18/10/2024
মুসলমানরা শুকরের মতো অসংখ্য বাচ্চা জন্ম দেয়, আর কুকুরের মতো মরে। হাজারে হাজারে মরে, যেভাবে কুকুরও মরে না।
তারা জনসংখ্যা বৃদ্ধি করে ইসলামি জঙ্গিবাদ দিয়ে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী নিধন করে পুরা পৃথিবীকে ইসলামি করণ করতে চায়। এই আইডিওলজি বাস্তবায়ন করার জন্য তারা সবরকম অপরাধ করে। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধ কার্যক্রমে পৃথিবীর সব মুসলমান এক ও ঐক্যবদ্ধ, এখানে তারা কোনো ভিন্ন ধর্মাবলম্বী জাতির উপর ন্যায়-অন্যায়ের বিচার করে না, তারা সবাই এক জোট হয়ে যায়, শুধুমাত্র ইসলামী স্বার্থ এবং মুসলিম উম্মাহের পক্ষাবলম্বন করে। এই সংঘবদ্ধ অপরাধের জন্য তারা সবকিছু করে। কিন্তু শেষে রক্ষা করতে পারে না। তারা সবংশে নিধন হয়ে যায়! উদাহরণ - গাজা, লেবানন, ইরাক, সিরিয়া। তারপরও তাদের শিক্ষা হয়না, তাদের মোল্লারা মাদ্রাসা-মসজিদ, ওয়াইজ মাহফিল হতে মুসলমানদেরকে পরকালের ভয় দেখিয়ে এবং "আল্লাহ বলেছেন", "নবী বলেছেন" এসব বলে তাদেরকে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী বিদ্বেষী উগ্র জঙ্গি জাতি হিসেবে গড়ে তোলে।
যতোদিন চীনের মতো মুসলমানদের মোল্লাদের মুখ আর মাদ্রাসা-মসজিদ বন্ধ করা না যাচ্ছে ততোদিন তারা অন্যদেরকেও শান্তিতে থাকতে দেবেনা, নিজেরাও শান্তিতে থাকতে পারবে না। পৃথিবীর শান্তির জন্য বিষবৃক্ষ ইসলামের আইডিওলজির ধারক-বাহক এবং চর্চাকেন্দ্রসমূহের নিধন অপরিহার্য।
ইজরায়েল তার মানুষদের নিরাপত্তার জন্য ফিলিস্তিনের গাজাসহ তার আশেপাশের ইসলামী জঙ্গিদের দেশগুলো পরিষ্কার করছে, ভারতকেও তার নিজের নিরাপত্তার জন্য তার পেটের ভিতর গড়ে উঠা এক টুকরা উগ্র সাম্প্রদায়িক জঙ্গিগোষ্ঠী'র দেশ বাংলাদেশকে পরিষ্কার করতে হবে নইলে রক্ষা নাই। বাংলাদেশে জামাতশিবিরের জঙ্গিবাদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে প্রচুর হিন্দুদের মন্দির মূর্তি ধ্বংস করা হয়েছে, হিন্দুরা তাদের জীবন ও ধর্ম রক্ষা করতে পারছে না, হিন্দুদের জীবন এবং ধর্ম নাকি ইসলামে নিষেধ, ১৯৭১ এর পর প্রচুর হিন্দু ভারতে চলে গেছেন। এখন হিন্দুদের বাংলাদেশ ছাড়ার হিড়িক পড়েছে, দেশ ত্যাগের জন্য পাসপোর্ট অফিসে হিন্দুদের সংখ্যা আগের চেয়ে অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকে ভরতে চলে গেছেন, অনেকে প্রক্রিয়াধীন আছেন, যারা চলে যেতে পারছেন না তাদের সবাই আতংকে আছেন, অনেক ইসলামী রাজনীতিতে যুক্ত হতে বাধ্য হয়েছেন, অনেকে মুসলমান হতে বাধ্য হয়েছেন।
মুসলমানদের দ্বারা বর্তমানে হিন্দুদের মন্দির ও পূজার অনুষ্ঠানে জোর করে এবং বিভিন্ন উপায় করে বা ইনিয়ে বিনিযে ইসলাম প্রচার, কোরান তেলওয়াত, ইসলামের মাহাত্ম্য প্রচার করার ঘটনা নজিরবিহীনভাবে দৃশ্যমান হয়েছে।
