15/10/2026
🌺শ্রী দুর্গা নক্ষত্র মালিকা স্তুতি🌺
বিরাটনগরং রম্যং গচ্ছমানো যুধিষ্ঠিরঃ ।
অস্তুবন্মনসা দেবীং দুর্গাং ত্রিভুবনেশ্বরীম্ ॥ ১ ॥
যশোদাগর্ভসংভূতাং নারায়ণবরপ্রিয়াম্ ।
নন্দগোপকুলেজাতাং মঙ্গল্যাং কুলবর্ধনীম্ ॥ ২ ॥
কংসবিদ্রাবণকরীং অসুরাণাং ক্ষয়ংকরীম্ ।
শিলাতটবিনিক্ষিপ্তাং আকাশং প্রতিগামিনীম্ ॥ ৩ ॥
বাসুদেবস্য ভগিনীং দিব্যমাল্যবিভূষিতাম্ ।
দিব্যাম্বরধরাং দেবীং খড্গখেটকধারিণীম্ ॥ ৪ ॥
ভারাবতরণে পুণ্যে যে স্মরন্তি সদাশিবাম্ ।
তান্বৈ তারয়তে পাপাত্ পঙ্কেগামিব দুর্বলাম্ ॥ ৫ ॥
স্তোতুং প্রচক্রমে ভূয়ো বিবিধৈঃ স্তোত্রসম্ভবৈঃ ।
আমন্ত্র্য দর্শনাকাঙ্ক্ষী রাজা দেবীং সহানুজঃ ॥ ৬ ॥
নমোऽস্তু বরদে কৃষ্ণে কুমারি ব্রহ্মচারিণি ।
বালার্কসদৃশাকারে পূর্ণচন্দ্রনিভাননে ॥ ৭ ॥
চতুর্ভুজে চতুর্বক্ত্রে পীনশ্রোণিপয়োধরে ।
ময়ূরপিঞ্ছবলয়ে কেয়ূরাঙ্গদধারিণি ॥ ৮ ॥
ভাসি দেবি যদা পদ্মা নারায়ণপরিগ্রহঃ ।
স্বরূপং ব্রহ্মচর্যং চ বিশদং তব খেচরি ॥ ৯ ॥
কৃষ্ণচ্ছবিসমা কৃষ্ণা সঙ্কর্ষণসমাননা ।
বিভ্রতী বিপুলৌ বাহূ শক্রধ্বজসমুচ্ছ্রয়ৌ ॥ ১০ ॥
পাত্রী চ পঙ্কজী কণ্ঠী স্ত্রী বিশুদ্ধা চ যা ভুবি ।
পাশং ধনুর্মহাচক্রং বিবিধান্যায়ুধানি চ ॥ ১১ ॥
কুণ্ডলাভ্যাং সুপূর্ণাভ্যাং কর্ণাভ্যাং চ বিভূষিতা ।
চন্দ্রবিস্পার্ধিনা দেবি মুখেন ত্বং বিরাজসে ॥ ১২ ॥
মুকুটেন বিচিত্রেণ কেশবন্ধেন শোভিনা ।
ভুজঙ্গাऽভোগবাসেন শ্রোণিসূত্রেণ রাজতা ॥ ১৩ ॥
ভ্রাজসে চাববদ্ধেন ভোগেনেবেহ মন্দরঃ ।
ধ্বজেন শিখিপিঞ্ছানাং উচ্ছ্রিতেন বিরাজসে ॥ ১৪ ॥
কৌমারং ব্রতমাস্থায় ত্রিদিবং পাবিতং ত্বয়া ।
তেন ত্বং স্তূয়সে দেবি ত্রিদশৈঃ পূজ্যসেऽপি চ ॥ ১৫ ॥
ত্রৈলোক্যরক্ষণার্থায় মহিষাসুরনাশিনি ।
প্রসন্না মে সুরশ্রেষ্ঠে দয়াং কুরু শিবা ভব ॥ ১৬ ॥
জয়া ত্বং বিজয়া চৈব সঙ্গ্রামে চ জয়প্রদা ।
মমাऽপি বিজয়ং দেহি বরদা ত্বং চ সাম্প্রতম্ ॥ ১৭ ॥
বিন্ধ্যে চৈব নগশ্রেষ্ঠে তব স্থানং হি শাশ্বতম্ ।
কালি কালি মহাকালি সীধুমাংসপশুপ্রিয়ে ॥ ১৮ ॥
কৃতানুযাত্রা ভূতৈস্ত্বং বরদা কামচারিণি ।
ভারাবতারে যে চ ত্বাং সংস্মরিষ্যন্তি মানবাঃ ॥ ১৯ ॥
