জিহাদী ধর্মের দ্বারা সংখ্যালঘু নির্যাতন-নির্মূল বন্ধ হোক।

  • Home
  • United Kingdom
  • Portsmouth
  • জিহাদী ধর্মের দ্বারা সংখ্যালঘু নির্যাতন-নির্মূল বন্ধ হোক।

জিহাদী ধর্মের দ্বারা সংখ্যালঘু নির্যাতন-নির্মূল বন্ধ হোক। Trying to grow awareness and protect humanity.

সেনাপ্রধান দেশের কেউ না, আসিফ নজরুল সরকারের কেউ না, তাদের কথার কোনো মূল্য নাই, জামাত-শিবির হিজবুত তাহরীরের কথাই সব!এখনো ...
19/10/2024

সেনাপ্রধান দেশের কেউ না, আসিফ নজরুল সরকারের কেউ না, তাদের কথার কোনো মূল্য নাই, জামাত-শিবির হিজবুত তাহরীরের কথাই সব!

এখনো কি বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে যে দেশের সরকার জামাত-শিবির, ইউনুসকে চালাচ্ছে জামাত-শিবির এবং এই সরকার জামাতেরই আজ্ঞাবাহক সরকার!

19/10/2024

একদিকে অর্থনীতি, সামরিক শক্তি, ধনসম্পদ কোনো দিকেই ভারতের ধারে কাছে পৌঁছানোর কোনো সক্ষমতা নাই। অন্যদিকে তাদের পণ্য ছাড়া নিজেদের মধ্যে দুর্ভিক্ষের অবস্থা হয়। কোনো সূচকে কোনো সক্ষমতা নাই। বিদেশে শ্রমিক আর দেশে পোষাক শ্রমিকদের আনা টাকায় আমদানি করে পেট চলে। অথচ হুমকি দেয় অমুক দেশ দখল করবো, এই করবো, সেই করবো!

একটা জাতি দরিদ্র অক্ষম জাতি কতটুকু নির্বোধ, অসভ্য, নির্লজ্জ, গলাবাজ-গলাসর্বস্ব, হিংসুক, মোল্লা নির্ভর, উগ্র সাম্প্রদায়িক হলে এসব করতে পারে!

জাস্ট একবার চিন্তা করে দেখুন!

ভবিষ্যতে এদের অবস্থা গাজাবাসীদের মতোই হওয়া ছাড়া উপায় নাই!

18/10/2024

মুসলমানরা শুকরের মতো অসংখ্য বাচ্চা জন্ম দেয়, আর কুকুরের মতো মরে। হাজারে হাজারে মরে, যেভাবে কুকুরও মরে না।

তারা জনসংখ্যা বৃদ্ধি করে ইসলামি জঙ্গিবাদ দিয়ে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী নিধন করে পুরা পৃথিবীকে ইসলামি করণ করতে চায়। এই আইডিওলজি বাস্তবায়ন করার জন্য তারা সবরকম অপরাধ করে। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধ কার্যক্রমে পৃথিবীর সব মুসলমান এক ও ঐক্যবদ্ধ, এখানে তারা কোনো ভিন্ন ধর্মাবলম্বী জাতির উপর ন্যায়-অন্যায়ের বিচার করে না, তারা সবাই এক জোট হয়ে যায়, শুধুমাত্র ইসলামী স্বার্থ এবং মুসলিম উম্মাহের পক্ষাবলম্বন করে। এই সংঘবদ্ধ অপরাধের জন্য তারা সবকিছু করে। কিন্তু শেষে রক্ষা করতে পারে না। তারা সবংশে নিধন হয়ে যায়! উদাহরণ - গাজা, লেবানন, ইরাক, সিরিয়া। তারপরও তাদের শিক্ষা হয়না, তাদের মোল্লারা মাদ্রাসা-মসজিদ, ওয়াইজ মাহফিল হতে মুসলমানদেরকে পরকালের ভয় দেখিয়ে এবং "আল্লাহ বলেছেন", "নবী বলেছেন" এসব বলে তাদেরকে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী বিদ্বেষী উগ্র জঙ্গি জাতি হিসেবে গড়ে তোলে।

যতোদিন চীনের মতো মুসলমানদের মোল্লাদের মুখ আর মাদ্রাসা-মসজিদ বন্ধ করা না যাচ্ছে ততোদিন তারা অন্যদেরকেও শান্তিতে থাকতে দেবেনা, নিজেরাও শান্তিতে থাকতে পারবে না। পৃথিবীর শান্তির জন্য বিষবৃক্ষ ইসলামের আইডিওলজির ধারক-বাহক এবং চর্চাকেন্দ্রসমূহের নিধন অপরিহার্য।

