হয়, অথবা খেলেও যদি সম্মানিতদের খাদ্য মনে করা না হয়, তখন কি করা হবে?

আমরা বাংলাদেশের ছেলেরা বলেছিলাম, আমাদের দেশে ঈদের দিনে কেও গম, যব, বা আটার চেয়ে ভাত খেতে পছন্দ করে। আমাদের উস্তায বলেছিলেন, হাঁ, ভাত (উরুযয) এর মধ্যে আসবে। তখন এক মুখরা ছাত্র বলে উঠলো, তা কেন? ভাতের কথা তো হাদীসে নেই। তাহলে বাংলাদেশের এক লোক যদি গম পাওয়ার পর তা বিক্রী করে চাউল কেনে, এটা জায়েয হবে কিনা? উস্তায বললেন, হাঁ। তখন শুরু হয় হট্টোগোল তাই তো করা হয় টাকাতে। একজনকে বলা হয় এবারের ফিতরার মূল এইটা হয়, তুমি এইটাকা দিয়ে খাদ্য কিনে নিয়ো।

তখন আরেক প্রশ্ন দেখা দেয়, মদীনায় ঈদের দিনে দেখতাম গরিব ছেলেমেয়েরা বসে আছে, আর সৌদীরা গম কিনে তাদের কাছে দিচ্ছে, অমনি তারা ছুটে যেয়ে পাশের হকার দোকানদারের কাছে দিয়ে আসতো। কারণ অতো গম ওর লাগবেনা। কাজেই সে বিক্রি করে টাকা বানাতো। এটা ছিলো মানুষের সামনে ঘটা বিষয়।

উস্তায চুপ করে গেলেন, কারণ প্রকারন্তরে তাদের তো টাকাই দেয়া হলো।

দুই- আরেকটা বিষয় ছিলো হাদীসে সাদক্বাতুল ফিতর দেয়ার সময় আমাদের নবী (সা) অর্থ দিলে হবেনা, এই কথা বলেন নি। কাজেই এটা যদি হারাম হয়, বা টাকা দিলে আদায় না হয় তা হলে তো নিশ্চয় বলা হতো। বলা যেহেতু হয়নি কাজেই দিলে আদায় হয়ে যেতে পারে।

২- যদি এই কথা আসে যে, যেহেতু খাদ্যের কথা বলা হয়েছে, কাজেই তার বাইরে দিলে আদায় হবেনা। তাহলে কিছু কিছু সালাফের একটা আমল এই কথার বিপরীতে চলে যায়। যখন ইসলাম বিভিন্ন দেশে চলে যায়, সেখানে এমন কিছু খাদ্য তারা দেখতে পায় যে গুলো এই হাদীসগুলোতে নেই। সেই ক্ষেত্রে তারা দুইটা কাজ করেনঃ

এক- ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী বলেন, ইমাম বুখারী সচরাচর আহনাফদের বিপরীতে অবস্থান নিলেও সাদাক্বাতুল ফিতর অর্থ দিয়ে আদায় করার ব্যপারে তাদের মতের সাথে একমত হয়েছেন। এইটা করেছেন যাকাতের ব্যপারে মূল জিনিষ না নিয়ে তার পরিবর্তে অর্থ নেয়ার বৈধতার দলীলকে সামনে এনে। তিনি একটা অধ্যায়ের শীরোনাম ও দিয়েছেন, "বাবুল ইওয়াদ্ব" বা একটার বদলে অন্যটা (দেয়ার বৈধতার বিষয়)। এখানে যে সব হাদীস নিয়ে এসেছেন তার মধ্যে একটা হলো মুয়ায (রা) এর হাদীস। তাকে যখন ইয়েমেন পাঠানো হয়, সে সময় তিনি লোকদের ফসলের ক্ষেত্রে যাকাত নিতে যেয়ে গম বা আটার পরিবর্তে কাপড় জাতীয় জিনিষ দিতে বলেছেন, কারণ হিসেবে বলেছেন এইটা তাদের জন্য সহজ, এবং মদীনায় সাহাবীদের জন্য ভালো। মহানবী (সা) এটা সম্মতি দেন।
এই হাদীসে দেখা যাচ্ছে মুয়ায (রা) যাকাতের ক্ষেত্রে মূল জিনিষ (শস্য) না নিয়ে তার মূল্যের কাপড় নিতে চেয়েছেন। এখন যাকাতে যদি মূল জিনিষের পরিবর্তে অন্য জিনিষ নেয়া যায়, তাহলে যাকাতুল ফিতরে তো অবশ্য সম্ভব। এর দ্বারা সাদাক্বাতুল ফিতরে "তাগায়্যুরুন নাও;" বা মূল জিনিষের পরিবর্তে অন্য জিনিষ নেয়ার বৈধতা প্রমানিত হয়। কাজেই টাকা দিয়েও সাদাক্বাতুল ফিতর আদায় করা যাবে।

