আমরা সবাই হাদি হবো

আমরা সবাই হাদি হবো @[142261682607199:]

বলো তো কার ইশারায় গোলাপ তার গন্ধ বিলায় l @[142261682607199:0]

বলো তো কার ইশারায় গোলাপ তার গন্ধ বিলায়

ছবির লোকটির নাম আলেপ উদ্দিন। তিনি RAB-11 এর উর্ধ্বতন কর্মকতা ছিলেন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সা...
17/03/2026

ছবির লোকটির নাম আলেপ উদ্দিন।

তিনি RAB-11 এর উর্ধ্বতন কর্মকতা ছিলেন।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কালো মাইক্রোবাস নিয়ে যায়।

এইখবর সেই শিক্ষার্থী পেয়ে পালিয়ে যায়।

সেই শিক্ষার্থীকে না পেয়ে আলেপ তার স্ত্রী ও শ্যালককে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং RAB-11 তে ৩দিন আটকে রাখে।

সেই ভুক্তভোগী নিরুপায় হয়ে তার স্ত্রীকে বাঁচাতে ধরা দিলেন আলেপের হাতে।

কথা ছিল স্ত্রীকে ছেড়ে দিবেন আলেপ উদ্দিন।

কিন্তু আলেপ উদ্দিন, স্বামীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ঐ নারীকে একাধিকবার ধর্ষন করে।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়টা হচ্ছে রমজান মাসে রোজা ভাঙিয়েও ধর্ষন করে আলেপ উদ্দিন।

শবে কদরের দিনে রোজা ভাঙিয়ে সেই নারীকে ধর্ষন করে আলেপ।

ধর্ষনের বিষয়টা স্বামী পরে জানতে পেরে আলেপকে কল দেয়।

কল না ধরায়, স্বামী ম্যাসেজ দেয় আইনি ব্যবস্থা নিবে বলে জানায়।

তখন আলেপ উল্টো ঐ নারীর ফোনে ম্যাসেজের রিপ্লাই দিয়ে বলেঃ-

"কোনো লাভ হবেনা, বন্দী নারী ও বন্দী পুরুষদের স্ত্রীদেরকে ধর্ষন করা RAB এ অলিখিতভাবে স্বীকৃত।

এরপর থেকে সেই নারী আর বেঁচে ছিলেন না, শুধু শ্বাস নিতেন।

চরম ট্রমার মাঝে চিৎকার করে উঠতেন তিনি।

একটা জীবন্মৃত লাশ মৃত্যুর অপেক্ষা করতেন।

অবশেষে ২০১৯ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে সেই নারী মারা যান।

আজকে ২৭ এ রমজান।

সম্ভাব্য শবে কদরের রাত।

সকলের জন্য দোয়ার পাশাপাশি এই মাজলুম পরিবারটিকে দোয়ায় রাখুন।

বদদোয়া করুন আলেপ ও তার সহযোগীদের জন্য।

বদদোয়া করুন যে সংবিধান এমন আলেপদের তৈরি করে সেই সংবিধান প্রণেতা ও রক্ষাকারীদের জন্য।

আমিন।

#ধর্ষন #আলেপউদ্দীন #আলেপ #র‌্যাব

17/03/2026

🚫 গেছিলাম কাপড় কিনতে...

পছন্দ করে দাম দেওয়ার সময় দেখি দামের সাথে ১০% ভ্যাট যোগ করেছে।
সাথে সাথে ধরলাম, এই ভ্যাট কিসের?
- এটা সরকারকে দিতে হয়।
- ঠিক আছে।

আপনাদের ভ্যাট নাম্বার কত?
একটা নাম্বার দেখাল লোকটা।
এবার আমি বললাম, মুসক ১১ ফর্ম অর্থাৎ ভ্যাট চালান দেন।

সেলসম্যান অবাক।
আবার বললাম, কি হল? আমি সরকারকে ভ্যাট দিচ্ছি, আর সরকার আমাকে এর রিসিপ্ট দিবে না? যান, নীল রঙয়ের ভ্যাট চালানটি নিয়ে আসুন।

এরপর সে তাদের বসকে ডাকল। তিনি এসে,
- কি সমস্যা ভাই?

