Indigenous Tunes

Indigenous Tunes This page views to promote and protect the right of indigenous people of Bangladesh . And also recognise the achievements and contribution of indigenous pe

শেরপুর জেলায় তোলা এক কোচ আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর নারীর ছবি জাপানে  আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত "তৃষ্ণা”- আলোকচিত্র শিল্পী নী...
06/10/2017

শেরপুর জেলায় তোলা এক কোচ আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর নারীর ছবি জাপানে আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত "তৃষ্ণা”
- আলোকচিত্র শিল্পী নীতিশ রায়

09/09/2017
15/06/2017

সংগৃহীত

পাহাড়ে ভূমিধ্বসে মৃত্যুর মিছিল সম্পর্কে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে “আদিবাসী নয়ন” লিখেছেন-
----------------------------------------------
“ রাঙ্গামাটির অবস্থা বুঝতে পারছেন? অনুভূতি আছে কি?-ভূমিধ্বসে এতগুলো যে প্রাণ হারালো এটুকুতে শেষ নয়, আরো অনেকের প্রাণ যাবে' মৃত্যুর মিছিল আরো দীর্ঘতর হবে। পুরো শহর ভুতুড়ে হয়ে যাবে, হয়ে যাবে অবসবাসযোগ্য" বুঝতে পারছেন কি? প্রেট্রোল পাম্পে তেল, সংকট, বাজারে মরিচের দাম ৬০০ টাকা কেজি চালের দাম বেড়ে দিগুন, সবজির বাজার ধরা যাচ্ছে না আগুনের মত তাপ' যে আলুর দাম কেজি ১৫ টাকা সে আলুর দাম দাম বেড়ে ৫০ টাকা কেজি হয়েছে'' আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা তারপর ও খুলাচ্ছে না মজুদ শেষ, সারা দেশের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন নৈসর্গিক স্বর্গ রাঙ্গামাটি। সবচেয়ে বড় বিষয়টা হচ্ছে" যাদের টাকার গরম তারা এই বাচা মরার প্রতিযোগিতায় দাপটে থাকবে আর যাদের বা যারা দিনে এনে দিনে খায় তাদের অবস্থা কি হবে বুঝতে পারছেনতো। লাশের মিছিল আরো দীর্ঘতর হবে স্রেফ বলা যাচ্ছে “
------------------------------------------------------------------
(আপনার অনুভূতি আমাদের জানান।)

7 June, Khagrachari -- Police beat several indigenous women and students and arrested 25 who were peacefully protesting ...
07/06/2017

7 June, Khagrachari -- Police beat several indigenous women and students and arrested 25 who were peacefully protesting the Longudu violence and demanding justice for its victims and for Kalpana Chakma, Secretary -General, Hill Women's Federation who was abducted by a group of the Bangladesh military led by Lt Ferdous on 12 June 1996 here today. Kalpana is till missing and her criminals are walking free.

We strongly condemn police's unlawful use of force and atrocities against the peaceful protesters.

We urge the Bangladeshi authority to take appropriate action against police involved in this barbaric act and demand justice for the victims of the Longudu violence and Kalpana Chakma.

Photo from ground zero.

04/06/2017

পার্বত্য চট্টগ্রামকে আমরা কোথায় নিয়ে চলেছি?
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
এক.
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে এখন বাঙ্গালিরা সেই ভুল করছে কি না-- যা পাঞ্জাবিরা করেছিল পূর্ব-পাকিস্তানে; কাশ্মীরে করছে ভারত, বালুচিস্তানে করছে পাকিস্তান, চীন করছে কাশগরে, বর্মা করছে আরাকানে, সিংহলিরা করেছে তামিলদের সঙ্গে?
দক্ষিণ এশিয়ায় এইরূপ ভুলের প্রথম ফল ছিল পূর্ব-পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে যাওয়া। কিন্তু বাংলাদেশ নিজের সংগ্রামের ঐতিহাসিক শিক্ষাটুকুই ভুলতে বসেছে।
এটা আত্মঘাতি।