প্রণমন্তি চ যে ত্বাং হি প্রভাতে তু নরা ভুবি ।
ন তেষাং দুর্লভং কিঞ্চিৎ পুত্রতো ধনতোऽপি বা ॥ ২০ ॥
দুর্গাত্তারয়সে দুর্গে তত্ত্বং দুর্গা স্মৃতা জনৈঃ ।
কান্তারেষ্ববপন্নানাং মগ্নানাং চ মহার্ণবে ॥ ২১ ॥
(দস্যুভির্বা নিরুদ্ধানাং ত্বং গতিঃ পরমা নৃণাম্)
জলপ্রতরণে চৈব কান্তারেষ্বটবীষু চ ।
যে স্মরন্তি মহাদেবীং ন চ সীদন্তি তে নরাঃ ॥ ২২ ॥
ত্বং কীর্তিঃ শ্রীর্ধৃতিঃ সিদ্ধিঃ হ্রীর্বিদ্যা সন্ততির্মতিঃ ।
সন্ধ্যা রাত্রিঃ প্রভা নিদ্রা জ্যোৎস্না কান্তিঃ ক্ষমা দয়া ॥ ২৩ ॥
নৃণাং চ বন্ধনং মোহং পুত্রনাশং ধনক্ষয়ম্ ।
ব্যাধিং মৃত্যুং ভয়ং চৈব পূজিতা নাশয়িষ্যসি ॥ ২৪ ॥
সোऽহং রাজ্যাত্পরিভ্রষ্টঃ শরণং ত্বাং প্রপন্নবান্ ।
প্রণতশ্চ যথা মূর্ধ্না তব দেবি সুরেশ্বরি ॥ ২৫ ॥
ত্রাহি মাং পদ্মপত্রাক্ষি সত্যে সত্যা ভবস্ব নঃ ।
শরণং ভব মে দুর্গে শরণ্যে ভক্তবৎসলে ॥ ২৬ ॥
এবং স্তুতা হি সা দেবী দর্শয়ামাস পাণ্ডবম্ ।
উপগম্য তু রাজানমিদং বচনমব্রবীত্ ॥ ২৭ ॥
শৃণু রাজন্ মহাবাহো মদীয়ং বচনং প্রভো ।
ভবিষ্যত্যচিরাদেব সঙ্গ্রামে বিজয়স্তব ॥ ২৮ ॥
মম প্রসাদান্নির্জিত্য হত্বা কৌরববাহিনীম্ ।
রাজ্যং নিষ্কণ্টকং কৃত্বা ভোক্ষ্যসে মেদিনীং পুনঃ ॥ ২৯ ॥
ভ্রাতৃভিঃ সহিতো রাজন্ প্রীতিং প্রাপ্স্যসি পুষ্কলাম্ ।
মৎপ্রসাদাচ্চ তে সৌখ্যং আরোগ্যং চ ভবিষ্যতি ॥ ৩০ ॥
যে চ সঙ্কীর্তয়িষ্যন্তি লোকে বিগতকল্মষাঃ ।
তেষাং তুষ্টা প্রদাস্যামি রাজ্যমায়ুর্বপুঃসুতম্ ॥ ৩১ ॥
প্রবাসে নগরে চাপি সঙ্গ্রামে শত্রুসঙ্কটে ।
অটব্যাং দুর্গকান্তারে সাগরে গহনে গিরৌ ॥ ৩২ ॥
যে স্মরিষ্যন্তি মাং রাজন্ যথাহং ভবতা স্মৃতা ।
ন তেষাং দুর্লভং কিঞ্চিদস্মিন্ লোকে ভবিষ্যতি ॥ ৩৩ ॥
য ইদং পরমস্তোত্রং ভক্ত্যা শৃণুয়াদ্বা পঠেৎ বা ।
তস্য সর্বাণি কার্যাণি সিদ্ধিং যাস্যন্তি পাণ্ডবাঃ ॥ ৩৪ ॥
মৎপ্রসাদাচ্চ বস্সর্বান্ বিরাটনগরে স্থিতান্ ।
ন প্রজ্ঞাস্যন্তি কুরবঃ নরা বা তন্নিবাসিনঃ ॥ ৩৫ ॥
ইত্যুক্ত্বা বরদা দেবী যুধিষ্ঠিরমরিন্দমম্ ।
রক্ষাং কৃত্বা চ পাণ্ডূনাং তত্রৈবান্তরধীয়ত ॥ ৩৮ ॥
🌺শ্রী দুর্গা নক্ষত্র মালিকা স্তুতি — বাংলা অনুবাদ🌺
