Munirullah Foundation

Munirullah Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Munirullah Foundation, Nonprofit Organization, Munir Ullah Bari, Portslade.

"আর তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে। আর তারাই সফলকাম।"
[সূরা আল-ইমরান: ১০৪]

আমাদের প্রিয় বাঁশখালী গত জুলাই ২০২৬ এ বন্যায় ব্যাপক ক্ষতি হলে মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন বেশ কিছু মানবিক কর্মসূচি হাতে নিলে ...
21/08/2026

আমাদের প্রিয় বাঁশখালী গত জুলাই ২০২৬ এ বন্যায় ব্যাপক ক্ষতি হলে মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন বেশ কিছু মানবিক কর্মসূচি হাতে নিলে এটি সবার নজর কাড়ে এবং মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন সবার কাছে পরিচিতি লাভ করে। তবে মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন আত্মপ্রকাশের বহু আগে থেকেও বেশ কিছু সামাজিক, মানবিক ও ধর্মীয় জন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেছে। আলহামদুলিল্লাহ—

১. মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে একটি ফোরকানিয়া পরিচালনা করে যাচ্ছে।

২. সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন একটি নান্দনিক মসজিদ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করে আসছে ।

৩. শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি উৎসাহিত করতে ৪১ দিনব্যাপী নামাজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন । এতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে উন্নত মানের সাইকেলসহ অন্যান্য পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে এলাকায় শিশু-কিশোরদের মনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

৪. সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসহায় বহু মানুষের চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছে এবং এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

৫. অসহায় বহু রোগীর চোখের ছানি অপারেশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করিয়েছে এবং এ সেবাও অব্যাহত রয়েছে।

৬. অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের বহু মেয়ের বিয়েতে পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

এসব কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য একটাই—মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের জন্য কল্যাণকর কিছু করা। সাথে সাথে অন্যদেরকেও উৎসাহিত করা। নিপীড়িত, বঞ্চিত ও অসহায় মানুষদের তুলনায় আমাদের এই কার্যক্রম অতি নগণ্য। মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন মনে প্রানে আশা করে বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়ে এ ধরনের আরো ফাউন্ডেশন এগিয়ে আসুক।

একটি সুন্দর, মানবিক, বাসযোগ্য সমাজ ও সম্ভাবনায় আগামী গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন এগিয়ে চলেছে।তবে একটি সম...
19/08/2026

একটি সুন্দর, মানবিক, বাসযোগ্য সমাজ ও সম্ভাবনায় আগামী গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন এগিয়ে চলেছে।

তবে একটি সমাজের পরিবর্তন শুধু কয়েকজন মানুষের উদ্যোগে সম্ভব নয়। প্রয়োজন আমাদের সবার চিন্তা, সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

তাই আমরা আপনাদের কাছ থেকেও জানতে চাই-

🌱 আপনার দৃষ্টিতে, আজ আমাদের সমাজের কোন মানবিক বা সামাজিক সমস্যাটির সমাধান সবচেয়ে বেশি জরুরি?

হতে পারে সেটি কোনো ছোট্ট সমস্যা, যা প্রতিদিন আমাদের চোখের সামনে ঘটে।
আবার হতে পারে এমন কোনো বড়ো সামাজিক সমস্যা, যার সমাধান হলে বদলে যেতে পারে অনেক মানুষের জীবন।

💬 কমেন্টে আপনার মতামত ও পরামর্শ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করুন।

আপনার একটি চিন্তা, একটি পরামর্শ কিংবা একটি ছোট্ট উদ্যোগই হয়তো হয়ে উঠতে পারে আমাদের আগামী কোনো সামাজিক কার্যক্রমের অনুপ্রেরণা।

চলুন, শুধু সমস্যার কথা বলি, সমাধানের পথও খুঁজি।

চিন্তা শেয়ার করি, একসাথে কাজ করি, সমাজকে একটু একটু করে বদলে দিই। 💙





18/08/2026

আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য যা যা করি তা একটা পাখি আমাদের চেয়েও নিপুণভাবে সম্পন্ন করে। তাহলে একটা পাখি ও সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব আমাদের মধ্যে পার্থক্য কিসে। যে পার্থক্যের কারণে একটা পাখির কোন জবাবদিহিতা নেই আর আমাদের জবাবদিহিতার আওতায় জান্নাত এবং জাহান্নাম রাখা হয়েছে? সে পার্থক্য কি শুধু পূর্ব পশ্চিমে মুখ ফেরানোর মধ্যে?

