Mr Go’s Foundation

Mr Go’s Foundation আসসালামু আলাইকুম। ইনশাআল্লাহ আমাদের টিম একদিন বাংলাদেশ প্রত্যেকটা দুস্থ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।

05/06/2026

🌿🌸 রিযিক বৃদ্ধি ও ঋণমুক্তির জন্য কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আমল⤵️

🌷রিযিকের সংকট, ঋণের বোঝা ও দুশ্চিন্তা মানুষের জীবনকে কঠিন করে তোলে এবং ইবাদতে একাগ্রতা কমিয়ে দেয়। ইসলাম আমাদেরকে আল্লাহর কাছে দোয়া, ইস্তিগফার এবং তাকওয়ার মাধ্যমে রিযিক বৃদ্ধি ও ঋণমুক্তির পথ দেখিয়েছে।

✅১. ঋণ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির দোয়া
আরবি:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ

🍂🍂উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নী আঊযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযান, ওয়া আঊযু বিকা মিনাল আজযি ওয়াল কাসাল, ওয়া আঊযু বিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখল, ওয়া আঊযু বিকা মিন গালাবাতিদ্-দাইনি ওয়া কাহরির রিজাল।

🌷অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে এবং ঋণের বোঝা ও মানুষের অত্যাচার থেকে।
📖 হাদিসের রেফারেন্স:
এই দোয়াটি নিয়মিত পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন মুহাম্মাদ (সা.)।
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ২৮৯৩, ৬৩৬৯।

✅২. হালাল রিযিক ও অভাবমুক্তির দোয়া
আরবি:
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
🍂🍂উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনী বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।

🌷অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনার হালাল দ্বারা আমাকে হারাম থেকে বাঁচিয়ে দিন এবং আপনার অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে আপনার সৃষ্টিকুলের মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে মুক্ত করুন।
📖 হাদিসের রেফারেন্স:
আলী ইবন আবি তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত।
জামি' আত-তিরমিযি, হাদিস: ৩৫৬৩।
হাদিসটি হাসান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

✅৩. বেশি বেশি ইস্তিগফার করা
কুরআনের নির্দেশ:
“তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করবেন।”
📖 সূরা নূহ: ৭১:১০-১২

প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার পড়তে পারেন:
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
🍂🍂উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি।

✅৪. তাকওয়া অবলম্বন করা
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“যে আল্লাহকে ভয় করে (তাকওয়া অবলম্বন করে), তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।”
📖 সূরা আত-তালাক: ৬৫:২-৩

✅৫. সকাল-সন্ধ্যার যিকির ও দোয়া নিয়মিত করা
ফজরের পর ও মাগরিবের পর মাসনুন যিকির, দুরুদ শরীফ এবং কুরআন তিলাওয়াত রিযিকের বরকত বৃদ্ধি ও অন্তরের প্রশান্তির অন্যতম মাধ্যম।

🌸 আমলের পরামর্শ⁉️
✅ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যথাসময়ে আদায় করুন।
✅ হালাল উপার্জনের প্রতি যত্নবান হোন।
✅ নিয়মিত ইস্তিগফার এবং দুরুদ শরীফ পাঠ করুন।
✅ উপরোক্ত দুইটি দোয়া সকাল-সন্ধ্যায় অন্তত ৭ বার বা বেশি পড়ুন।
✅ সামর্থ্য অনুযায়ী সদকা করুন; সদকা বরকত বৃদ্ধি করে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে হালাল ও বরকতময় রিযিক দান করুন, ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি দিন 🤲

“মা–বাবা, ভাই–বোন, আত্মীয়তার সম্পর্ক—এসব আমরা জন্মের সাথে পেয়েই যাই।কিন্তু স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্কটাই একমাত্র, যা আমরা নি...
30/05/2026

“মা–বাবা, ভাই–বোন, আত্মীয়তার সম্পর্ক—এসব আমরা জন্মের সাথে পেয়েই যাই।
কিন্তু স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্কটাই একমাত্র, যা আমরা নিজের মন আর আত্মা দিয়ে বেছে নেই।
এই সম্পর্কের ভিত্তি ভালোবাসা, দায়িত্ব আর বিশ্বাস—
আর যার চূড়ান্ত লক্ষ্য জান্নাত।”