- সমস্যা তো আপনার। মুসক বিধিমালা ২০১২ অনুযায়ী আমি আপনার মাধ্যমে সরকারকে ভ্যাট দিলাম, আর

আপনি আমাকে চালানের কাগজ তো দিলেন না।
- এটা তো নাই আমাদের কাছে।

- নাই মানে? তাহলে কোন আইনে আপনি আমার কাছে ভ্যাট আদায় করলেন? আপনার বিরুদ্ধে তো ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

লোকটি চুপ। পরে ১০% ভ্যাট ছাড়াই কাপড় দিল।
শুধু এটি নয় হাজার হাজার শপ, রেস্টুরেন্ট, হোটেল ইত্যাদি এভাবে ভ্যাটের নামে অর্থ আত্মসাৎ করছে।

আর সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা নিজেদের পকেটে ঢুকাচ্ছে।

নিয়ম হল, যখনি কেউ আপনার বিলে ভ্যাট হিসেবে টাকা কেটে নিবে, সাথে সাথে সে আপনাকে একটি চালানের সরকারি কাগজ (নীল রঙয়ের) দিয়ে দিব।

আপনি যে সরকারকে ভ্যাট দিলেন, আর সরকার যে বুঝিয়ে পেল সেটার প্রমাণ এটি।

ভ্যাট নিবন্ধিত প্রত্যেক দোকান বা রেস্টুরেন্টে এই সরকারি কাগজ থাকে।

অনেক সময় শুধু প্রিন্ট করা বিল আমাদের দেয় যেখানে ভ্যাটের টাকার পরিমাণও উল্লেখ থাকে... কিন্তু এটি ভ্যাটের সরকারি কাগজ নয়।

নীল রঙয়ের চালান কাগজটিই হল ভ্যাটের কাগজ।

কেউ যদি প্রিন্টেড বিলে ভ্যাট নিয়ে আলাদাভাবে এই চালান কাগজ না দেয়, তাহলে বুঝবেন সেই টাকা সেই প্রতিষ্ঠান নিজের পকেটে ঢুকালো, অথচ আপনি সরকারকে ঠিকই ভ্যাট দিলেন।

খাবার রেস্টুরেন্টগুলোতে এই দুই নম্বরি কাজগুলো বেশি করে।

আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নাম্বারই নেই, তারাও অযথা ভ্যাটের নামে টাকা আদায় করে।

কেউ চালান কাগজ দিতে অস্বীকার করলে, তাকে আইনের কথা উল্লেখ করে আর ভ্যাট দিবেন না।

বেশি তেড়িবেড়ি করলে এনবিআরে সরাসরি ফোন (16555) দিয়ে অভিযোগ করবেন।

আমরা কষ্টের ইনকামের টাকা থেকে প্রতিনিয়ত সরকারকে ভ্যাট দিচ্ছি কিন্তু সে টাকা সরকার পর্যন্ত যাচ্ছেই না, কারণ বেশিরভাগ লোকই এটা জানে না...আর এই সুযোগে এসব দুষ্ট লোকগুলো সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দিচ্ছে চোখের সামনে।

( #সংগৃহীত)

[শেয়ার করুন, নিজে তো জানলেন, বন্ধুদেরও জানিয়ে দিন]

আগামীকাল ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের কেউ ভোট দিতে গেলে তোরা আমার ম'রা মুখ দেখবি🥹
11/02/2026

আগামীকাল ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের কেউ ভোট দিতে গেলে তোরা আমার ম'রা মুখ দেখবি🥹

ওসমান হাদীকে যেভাবে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছিল, মোসাব্বির হত্যার মেথড, টাইমিং আর এক্সিকিউশন ঠিক সেই একই ছ...
12/01/2026

ওসমান হাদীকে যেভাবে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছিল, মোসাব্বির হত্যার মেথড, টাইমিং আর এক্সিকিউশন ঠিক সেই একই ছকে।
আকস্মিক নয়, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বও নয় এগুলো ইন্টেলিজেন্স-স্টাইল অপারেশন।
টার্গেট নির্বাচন, নজরদারি, দ্রুত আঘাত, নিরাপদ এক্সিট সবকিছুই বলে দেয় এটা একটি প্যাটার্ন।
যখন রাজনৈতিক কর্মীরা একে একে “নির্বাচিত টার্গেট” হয়ে যায়, তখন এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলা মানে সত্যকে ঢেকে রাখা।
রাষ্ট্র যদি এটাকে না দেখে, ইতিহাস ঠিকই দেখে রাখে।

আজ মোসাব্বির, গতকাল ওসমান হাদী আগামীটা কে?
প্রশ্নটা আর “কি হয়েছে” নয়, প্রশ্নটা “কারা করছে এবং কেন”।

09/01/2026

মুছাব্বিরের হত্যার বিচার চাই , শুধুই গ্রেফতার করলে হবে না । দ্রুত বিচার চাই ।
হাদী হত্যার বিচার চাই।

