Human rights international

Human rights international Welcome to our www.hrint.org @ page. Here you'll find all our latest news about the work, fairness and human rights for everyone in this world.

We fight for your rights.

আজকে বুঝলাম আমাদের দেশের নামিদামি ডাক্তার মানেই সবসময় ভালো সেবা না।আজকে আমার বোনকে নিয়ে গিয়েছিলাম সিলেটের অন্যতম নামিদাম...
23/04/2026

আজকে বুঝলাম আমাদের দেশের নামিদামি ডাক্তার মানেই সবসময় ভালো সেবা না।

আজকে আমার বোনকে নিয়ে গিয়েছিলাম সিলেটের অন্যতম নামিদামি হাসপাতাল মাউন্ট এডোরা (আখালিয়া শাখা) একজন অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে। যাওয়ার আগে ফোন দিয়ে সিরিয়াল নেওয়া হয়েছিল, তারা বলেছিল আপনার সিরিয়াল ২ নাম্বার, ৩টার দিকে চলে আসবেন।

আমরা নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছে যাই। কিন্তু গিয়ে দেখি ডাক্তার সাহেব এখনো আসেননি, এমনকি চেম্বারের বাইরে দায়িত্বে থাকা লোকজনও উপস্থিত নেই। কাউন্টারে জিজ্ঞাসা করলে জানানো হলো—ডাক্তার ৩:৩০ এর দিকে আসবেন।

এদিকে অপেক্ষার সময় বাড়তেই থাকে, আর রোগীর সিরিয়ালও বাড়তে থাকে। অনেক বয়স্ক ও আহত রোগী কেউ হাত ভাঙা, কেউ পায়ে ব্যথা নিয়ে কষ্ট করে বসে আছেন। আমার বোনও পায়ের ব্যথা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছিলেন । কিন্তু পুরো পরিস্থিতিতে কারও কোনো দায়বদ্ধতা চোখে পড়েনি।

যখন সময় ৪টারও বেশি হয়ে যায়, আবার কাউন্টারে জিজ্ঞাসা করলে বলা হয়—ডাক্তার নাকি সম্ভবত ওটিতে আছেন, তাই দেরি হচ্ছে। খুব শিগগিরই আসবেন এই আশ্বাসই বারবার দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলো ডাক্তার সাহেব আসলে কোথায় আছেন, সেটাও তারা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারছিল না। যদি সত্যিই ওটিতে থাকেন, তাহলে সেটি পরিষ্কারভাবে ইনফরমেশন ডেস্কে জানানো উচিত ছিল, এবং রোগীদেরও অবহিত করা উচিত ছিল। বাস্তবে দেখা গেল কেউই দায়িত্ব নিয়ে কিছু জানাচ্ছে না।

অবশেষে প্রায় ৩+ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ডাক্তার সাহেব আসেন। চেম্বারে ঢুকে প্রথম রোগীকে দেখলেন ৩–৪ মিনিটেই শেষ। এরপর আমাদের ডাক পড়ে, এবং অবাক করার মতো বিষয় আমাদের সঙ্গে পরের সিরিয়ালের রোগীকেও একসাথে ভেতরে ঢুকানো হয়, যেখানে একজন পুরুষ ও ছিলেন। যেখানে রোগীর প্রাইভেসি সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষিত।

ভেতরে একজন এসিস্ট্যান্ট ছিলেন। তিনি আমাদের এমআরআই রিপোর্ট ডাক্তারের হাতে দেন এবং ফিল্মগুলো সিস্টেমে সেট করতে থাকেন। কিন্তু ডাক্তার সাহেব রিপোর্ট হাতে নিয়েই ডেস্কটপে ফেসবুক খুলে বসেন। মাঝে মাঝে ১০–২০ সেকেন্ড রিপোর্টের দিকে তাকাচ্ছেন, তারপর আবার ফেসবুকে স্ক্রল করছেন—এভাবেই চিকিৎসা চলতে থাকে।

এরপর আমার বোনকে ২–১টি প্রশ্ন করা হয়, এবং তাকে শুয়ে পরীক্ষা করতে বলা হয়। পায়ের সমস্যাটি মাত্র ৩০–৪০ সেকে নাড়াচাড়া করে দেখে আবার চেয়ারে ফিরে গিয়ে ফেসবুকে মনোযোগ দেন।

সবশেষে খুব দ্রুত কিছু ওষুধ লিখে দিয়ে বলেন এক মাস পরে আবার আসতে। পুরো চেম্বারে আমাদের সময় লেগেছে মাত্র ৩–৪ মিনিট।

আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল কারণ আমার বোনের অবস্থা নিয়ে আমরা সত্যিই উদ্বিগ্ন ছিলাম। কিন্তু ডাক্তার সাহেব এতটাই অন্যমনস্ক ছিলেন যে জিজ্ঞাসা করার পর খুব সংক্ষেপে উত্তর দিয়ে বিষয়টি শেষ করে দেন।

একজন রোগীর সময়, কষ্ট, এবং মানসিক অবস্থার কি কোনো মূল্য নেই?
একজন রোগীর প্রাইভেসি রক্ষা না করে একসাথে একাধিক রোগীকে ভেতরে ঢোকানো এটা কতটা গ্রহণযোগ্য?

আজকের অভিজ্ঞতা শুধু হতাশাজনক নয়—এটা উদ্বেগজনকও। আমরা ভেবেছিলাম ভালো চিকিৎসা পাবো, কিন্তু যা দেখলাম তা হলো অবহেলা, অগোছালো ব্যবস্থাপনা, এবং অমানবিক আচরণ।

স্বাস্থ্যসেবা এমন হওয়ার কথা না।
রোগী শুধু ফি দেওয়ার জন্য না রোগী একজন মানুষ, যার কষ্ট আছে, যার যত্ন এবং সম্মান পাওয়ার অধিকার আছে।

এই সিস্টেমে পরিবর্তন দরকার দায়বদ্ধতা দরকার আর সবচেয়ে বেশি দরকার মানবিকতা।

28/07/2025

Address

Barry
CF633JB

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Human rights international posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organisation

Send a message to Human rights international:

Share