দুই - যেহেতু খাদ্য সমূহের পরিমান নির্ধারণ করতে যেয়ে মহানবী (সা) খাদ্যের মূল্যের দিকে নযর রেখেছেন, যেমনঃ তিনি কিছু খাদ্যে এক সা' দিতে বলেছেন, আর কিছু খাদ্যে দিতে বলেছেন অর্ধ সা', কাজেই এ থেকে সহজেই অনুমান করা যায় খাদ্য বস্তুর মত টাকা ফিতরায় ধর্তব্য। বুখারীতে উল্লেখ করা হয়েছে, (১৫০৮), আমীর মুয়াওয়িয়া একবার মক্কায় এলে বলেন, আমার মনে হয় সিরিয়ার গমের দুই মুদ্দ খেজুরের এক সা' এর সমান হবে। তার এই বক্তব্য সাধারণ্যে গৃহিত হয়। এতে দেখা যাচ্ছে খাদ্যের মূল্যমান ও সাহাবাগণের নজরে থাকতো। এতে করে খাদ্যের পরিবর্তে টাকা দিলে আদায় হবে তা সন্দেহ থাকেনা।

৩- টাকা দেয়ার ব্যাপারে শুধু আবু হানীফা ইতিবাচক মত দিয়েছেন এমন না। বরং প্রসিদ্ধ তাবেঈ আতা, হাসান বসরী, সাওরী প্রমুখ ও টাকা দিলে আদায় হবে এই মতের পক্ষে। মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বাহ তে অনেক গুলো আসার বর্ণিত হয়েছে, যেখানে আমরা সালাফের বেশ কয়েকজন প্রসিদ্ধ জনকে এই মতের অনুকুলে দেখি।

আবু ইসহাক আস সুবাইয়ি বলেন, আমি তাদের (সাহাবা) অনেককে দেখেছি, রামাদানে তারা খাদ্যের মূল্যে টাকা দিতেন।

হাসান বসরী বলতেন, সাদাক্বাতুল ফিতরে তুমি দিরহাম দিলে সমস্যা নেই। উমার ইবন আব্দুল আযীয যখন খলীফা ছিলেন, সে সময় বসরায় তার গভর্ণরের কাছে চিঠি লিখেন, তাতে টাকার কথা উল্লেখ আছে। উল্লেখ্য উমার ইবন আব্দুল আযীযের সময় ৩ হাজার সাহাবী জীবিত ছিলেন, অথচ এই ব্যাপারে কেও "না" করেন নি। সায়্যিদুনা আবূ বকর (রা) আবুসাঈদ খুদরীর কাছে লিখেছিলেনঃ "যার যাকাত দিতে হবে বিনতে মাখাদ্ব (এমন উটনী যার বয়স এক বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পড়েছে) তার কাছে যদি বিনতে লাবূন ( যে উটনির বয়স দুই বছর) ছাড়া না থাকে তা হলে তাকে দামের পার্থক্য বিশ দিরহাম ও একটা ছাগল দাও। এখানে যাকাতে মূল্যের বিষয় পাওয়া যায়। এই সব গুলোই ইবন আবী শায়বাহ সহীহ সনদে নিয়ে এসেছেন। এসব থেকে বুঝা যায় যাকাত, যাকাতুল ফিতর ইত্যাদিতে মূল্য ধরা যায়। আর এই জন্য ইবনে আবী শায়বাহ তার গ্রন্থে একটা চ্যাপ্টার লিখেছেন, যেখানে তিনি শীরোনাম দিয়েছেনঃ যাকাতুল ফিতর দিরহাম দিয়ে আদায় করা জায়েয প্রসংগে।

৪- সাদাক্বাতুল ফিতরে ঈদের দিনে মুসলমানদের স্বচ্ছল করাই থাকে মূল লক্ষ্য। ইমাম মালেক (র) সহীহ সনদে একটা হাদীস উল্লেখ করেছেন, যাতে এই ধরণের ইংগিত দেয়া আছে। তাছাড়া গরীবদের খাইতে দেয়াও থাকে উদ্দেশ্য। মনে রাখতে হবে গরীবদের খাইতে দিলে ভালো মানের খাওয়া দেয়াও এর মধ্যে শামিল হয়। খাইতে দিলে শধু চাউল আর আটা খেয়ে কেও দিন কাটায় না। তরিতরকারীও কিন্তু দরকার হয়, যা শুধু খাদ্য দ্রব্য দিলে হয়না। তখন ওই গরীবটাকে তার খাদ্য বিক্রী করে অন্যান্য সামগ্রী কিনতে হয়।

আমার মনে হয় এই সব কথা মনে করে ইমাম ইবনে তাইমিয়্যার কথাই আমার কাছে বেশি যুক্তি যুক্ত মনে হয়। তিনি বলেছেনঃ

"وأما إخراج القيمة في الزكاة والكفارة ونحو ذلك، فالمعروف من مذهب مالك والشافعي أنه لا يجوز، وعند أبي حنيفة يجوز، وأحمد ـ رحمه الله ـ قد منع القيمة في مواضع، وجوزها في مواضع، فمن أصحابه من أقر النص، ومنهم من جعلها على روايتين. والأظهر في هذا: أن إخراج القيمة لغير حاجة ولا مصلحة راجحة ممنوع منه... إلى أن قال رحمه الله: "وأما إخراج القيمة للحاجة، أو المصلحة، أو العدل فلا بأس به" أ هـ.

