11/07/2026
এসব সিজনাল ব্রাজিল ফ্যানদের সাথে তর্ক করা আমার কাছে ওয়েস্ট অব টাইম মনে হয়। মিশরের সাথে আমরা যেখান (২-০) থেকে ড্র করে ম্যাচটা ২-৩ গোলে লিড নিয়েছি, ঠিক আপনাদের মিশন হেক্সা টিমও নরওয়ের সাথে তেমনি পজিশনে ছিলো। উল্টা দুই-দুইটা পেনাল্টি ভিক্ষা পেয়েও আপনারা ম্যাচটা হেরে গেলেন। কে না করেছিলো আপনাদের ম্যাচটা জিততে?
এটাই হচ্ছে মনস্টার মেন্টালিটি আর হারু টিমের সমর্থকদের আচরণগত তফাৎ!
অন্য সকল দল যেখানে হারলে নিজেদের ভুল নিয়ে আত্মসমালোচনা করে, সেখানে এই ব্রাজিলের বেহায়া সমর্থক রা ছাত্রদলের রাকিব ব্রো-র মতো আর্জেন্টিনার উপর দায় চাপিয়ে দিতে চায়!
নরওয়ের সাথে বাটাম খাওয়ার পর আজ পর্যন্ত দেখছেন তারা আত্ম সমালোচনা করছে কেন এই বাটাম খেলো? দোষটা কার? অথচ দেখেন এরা পড়ে আছে আর্জেন্টিনা কেন এই অবিশ্বাস্য কাম ব্যাক করলো সেটা নিয়ে!
তাঁরা নিজেরা কেন হারলো সেটাও আর্জেন্টিনার দোষ!
এদের প্লেয়ার রা পড়ে আছে ক্লাব, নারী, মদ আর জুয়া নিয়ে। এটা তাদের ফুটবলীয় অধঃপতন! এসব নিয়ে কাজ না করে মেসি কেন্দ্রিক একটা একটা ওয়ারিয়র্স গ্রুপ কে নিয়ে পড়ে থাকে এরা।
আরে আহা-ম্মকের দল, বর্তমান আধুনিক টেকনোলজির যুগে এসব কনপিরেন্সি থিওরি দিয়ে গান্ডু বাঙ্গালীদের হয়তো আবেগতাড়িত করা যায়। কিন্তু সারা পৃথিবীর সবাই জানে VAR-এর যুগে এসব সিদ্ধান্ত গুলো কখনোই একটা দলকে ফেভার দেওয়ার জন্য নেওয়া হয়না।
মিশরের সালাহ নিজেই মনে করে নাই তার পড়ে যাওয়াটা কোন পেনাল্টি ক্লেইম করার মতো ফাউল ছিলো। উপরন্তু সে অনুতপ্ত ছিলো বলটা আলভারেজের কাছে লুজ করার কারণে। মিশরের কোন প্লেয়ার পেনাল্টি ক্লেইম করেনি।
ইভেন রেফারি ভিএআর কল না করলেও টিভি রেফারি এটা অ্যানালাসিস করে দেখেছে এটা পেনাল্টি ক্লেইম করার মতো মোমেন্টস ছিলো না। তাই তাঁরা রেফারি কে বলেনি ভিএআর-এ যেতে।
ব্রাজিলিয়ান ফ্যান রা আবার বলে বেড়াচ্ছে যে মেসিদের সকল ফেইসবুক পোস্টে অ্যাংরি রিয়েক্ট, তারমানে মেসি রা চোর! কিন্তু এদের কেমনে বুঝাই ইজিপশিয়ান রা হলো আফ্রিকান ব্লাডেড। তাঁরা সবসময় ফেইসবুকে খেলে। আমরা আগে বিভিন্ন ফেইসবুক পেইজের পোলে অনলাইন বিশ্বকাপ খেলতাম। দেখতাম সবসময় হয় মিশর, আর নাহয় নাইজেরিয়া, ঘানা কিনবা আলজেরিয়া চ্যাম্পিয়ন হতো। আফ্রিকান রা অনলাইনে চরম ব্রু-টাল। কারণ বিশ্বকাপের নক আউটে যাওয়াটা যেখানে তাদের স্বপ্ন, সেখানে আর্জেন্টিনার সাথে তাদের ২ গোলের লিড ধরে রাখাটা ছিলো বিশ্বকাপ জিতার মতোই। তাই তাঁরা রিগিংয়ের কথা বলে তাদের এই নকআউট জার্নি কে মহান বানিয়ে রাখতে চায় আরকি!
এইদিকে নরওয়ের সাথে নিজেদের হার টা হজম হলেও বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন কাম ব্যাক এসব গান্ডুগুলো হজম করতে পারছে না। আমি চাই আর্জেন্টিনা এমন মোমেন্টে এসে আরো ২-৩ টা ম্যাচ জিতুক আর এসব গান্ডু রা কান্না করতে থাকুক।
ক্রাই মোর গান্ডুস! উই আর ইনজয়িং ইওর ফা**ং ডাউনফল!
ইসহাক
১১.০৭.২০২৬