ইজরায়েল তার মানুষদের নিরাপত্তার জন্য ফিলিস্তিনের গাজাসহ তার আশেপাশের ইসলামী জঙ্গিদের দেশগুলো পরিষ্কার করছে, ভারতকেও তার নিজের নিরাপত্তার জন্য তার পেটের ভিতর গড়ে উঠা এক টুকরা উগ্র সাম্প্রদায়িক জঙ্গিগোষ্ঠী'র দেশ বাংলাদেশকে পরিষ্কার করতে হবে নইলে রক্ষা নাই। বাংলাদেশে জামাতশিবিরের জঙ্গিবাদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে প্রচুর হিন্দুদের মন্দির মূর্তি ধ্বংস করা হয়েছে, হিন্দুরা তাদের জীবন ও ধর্ম রক্ষা করতে পারছে না, হিন্দুদের জীবন এবং ধর্ম নাকি ইসলামে নিষেধ, ১৯৭১ এর পর প্রচুর হিন্দু ভারতে চলে গেছেন। এখন হিন্দুদের বাংলাদেশ ছাড়ার হিড়িক পড়েছে, দেশ ত্যাগের জন্য পাসপোর্ট অফিসে হিন্দুদের সংখ্যা আগের চেয়ে অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকে ভরতে চলে গেছেন, অনেকে প্রক্রিয়াধীন আছেন, যারা চলে যেতে পারছেন না তাদের সবাই আতংকে আছেন, অনেক ইসলামী রাজনীতিতে যুক্ত হতে বাধ্য হয়েছেন, অনেকে মুসলমান হতে বাধ্য হয়েছেন।

মুসলমানদের দ্বারা বর্তমানে হিন্দুদের মন্দির ও পূজার অনুষ্ঠানে জোর করে এবং বিভিন্ন উপায় করে বা ইনিয়ে বিনিযে ইসলাম প্রচার, কোরান তেলওয়াত, ইসলামের মাহাত্ম্য প্রচার করার ঘটনা নজিরবিহীনভাবে দৃশ্যমান হয়েছে।

মুসলমানদের মাইকের আওয়াজে কেউ ঘুমাতে না পারলেও হিন্দুদের বাড়িতে টুকটাক ঘন্টা বাজিয়ে দৈনন্দিন পূজা বন্ধ না করলে তাদেরকে বাড়ি ছেড়ে দিতে বলা হচ্ছে, হিন্দুদের জায়গা-জমি দখল করার জন্যও এই বিচারহীনতার ইসলামিস্টদের শাসনামলে হিন্দুদেরকে তাদের পূর্বপুরুষদের ভিটামাটি হতে উচ্ছেদ করান হচ্ছে, তাদেরকে হত্যা করা হচ্ছে। ইসলামের প্রদত্ত নির্দেশাবলি অনুযায়ী গাজওয়ায়ে হিন্দ জিহাদের মাধ্যমে ভারত দখল করে ভারতের সব হিন্দুদেরকে নিধন করে ভারতে ইসলাম প্রতিষ্ঠান গোপন স্বপ্ন ও ষড়যন্ত্র লালন করছে, ভারতের চিকেন নেক এবং সেভেন সিস্টার দখলের হুমকি দিচ্ছে। বাংলাদেশের ভিতরে ইসলামিস্টরা মাদ্রাসার পাশাপাশি সাধারন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোরও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদেরকে দিয়ে তাদের আইডিওলজি বাস্তবায়নের শক্তি হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে, সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের সুবিধামতো প্রচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে, যেকোনো ঘটনাকে ভিন্ন দিকে মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছে, হিন্দুদের উপর নির্যাতনকে হিন্দুদের কাজ, র এর কাজ, ভারতের কাজ বলে প্রচার করা হচ্ছে, মুসলমান হিসেবে ধরা পড়লে তাদেরকে পাগল আখ্যা দেয়া হচ্ছে। পক্ষান্তরে বিভিন্ন টুকটাক ঘটনায় মুসলমানদের ধর্ম বা তাদের নবীকে ব্যবহার করে ধর্মীয় অনুভূতি, অবমাননা, কটুক্তি এসবের ধোঁয়া তুলে দেশ গরম করে উঠতি বয়সী হিন্দু যুবক দেরকে ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