মুসলমানদের মাইকের আওয়াজে কেউ ঘুমাতে না পারলেও হিন্দুদের বাড়িতে টুকটাক ঘন্টা বাজিয়ে দৈনন্দিন পূজা বন্ধ না করলে তাদেরকে বাড়ি ছেড়ে দিতে বলা হচ্ছে, হিন্দুদের জায়গা-জমি দখল করার জন্যও এই বিচারহীনতার ইসলামিস্টদের শাসনামলে হিন্দুদেরকে তাদের পূর্বপুরুষদের ভিটামাটি হতে উচ্ছেদ করান হচ্ছে, তাদেরকে হত্যা করা হচ্ছে। ইসলামের প্রদত্ত নির্দেশাবলি অনুযায়ী গাজওয়ায়ে হিন্দ জিহাদের মাধ্যমে ভারত দখল করে ভারতের সব হিন্দুদেরকে নিধন করে ভারতে ইসলাম প্রতিষ্ঠান গোপন স্বপ্ন ও ষড়যন্ত্র লালন করছে, ভারতের চিকেন নেক এবং সেভেন সিস্টার দখলের হুমকি দিচ্ছে। বাংলাদেশের ভিতরে ইসলামিস্টরা মাদ্রাসার পাশাপাশি সাধারন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোরও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদেরকে দিয়ে তাদের আইডিওলজি বাস্তবায়নের শক্তি হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে, সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের সুবিধামতো প্রচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে, যেকোনো ঘটনাকে ভিন্ন দিকে মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছে, হিন্দুদের উপর নির্যাতনকে হিন্দুদের কাজ, র এর কাজ, ভারতের কাজ বলে প্রচার করা হচ্ছে, মুসলমান হিসেবে ধরা পড়লে তাদেরকে পাগল আখ্যা দেয়া হচ্ছে। পক্ষান্তরে বিভিন্ন টুকটাক ঘটনায় মুসলমানদের ধর্ম বা তাদের নবীকে ব্যবহার করে ধর্মীয় অনুভূতি, অবমাননা, কটুক্তি এসবের ধোঁয়া তুলে দেশ গরম করে উঠতি বয়সী হিন্দু যুবক দেরকে ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
বাংলাদেশের মুসলমানরা ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান, হামাস, হুতি, হিজবুল্লাহ, আইসিসের কট্টর ভক্ত, তাদেরকে শান্তির ধর্ম ইসলামের নির্দেশের কথা বলে সহজেই দেশকে আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক, ইরান, সিরিয়া বানিয়ে দেওয়া সম্ভব। এই জঙ্গিরা আশা করবে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং চীনকে ব্যবহার করে ভারতকে ধ্বংস করবে। পক্ষান্তরে, আমেরিকা, চীন এবং পাকিস্তান চাইবে ভারতকে ধ্বংস করতে হলে বাংলাদেশে ইসলামীস্টদেরকে ব্যবহার করে হামাস, হুতি, হিজবুল্লাহর মতো জঙ্গি গোষ্ঠী গড়ে তোলা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হবে।
এখানে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি শুধুমাত্র ভারতের এবং হিন্দুদের, মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র ইজরায়েলের মতোই। তাই এখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি নির্মূলের জন্য একমাত্র ভারতকেই কাজ করতে হবে, অন্য কেউ আসবে না। তবে এক্ষেত্রে তাদের আমেরিকাকে হাতে রেখে কাজ করাটা একান্ত প্রয়োজন। কেননা চীন এবং পাকিস্তান কখনো সরাসরি ভারতে হামলা করবে না, করবে ইসলামী জঙ্গিবাদী বাংলাদেশ, ইজরায়েলের জন্য গাজা যেভাবে গড়ে উঠে ইজরায়েলের হুমকি হয়ে পড়েছিল সেরকমই।
সময় থাকতেই ভারতকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তৈরি থাকতে হবে, বাংলাদেশে আক্রমণ করে কিছু জঙ্গি গোষ্ঠী ধ্বংস করে বুঝিয়ে দিতে হবে, বাংলাদেশের হিন্দুদের জীবন ও ধর্ম রক্ষার ক্ষমতা ও ইচ্ছা ভারতের আছে, এখানকার হিন্দুরা নিরাপদ, ভারত নিষ্ক্রিয় নয়, ভারতের আক্রমণ ঠেকাতে আর বাংলাদেশের জঙ্গি মুসলমানদেরকে বাঁচাতে ব্যবসায়ী চীন, দুর্বল অর্থনীতির পাকিস্তান, কিংবা ইসলামী ইরান কখনো আসবে না, কেউই একটা গুলি ফুটাবে না।