আলমাজমূ' ২৫/৮২, যাকাত কাফফারা ইত্যাদির ব্যাপারে প্রসিদ্ধ মত হলো ইমাম মালেক ও শাফেঈ এর মতে অর্থ দিয়ে আদায় করা জায়েজ নেই। ইমাম আবু হানীফার মতে জায়েয আছে। ইমাম আহমাদ কিছু স্থানে মত দেন নি, কিছু স্থানে মত দিয়েছেন। তার অনুসারীরা সেই কথাই টিকিয়ে রেখেছেন, কেও কেও আবার দুই মত ই গ্রহন করেছেন। বেশি ভালো হলো, কোন প্রয়োজন ছাড়া কিংবা অবস্থার আলোকে ছাড়া টাকায় দিয়ে আদায় করলে তা হবেনা। তবে প্রয়োজন হলে এবং অবস্থার আলোকে কিংবা ইনসাফের জন্য টাকা দিয়ে আদায় করলে জায়েয হবে।

গত বছর আমার এক বন্ধু বড় বড় দুটা বস্তা বোঝায় করে গম নিয়ে আসে আমাদের মসজিদে। আমাকে বললো, শায়খ বস্তা দু'টা একটু নামায়ে নিন। আমি বললাম, ঐটা কি। বললো, গম। সাদাক্বাতুল ফিতরের জন্য নিয়ে এসেছি। আমি হতভম্ব হলাম, লন্ডনে মানুষ গম কিভাবে খাবে? কে বা খাবে। বন্ধু মন খারাপ করলো, বললো, আমাদের শায়খগণ বলেছেন, এই সব ছাড়া টাকা দিলে আদায় হবেনা, কাজেই এই গুলোই আমি দেবো। আমি বললাম, দাও, তো সেন্টারে কেন? বললো, এখানে অনেক গরিব লোক আসে তাদের দিও। আমি বললাম, তোমার গম নেয়ার মত গরিব তো আল্লাহ এই দেশে রাখেন নি। পরে বন্ধু অনেকদিন পর্যন্ত আমার সাথে কথা বলেননি। কারণ আমি তার গম নিয়ে সাদক্বাহ আদায়ে সাহায্য করিনি।

এই সব দেশের অবস্থা অনুযায়ী আমার তো মনে হয় ইবনে তাইমিয়্যাহ, ইমাম বুখারী সর্বোপরি ইমাম আবু হানীফার মতটাই বেশি গ্রহনযোগ্য।

✍ Sheikh Dr M Abdus Salam Azadi

◾ লিখাটা কপি/শেয়ার করুন

﷽অনেক দিন পর পোস্ট লিখা, বিভিন্ন ব্যস্ততায় লিখবো লিখবো বলে সময় হয়ে উঠছিল না.... আবারো মাদ্রাসা ও এতিমখানার মুহতামিম জ...
12/11/2025


অনেক দিন পর পোস্ট লিখা, বিভিন্ন ব্যস্ততায় লিখবো লিখবো বলে সময় হয়ে উঠছিল না.... আবারো মাদ্রাসা ও এতিমখানার মুহতামিম জানালেন কিছু চাউলের বেবস্থা করা যাবে কিনা, বাচ্চাগুলোর জন্য খাবার খাওয়াতে অসুবিধায় পরে যাচ্ছেন । দেশের সবকিছুতে ঊর্ধ্বমুখী দাম। তাই তারা খুব করে আবেদন করেছেন। অন্তত কিছু চাউলের ব্যবস্থা যেন করে দেয়া হয় আপনাদের মাধ্যমে।

নিচের ঠিকানায় খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত যেনে বুঝে সাদাকাহ/হাদিয়া পাঠাতে পারেন ।
এবং চাইলে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য চাউল, সবজি, মাছ মাংস পারপাসে আমাদের খাবারের যে সারা বছর চলমান প্রজেক্ট আছে সেখানে আপনার হাদিয়া পাঠাতে পারেন নিয়মিত প্রতিমাসে।

আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে ঢাকায় মেয়েদের ও ছেলেদের দুইটা মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং কুমিল্লাতে আরেকটা মাদ্রাসা চলোমান, পাশাপাশি নির্মাণের কাজ চলছে আলহামদুলিল্লাহ।
এই মাদ্রাসা গুলোতে এতিম অসহায় শিশুদের কে বিনামূল্যে ইলম শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে তিন বেলা খাওয়া-দাওয়া এবং কিতাবাদি সহ পোশাক দেওয়া হয়। তাই আপনাদের কিছুটা সাহায্য পেলে আমাদের জন্য এই দ্বীনের ইলম শিক্ষা দিতে ও মাসিক শিক্ষদের বেতন সহ আনুষাঙ্গিক কাজ গুলো করতে অনেকটা সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ। তাই এই আবেদন,,,,,