বাংলাদেশের মুসলমানরা ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান, হামাস, হুতি, হিজবুল্লাহ, আইসিসের কট্টর ভক্ত, তাদেরকে শান্তির ধর্ম ইসলামের নির্দেশের কথা বলে সহজেই দেশকে আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক, ইরান, সিরিয়া বানিয়ে দেওয়া সম্ভব। এই জঙ্গিরা আশা করবে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং চীনকে ব্যবহার করে ভারতকে ধ্বংস করবে। পক্ষান্তরে, আমেরিকা, চীন এবং পাকিস্তান চাইবে ভারতকে ধ্বংস করতে হলে বাংলাদেশে ইসলামীস্টদেরকে ব্যবহার করে হামাস, হুতি, হিজবুল্লাহর মতো জঙ্গি গোষ্ঠী গড়ে তোলা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হবে।

এখানে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি শুধুমাত্র ভারতের এবং হিন্দুদের, মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র ইজরায়েলের মতোই। তাই এখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি নির্মূলের জন্য একমাত্র ভারতকেই কাজ করতে হবে, অন্য কেউ আসবে না। তবে এক্ষেত্রে তাদের আমেরিকাকে হাতে রেখে কাজ করাটা একান্ত প্রয়োজন। কেননা চীন এবং পাকিস্তান কখনো সরাসরি ভারতে হামলা করবে না, করবে ইসলামী জঙ্গিবাদী বাংলাদেশ, ইজরায়েলের জন্য গাজা যেভাবে গড়ে উঠে ইজরায়েলের হুমকি হয়ে পড়েছিল সেরকমই।

সময় থাকতেই ভারতকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তৈরি থাকতে হবে, বাংলাদেশে আক্রমণ করে কিছু জঙ্গি গোষ্ঠী ধ্বংস করে বুঝিয়ে দিতে হবে, বাংলাদেশের হিন্দুদের জীবন ও ধর্ম রক্ষার ক্ষমতা ও ইচ্ছা ভারতের আছে, এখানকার হিন্দুরা নিরাপদ, ভারত নিষ্ক্রিয় নয়, ভারতের আক্রমণ ঠেকাতে আর বাংলাদেশের জঙ্গি মুসলমানদেরকে বাঁচাতে ব্যবসায়ী চীন, দুর্বল অর্থনীতির পাকিস্তান, কিংবা ইসলামী ইরান কখনো আসবে না, কেউই একটা গুলি ফুটাবে না।

18/10/2024

টপ টেরর ইয়াহিয়া সিনওয়ার শেষ!
মুসলমানরা শুকরের মতো অগণিত বাচ্চা জন্ম দিয়ে ধর্মীয় অন্ধ জঙ্গি বানাবে আর কুকুরের মতো মরবে! হাজারে হাজারে মরবে! তারা কখনো সভ্য দুনিয়ার নের্তৃত্ব পাবেনা

নারী দেখলে হায়েনার মতো আচরণ করা অসভ্য জাতি মুসলমানদের সমাজে কি একজন নারী নিজের জীবন-জীবিকার জন্য এতোটুকু স্বাধীনতা আশা ক...
16/10/2024

নারী দেখলে হায়েনার মতো আচরণ করা অসভ্য জাতি মুসলমানদের সমাজে কি একজন নারী নিজের জীবন-জীবিকার জন্য এতোটুকু স্বাধীনতা আশা করা সম্ভব হবে!? মোটেই না! কারণ মুসলমানরা শুধুমাত্র পুরুষদেরকে মানুষ মনে করে, নারীদেরকে পচনশীল ২টাকার চকলেট মনে করে।

16/10/2024
দেশের প্রধান অংগগুলোকেও খেয়ে দিলো জামাত-শিবির চক্র:
15/10/2024

দেশের প্রধান অংগগুলোকেও খেয়ে দিলো জামাত-শিবির চক্র:

'আমার এজলাস থেকে বের হও, বেয়াদব, তোকে থাপ্পড় দিয়ে পুলিশে দেব' I Mostofa Feroz I Voice Bangla #'আমার এজলাস থেকে বের হও, বেয়াদব, তোকে থাপ্পড় ...

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য কেউ দোয়া করেনি, কেউ করলেও আল্লাহ কিছু করতে পারেননি হিন্দুদের ভগবানের ঠেলায়! এই দোয়া নির্ভর খে...
14/10/2024

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য কেউ দোয়া করেনি, কেউ করলেও আল্লাহ কিছু করতে পারেননি হিন্দুদের ভগবানের ঠেলায়! এই দোয়া নির্ভর খেলোয়াড় এবং অক্ষম আল্লারে কোন ভগবানের বা*ল ফালানোর চাকরি দেওয়া যাবে!?

