16/10/2023
গাজার সম্পর্কিত যে সব নিউজ শুনে রাতে ঘুমিয়েছিলাম, ঘুম থেকে জেগে দেখি সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র!!
বাইডেনসহ ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত বলেছেন গাজা দখল করা আমাদের উদ্দেশ্য নয় বরং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্টাই মূল উদ্দেশ্য!!চিন্তা করা যায় কত বড় পল্টি বাজ।এমনকি গাজার মানুষদের নিরাপত্তার জন্য একটি করিডোর তৈরি করার প্রতি জোড় দিয়েছেন বাইডেন। আমি হাসবো না কাদবো বুঝতেছিনা🤔
গত ৯/১০ দিন যাবত গাজায় পানি,খাদ্য,ঔষদ, বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে সব দরনের পরিসেবা বন্ধ করেছে ইসরাইল। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ কেও রেহাই পাচ্ছে না তাদের পৈশাচিক হত্যা কান্ড থেকে,অথচ যে রাষ্ট্রগুলো মানবাধিকার, গনতন্ত্র, সমঅধিকার স্লোগান দিতে দিতে মুখে ফেনা তুলে তারা আজ কোন প্রতিবাদ তো করেই নাই বরং আরো উৎসাহিত করছে। অস্র,অর্থ,প্রযুক্তি দিয়ে সর্বাক্তক সহযোগিতা করছে কিন্তু হঠাৎ ১ দিনের ব্যবধানে কি এমন হলো যে, গাজার প্রতি তাদের মায়া উতরাইয়া উটছে? কারন কি?? আমার কাছে যা মনে হয়:১.ব্লিষ্কেন আরব রাষ্ট্রের ব্যার্থ সফর
২.সৌদি-ইরান-মিশর-তুরস্ক হামাসের প্রতি শক্ত অবস্হান
৩.বিভিন্ন মিলিশিয়ান প্রতিরোধ বাহিনীর কড়া হোশীয়ারী
৪.ইরান এবং তুরস্কের কূটনৈতিক তৎপরতা।
এই ৪ টি জিনিসই মূলত যুদ্ধের মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছে।পশ্চিমারা ভাল ভাবে বুঝতে পেরেছে এই যুদ্ধে কখনই ইসরায়েল জয়ী হবে না যদি আরব রাষ্ট্র তাদের পক্ষে না থাকে। কিন্তু তাদের জন্য দুংখ জনক হলেও সত্য আরব নেতারা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আগের চাইতে অনেক বেশি বিচক্ষণতার পরিচয় দিচ্ছে।তারা কোমড় সোজা করে নিজের পায়ে দাড়ানোর অভ্যাসে অভ্যস্ত হচ্ছে।স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্টা এবং শক্তিশালী মধ্যপাচ্যের পূর্বাভাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ন্যায়, শান্তি,অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের পক্ষে দোয়া রইল।মহান আল্লাহ আপনাদের সহায় হোন।।