📌 #নোট
এক বস্তা আটাশ নামের চাউলের 50 কেজি বস্তার দাম পরে (28/3000) হাজার টাকা।
আরো ইকটু ভাল মানের চাউল দিতে চাইলে তাহলে মিনিকেট চাউল দিতে পারেন সেই চাউলের প্রতি 50 কেজির বস্তার দাম পরে 42-43 শো' টাকা) করে।
বিভিন্ন চাউলের বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডের উপর নির্ভর করে দামের ভিন্নতা দেখা যায় এমন আর কি।

আল্লাহ্ আজ্জা ওয়াজাল বলেন,
وَيُطْعِمُوْنَ الطَّعَامَ عَلَى حُبِّهِ مِسْكِيْنًا وَيَتِيْمًا وَأَسِيْرًا
❝ ‘নিশ্চয়ই মু'মিনরা আল্লাহর প্রতি ভালবাসার
টানে খাদ্য দান করে অভাবী, ইয়াতীম ও কয়েদীদেরকে।❞
(সুরা: দাহর ৭৬/৮)
সুবহানাল্লাহ, আমরা চাইলেও মাদ্রাসার এই অসহায় ক্ষুধার্ত দরিদ্র ইয়াতিম ত্বলবে ইলমদেরকে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দানের মাধ্যমে মহান আল্লাহ্ ﷻ- এর নির্দেশ পালনকারী বান্দা হিসাবে গণ্য হ’তে পারি। ইং শা আল্লাহ বিইজনিল্লাহ।

••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
✅হাদিয়া পাঠানোর মাধ্যম ⬇️
এখানে দুনোটাই পার্সোনাল বিকাশ এবং নগত নাম্বার।

(01924687699)
মাওঃ রাকিবুল ইসলাম।

(01766554111)
NASIR ABDUL MALIK

✅রেফারেন্সে লিখে দিবেন (R/Rice) project- এ পাঠাচ্ছেন।

ঠিকানা: বাউনিয়াবাঁধ ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা।
স্থাপিত: ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্লগ-ডি, বাউনিয়াবাঁধ,
মিরপুর ১১, পল্লবী।
ঢাকা - ১২০৬

(হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল)
আল্লাহ্ রব্বুল ইজ্জাহ-তাওফিক দান করুন, আমীন 🤍
আরো কিছু জানার থাকলে আমাকে ইনবক্স করতে পারেন কেবল মাত্র বোনেরা ⚠️

"জাযাকুমুল্লাহ্ খয়রন ফী-দ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্" 💕

আলহামদুলিল্লাহ, এবারের 2025 এর ঈদ উল ফিতর এর ঈদের আনন্দ এভাবেই অসহায় দরিদ্র মানুষদের ও পথশিশুদের মাঝে নতুন পোশাক ও গরম ...
02/04/2025

আলহামদুলিল্লাহ, এবারের 2025 এর ঈদ উল ফিতর এর ঈদের আনন্দ এভাবেই অসহায় দরিদ্র মানুষদের ও পথশিশুদের মাঝে নতুন পোশাক ও গরম খাবার উপহার দিয়ে শুরু হয়েছিল, আমাদের 🕯️🤝 বদরী সদস্য সাদাক্বাহ গ্ৰূপ 🤝🕯️ গ্রুপের মাধ্যমে প্রিয় সাথী বোনদের কে সাথে নিয়ে। আমাদের ভলান্টিয়ার ভাইয়েরা ঈদের আগের সারারাত নির্ঘুম থেকে এই কাজগুলো আনজাম দিয়েছেন। তারপর ফজরের নামাজের শেষে পথে পথে অলিগলিতে অসহায় দরিদ্র মানুষদের খুঁজে খুঁজে আমানাহ গুলো পৌঁছে দিয়েছেন। আল্লাহ্ ﷻ আমাদের সকলের এই মেহনতকে কবুল করুন। আমরা যা কিছু করছি শুধু কেবল আল্লাহ আজ্জা ওয়াজাল মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করছি, কেবল তিনিই খুশি হয়ে যান, কবুল করুন, আমীন 🤲 🤍।