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য বাংলাদেশের মুসলমানরা দোয়া করেনি, বা করলেও আল্লাহ শুনেননি, আল্লাহ শুনলেও কিছু করতে পারেননি হিন...
14/10/2024

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য বাংলাদেশের মুসলমানরা দোয়া করেনি, বা করলেও আল্লাহ শুনেননি, আল্লাহ শুনলেও কিছু করতে পারেননি হিন্দুদের ভগবানের ঠেলায়!

এই দোয়া নির্ভর খেলোয়াড়, আর এই অক্ষম আল্লারে কোন ভগবানের বা*ল ফালানোর চাকরি দেওয়া যায় তা জনগণকেই চিন্তা করে বের করতে হবে।

হাদিস না মানলে আমরা ইসলামের মিথ্যাচারগুলো প্রমাণ করার সহজ দলিল পাবো কেমনে? কোরানে তো ভুটভাট কথাগুলোকে রূপক অর্থ বলা, শব্...
14/10/2024

হাদিস না মানলে আমরা ইসলামের মিথ্যাচারগুলো প্রমাণ করার সহজ দলিল পাবো কেমনে? কোরানে তো ভুটভাট কথাগুলোকে রূপক অর্থ বলা, শব্দের অর্থ পরিবর্তন এসব করে মুসলমানরা পার পেয়ে যায়, কিন্তু হাদিসকে তো মুসলমানরা সেভাবে বিকৃত করতে পারে না। সেজন্য হাদিস দিয়ে ইসলামের মিথ্যাচার সহজে প্রমাণ করা যায়, যেমন - জ্বরের তাপ আসে জাহান্নাম থেকে, বা শীত গ্রীষ্ম আসে জাহান্নামের নি:শ্বাস হতে।

এসব বুঝতে পেরে কিছু চালাক মুসলমান হাদিস বাদ দিতে চাচ্ছে, যদিও কট্টর বোকারা এখনো বুঝতে পারছে না।

সুতরাং ইসলামকে সহজে মিথ্যা ধোঁকাবাজ প্রমাণ করার জন্য হাদিস দরকার।

ইসলামিস্টরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেও কোনোভাবেই সাধারন মুসলমানদেরকে হিন্দু বিদ্বেষী বানাতে পারছে না, তাদের অনু...
13/10/2024

ইসলামিস্টরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেও কোনোভাবেই সাধারন মুসলমানদেরকে হিন্দু বিদ্বেষী বানাতে পারছে না, তাদের অনুষ্ঠানে যাওয়া হতে বিরত রাখতে পারছে না। তাতে উগ্রবাদী জঙ্গি মুসলমানদের কলিজা ফেটে যাচ্ছে।

তাদের এখনের চেষ্টা হিন্দুদেরকে বুঝানো, তারা যেনো নিজেদেরকে গুটিয়ে নেয়, তারাও যেনো মুসলমানদের মতো সাম্প্রদায়িক হয়ে একঘরে হয়ে যায়, তাদের উৎসব যেনো উৎসব না হয়, জাঁকজমকপূর্ণ না হয়, মুসলমানদের ঈদের মতো আনন্দহীন সাদামাটা হয়ে পড়ে, যাতে সেখানে মুসলমান যেতে না পারে।

প্রচুর ইসলামিস্টদের হিন্দু আইডি, নারী আইডি, ফেক আইডি, ফেক পেজ চালাচ্ছে, তাতে ধরা খাচ্ছে অবুঝরা।

হিন্দু সাবধান!

মুসলমানদের জন্য ছোটো হয়ে আসছে পৃথিবী, তাদের উগ্রবাদের বিরুদ্ধে গড়ে উঠছে বিশ্বজনমত:
13/10/2024

মুসলমানদের জন্য ছোটো হয়ে আসছে পৃথিবী,
তাদের উগ্রবাদের বিরুদ্ধে গড়ে উঠছে বিশ্বজনমত:

Address

Winston Churchill Avenue
Portsmouth
PO12UP

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জিহাদী ধর্মের দ্বারা সংখ্যালঘু নির্যাতন-নির্মূল বন্ধ হোক। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organisation

Send a message to জিহাদী ধর্মের দ্বারা সংখ্যালঘু নির্যাতন-নির্মূল বন্ধ হোক।:

Share