দুই.
আমার যেসব বন্ধু ফিলিস্তিনী, রোহিংগা, কাশ্মীরী বা উইঘুরদের ন্যায়বিচারের দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল এবং সেখানে ন্যায্যতা দেখেন-- লংঘদু’র ঘটনায় তাদের ‘বাঙ্গালি হয়ে যাওয়া’য় দুঃখ পেলেও বিস্মিত হইনি। মাঠের খবরও এরকম যে, সারা দেশে তিক্ততা থাকলেও লংঘদুসহ পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামেই আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাহাড়িদের মোকাবেলায় শামিল। কিন্তু গভীর আত্মজিজ্ঞাসা প্রয়োজন, পার্বত্য লীগ-বিএনপি-জামায়াত ঐক্যের কাফেলা সেই ভুলের জন্ম দিতে যাচ্ছে কি না-- যা উর্দুভাষীদের একাংশ পূর্ববাংলায় করেছিল একাত্তর সালে?
কথিত যুবলীগ নেতাকে কে হত্যা করেছে সে বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই অসংখ্য গ্রামের শত শত পাহাড়ি নারী-পুরুষ-বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে বিচার বহির্ভূত পন্থায় শাস্তি দেয়ার দায় কার? আন্তর্জাতিক পরিসরে এই প্রশ্ন উঠলে আশা করি, আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত মিলে সদুত্তর দেবেন।

তিন.
বর্তমান বিশ্ব একটা গ্রামের মতো। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙ্গালি-মুসলমানদের এটা ভুলে যাওয়ার অবকাশ নাই যে, লংঘদুর ঘটনার সরাসরি প্রতিক্রিয়া ঘটবে শ্রী লঙ্কার বাত্তিকালোয়া-ত্রিংকোমালেতে, বর্মার আরাকানে, চীনের উইঘুরদের জনপদে এবং ভারতের লাদাখে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙ্গালি মুসলমানরা লংঘদুর মতো ঘটনা যত ঘটাবেন--দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য স্থানে ‘প্রবল সংস্কৃতি’র বিরুদ্ধে মুসলমানদের স্বাধীকারের ন্যায্য সংগ্রামগুলো তত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বস্তুত জাতিগত ফ্যাসিবাদই আজ দক্ষিণ এশিয়ার মূল ব্যাধি। সামাজিক ন্যায় বিচারের সংগ্রামে জাতিতে-জাতিতে মৈত্রীর সম্ভাবনাটুকু এখানে এসেই থমকে যাচ্ছে। উল্টো ব্যাপক বিস্তৃত এক হানাহানির যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে পুরো অঞ্চল। বাংলাদেশকে প্রায় জোর করেই যেন সেই পরিসরে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে।

চার.
মূলত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনপদ্ধতির আকাল এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তিসমূহের দুর্বলতা-দ্বিধাবিভক্তি-আদর্শিক দেউলিয়াত্ব পাহাড় ও সমতল সব জায়গার জাতিগত ও ভাষাগত সংখ্যালঘুদের জন্য পরিস্থিতি বিপর্যকর করে তুলেছে। বলা যায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রনৈতিক সংকটের সবচেয়ে খারাপ অভিঘাতটি পড়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে।
ত্রিধারায় বিভক্ত পাহাড়িদের মাঝে ভাতৃঘাতি বৈরিতাও তাদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবস্থানকে দুর্বল করেছে। অনুমান করা যায়, এসবের মিলিত ফল হিসেবে সেখানে অবাঙ্গালিদের আসন্ন দিনগুলোতে আরো বিপর্যয়কর অবস্থায় পড়তে হতে পারে। তৃতীয় বিশ্বে এটা প্রায় পরীক্ষিত এক অভিজ্ঞতা, কর্তৃত্ববাদী কেন্দ্রীভূত শাসন চূড়ান্ত পর্যায়ে জাতিগত উম্মাদনা উস্কে দেয়।
চাকমা-মারমা-ত্রিপুরা নেতৃবৃন্দের জন্য সামনের দিনগুলো চালেঞ্জিং। তরুণদের নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদের ধারায় আটকে রাখা এবং এনজিও মানবাধিকার ব্যবসায়ীদের দুষ্টছায়া এড়িয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তির (যা প্রায় অবলুপ্ত হতে চলেছে) সঙ্গে মৈত্রীর পরিসর বাড়ানো দুরূহ এক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষত যখন লংঘদুর মতো উস্কানিমূলক ঘটনাগুলো ঘটতেই থাকবে।