29/05/2026

বয়স্ক পুরুষরা সারাদিন স্ত্রীর আগে-পিছে ঘোরে। সুখ-দুঃখের গল্প করে৷ ছেলেমেয়েরা কষ্ট দিল কিনা খেয়াল রাখে। বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে। কি লাগবে না লাগবে, এনে দেয়। স্বামী-স্ত্রীর আদর্শ সম্পর্ক যেমন হয়, ঠিক তেমন। কিন্তু এদের অনেকেরই যৌবনকালের গল্প একদম আলাদা। কম বয়সে স্ত্রীর তেমন গুরুত্ব ছিল না জীবনে। সারাদিন অফিস, সন্ধ্যায় বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডা, রাতে বাড়ি ফিরে বাবা-মা, ভাতিজা-ভাতিজির সাথে টিভি দেখা। উৎসব-পার্বনে ভাগ্নে-ভাস্তে নিয়ে হইহই করে জীবন কেটে গেছে৷ স্ত্রীর কদর করার দরকার পড়ে নাই। এখন বয়স হয়েছে। চাকরি শেষ। বন্ধুবান্ধব কেউ অসুস্থ, কেউ মারা গেছে। ভাইবোন নিজ নিজ সংসার নিয়ে ব্যস্ত। মা-বাবা নেই। ভাইয়ের ছেলে সালাম দিয়ে আস্তে সরে যায়; বয়স্ক মানুষ বেশি কথা বলে। ভাগ্নী দশ বছরে একবার বিদেশ থেকে উপহার পাঠায়। এই সময়ে স্ত্রী অত্যন্ত প্রিয় হয়ে ওঠে। কারণ অন্যকোথাও তাদের তেমন কদর নেই।

28/05/2026

যারা প্রবাসে আছেন,আল্লাহর কাছে এমনভাবে চান যেন দেশেই প্রবাসের চেয়েও ভালো রিজিকের ব্যবস্থা আল্লাহ করে দেন,পরিবার-পরিজন ছেড়ে দূর প্রবাসে যারা ঈদের দিনগুলো পার করেন তারাই জানে এর একাকিত্ম ও শূন্যতা ⁉️

26/05/2026

নবী রাসূলগন যে দু'আ গুলো পাঠ করতেন যুলহিজ্জা মাসের প্রথম দশকে আপনারাও এই দু'আ গুলো বেশি বেশি পাঠ করতে পারেন ইন'শা'আল্লাহ।

🔸১. মুসা (আঃ) এর দোয়া (রিজিক ও কল্যাণের জন্য)

আরবী: رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাক্বীর।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণই অবতীর্ণ করবে, আমি তারই মুখাপেক্ষী।
রেফারেন্স: সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ২৪।

🔸২. নূহ (আঃ) এর দোয়া (উত্তম বাসস্থানের জন্য)

আরবী: رَّبِّ أَنزِلْنِي مُنزَلًا مُّبَارَكًا وَأَنتَ خَيْرُ الْمُنزِلِينَ
উচ্চারণ: রাব্বি আনযিলনী মুনযালাম মুবারাকাও ওয়া আন্তা খাইরুল মুনযিলীন।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে কল্যাণকরভাবে অবতরণ করাও, তুমিই শ্রেষ্ঠ অবতরণকারী।
রেফারেন্স: সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ২৯।

🔸৩. ক্ষমা ও পিতামাতার জন্য দোয়া

আরবী: رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ
উচ্চারণ: রাব্বিগফির লী ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে ও আমার পিতামাতাকে ক্ষমা করো।
রেফারেন্স: সূরা নূহ, আয়াত: ২৮ (আয়াতের অংশ)।

🔸৪. ইব্রাহিম (আঃ) এর দোয়া (নামাজে প্রতিষ্ঠিত থাকার জন্য)

আরবী: رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِنْ ذُرِّيَّتِي رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ
উচ্চারণ: রাব্বিজ'আলনী মুক্বীমাস স্বালাতি ওয়া মিন যুররিয়্যাতী, রাব্বানা ওয়া তাক্বাব্বাল দুআ।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামাজ প্রতিষ্ঠাকারী করো এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, আমার দোয়া কবুল করো।
রেফারেন্স: সূরা ইব্রাহিম, আয়াত: ৪০।

🔸৫. সত্যের প্রবেশ ও প্রস্থানের দোয়া

আরবী: رَّبِّ أَدْخِلْنِي مُدْخَلَ صِدْقٍ وَأَخْرِجْنِي مُخْرَجَ صِدْقٍ وَاجْعَل لِّي مِن لَّدُنكَ سُلْطَانًا نَّصِيرًا
উচ্চারণ: রাব্বি আদখিলনী মুদখালা সিদক্বিন ওয়া আখরিজনী মুখরজা সিদক্বিও ওয়াজ'আল লী মিল লাদুনকা সুলত্বানান নাসীরা।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রবিষ্ট করো সত্যরূপে এবং আমাকে নিষ্ক্রান্ত করো সত্যরূপে এবং তোমার কাছ থেকে আমাকে দান করো সাহায্যকারী শক্তি।
রেফারেন্স: সূরা আল-ইসরা (বনী ইসরাঈল), আয়াত: ৮০।

