09/01/2026
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো আইপিএলে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিষিদ্ধ করার দাবি তোলে। সেই রাজনৈতিক চাপের মধ্যেই আইপিএল থেকে বাদ পড়েন বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। বিসিসিআইর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে এবার ভারতীয় রাজনীতির অন্দরেই শুরু হয়েছে তীব্র মতবিরোধ।
ভারতের জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর প্রভাবশালী নেতা কেসি ত্যাগি এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে বলেন, খেলাধুলার ময়দানে রাজনীতির ঢেউ আনা উচিত নয়। তাঁর মতে, জনমত ও আবেগ বিসিসিআইকে প্রভাবিত করলেও, ক্রিকেটের মতো খেলাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানো অনুচিত।
ত্যাগি আরও উল্লেখ করেন, ভারত যখন ক্ষোভের বশে একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দিচ্ছে, ঠিক সেই সময় বাংলাদেশ তাদের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হিসেবে একজন সংখ্যালঘু হিন্দু ক্রিকেটার। লিটন দাসকে দায়িত্ব দিয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ থেকে একটি শক্ত ও ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
তিনি বলেন, “আমরা আবেগে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, আর বাংলাদেশ সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।” ত্যাগির মতে, এই তুলনা ভারতের জন্য নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তিনি আবারও জোর দেন—খেলাধুলা রাজনীতির ঊর্ধ্বেই থাকা উচিত।
👉 ক্রিকেট কি সত্যিই রাজনীতির বাইরে রাখা সম্ভব, নাকি বাস্তবে দুটো এখন আলাদা করা অসম্ভব?