আল্লাহ তা’আলা বলেন:
لَيْسَ الْبِرَّ أَنْ تُوَلُّوا وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَلَٰكِنَّ الْبِرَّ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالْكِتَابِ وَالنَّبِيِّينَ وَآتَى الْمَالَ عَلَىٰ حُبِّهِ ذَوِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ وَالسَّائِلِينَ وَفِي الرِّقَابِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَالْمُوفُونَ بِعَهْدِهِمْ إِذَا عَاهَدُوا ۖ وَالصَّابِرِينَ فِي الْبَأْسَاءِ وَالضَّرَّاءِ وَحِينَ الْبَأْسِ ۗ أُولَٰئِكَ الَّذِينَ صَدَقُوا ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُتَّقُونَ

“নেকি শুধু এই নয় যে, তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল পূর্ব কিংবা পশ্চিম দিকে ফিরাবে। বরং প্রকৃত নেকি হলো—যে ব্যক্তি আল্লাহ, শেষ দিবস, ফেরেশতাগণ, কিতাবসমূহ ও নবীগণের প্রতি ঈমান আনে; আর সম্পদের প্রতি ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও আত্মীয়-স্বজন, এতিম, অভাবগ্রস্ত, মুসাফির, প্রার্থী ও দাসমুক্তির জন্য তা ব্যয় করে; নামাজ প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দেয়; অঙ্গীকার করলে তা পূর্ণ করে এবং অভাব-অনটন, দুঃখ-কষ্ট ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য ধারণ করে। তারাই সত্যবাদী এবং তারাই মুত্তাকী।”
[আল-বাকারা:১৭৭]

আমরা দিনরাত পরিশ্রম করি সন্তানদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে। তাদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করি, তাদের জন্য ব্যাংক ব...
18/08/2026

আমরা দিনরাত পরিশ্রম করি সন্তানদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে। তাদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করি, তাদের জন্য ব্যাংক ব্যালেন্স তৈরি করি, জমি কিনি, ফ্ল্যাট কিনি। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি- যে পৃথিবীতে তারা শ্বাস নেবে, আমরা সেই পৃথিবীটা কতটা বাসযোগ্য রেখে যাচ্ছি?

রাস্তায় প্লাস্টিক ফেলা, ড্রেন আটকে রাখা, অপ্রয়োজনে গাছ কেটে ফেলা কিংবা নানা উপায়ে পরিবেশ দূষিত করা- আমাদের প্রতিদিনের এমন ছোটো ছোটো অসচেতনতাই একদিন বড়ো বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আমরা সন্তানদের জন্য বিশাল সম্পদ রেখে যেতে পারি। কিন্তু তাদের জন্য যদি একটি সুস্থ, নিরাপদ ও নির্মল পৃথিবী রেখে যেতে না পারি, তবে সেই সম্পদের মূল্যই বা কতটুকু?

আজকের একটি প্লাস্টিকের বোতল, একটি দূষিত ড্রেন কিংবা অপ্রয়োজনে কেটে ফেলা একটি গাছ- হয়তো আমাদের কাছে সামান্য বিষয়। কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এগুলো হয়ে উঠতে পারে বেঁচে থাকার প্রশ্ন।

তাই পরিবেশ রক্ষা শুধু ব্যক্তিগত সচেতনতার বিষয় নয়; এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

নিজের ঘর ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি আসুন, আমাদের চারপাশটাকেও ভালোবাসি। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাই, যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলি, গাছ লাগাই এবং প্রকৃতিকে রক্ষা করি।

মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে- একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার।

কারণ আমরা আজ যে পৃথিবী রেখে যাব, আগামী প্রজন্ম সেখানেই বাঁচবে।

চলুন আগামীর সুন্দর পৃথিবীর রূপকার হই আমরাই। 🌱



17/08/2026

"যারা আল্লাহর পথে ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি শস্য-বীজের মতো, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মে, প্রতিটি শীষে থাকে একশত শস্য-দানা। আর আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেন।নআল্লাহ মহাদানশীল, মহাজ্ঞানী।
-সূরা আল বাকারা, আয়াত ২৬১

একজন ড্রাইভার অত্যন্ত দক্ষ। তিনি কখনো ওভার স্পিডে গাড়ি চালান না, ওভারটেক করেন না। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায়, ধৈর্য ও নিয়মানুব...
17/08/2026

একজন ড্রাইভার অত্যন্ত দক্ষ। তিনি কখনো ওভার স্পিডে গাড়ি চালান না, ওভারটেক করেন না। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায়, ধৈর্য ও নিয়মানুবর্তিতা বজায় রেখে তিনি গাড়ি চালান। কিন্তু এত কিছুর পরও কি তিনি পুরোপুরি নিরাপদ? উত্তর হলো- না।