🔸৬. জাকারিয়া (আঃ) এর দোয়া (উত্তম সন্তানের জন্য)

আরবী: رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنْتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
উচ্চারণ: রাব্বি লা তাযারনী ফারদাও ওয়া আন্তা খাইরুল ওয়ারিছীন।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে একা ছেড়ো না, তুমিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ ওয়ারিশ।
রেফারেন্স: সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৮৯।

🔸৭. পিতামাতার জন্য দোয়া

আরবী: رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণ: রাব্বির হামহুমা কামা রব্বা'ইয়ানী সাগীরা।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি দয়া করো, যেভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন।
রেফারেন্স: সূরা আল-ইসরা (বনী ইসরাঈল), আয়াত: ২৪।

🔸৮. মুসা (আঃ) এর অনুতাপের দোয়া

আরবী: رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী জ্বালামতু নাফসী ফাগফির লী।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করে ফেলেছি, অতএব আমাকে ক্ষমা করো।
রেফারেন্স: সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ১৬।

🔸৯. জ্ঞান ও সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার দোয়া

আরবী: رَبِّ هَبْ لِي حُكْمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ
উচ্চারণ: রাব্বি হাব লী হুকমাও ওয়া আলহিক্বনী বিস সালিহীন।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান করো এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করো।
রেফারেন্স: সূরা আশ-শুয়ারা, আয়াত: ৮৩।

🔸১০. নূহ (আঃ) এর ব্যাপক ক্ষমার দোয়া

আরবী: رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَنْ دَخَلَ بَيْتِي مُؤْمِناً وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ
উচ্চারণ: রাব্বিগফির লী ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিমান দাখালা বাইতিয়া মু’মিনাও ওয়া লিল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনাত।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতামাতাকে, যে মুমিন হয়ে আমার ঘরে প্রবেশ করেছে তাকে এবং সমস্ত মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীকে ক্ষমা করো।
রেফারেন্স: সূরা নূহ, আয়াত: ২৮।

🔸১১. আছিয়া (আঃ) এর দোয়া (জান্নাতে গৃহ নির্মাণের জন্য)

আরবী: رَبِّ ابْنِ لِي عِندَكَ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ
উচ্চারণ: রাব্বিবনি লী ইনদাকা বাইতান ফিল জান্নাহ।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, তোমার সমীপে জান্নাতে আমার জন্য একটি গৃহ নির্মাণ করো।
রেফারেন্স: সূরা আত-তাহরীম, আয়াত: ১১।

🔸১২. আল্লাহর ওপর ভরসার দোয়া

আরবী: وَأُفَوِّضُ أَمْرِي إِلَى اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ بَصِيرٌ بِالْعِبَادِ
উচ্চারণ: ওয়া উফাও'ইদু আমরী ইলাল্লাহ, ইন্নাল্লাহা বাসীরুম বিল ইবাদ।
অনুবাদ: আমি আমার ব্যাপার আল্লাহর কাছে সমর্পণ করছি। নিশ্চয়ই আল্লাহ বান্দাদের প্রতি দৃষ্টি রাখেন।
রেফারেন্স: সূরা গাফির (মুমিন), আয়াত: ৪৪।

🔸১৩. ইউনুস (আঃ) এর দোয়া (বিপদ মুক্তির দোয়া বা আয়াতুশ শিফা)

আরবী: لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায জ্বালিমিন।
অনুবাদ: তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তুমি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।
রেফারেন্স: সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৮৭।

🔸১৪. আইয়ুব (আঃ) এর দোয়া (রোগ ও কষ্ট মুক্তির জন্য)

আরবী: رَبِّ إِنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী মাসসানিয়াদ্দুররু ওয়া আন্তা আরহামুর রাহিমীন।
অনুবাদ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে দুঃখ-کষ্ট স্পর্শ করেছে, আর তুমিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।
রেফারেন্স: সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৮৩।

🔸১৫. হেদায়েতের ওপর অবিচল থাকার দোয়া

আরবী: رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুযিগ ক্বুলূবানা বা’দা ইয হাদাইতানা ওয়া হাব লানা মিল লাদুনকা রাহমাহ, ইন্নাকা আন্তাল ওয়াহহাব।
অনুবাদ: হে আমাদের পালনকর্তা, সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্যলংঘনে প্রবৃত্ত করো না এবং তোমার কাছ থেকে আমাদের রহমত দান করো। নিশ্চয়ই তুমিই একমাত্র দাতা।
রেফারেন্স: সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৮।