পাঁচ.
পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশে সামরিকায়নের জন্য শাসক শ্রেণীর এক দারুণ উপলক্ষ্য। এবারের বাজেটেও রাষ্ট্রীয় ২,৯৩,৪৯৪ কোটি টাকা আয়ের বিপরীতে নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে সম্মিলিত ব্যয় ছিল প্রায় ৪৫,০০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ বাংলাদেশে জাতীয় আয়ের প্রায় পাঁচভাগের এক ভাগই এখন নিরাপত্তা আমলাতন্ত্রের প্রয়োজনে যাচ্ছে। এইরূপ বরাদ্দের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহুধরনের কেনাকাটা--যা শাসকএলিটদের অত্যন্ত আগ্রহের বিষয়। কর্তৃত্ববাদী শাসন সংস্কৃতিতে এইরূপ ব্যয়ভারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ না থাকলেও যেকোন জবাবদিহিমূলক শাসনামলে তা উঠবে বৈ কি। পার্বত্য চট্টগ্রাম এইরূপ ব্যয়ভারের অন্যতম যৌক্তিক পাটাতন হিসেবে কাজ করে। বস্তুত এভাবেই বর্মায়, শ্রী লঙ্কায়, ভারতে এবং পাকিস্তানে বিশেষ বিশেষ অঞ্চলকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে সামরিকায়ন ঘটেছে এবং ঘটছে। এরূপ সামরিকায়নের লাগাম টেনে না ধরতে পারলে এক সময় তা আত্মবিনাশী রূপ নেয়। ফলস্বরূপ বর্মা, শ্রী লঙ্কা, ভারত ও পাকিস্তান আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে এখন মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অভিযোগের মুখোমুখি প্রতিনিয়ত। ভূ-রাজনীতির যেকোন ওলোটপালটে এসব অভিযোগ কীভাবে ভিন্নরূপ নেয় তার নজির পূর্ব-তিমুর, তার নজির দক্ষিণ সুদানসহ আরও বহু অঞ্চল।
জাতীয়তাবাদী উগ্রতা বাংলাদেশকে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বিপদের দিকে ঠেলে দেয়া বিচিত্র নয়।

ছয়.
১৯৪৭-৪৮ এ ব্রিটিশ উপনিবেশিক শক্তি যখন দক্ষিণ এশিয়া ছেড়ে যায় তখন এ অঞ্চলের সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ ছিল শ্রী লঙ্কা। সম্প্রতি বাংলাদেশের লংঘদুতে যা ঘটেছে ১৯৮৩ সালে জাফনায় এইরূপ এক ঘটনা থেকেই শ্রী লঙ্কা প্রায় ২৬ বছরের জন্য সিংহলি-তামিল রক্তক্ষয়ি বিবাদে জড়িয়ে ধ্বংসের কিনারে উপনীত হয়। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বর্মার বৌদ্ধ উগ্রবাদীদের একগুঁয়েমি পুরো দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে চড়ায় আটকে রেখেছে। কাশ্মীরে মাত্র ৬০ লাখ মানুষকে ১০ লাখ সৈন্য দিয়েও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না দিল্লি। বালুচিস্তান পাকিস্তানকে আরেকবার খন্ডিত হওয়ার সম্ভবনা জিইয়ে রেখেছে।

চারপাশের এসব অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের শেখা দরকার।
-------------------------------------------------------------
ALTAF PARVEZ·SUNDAY, JUNE 4, 2017

"Lady Justice" removed !
26/05/2017

"Lady Justice" removed !