আমার প্রিয় রসূলজি ﷺ- ইয়াতিমদের প্রতি ছিলেন অত্যন্ত সংবেদনশীল। সাহল ইবনে সাদ রাঃ বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি এবং ইয়াতিমদের লালন পালনকারী জান্নাতে এমন ভাবে থাকব, এই বলে তিনি তাঁর শাহাদাত আঙ্গুল ও তর্জনী আঙ্গুল একসাথে মিলালেন। বুখারী।
ইয়াতিমের মাথায় হাত বুলানোর কত বরকত, ইয়াতিমকে একটু আদর সোহাগ দেওয়া তার খোজ খবর নেওয়া কত মর্তবা। আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট আসল, এসে বলল হে আল্লাহর রাসুল, আমার হৃদয় খুব কঠিন, আমি কি করলে আমার হৃদয় নরম কোমল হবে। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি এতিমের মাথায় হাত রাখ আর মিসকিনকে খাবার দাও। (আত্তারগীব ওয়াত্তাহরীব)। এই দুই আমল হৃদয়ের কঠিন্য দুর করে দেয়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন ‘যে ব্যক্তি কোনো ইয়াতিমকে আপন মাতা-পিতার সঙ্গে নিজেদের (পারিবারিক) খাবারের আয়োজনে বসায় এবং তাকে এই পরিমা খাবার দেয় যে, সে পরিতৃপ্ত হয়ে আহার করে, তাহলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। (মুসনাদে আহমাদ)।

আল্লাহ তায়ালা সুরা মাাউনে ইয়াতিমদের সাথে রূঢ় আচরণকারীকে লক্ষ করে রাসুল্লাহ সা. কে বলেন, আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচার দিবসকে মিথ্যা বলে? সে তো সেই, যে ইয়াতিমকে রূঢ়ভাবে তাড়িয়ে দেয় এবং মিসকিনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না। (সুরা মাউন)।

আল্লাহতে বিশ্বাসী, আখেরাতে বিশ্বাসী, প্রিয় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ভালবাসার দাবীকারী কেউ ইয়াতিমের সাথে খারাপ আচরণ করতে পারে না। ইয়াতিমক দরিদ্র অসহায় দেরকে ভালবাসা তার ইমানের দাবী।
মহান রব আমাদেরকে ইয়াতিম অসহায়দেরকে ভালবাসার তাওফিক দিন। জান্নাতে আমার প্রিয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশে থাকার তাওফিক দিন। আমীন।
🌙🌸
এই সুন্দর কাজের সাথে যারা যারা সাথে ছিলেন তাদের সবাইকে অনেক অনেক"জাযাকুনুল্লাহ্ খয়রন ফী-দ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্"

ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺗَﻘَﺒَّﻞْ ﻣِﻨَّﺎ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺴَّﻤِﻴﻊُ ﺍﻟﻌَﻠِﻴﻢُ

হে আমাদের রব,আপনি আমাদের কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি সর্বশ্রোতা এবং জ্ঞানী
تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ

অর্থ: আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের এবং আপনাদের সৎকর্মগুলো কবুল করুন।

꧁ 🕌🕌꧂

﷽🌙🌸𝐀𝐬𝐬𝐚𝐥𝐚𝐦𝐮a𝐥𝐚𝐢𝐤𝐮𝐦𝐄𝐈𝐃  𝐌𝐔𝐁𝐀𝐑𝐀𝐊আলহামদুলিল্লাহ, ইয়াতিম অসহায় পথ শিশুদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করার জন্য সবকিছুর প্রসেসিং ...
30/03/2025

﷽🌙🌸
𝐀𝐬𝐬𝐚𝐥𝐚𝐦𝐮a𝐥𝐚𝐢𝐤𝐮𝐦
𝐄𝐈𝐃 𝐌𝐔𝐁𝐀𝐑𝐀𝐊
আলহামদুলিল্লাহ, ইয়াতিম অসহায় পথ শিশুদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করার জন্য সবকিছুর প্রসেসিং চলছে, সে এক অন্যরকম প্রস্তুতি,,,
কাল সকালেই সব হকদারদের হাতে হাতে পৌঁছে যাবে ইং শা আল্লাহ বিইজনিল্লাহ..... এত্তো খুশি লাগতেছে সুবহানাল্লাহ.... আমি কিন্তু ভীষণ এক্সাইটেড এই ছবি ভিডিও গুলো দেখে!! আর আগামীকাল ঈদের দিন ওদের হাসি মাখা মুখ গুলো দেখার অপেক্ষায়...

আমাদের প্রিয় নাবী রসূলুল্লাহ ﷺ- শিশুদের প্রতি ভালোবাসা ও অনেক স্নেহ করতেন। শিশুদের প্রতি তাঁর এই অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা ইতিহাস চিরদিন মনে রাখবে।
এ সম্পর্কে মহানবী রসূলুল্লাহ ﷺ-বলেছেন,
لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيُوَقِّرْ كَبِيرَنَا
অর্থ: “যে ব্যক্তি শিশুদেরকে স্নেহ করে না এবং বড়দেরকে সম্মান দেখায় না সে আমাদের দলভুক্ত নয়”। (তিরমিজি, ইফা : ১৯২৫)