​অনভিজ্ঞ বা বেপরোয়া অন্য কোনো ড্রাইভার ওভার স্পিডে এসে তাকে ধাক্কা দিতে পারে, রং সাইড থেকে এসে আছড়ে পড়তে পারে কিংবা ভুল ওভারটেক করে তার জীবনপ্রদীপ নিভিয়ে দিতে পারে। যতক্ষণ না পর্যন্ত রাস্তার প্রতিটি ড্রাইভার ধৈর্যশীল ও নিয়মানুবর্তী হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত "আমি নিজে ভালো গাড়ি চালাই" ভেবে নিশ্চিন্তে বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই।

​জীবনের প্রথমভাগে আমরা বেশিরভাগ মানুষই শুধু নিজেদের নিয়ে ভাবি- আমাদের ক্যারিয়ার সুন্দর হোক, আমরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হই। এরপর যখন অভিভাবক হই, তখন আমাদের সমস্ত ভাবনা গিয়ে থামে সন্তানের ওপর- সন্তানের ক্যারিয়ার ভালো হোক, তারা প্রতিষ্ঠিত হোক। খুব বেশি হলে আমরা ভাবি, "আমার সন্তান যেন সৎ হয়, কারো ক্ষতি বা অনিষ্ট না করে।"

​এরপরই আমরা এক ধরণের আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলি। ভাবি—আমার তো কোনো দুশ্চিন্তা নেই! আমি তো ভালো, আমি তো কারো ক্ষতি করছি না। নিজের সন্তানকেও সুশিক্ষা দিয়েছি, সে-ও কারো অনিষ্ট করবে না। আমার পরিবার সাজানো-গোছানো, আমাদের আর কীসের ভয়?

​কিন্তু আমরা ভুলে যাই, সমাজ নামক রাস্তায় আমরা একাই গাড়ি চালাচ্ছি না।

​আমরা বা আমাদের সন্তানরা কারো ক্ষতি না করলেও, কোনো দোষ না থাকলেও- অন্যদের ভুল, অসচেতনতা কিংবা অন্যায় সিদ্ধান্তের কারণে যেকোনো দিন আমাদের সাজানো-গোছানো জীবন উজাড় হয়ে যেতে পারে। নিজের চারদেওয়াল যত মজবুতই হোক না কেন, চারপাশের পরিবেশ যদি ধ্বংসাত্মক হয়, তবে ঝড়ে সেই চারদেওয়ালও একদিন ভেঙে পড়বে।
​তাই শুধু নিজের এবং নিজের পরিবারের অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। "আমি ভালো তো সব ভালো"- এই ধারণা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।

​নিরাপত্তা কখনো একা অর্জন করা যায় না, নিরাপত্তা একটি সমষ্টিগত অর্জন। নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে সত্যি সত্যি সুরক্ষিত রাখতে চাইলে আমাদের চিন্তার পরিধি বাড়াতে হবে:
​প্রথমে দায়িত্ব নিতে হবে নিজের পরিবারের।
​এরপর নজর দিতে হবে পাশের প্রতিবেশীর দিকে।
​তারপর পাড়া, মহল্লা এবং ধীরে ধীরে পুরো সমাজের মঙ্গলের কথা ভাবতে হবে।

​আমাদের সন্তানকে শুধু "কারো ক্ষতি না করা ভালো মানুষ" বানিয়ে ছেড়ে দিলে হবে না; বরং একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ, চারপাশের সমাজটা ভালো না থাকলে, আমাদের সন্তানেরাও কখনো নিরাপদ থাকতে পারবে না।
​আসুন, শুধু নিজের সুখের বৃত্তে বন্দি না থেকে, চারপাশের সমাজটাকে সুন্দর করার ছোট ছোট চেষ্টায় শামিল হই। কারণ আপনার-আমার সবার নিরাপত্তা ওই সমষ্টিগত সুরক্ষার ভেতরেই লুকিয়ে আছে।

মুনিরুল্লাহ ফাউন্ডেশন এই সমষ্টিগত সুরক্ষায় বিশ্বাসী। আমাদের সকল প্রয়াস আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষের জন্য। সে গরীব হোক বা ধনী, শিক্ষিত বা অশিক্ষিত, হিন্দু বা মুসলিম... সবাইকে নিয়েই আমাদের সুন্দর সমাজ গড়ার প্রত্যয়। মহান রব আমাদের তাওফিক দান করুন (আমিন)।

চেরনোবিলের অন্ধকারে তিনজন মানুষ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল।তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিয়েক্ট...
16/08/2026

চেরনোবিলের অন্ধকারে তিনজন মানুষ

১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল।
তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিয়েক্টর-৪-এ ঘটে গেল ভয়াবহ বিস্ফোরণ।