১। রমণীয় বিরাট নগরের দিকে যেতে যেতে যুধিষ্ঠির মনে মনে ত্রিভুবনেশ্বরী দেবী দুর্গার স্তুতি করতে লাগলেন।
২। যিনি যশোদার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছেন, নারায়ণের প্রিয় বরদাত্রী, নন্দগোপের কুলে জাতা, মঙ্গলময়ী ও কুলবর্ধনী।
৩। যিনি কংসকে বিদ্রাবিত করেছেন, অসুরদের ক্ষয়কারিণী, যাকে শিলার উপর ফেলে দেওয়া হয়েছিল, অথচ যিনি আকাশে উড্ডীয়মানা।
৪। বাসুদেবের ভগিনী, দিব্য মাল্যে বিভূষিতা, দিব্য বস্ত্রধারিণী দেবী, খড়্গ ও খেটক ধারণকারিণী।
৫। ভার অবতরণের পুণ্যকর্মে যারা সর্বদা সদাশিবাকে স্মরণ করেন, তিনি তাদের পাপ থেকে ত্রাণ করেন, যেমন কাদায় আটকে যাওয়া দুর্বলা নারীকে উদ্ধার করা হয়।
৬। এরপর রাজা যুধিষ্ঠির ভ্রাতাদের সঙ্গে দেবীর দর্শনাকাঙ্ক্ষী হয়ে নানা প্রকার স্তোত্র দ্বারা আবার স্তুতি আরম্ভ করলেন।
৭। বরদাত্রী কৃষ্ণা, কুমারী ব্রহ্মচারিণীকে নমস্কার। তুমি বালসূর্যের ন্যায় আকারবতী, পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় মুখমণ্ডলবিশিষ্টা।
৮। চতুর্ভুজা, চতুর্মুখী, পীনশ্রোণী ও পয়োধরবিশিষ্টা, ময়ূরপুচ্ছের বলয়ধারিণী, কেয়ূর ও অঙ্গদধারিণী।
৯। হে দেবি, যখন তুমি পদ্মা (লক্ষ্মী) রূপে নারায়ণের পরিগ্রহী হও, তখন তোমার স্বরূপ, ব্রহ্মচর্য ও খেচরী রূপ অতি বিশুদ্ধ।
১০। কৃষ্ণবর্ণা, সঙ্কর্ষণের সমান মুখমণ্ডলবিশিষ্টা, বিপুল বাহুদ্বয় শক্রধ্বজের ন্যায় উন্নত করে ধারণকারিণী।
১১। তুমি পাত্রী, পঙ্কজী, কণ্ঠী, স্ত্রী, ভূমিতে বিশুদ্ধা। পাশ, ধনু, মহাচক্র ও নানা অস্ত্র ধারণ করে আছ।
১২। সুন্দর পূর্ণ কুণ্ডলযুক্ত কর্ণদ্বয়ে বিভূষিতা। হে দেবি, তোমার মুখ চন্দ্রের সঙ্গে স্পর্ধা করে বিরাজমান।
১৩। বিচিত্র মুকুট ও সুন্দর কেশবন্ধনে শোভিতা। ভুজঙ্গের ভোগের ন্যায় শ্রোণিসূত্রে রাজিতা।
১৪। তুমি বাধা দিয়ে শোভমান, যেমন মন্দর পর্বত ভোগে বাধাপ্রাপ্ত। ময়ূরপুচ্ছের উচ্চ ধ্বজে তুমি বিরাজমানা।
১৫। কৌমার ব্রত অবলম্বন করে তুমি ত্রিদিব (স্বর্গ) পবিত্র করেছ। সেই কারণে দেবতারা তোমার স্তুতি ও পূজা করেন।
১৬। ত্রিলোক রক্ষার্থে মহিষাসুরনাশিনী হে দেবি, আমার প্রতি প্রসন্না হও, দয়া করো, শিবা হও।