🔸১৬. আসহাবে কাহাফের দোয়া (সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য)

আরবী: رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا
উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা মিল লাদুনকা রাহমাতাও ওয়া হাইয়্যি’ লানা মিন আমরিনা রাশাদা।
অনুবাদ: হে আমাদের পালনকর্তা, তোমার কাছ থেকে আমাদের রহমত দান করো এবং আমাদের এই বিষয়টিকে সঠিকভাবে পরিচালনা করো।
রেফারেন্স: সূরা আল-কাহফ, আয়াত: ১০।

🔸১৭. পাপ মোচনের দোয়া

আরবী: رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا
উচ্চারণ: রাব্বানা ফাগফির লানা যুনূবানা ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যিয়াতিনা।
অনুবাদ: হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করো এবং আমাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দাও।
রেফারেন্স: সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৯৩ (আয়াতের অংশ)।

🔸১৮. দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের দোয়া

আরবী: رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً
উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ।
অনুবাদ: হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দান করো এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান করো।
রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২০১ (আয়াতের অংশ)।

🔸১৯. সূরা বাকারার শেষ আয়াতের দোয়া (ক্ষমা ও সামর্থ্যের জন্য)

আরবী: رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا رَبَّনَا وَلاَ تُحَمِّلْنَا مَا لاَ طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنتَ مَوْلانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুআ'খিযনা ইন্না'সীনা আও আখত্বা’না, রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইছরান কামা হামালতাহু আলাল্লাযীনা মিন ক্বাবলিনা, রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাক্বাতা লানা বিহ, ওয়া’ফু আন্না ওয়াগফির লানা ওয়ারহামনা আন্তা মাওলানা ফানসুরনা আলাল ক্বাওমিল কাফিরীন।

অনুবাদ: হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই বা ভুল করি, তবে আমাদের অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের ওপর এমন গুরুভার অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর অর্পণ করেছ। হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের ওপর এমন বোঝা চাপিয়ে দিও না যা বহন করার সামর্থ্য আমাদের নেই। আমাদের ক্ষমা করো, আমাদের পাপ মার্জনা করো এবং আমাদের প্রতি দয়া করো। তুমিই আমাদের অভিভাবক, অতএব কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করো।
রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৮৬।

🌸🤲

25/05/2026

আরাফার রাতের আমল (৮ জিলহজ সূর্যাস্তের পর থেকে ফজর পর্যন্ত):
১. নিয়ত ও প্রস্তুতি

অন্তর থেকে নিয়ত করুন:

"হে আল্লাহ! এই রাত ও আগামী দিনের বরকত যেন আমি পুরোপুরি কুড়িয়ে নিতে পারি।”

হালকা খাবার খান, ৩য় করে ইবাদতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।

২. ঈশা ও তাহাজ্জুদ সালাত

ছেলেরা জামাআতে ঈশা সালাত পড়ুন, মেয়েরা আউয়াল ওয়াক্তে পড়ার চেষ্টা করুন।

শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে ২, ৪ বা ৮ রাকাআত তাহাজ্জুদ পড়ুন।

প্রতিটি রাকাআত ধীরে ধীরে খুশু-খুযু সহকারে পড়ুন।

৩. দোয়া - ইস্তিগফার - জিকির

দোয়া করুন মন খুলে।

ইস্তিগফার করুন ১০০০+ বার।

দরুদ পাঠ করুন ৫০০+ বার।

আরাফার দিনের আমল (ফজর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত):

১. সেহরি ও ফজর

রাতে সেহরি করে রোজা রাখুন। (আরাফার রোজা দুই বছরের গোনাহ মাফের কারণ!)

রোজা না রাখা সম্ভব হলে অন্তত নিয়ত রাখুন।

২. ফজরের নামাজ পড়ুন সময়মতো

৩. তাকবিরে তাশরিক (৯-১৩ জিলহজ)

ফজরের নামাজের পর:

الله أكبر، اللهُ أَكْبَرُ، لا إلهَ إِلَّا اللهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، وَاللَّهِ الْحَمْدُ

৪. আরাফার বিশেষ দোয়া

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

৫. আতরকৃত যিকিরসমূহ (বিভিন্ন বার পড়া উচিত):

তাসবিহ – ১০০ বার : سُبْحَانَ اللهِ

তাহমিদ – ১০০ বার : الْحَمْدُ لله

তাকবীর – ১০০ বার : الله أكبر

তাহলিল – ১০০ বার : لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ

৬. কুরআন তিলাওয়াত

অন্তত এক পারা বা যত পারেন পড়ুন মনোযোগ দিয়ে।

৭. নিজেকে গড়ার নিয়ত করুন

এই দিনটি নিজের জীবন পরিবর্তনের নতুন পরিকল্পনার জন্য ব্যয় করুন।

৮. দোয়া লিস্ট তৈরি করুন

নিজের জন্য, পরিবার, বন্ধু, উম্মাহ, গুনাহ মাফ, জান্নাতের জন্য দোয়া লিখে নিন ও পড়ুন।

আরাফার দিন ও রাতের এই আমলগুলো যথাসাধ্য পালন করার চেষ্টা করুন। আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে কবুল করে নেন। আমীন!