রসূলুল্লাহ ﷺ- অসহায় শিশুদের মনের অভিব্যক্তি বুঝতে পারতেন। তাদের চাওয়া-পাওয়া মান-অভিমান সবই আপন করে নিতে পারতেন। ছোটদেরকে দেখলে আনন্দে নবীজির বুক ভরে যেত। তিনি তাদেরকে বুকে জড়িয়ে ধরতেন। শিশুরা কাছে এলে তাদেরকে কোলের উপর বসিয়ে খেজুর চিবিয়ে খাওয়াতেন, চুমু দিতেন। শিশুদের কষ্টের কথা ভেবে তিনি ফরজ নামাজের জামায়াত সংক্ষিপ্ত করার কথা বলেছেন। তাই শিশুরাও একাকার হয়ে যেত নবীজীর ভালোবাসায়। বিশ্বনবী হয়েও তিনি শত ব্যস্ততার মাঝে শিশুদের খোঁজখবর নিতেন ‌ও নতুন জামা-কাপড় কিনে দিতেন.....
আল্লাহ্ ﷻ আমাদেরকেও এই সুন্নাহ অনুসরণের উসিলায় জান্নাতে রসূলুল্লাহ ﷺ-এর পাশাপাশি থাকার তাওফিক দান করুন,, আমীন 🤲
تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
✿ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের এবং আপনাদের সৎকর্মগুলো কবুল করুন ✿
। ꧁ 🕌🕌꧂

27/03/2025

আমাদের ভলেন্টিয়ার মাওলানা আরিফ ভাইয়ের ঘরটা হঠাৎ করেই ৫ দিন আগে রমাদানে পাশের বাড়িতে আগুন লেগেছিল সেখান থেকে ওনাদের ঘরটাও আগুন লেগে একদম পুড়ে ছাই ছাই হয়ে গেছে। বাচ্চাগুলোকে নিয়ে কোনভাবে নিরাপদে ঘর থেকে বের হতে পেরেছিলেন আলহামদুলিল্লাহ। ঘরের সদস্য গুলো ছাড়া আর কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকে নাই ভয়াবহ আগুনের গ্রাস থেকে। আপনাদের সহায়তায় (এক লক্ষ টাকা) ওনাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখান থেকে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনেছেন আলহামদুলিল্লাহ । উনি ভীষণ লাজুক প্রকৃতির সহজে কারো কাছে হাত পাততে চান না কিন্তু এই বিপদে কিছুই এখন উনার করার নাই একেবারে নিঃস্ব নিরুপায় হয়ে গেছেন।

কিন্তু এখন মেইন উনাকে একটা নিরাপদে পরিবার নিয়ে থাকার জন্য ঘর বাবদ খুব করে উনি আবেদন করেছেন আপনাদের কাছে। যদি সম্ভব হয় বোনেরা উনাকে ভুলে যাইয়েন না যখন যতোটুকু যার সামর্থ্য হয় তা দিয়ে ওনাকে স্মরণে রাখিয়েন আল্লাহুর জন্য।
যাকাত দিয়েও শরিক হতে পারেন ইং শা আল্লাহ।
ওনাকে সাদাকা পাঠানোর আরো ডিটেলস জানতে আমাকে ইনবক্স করতে পারেন।

💞
27/03/2025

💞

22/03/2025

(রমাদ্বন ফুড প্রজেক্ট 2025)
এবার রামাদানে স্পেশাল কিছু সম্মানিত মানুষদের জন্য আলাদাভাবে এই ফুড প্যাকেট গুলো করে দেয়া হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। ভিডিওতে আরো বিস্তারিত বলা আছে।
যারা এই উত্তম কাজকে আঞ্জাম দিতে সহায়তা করেছেন আল্লাহ্ ﷻ- তাদেরকে দুই জাহানে সম্মানিত করুন, নেক দুআ গুলো কবুল করুন।

যায়েদ ইবনে খালেদ আল-জুহানি (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নাবী মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করাবে সে রোজাদারের সম পরিমাণ সওয়াব পাবে; রোজাদারের সওয়াব থেকে একটুও কমানো হবে না।”
[সুনানে তিরমিযি (৮০৭)]

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন: “রোজাদারকে ইফতার করানো দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে- তাকে পেট ভরে তৃপ্ত করানো।”
[আল ইখতিয়ারাত, পৃষ্ঠা-১৯]

সলফে স্বলেহিনরা খাবার খাওয়ানোর ক্ষেত্রে অগ্রণী ছিলেন এবং তাঁরা এটাকে মহান ইবাদত মনে করতেন।

যাকাত এবং সাদাকাতুল ফিতর যারা দিতে আগ্রহী তারা ইনবক্স করতে পারেন ইনশাল্লাহ।

আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দেওয়া ইফতার ও সাহুর বাবদ হাদিয়া থেকে প্রতিদিন এভাবে করে আমাদের সবগুলো মাদ্রাসায় ও এতিমখানায় খ...
20/03/2025

আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দেওয়া ইফতার ও সাহুর বাবদ হাদিয়া থেকে প্রতিদিন এভাবে করে আমাদের সবগুলো মাদ্রাসায় ও এতিমখানায় খাবারের আয়োজন করা হচ্ছে। সবার জন্য অনেক বেশি দোয়া এই ছাত্রদেরকে নিয়ে করা হয়। আল্লাহ আপনাদের সকলের নেক দোয়াগুলোকে কবুল করে নেন রমাদানের ভরপুর নেকি হাসানা হাসিল করার তাওফীক দান করুন, লাইলাতুল ক্বদর নসিব করুন, দুনিয়া আখেরাতে সম্মানিত করুন খয়ের এবং আফিয়াতের সাথে আমীন।

এই লাশ বহনকারী খাটিয়াটা  এক আপু দিলেন আল্লাহ্ ﷻ- এর সন্তুষ্টির জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ কবুল করুন।একদিন আপনাকে আমাকে...
19/03/2025

এই লাশ বহনকারী খাটিয়াটা এক আপু দিলেন আল্লাহ্ ﷻ- এর সন্তুষ্টির জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ কবুল করুন।
একদিন আপনাকে আমাকে এভাবে সবাইকে এই খাঁটিয়াতেই শায়িত হতে হবে । শেষ গোসলটা আমাদের কেমন যানি হয় তাই না!?
ভাবতেই শরীর হীম হয়ে আসে না.......
হ্যাঁ এটাই সত্য।
একা এসেছি একাই চলে যাব সাথে শুধু নেক আমল টাই যাবে আখেরাতের ডিপোজিট হিসেবে।
তাই দুনিয়াতে সাদাকায়ে জারিয়ার এ কাজগুলো করে যাওয়ার তাওফিক আল্লাহ রব্বুল ইজ্জাহ আমাদের সবাইকে দান করুন।

Easy Zakat Calculator | যাকাতের হিসাব করুন খুব সহজে
25/02/2025

Easy Zakat Calculator | যাকাতের হিসাব করুন খুব সহজে

দুই মিনিটে যাকাতের হিসাব করুন ও PDF ফাইলে ডাউনলোড বা প্রিন্ট করুন

সূরা আরাফ শুরু করলামআরাফে একটা ইন্টারেস্টিং ফেক্ট পেলামছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি যে  আখিরাতের পরিণাম হলো বাইনারিহয় জান্না...
21/02/2025

সূরা আরাফ শুরু করলাম

আরাফে একটা ইন্টারেস্টিং ফেক্ট পেলাম

ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি যে

আখিরাতের পরিণাম হলো বাইনারি

হয় জান্নাত নয় জাহান্নাম

অথচ এই সুরার মাধ্যমে আমাদের জানানো হলো যে

না!

জান্নাত আর জাহান্নামের মাঝামাঝিও আরেকটা লোকেশন আছে

লোকেশনটার নাম আরাফ!

এই জায়গার নাম অনুসারেই এই সূরার নাম করন

"আরাফ" হবে তাদের জন্য

যারা এতটাও ভালো কাজ করেনি যেঁ জান্নাতের টিকেট পেয়ে যাবে

আবার এতটাও খারাপ কাজ করেনি যেঁ জাহান্নামে যেতে হবে

এ যেন মিডেল ক্লাসদের চরণ ভূমি!

এই আরাফবাশি সবসময়ই আশায় থাকবে যে

তাদেরকে যেন কোন না কোন সময় জান্নাতে আপগ্রেড করা হয়. [১]

এই আরাফ ছাড়াও হাশর আরেকটা ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট আমাদের অনেকেরই অজানা

আর সেটা হলো কান্তারা!

আমরা মনে করি

"কোনো রকমে পুলসিরাত পার হইতে পারলেই বাঁচি!"

ভুল!

পুলসিরাত পার হতে পারলেই জান্নাত নয়

পার হতে পারলে অপেক্ষা করবে মুমিনদের জন্য ফাইনাল পরীক্ষা।

হাশরের দিনে বিশাসীদের বিচার হবে দু বার

এক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পূর্বে

আরেক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পরে

জি ঠিকই শুনেছেন

পূর্বের বিচার হবে

"স্রষ্টার হক নষ্ট করার বিচার"

আর পরের বিচার হবে

"বান্দার হক নষ্ট করার বিচার"

আর যে জায়গাটায় বিচারটি হবে

সেই জায়গাটির নামই হলো "কান্তারা"

আল-কান্তারাহ হলো সিরাতের পর আরেকটি ছোট সিরাত

বিস্বাসীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে

তারা এই কান্তারার উপর দিয়েই প্রবেশ করবে

এবং স্রষ্টা এই কান্তারার উপরেই মুমিনদের মধ্যকার আন সেটেলড ইস্যুস গুলো রিসোলভ করবেন [২]

কল্পনা করুন,

একজন ব্যক্তি আল-কান্তারাহ-তে জান্নাতের দরজার অলমোস্ট দ্বারপ্রান্তে

অথচ সে সেথায় ঢুকতে পারছে না

কারণ তার সব সৎকর্মগুলো যা নিয়ে নিয়ে সে বড়াই করতো সব শেষ

উলটো তাকে জাহান্নামে টেনে নিয়ে হচ্ছে

সেই হতোভাগাকে আপনি তখন কী বলবেন?