১৭। তুমি জয়া ও বিজয়া, সংগ্রামে জয়প্রদা। আমারও বিজয় দাও, হে বরদা, এখনই।
১৮। বিন্ধ্য পর্বতশ্রেষ্ঠে তোমার স্থান চিরস্থায়ী। কালি কালি মহাকালি, সীধু-মাংস-পশুপ্রিয়া।
১৯। ভূতগণের অনুগামিনী, বরদা, কামচারিণী। ভার অবতারে যারা তোমাকে স্মরণ করবে।
২০। যারা প্রভাতে তোমাকে প্রণাম করে, তাদের পুত্র বা ধন কোনো কিছুই দুর্লভ হয় না।
২১। দুর্গ (সংকট) থেকে ত্রাণ কর বলে তোমাকে দুর্গা বলা হয়। কান্তারে (জঙ্গলে) পতিত ও মহাসমুদ্রে নিমগ্নদের।
২২। (দস্যুদের দ্বারা আবদ্ধদেরও তুমি পরম গতি)। জলপথ, কান্তার ও অরণ্যে যারা মহাদেবীকে স্মরণ করে, তারা কখনো দুঃখ পায় না।
২৩। তুমি কীর্তি, শ্রী, ধৃতি, সিদ্ধি, হ্রী, বিদ্যা, সন্ততি, মতি, সন্ধ্যা, রাত্রি, প্রভা, নিদ্রা, জ্যোৎস্না, কান্তি, ক্ষমা ও দয়া।
২৪। পূজিতা হলে তুমি মানুষের বন্ধন, মোহ, পুত্রনাশ, ধনক্ষয়, ব্যাধি, মৃত্যু ও ভয় নাশ করো।
২৫। আমি রাজ্যচ্যুত হয়ে তোমার শরণাপন্ন হয়েছি। হে সুরেশ্বরী, মস্তক নত করে তোমাকে প্রণাম করছি।
২৬। হে পদ্মপত্রাক্ষি, আমাকে ত্রাণ করো। সত্যে সত্যা হও, হে দুর্গা, শরণ্যে ভক্তবৎসলে, আমার শরণ হও।
২৭। এইভাবে স্তুতি করায় দেবী পাণ্ডবকে দর্শন দিলেন এবং রাজার কাছে গিয়ে বললেন।
২৮। হে মহাবাহু রাজন, আমার কথা শোন। অচিরেই সংগ্রামে তোমার বিজয় হবে।
২৯। আমার প্রসাদে কৌরববাহিনী নিধন করে নিষ্কণ্টক রাজ্য পেয়ে তুমি পুনরায় পৃথিবী ভোগ করবে।
৩০। ভ্রাতাদের সঙ্গে তুমি পরম প্রীতি লাভ করবে। আমার প্রসাদে তোমার সুখ ও আরোগ্য হবে।
৩১। যারা এই লোকে বিগতকল্মষ হয়ে সঙ্কীর্তন করবে, আমি তুষ্ট হয়ে তাদের রাজ্য, আয়ু ও সুন্দর দেহ দান করব।
৩২। প্রবাসে, নগরে, সংগ্রামে, শত্রুসঙ্কটে, অরণ্যে, দুর্গম কান্তারে, সাগরে, ঘন অরণ্যে বা পর্বতে।
৩৩। যারা আমাকে সেভাবে স্মরণ করবে যেভাবে তুমি করেছ, এই লোকে তাদের কোনো কিছুই দুর্লভ হবে না।
৩৪। যারা এই পরম স্তোত্র ভক্তিসহ শ্রবণ বা পাঠ করবে, হে পাণ্ডব, তাদের সকল কার্য সিদ্ধ হবে।
৩৫। আমার প্রসাদে বিরাট নগরে অবস্থানকারী তোমাদের কৌরবগণ বা সেখানকার অধিবাসীরা চিনতে পারবে না।