দিলশানা পারুল: কাপ্তাই লেককে পাহাড়ের কান্না বলা হয় আমি জানতাম না। রাঙামাটির পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া কী অদ্ভুত সুন্...
18/05/2017

দিলশানা পারুল: কাপ্তাই লেককে পাহাড়ের কান্না বলা হয় আমি জানতাম না। রাঙামাটির পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া কী অদ্ভুত সুন্দর নয়নাভিরাম একটা লেক। অসাধারণ এক পর্যটন স্থান। সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জায়গার একটি। কিন্তু এই সুন্দরের পিছনে শত পাহাড়ি চাকমা পরিবারের যে কান্না চাপা পড়ে আছে, সে কান্না আমরা শুনতে পাই না। এ কান্না শুনতে দেয়া হয় না। ষাটের দশকে যখন কাপ্তাই লেক করা হয়, তখন ৯০,০০০চাকমা পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল । আজ পর্যন্ত এই পরিবারগুলো তাদের ভিটেমাটির ক্ষতিপূরণ এবং বেশিরভাগই এখনও ভূমিহীন। শেখ মুজিব সরকার পাহাড়ি অন্চলে সমতল নদীভাঙন বাঙালীদেরকে বসবাসের সুযোগ করে দিয়ে পাহাড়ীদেরকে তাদের ভিটে থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে দিনের পর দিন। এইটা সবচেয়ে সহজ কাজ, কারণ সমতলের মতো তারা ব্যক্তি মালিকানার জমিজিরাতে অভ্যস্ত না। পাহাড়ে জমির মালিকানা সামাজিক। এক সমাজের অন্তর্ভুক্ত যে কেউ যেকোনো জমিতে চাষবাস করতে পারে।
এরপর যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে সবাই
যেইটা আসলে আমাদের স্বপ্নের ব্যবস্থা। সেই কারণেই তাদের ব্যক্তির নামে সাধারণত কোনো জমি রেজিস্ট্রি করা থাকে না। সরকারি ব্যবস্থা অনুযায়ী পাহাড়ে নতুন করে কোন জমি রেজিস্ট্রেশন করা যায় না। নথিতে সবই খাস হিসেবে দেখানো আছে। কাজেই কোনো পাহাড়ি যদি একবার ভূমি থেকে উচ্ছেদ হয়, তার পক্ষে নতুন করে পাহাড়ে আবাস গড়া প্রায় অসম্ভব।
কিন্তু টুরিজমের নামে, নিরাপত্তার নামে, সেনাবাহিনীর আবাস বানানোর প্রয়োজনে, স্থাপনা বানানোর প্রয়োজনে পার্বত্য অঞ্চলে হরহামেশাই এই উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এখন চলছে টুরিজমের নামে এই উচ্ছেদ অভিযান। যেটা আসলেই কতখানি প্রয়োজন?
টুরিজম হচ্ছে এমন একটা ব্যবসা যেটা লাভজনক হবে কিনা তা শতকার একশভাগ নির্ভর করে যে এলাকার টুরিজম প্রমোট করতে চাচ্ছেন সেই এলাকার ধরনের উপর। কী রকম? যেমন ধরেন লাসভেগাস কিংবা পাতায়াতে আপনি যে জুয়া বা প্রসটিটিউশন দিয়ে ব্যবসা করতে পারবেন, সেই একই ধরনের টুরিজম আপনি ভারতের কেরালাতে পারবেন না। কেরালায় গেলে লোকে যাবে প্রকৃতি দেখতে। কাজেই কেরালায় লাভজনক টুরিজম করতে হলে আপনাকে প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রেখে, প্রকৃতিকে প্রায়োরিটি দিয়ে করতে হবে। ইনফ্যাক্ট যেটা ভারত খুবই ভালো পারে এবং করে।
কিন্তু টুরিজমের নামে, নিরাপত্তার নামে, সেনাবাহিনীর আবাস বানানোর প্রয়োজনে, স্থাপনা বানানোর প্রয়োজনে পার্বত্য অঞ্চলে হরহামেশাই এই উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এখন চলছে টুরিজমের নামে এই উচ্ছেদ অভিযান। যেটা আসলেই কতখানি প্রয়োজন? (সংগৃহীত )

08/05/2017

দৃষ্টি আকর্ষন....