নিজেকে বদলে ফেলুন, আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন🤲
25/05/2026

নিজেকে বদলে ফেলুন, আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন🤲

বিদেশে থেকে হঠাৎ খেয়াল করবেন আপনি রিপ্লেস হয়ে গেছেন, আপনার সাথে সম্পর্ক শুধু দেওয়া নেওয়ার। আপনাকে বাদেই এখন সব হচ্ছে। আপ...
24/05/2026

বিদেশে থেকে হঠাৎ খেয়াল করবেন আপনি রিপ্লেস হয়ে গেছেন, আপনার সাথে সম্পর্ক শুধু দেওয়া নেওয়ার। আপনাকে বাদেই এখন সব হচ্ছে। আপনার গুরুত্বটাও কমে গেছে।

হয়তো মারা গেলে লাশ নেওয়াটাও অপ্রয়োজনীয় মনে করবে।

প্রবাসী লাইফ 💔

স্বামী-স্ত্রীর দোয়া কবুল হওয়ার জন্য ঈমান দৃঢ় রাখা ও আল্লাহভীতি নিয়ে জীবনযাপন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দাম্পত্য জীবন...
23/05/2026

স্বামী-স্ত্রীর দোয়া কবুল হওয়ার জন্য ঈমান দৃঢ় রাখা ও আল্লাহভীতি নিয়ে জীবনযাপন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দাম্পত্য জীবনে স্বামী বা স্ত্রীর কেউ যদি পাপে লিপ্ত থাকে, তবে তা দোয়া কবুলে বাধা ও সংসারের বরকত কমে যায়।

স্বামী যতই পরহেজগার হোন না কেন, স্ত্রী যদি গুনাহে লিপ্ত থাকেন, তবে স্বামীর দোয়া কবুল এ বাধা সৃষ্টি হয়, একইভাবে স্ত্রী যতই নেককার হোন না কেন, স্বামী যদি পাপে জড়িয়ে থাকেন, তবেও দোয়া কবুলে বাধা সৃষ্টি হয়।

তাই স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই উচিত ঈমান মজবুত রাখা, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা এবং একে অপরকে নেক কাজে সহযোগিতা করা।

🌸🌿

ক্ষমা ও পুনর্মিলনের মোনাজাত......হে আমাদের প্রতিপালক !  ইয়া ওয়াদূদ, ইয়া জাব্বার, ইয়া লতীফ, ইয়া আল্লাহ!এই বরকতময় মু...
23/05/2026

ক্ষমা ও পুনর্মিলনের মোনাজাত......

হে আমাদের প্রতিপালক !
ইয়া ওয়াদূদ, ইয়া জাব্বার, ইয়া লতীফ, ইয়া আল্লাহ!

এই বরকতময় মুহূর্তে, সম্ভাব্য লাইলাতুল কদর-এ আমি আপনার কাছে আসলাম—এক অসহায় ও তওবাকারী বান্দা হয়ে। আপনার অসীম রহমত ও মাফ চাই।

হে আরহামার রাহিমীন (সর্বাধিক দয়ালু),
আমাদের দূরত্ব দূর করুন এবং ভাঙা সম্পর্ককে গভীর, হালাল বন্ধনে রূপান্তরিত করুন।
যখন দুনিয়ার সব দরজা বন্ধ, তখন আমাদের জন্য আপনার রহমতের বিশেষ দরজা খুলুন এবং অদৃশ্য সাহায্য নাযিল করুন।

হে আল্লাহ 🤲 সকল স্বামী স্ত্রী আগামী রমজান একসাথে কাটানোর তাওফিক দিন—সাহরি, ইফতার, তাহাজ্জুদ এবং প্রতিটি নেক আমল একসাথে করার। আমাদের এই দো‘আ কবুল করুন যেন সকল স্বামী-স্ত্রী পবিত্র উমরাহ আদায় করতে পারে।।
আমিন 🤲

Adresse

Bordeaux
33000

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Mr Go’s Foundation publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Partager