এক মুহূর্তের মধ্যে আগুন আর ধোঁয়ায় ঢেকে গেল চারপাশ। বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করল অদৃশ্য এক ভয়ংকর শত্রু- তেজস্ক্রিয়তা।

আগুন নেভাতে ছুটে এলেন অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা। তাঁদের অনেকেই জানতেন না, তাঁরা যে আগুনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, সেটি সাধারণ কোনো আগুন নয়। তাঁরা এমন এক বিপদের মধ্যে প্রবেশ করেছিলেন, যার ভয়াবহতা তখনও পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের কল্পনার বাইরে।

কিন্তু বিপদ তখনও শেষ হয়নি।

রিয়েক্টরের নিচের অংশে প্রচুর পানি জমে ছিল। আর তার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল গলিত পারমাণবিক পদার্থ। যদি সেই উত্তপ্ত পদার্থ পানির সংস্পর্শে এসে ভয়াবহ বাষ্প বিস্ফোরণ ঘটাত, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারত।

তখন প্রয়োজন ছিল এমন কোনো মানবিক মানুষের, যারা সেই তেজস্ক্রিয় পানির মধ্যে নেমে গিয়ে ভালভ খুলে পানি বের করে দিতে পারবেন।

এগিয়ে এলেন তিনজন। আলেক্সি আনানেঙ্কো, ভ্যালেরি বেসপালভ এবং বোরিস বারানভ।

তারা জানতেন, কাজটি খুবই বিপজ্জনক। তবুও তাঁরা পিছিয়ে যাননি।

অন্ধকার সুড়ঙ্গের ভেতর হাতে টর্চ নিয়ে তাঁরা নেমে গেলেন তেজস্ক্রিয় পানিতে। চারপাশে অন্ধকার, পানির গভীরতা আর অজানা বিপদ। তাঁরা খুঁজতে লাগলেন সেই ভালভগুলো, যেগুলো খুলে দিলে জমে থাকা পানি বের করে দেওয়া সম্ভব হবে।

একসময় তাঁরা ভালভ খুঁজে পেলেন। নিজেদের জীবনের চেয়েও বড়ো হয়ে উঠল সেই মুহূর্তে তাঁদের দায়িত্ব।

ভালভ ঘুরল। পানি বের হতে শুরু করল। এরপর তাঁরা ফিরে এলেন।

পৃথিবী হয়তো সেদিন তাঁদের নাম জানত না। কোনো ক্যামেরা ছিল না, কোনো সংবাদ সম্মেলন ছিল না, ছিল না করতালির শব্দও।

পরবর্তীতে তাঁদের নিয়ে ছড়িয়ে পড়ে নানা কিংবদন্তি। এমনকি বলা হয়, তাঁরা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তেজস্ক্রিয়তার বিষক্রিয়ার কারণে মারা গিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা আরও জটিল। তিনজনই সেই ঘটনার পর বেঁচে ছিলেন; বোরিস বারানভ ২০০৫ সালে মারা যান, আর আনানেঙ্কো ও বেসপালভ বহু বছর পরও জীবিত ছিলেন।

যেমনই হোক, তাঁদের সাহসের মূল্য একটুও কমে যায় না।

কারণ তাঁরা যখন সেই অন্ধকার পানিতে নেমেছিলেন, তখন তাঁরা জানতেন না ভবিষ্যৎ তাঁদের জন্য কী নিয়ে আসবে।

তাঁরা শুধু জানতেন, কেউ একজনকে তো যেতেই হবে। নাহলে যে ধ্বংস অনিবার্য।

চেরনোবিলের সেই রাত আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বীরত্ব সবসময় যুদ্ধক্ষেত্রে জন্ম নেয় না। কখনো কখনো বীরত্ব জন্ম নেয় অন্ধকার একটি সুড়ঙ্গে, মৃত্যুর আশঙ্কার মাঝখানে, যখন একজন মানুষ নিজের নিরাপত্তার চেয়ে অপরিচিত অগণিত মানুষের জীবনকে বড়ো করে দেখে।

আর এমন মানবিক মানুষদের জন্যই টিকে থাকে মানবসভ্যতা।

#উদার_হৃদয়ের_গল্পগুলো #

16/08/2026

চমৎকার এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াসকে তুলে ধরার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা বাঁশখালী টাইমস কে।

বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আমাদের ছোট্ট প্রয়াসটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ...
15/08/2026

বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আমাদের ছোট্ট প্রয়াসটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।

এই সংবাদগুলো আমাদের জন্য যেমন অনুপ্রেরণার তেমনই অন্যদেরও উৎসাহিত করবে।



14/08/2026

'প্রিয় বাঁশখালী'র চোখে আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা........

Address

Munir Ullah Bari
Portslade

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Munirullah Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share