যারা ২০১৬ অর্থ বছরে ,
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আদিবাসী(ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী) শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি-২০১৬ তালিকা-সকল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজযারা ২০১ ৬ অর্থ বছরে প্রধানমন্ত্রীর কাযালয়ের বিশেষ তহবিলে বৃত্তির জন্য দরখাস্ত দিয়েছেন ,তাদের সেই দরখাস্তের প্রেক্ষিতে সেখান হতে চূড়ান্ত নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ।

আগামী ১৭ মে ২০১৭ তারিখ সকাল ৮ টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

# Total students -350 college and university..

02/05/2017

বাবা মেয়ে পায়চারি করে, রেললাইন ধরে দিশেহারা ভোরে
মা’রে কেমনে কাটাবি বাকি জীবন? ভয়ে গা ছমছম করে ;
আমাদের কি হবে? সেটাই ভাবছিরে মা| কে জানে, বাবা কি
ভেবেছিল মনে? বাবা মেয়ে চেয়েছিল চোখপানে; বাবা বলে,

’বিচার দেব খোদার ঘরে !’ তারে পাবে কেমনি করি? পাবনি;
মেয়ের হাত ধরি, বাবা তার ছুটে আসা ট্রেনের দিকে মুখ করি;

কোথায় যাচ্ছ বাবা? খোদার কাছে; চল মা, ট্রেনে কাটা পড়ি !

সংগৃহীত।

22/04/2017

এটি "অপ্রিয় কথা" ফেইসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত

হেই বাংলাদেশ তোমাকেই বলছি
---------------------------------------------

এখন আমার চোখের সামনে ভাসছে একটিই লাশ,
রোমেল চাকমার পোঁড়া লাশ!
পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত আদিবাসী মানুষের অব্যক্ত কষ্ট দেখছি
আমি জম্ম থেকেই
যেখানে আদিবাসী মানুষদের কুকুর-বেড়ালের মতো মারা হয়
যেখানে আদিবাসী মেয়েদের সেনাবাহিনী আর বাঙালী সেটেলাররা মিলেমিশে গনধর্ষন করে!
যেখানে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীরা পাহাড়ের আদিবাসীদের বুকে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে শাসিয়ে রাখে!
যেখানে আদিবাসীদের পৈতৃক ভুমি মুসলমান সেটেলার আর বাংলাদেশী সেনাবাহিনীরা ভুমিদুস্যের মতো দখল করে নেয়।

এখন আমার চোখের সামনে ভাসছে একটিই লাশ,
কিশোর রোমেল চাকমার পোঁড়া লাশ!
আদিবাসী একটি ছোট্ট কিশোরকে
প্রেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মেরে
কি বাহাদুরীর কাজই না করেছে
আমাদের সেনাবাহিনী!
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী!
ঠিক যেন ৭১-এর পাকিস্তানী বর্বর হানাদার বাহিনীর মতো!
একটা নীরিহ কিশোরের উপর কি নির্মম নিষ্ঠুরতা!
রাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কি দম্ভ!
একটি নীরিহ নিরস্ত্র কিশোরকে হত্যা করার কি গৌরব!

হেই বাংলাদেশ তোমাকেই বলছি,
এজন্যই কি তুমি স্বাধীন হয়েছিলে?
ভুলে যেয়ো না,
পাকিস্তানী হানাদারের বর্বরোচিত আঘাতের ক্ষত এখনো তোমার শুকায়নি!
তুমি আবার কি করে নিপীড়িত মানুষকে হত্যা করতে তোমার সেনাবাহিনীকে লেলিয়ে দাও?
তুমি কি করে পার্বত্য অঞ্চলের নীরিহ নিরস্ত্র আদিবাসীদের সামরিক বাহিনী দিয়ে শাসাও?
তুমি কি করে বন্দুকের নল তাদের উপর তাক করে রাখো?
পাকিস্তানী হায়েনার রক্ত কি তোমার সাথে মিশে গেছে?
আমি আজো ভুলি নাই
৩০ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া তোমার স্বাধীনতা।
আমি আজো ভুলি নাই তোমার স্বাধীনতার জন্য দু লক্ষ ধর্ষিতার বুক ছেঁড়া আর্তনাদ!
আজ তোমার রাষ্ট্রনীতিতে শোভিত হচ্ছে, ইসলামিত্ব, মুসলমানিত্ব আর অমুসলিমদের প্রতি ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক ঘৃণা!
যা ৭১-পুর্বে পাকিস্তানের কদর্য শ্রেণীর শাসক আইয়ুব-ইয়াহিয়ারা চেয়েছিল!