আমার রাসুল অবশ্য সেই হতভাগা কে ডিফাইন করেছেন "মুফলিস" হিসেবে

"মুফলিস" অর্থ হলো দেউলিয়া বা ব্যাংকরপ্টড

রাসূল বলেছেন

“তোমরা কি জানো , কে আসল দেউলিয়া?”

সাহাবারা উত্তর দেন

“যার কাছে অর্থ বা সম্পদ কিছুই নেই সে ইয়া রাসূলুল্লাহ?”

রাসূল বললেন

“না! আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি

যেই ব্যক্তি কিয়ামতের দিনে অনেক নামাজ, অনেক রোজা ও অনেক সদকা নিয়ে উপস্থিত হবে

অথচ সে দেখতে পাবে যে

সে ঐ দিনে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে কারণ জীবদ্দশায়

সে অন্যদের গালি দিয়ে বেড়াতো

অন্যদের অপবাদ দিয়ে বেড়াতো

অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াতো

অন্যের রক্তপাত ঘটিয়ে বেড়াতো এবং

অন্যকে প্রহার করে বেড়াতো

আজ তার সব সৎকর্মগুলো ভুক্তভোগীদেরকে ট্র্যান্সফার করে দিতে হচ্ছে

শুধু তাই না

যদি তার ভালো কাজগুলো ক্ষতিপূরণ গুলোকে কভার করতে না পারে

তাহলে তাদের পাপ গুলোও তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে

এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” [৩]

তাই বলছি

আপনার যারা নামাজ রোজা সাদাকার পাশাপাশি

আপনার মুখের স্পিচ দিয়ে অন্যদের কষ্ট দিয়ে বেড়াচ্ছেন

কিংবা আমল দিয়ে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াচ্ছেন

তাদের জন্য একটাই কথা

দেখা হবে বন্ধু

দেখা হবে কান্তারায়!

লিখেছেন: Samiul Huq

বরাবরের মতো আমাদের 4টা মাদ্রাসা ও এতিমখানার জন্য রমাদ্বন প্রযেক্ট 2025 আল্লাহ্ ﷻ-নামে শুরু করছি। আল্লাহ্ ﷻ সবাই কে শরিক ...
07/02/2025

বরাবরের মতো আমাদের 4টা মাদ্রাসা ও এতিমখানার জন্য রমাদ্বন প্রযেক্ট 2025 আল্লাহ্ ﷻ-নামে শুরু করছি। আল্লাহ্ ﷻ সবাই কে শরিক হ‌ওয়ার তাওফিক দিন।
*
সিয়ামরত ব্যক্তিকে ইফতার খাওয়ানো অনেক ছাওয়াবের কাজ। আর তা যদি হয় তলবে ইলমদের তাহলে তো কথাই নেই।
*
পাশাপাশি আমাদের মাদ্রাসার অতি গরিব স্টুডেন্টদের পরিবারদেরকেও যাকাতের টাকা দিয়ে মালিক বানিয়ে তাদের হাতে দিয়ে রমাদ্বনের প্রয়োজন মেটানো যায়।
আর আপনাদের যাকাতের অর্থ ঘর নির্মাণ অসুস্থতা কর্মসংস্থান এরকম নানাবিধ প্রয়োজনে ব্যক্তিকে মালিক বানিয়েও দিতে পারেন আমাদের কাছে অথেন্টিক সোর্সের অনেক আবেদন আছে।

যায়েদ ইবনে খালেদ আল-জুহানি (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নাবী মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করাবে সে রোজাদারের সম পরিমাণ সওয়াব পাবে; রোজাদারের সওয়াব থেকে একটুও কমানো হবে না।”
[সুনানে তিরমিযি (৮০৭), সুনানে ইবনে মাজাহ (১৭৪৬), ইবনে হিব্বান তাঁর সহিহ গ্রন্থ (৮/২১৬) এ এবং আলবানি তাঁর ‘সহিহ আল-জামে’ গ্রন্থ (৬৪১৫) হাদিসটিকে ‘সহিহ’ বলেছেন।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন: “রোজাদারকে ইফতার করানো দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে- তাকে পেট ভরে তৃপ্ত করানো।”
[আল ইখতিয়ারাত, পৃষ্ঠা-১৯]

সলফে সালেহিনরা খাবার খাওয়ানোর ক্ষেত্রে অগ্রণী ছিলেন এবং তাঁরা এটাকে মহান ইবাদত মনে করতেন।

জনৈক সলফে সালেহিন বলেছেন: “দশজন সাথীকে দাওয়াত দিয়ে তাদের পছন্দসই খাবার খাওয়ানো আমার কাছে দশজন গোলাম আজাদ করার চেয়ে প্রিয়।” সুবাহানাল্লাহ।
আল্লাহ্ ﷻ আমাদেরকেও তাওফিক দান করুন, আমীন।

Address

Southsea

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Orphan Children Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share