৩৮। এই বলে বরদা দেবী যুধিষ্ঠিরকে রক্ষা করে পাণ্ডবদের রক্ষা করে সেখানেই অন্তর্হিত হলেন।
এটি মূল স্তোত্রের সরল ও স্পষ্ট বাংলা অনুবাদ।
*🌺*শ্রী দুর্গা নক্ষত্র মালিকা স্তুতি — মাহাত্ম্য ও পাঠবিধি*🌺*
# # # মাহাত্ম্য (ফলশ্রুতি)
এই স্তোত্র যুধিষ্ঠির কর্তৃক বিরাট নগরে অজ্ঞাতবাসে থাকাকালীন পাঠ করা হয়েছিল। মুনিরা পাণ্ডবদের এই স্তোত্র শিখিয়েছিলেন সংকট মোচনের জন্য।
স্তোত্রের নিজস্ব ফলশ্রুতি অনুসারে:
- ভক্তিসহ পাঠ বা শ্রবণ করলে সকল কার্য সিদ্ধ হয়।
- সংগ্রামে, শত্রুসঙ্কটে, প্রবাসে, দুর্গম পথে, অরণ্যে বা সাগরে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- দেবী তুষ্ট হয়ে রাজ্য, আয়ু, স্বাস্থ্য, পুত্র ও সুখ দান করেন।
- শত্রু চিনতে পারে না, গুপ্ত থাকার সাহায্য করে।
- দুর্গতি, ভয়, বন্ধন, রোগ ও ধনক্ষয় দূর হয়।
- যুধিষ্ঠিরের মতো পাণ্ডবরা এই স্তোত্রের প্রসাদে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে জয়লাভ ও রাজ্য পুনরুদ্ধার করেছিলেন।
এটি বিশেষভাবে **সংকটকালে**, **শত্রুভয়**, **অজ্ঞাতবাস** বা **যুদ্ধ/প্রতিযোগিতায় জয়** কামনায় অত্যন্ত ফলপ্রদ বলে বিবেচিত।
# # # পাঠবিধি (নিয়ম)
- **সময়**: প্রাতঃকাল (ব্রহ্মমুহূর্ত বা সূর্যোদয়ের আগে) অথবা সন্ধ্যায়। বিশেষভাবে মঙ্গলবার, শুক্রবার, অষ্টমী ও নবমী তিথিতে পাঠ শুভ।
- **পদ্ধতি**: স্নান করে পরিচ্ছন্ন বস্ত্র পরিধান করে, দেবীর সামনে বা পূজাস্থানে বসে ভক্তিসহ পাঠ করতে হয়। শুরুতে ওঁ গণেশায় নমঃ বলে আরম্ভ করা উত্তম।
- **সংখ্যা**: একবার, তিনবার বা এগারবার পাঠ করা যায়। নিয়মিত নিত্যপাঠ হলে উত্তম ফল পাওয়া যায়।
- **মনোভাব**: শুদ্ধচিত্তে, ভক্তি ও শ্রদ্ধা সহকারে পাঠ করতে হয়। অর্থ বুঝে পাঠ করলে ফল বৃদ্ধি পায়।
- **বিশেষ**: সংকটকালে, যাত্রায় বা যুদ্ধ/পরীক্ষার আগে বিশেষভাবে পাঠের বিধান রয়েছে।
এই স্তোত্র পাঠে দেবী দুর্গার কৃপা লাভ হয় এবং জীবনের দুর্গতি দূর হয়।
জয় মা দুর্গা।
#শ্রীদুর্গা
#দুর্গানক্ষত্রমালিকাস্তুতি
#নক্ষত্রমালিকাস্তুতি
#মাদুর্গা
#দুর্গাস্তোত্র
#জয়মাদুর্গা