We strive to uphold the values of compassion, mutual understanding, and togetherness in all that we do based on Quran and Sunnah. Surely Allah commands justice and the doing of good (to others) and giving to the kindred, and He forbids indecency and evil and rebellion. He admonishes you that you may be mindful. [Al-Qur'an; 16:90]
Those are blessed who have chosen Islam as their way of life. Today
, Islam is considered to be the fastest growing religion in the world. Some of us are Muslim since birth, some of us reverted later on. But every now and then, we need to know and learn Islam to practice it properly. Besides our work and studies, we must manage time to acquire Islamic knowledge.
1. Muslims should practice and follow justice in society and achieve it among their people: for example, distributing wealth and benefits among the needy, giving just verdicts in courts of law, treating family and relatives equally, and practicing justice in every facet of life.
2. Muslims should do good deeds and have good relations with their relatives,
3. Muslims should fulfill their promises and covenants if these promises and covenants are according to Islamic laws. We'll arrange weekly local events through this platform, including discussion sessions for knowledge gatherings from our speakers. We shall try to arrange special sessions for our sisters as well In-sha-Allah. Praise be to Allah, Lord of the Worlds.
---------------------------------------------------
আমাদের আল্লাহ তায়ালা মুসলমান করে জন্ম দিয়েছেন।জন্মসুত্রে আমরা মুসলমান হলেও আকিদার গভীর বিশ্লেষণে আমরা আসলেই কি মুসলিম হতে পেরেছি তা হয়ত আমরা কেউ ই জানিনা।এমন কি জানার চেষ্ঠা ও করিনা। প্রবাসের জীবনে যেখানে আমাদের চারদিকে জাহেলিয়্যাতের মায়ার জাল প্রতিনিয়ত আচ্ছন্ন করেছে সেখানে মুসলিম হিসেবে ঈমানের নুন্যতম দাবি টুকুও আমরা অনেক সময় পূরণ করতে পারিনা।
আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি মুসলিম হিসেবে আমাদের আসল উদ্দেশ্য কি হওয়া উচিত।দায়সারা গোছের নামাজ আদায় আর ঈদ কুরবানী তে দানের মাধ্যমে কি আমরা সেই মহান আল্লাহর প্রতিনিধির দযিত্ব পালন শেষ করে ফেলেছি? যে আল্লাহ আমাদেরকে তার অশেষ রহমতে মুসলমান করে তার প্রতিনিধিত্বের মর্যাদা দিয়েছেন তার বাণীকে মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার দযিত্ব কি আমাদের উপরে নয়। মুসলমান নাম নিয়ে যে মহান প্রভুর কাছ থেকে আমরা তার খলিফার মর্যাদা নিয়ে যদি তার বাণীকে বুলন্দ করার দযিত্ব পালনে বিন্দুমাত্র চেষ্টা না করি তবে অমুসলিমদের থেকে অবশ্যই আমাদের কে পরকালে বিশেষ কোন সুবিধা দিবেন না।
আমরা হয়তো এখন ভাবছি তবে কিভাবে তার খিলাফতের দযিত্ব আমরা পালন করব? আমরা নামাজ পরছি, আমাদের সন্তানদের কে কুরআন ,নামাজ শিখাচ্ছি এর বাইরে আর কিই বা করতে পারি? ইসলামের দাওয়ার দেওয়ার মত কোন নলেজ তো আমার নেই।তবে শুনুন আল্ল্লাহ তায়ালা কি বলেছেন :
আল্লাহ মানুষকে কখনো তার সাধ্যাতিরিক্ত বোঝা বহন করতে দেন না।
তবে চলুন আমরা কি করতে পারি সে ব্যাপারে আলোচনা করি
সর্ব প্রথম আমদের কে ইসলামের মৌলিক বিধান গুলোর ব্যপারে কিছুটা একাডেমিক লেখা পড়া করতে হবে। যেমন আমরা ইসলামের মৌলিক আকিদার ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারণা নিব।তাওহিদ,কালিমার আসল দাবী , ইমান , শিরক , কুফর ,বিদায়াত এসব ব্যাপারে কোরান ও সহীহ হাদিসের আলোকে আলোচনা করব।আমরা এ জন্য বরেনি ইসলামিক স্কলারদের লেখনী থেকে শিখব।
এরপর আমরা ইসলামের অমল গত বিষয় যেমন নামাজ , রোজা, পর্দা, এসব বেপারে জানব এবং অনুশীলন করব
জ্ঞানগত এবং আমলগত উন্নতি কিছুটা হওয়ার পরে আমরা দাওয়াতের কাজ শুরু করব যা আলাল্হ আমাদের প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ করে দিয়েছেন।আমরা শুরুতে আমাদের বাংলাদেশী কমিউনিটির মধ্যে দাওয়াতের কাজ শুরু করব।তাদের কে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝানো মাধ্যমে তাদেরকে ইসলাম মেনে চলতে সাহাজয় করব।এক্ষেত্রে আমরা দাওয়াতের ইসলামের বিধান এবং আচরণ গত কৌশল গুলো ভালভাবে রপ্ত করে নিব ইনশাল্লাহ।
আমাদের একাডেমিক অনুশীলনের জন্য সপ্তাহে অন্তর দুটি ধারাবাহিক প্রোগ্রাম চালাতে পারি।যারা আমাদের চক্রের সদস্য় হবেন তাদের সুবিধা অনুযায়ী আমরা প্রোগ্রামের বিষয় একং সময় নির্ধারণ করে নিব ইনশাল্লাহ।তবে অবসই আমরা কোন অতি গুরত্ব্পুর্র্ন সমস্যা ছাড়া অনুপস্থিত থাকবনা।আমরা যেমন আমাদের জবকে গুরোত্ব দেই তার চেয়েও বেশি গুরোত্ব দিতে হবে প্রোগ্রামগুলোকে কারন আমাদের কাছে পরকালের প্রতিদান দুনিয়ার সম্পদের থেকে কখনই কম মূল্যবান নয় .
দাওয়াতের জন্য ব্যক্তিগত এবং সামষ্ঠিক ভাবে প্র্চেস্থা চালাতে হবে।ব্যক্তিগত দাওয়াতের জন্য শরীয়ত সম্মত সকল পন্থা কাজে লাগানোর পাশাপাশি হিকমত অবলম্বন করতে হবে।সামষ্ঠিক দাওয়াতের জন্ন মাসিক কিংবা দ্বিমাসিক আলোচনা অনুষ্ঠান কিংবা আনন্দময় কোন আয়োজন যেমন ভোজন , পিকনিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যেতে পারে।
আমাদের পরিবারের দ্বীনি শিক্ষার জন্ন মহিলাদের নিয়েও পাক্ষিক আলোচনার আয়োজন করা যেতে পারে।এ জন্ন মহিলাদের মধ্য থেকে আলোচক তৈরির প্রচেচ্ঠা চালাতে হবে .যোগ্য মহিলা আলোচক তৈরির পুর্রে আমরা পুরুষদের সাথেই ইসলাম সম্মত উপায়ে তাদের অংশগ্রহনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।