হেই বাংলাদেশ তোমাকেই বলছি,
রোমেল চাকমার পোঁড়া লাশ আমাকে ক্ষুব্ধ বিক্ষুব্ধ করেছে!
আমার বুকে আগুন জ্বলছে!
তোমার প্রতি ঘৃণার আগুন!
যে আগুনে তোমাকে জ্বালিয়ে দিয়ে ভস্ম করে
আবার তোমায় নতুন করে নির্মাণ করতে ইচ্ছে করছে!
যে নব নির্মানে থাকবে না,
আদিবাসীদের ২০ বছর ধরে কল্পনা চাকমাকে ফিরে পাবার করুন আকুতি,
যে নব নির্মানে থাকবে না ধর্মান্ধ মুসলিমদের অমুসলিম আক্রমণ করার দুঃসাহস!
যে নব নির্মানে থাকবে মুসলিমদের ভয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের দেশ ত্যাগ তাগাতা
যে নব নির্মানে থাকবে না,
শফী হজুরদের জঙ্গি চাষ করার আস্ফালন!
যে নব নির্মানে অধিকার থাকবে না,
বঙ্গবন্ধু, জিয়া, এরশাদ, খালেদা-হাসিনার মতো ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতকদের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করার!
আমি চাই আদিবাসীরা রোমেল চাকমার পোঁড়া লাশের হিসাব নিক
আদিবাসীরা জেগে উঠুক,
তারা তোমার বিরুদ্ধে দ্রোহের আওয়াজ তুলুক!
হেই বাংলাদেশ,
আজ তোমার স্বাধীনতার সনদের উপর, তোমার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর আমার দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে ইচ্ছে করে!
কারণ সবকিছুই ভুল ছিল!
তুমি (১৪ বাঙালী মুসলমানকে) পাকিস্তানী শাসকদের তাঁড়িয়ে আরেকটা বর্বর পাকিস্তানের জম্ম দিয়েছো মাত্র! তোমার আর পাকিস্তানের মধ্যে অমিল নেই!

২২--৪--১৭

রমেল চাকমাকে পিটিয়ে মেরে তার লাশকে পেট্রোল দিয়ে পুডিয়ে ফেলল সেনাবাহিনীর লোকজন। এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল কোথা ও এর রেশমাএ...
22/04/2017

রমেল চাকমাকে পিটিয়ে মেরে তার লাশকে পেট্রোল দিয়ে পুডিয়ে ফেলল সেনাবাহিনীর লোকজন। এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল কোথা ও এর রেশমাএ নেই । নেই কোন প্রিন্ট মিডিয়ায় না কোন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ।শুধু কিছু মানুষের দায়িত্ববোধে আর সামাজিক দায়বদ্ধতার কারনে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে খবরটা তা কিছু মানুষ জানতে পেরেছে। ২১শে এপ্রিল রমেলের মৃতদেহ তার মা বাবার কাছে স্হানান্তর না করে সেনাবাহিনীর লোকজন নিজেরাই পুডিয়ে দিল পেট্রোল দিয়ে। কী কারণে আদিবাসী লোকজন এমন ঘৃন্যতা আর বিচারহীনতার শিকার তা বুঝলাম না ।

http://womenchapter.com/views/20269?utm_campaign=shareaholic&utm_medium=facebook&utm_source=socialnetwork
22/04/2017

http://womenchapter.com/views/20269?utm_campaign=shareaholic&utm_medium=facebook&utm_source=socialnetwork

ইমতিয়াজ মাহমুদ: (১) গোলাম আজম কী কী অপরাধ করেছিল সে কি কারো অজানা ছিল? না। এমনকি গোলাম আজম নিজেও কখনো সেটা অস্বীকার করেনি। আমরা গোলাম আজমের বিচার করেছি। দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের দল তার পক্ষে মামলা লড়েছে। প্রকাশ্য আদালতে বিচার হয়েছে। তার পক্ষে সাক্ষিরা সাক্ষ্য দিয়েছে। এরপর গিয়ে আদালত ওকে সা

Address

London
IG27RW

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Indigenous Tunes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share