সংবাদ সম্মেলনে সুরভী একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে।তার ভাষ্য অনুযায়ী, গাজীপুর জেলা কারাগারের যে টর্চার সেলে তাকে ...
08/01/2026

সংবাদ সম্মেলনে সুরভী একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে।তার ভাষ্য অনুযায়ী, গাজীপুর জেলা কারাগারের যে টর্চার সেলে তাকে রাখা হয়েছিল, সেখানে তানজিলা তাবাসসুম নামের এক তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
তানজিলা তাবাসসুম জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাবার নাম রুবেল। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের পারিবারিক বাসা নারায়ণগঞ্জে। তবে তানজিলার পরিবার জানে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অবস্থান করছেন, আর হল কর্তৃপক্ষের ধারণা তিনি বাড়িতে আছেন।
সুরভীর বক্তব্য অনুযায়ী তাকে গুম করে রাখা হয়েছে। সুরভীর কাছে তানজিলা আকুতি জানিয়েছেন তিনি যেন বাইরে গিয়ে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলে প্রকাশ করেন এবং তাকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বা সংশ্লিষ্ট কারো কাছে এই বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য থাকলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন। তথ্যটি সত্য হলে, আমরা তানজিলা তাবাসসুমকে মুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

24/10/2025

゚viralシfypシ゚viralシalシ

যে নারী স্বামীর গোপনীয়তা রক্ষা করে না, তার কাছে স্বামী আর কখনো মনের দরজা খোলে না– সম্পর্ক ঠান্ডা হয়ে যায়।একজন পুরুষ দিনে...
26/09/2025

যে নারী স্বামীর গোপনীয়তা রক্ষা করে না, তার কাছে স্বামী আর কখনো মনের দরজা খোলে না

– সম্পর্ক ঠান্ডা হয়ে যায়।

একজন পুরুষ দিনের শেষে ঘরে ফেরে শুধু শান্তি খুঁজতে।
বাইরের পৃথিবী তার জন্য যুদ্ধক্ষেত্র, আর স্ত্রীর কোলটাই তার নিরাপদ আশ্রয়।
তাই সে নিজের ভেতরের ভয়, দুশ্চিন্তা, ব্যর্থতা কিংবা সবচেয়ে গোপন স্বপ্ন—সবকিছুই প্রথমে শেয়ার করে স্ত্রীর সাথেই।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো—
যখন সেই গোপন কথাগুলো স্ত্রীর মুখ দিয়ে বের হয়ে যায় অন্য কারও আড্ডায়, আত্মীয়দের কাছে বা বান্ধবীদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, তখন পুরুষের ভেতরে একরাশ আগুন জ্বলে ওঠে।
সে ভাবে—
👉 “যার কাছে আমি সবচেয়ে নিরাপদ মনে করি, সে-ই যদি আমাকে উলঙ্গ করে দেয়, তবে আমার আশ্রয় কোথায়?”

⚠️ এর পরিণতি ভয়াবহ:

স্বামী ধীরে ধীরে স্ত্রীর প্রতি বিশ্বাস হারায়।

সে নিজের মনের দরজা বন্ধ করে ফেলে।

যা একসময় খোলামেলা ছিল, তা হয়ে যায় নীরব।

সংসারের উষ্ণতা ঠান্ডা হয়ে যায়, সম্পর্ক পরিণত হয় কেবল দায়িত্বের খোলসে।

মনে রাখবেন—
স্বামী যত শক্তই হোক না কেন, তার ভেতরেও একটা ভঙ্গুর মানুষ আছে।
সে চায় না সবাই তার দুর্বলতা জানুক।
স্ত্রীর কাছে সে নিজের সবকিছু উজাড় করে দেয়, কারণ সে বিশ্বাস করে—এই নারীই তার সবচেয়ে বড় রক্ষক।
কিন্তু যদি সেই নারী-ই বিশ্বাসঘাতক হয়, তবে পুরুষ আর কখনো সেই পথে হাঁটে না।

আজ আয়নায় দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করুন নিজেকে—
👉 আপনার স্বামী কি এখনো আপনাকে মনের কথা বলে?
নাকি ধীরে ধীরে চুপ হয়ে গেছে, কারণ সে জানে—তার গোপন কথাগুলো আর আপনার কাছে নিরাপদ নয়?

#বিশ্বাস #ভালোবাসা #গোপনীয়তা

20/09/2025

Celebrating my 12th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Adresse

Paris
78260

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque আমরা সবাই হাদি হবো publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Partager