As Suffah Foundation

As Suffah Foundation আস-সুফ্ফাহ্ ফাউন্ডেশন হল একটি অলাভজনক, অরাজনৈতিক সংস্থা যা ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে।

পরিচিতি

“আস্সুফফাহ ফাউন্ডেশন”
চন্ডিপুর, নড়িয়া, শরিয়তপুর।


ভূমিকা

আদর্শিক শান্তিপূর্ণ সৃষ্টু সমাজ বিনির্মাণের মধ্যেই রয়েছে যুবসমাজের শ্রেষ্ঠত্ব নিহিত। একাজ সাধ্যানুযায়ী সর্বাত্মকভাবে আঞ্জাম দেয়া প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। বিশেষ করে যুবসমাজ হচ্ছে একাজের যোগা সৈনিক। কারণ যুবসমাজই হলো সমাজও জানের সজিনা ও কার্যকরী শক্তি। এরা সমাজের অমূল্য সম্পদ ভবিষ্যৎ কর্ণধার। যুবসমাজের ক্লান্তহীন শ্রম

অপ্রতিরোধ্য শক্তির সঠিক প্রয়োগের উপর নির্ভর করে। সমাজের গতি, প্রকৃতি ও সুখ-সমৃদ্ধি তথা জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন। যুবকদের শ্রম আর মেধা সুষ্ঠু সমাজ গড়া ও মানব কল্যানে ব্যবহৃত হওয়ার মধ্যেই যুবসমাজের স্বার্থকতা। এইজন্য প্রয়োজন প্রতিটি সমাজে কিছু আদর্শবান যুবক ।

"আদর্শবান যুবকরা জাগলেই জাগবে সমাজ"
সুতরাং এর জন্য প্রয়োজন সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা। সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা ব্যতিত আদর্শিক শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। অতএব, সামাজিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।

সমাজ বিনির্মাণের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে স্পষ্টই
দেখা যায় যে, প্রত্যেক পট-পরিবর্তনে যুবসমাজের
ভূমিকা ছিল অগ্রণী। স্বয়ং রাসূল (স.) যুবসমাজের
প্রশংসা করেছেন এবং সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ার লক্ষ্যে নবুওয়াত প্রাপ্তির পনের বছর পূর্বে পচিশ বছর বয়সে তার সমবয়সী যুবকদেরকে নিয়ে "হিলফুল ফুল" নামে একটি সামাজিক সংগঠন গঠন করেন। সমাজে অশান্তি বিরাজ করবে এবং অন্ধকারের অস্তিত্ব বর্তমান থাকবে আর যুবসমাজ তারুণ্যের শক্তি নিয়ে ঘুমিয়ে থাকবে, এটা হতে পারে না। শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু সমাজ বিনির্মাণে যুবসমাজকে সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় হতে হবে। কেননা এ নির্দেশ আল্লাহ পাকের।

আল্লাহ পাক বলেন- “ততক্ষণ পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাও, যতক্ষণ না (তাগুত) নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়, আনফাল, আয়াত ৩৯
সুতরাং, যারা ব্যক্তি জীবনে ও সামাজিক জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় স্বতঃস্ফূর্ত শরীক হতে চায় "আসসুফফাহ সামাজিক সংগঠন" তাদেরকে সংগঠনের পতাকাতলে সংঘবদ্ধ করবে। যে সকল যুবক ব্যক্তিজীবন গঠনের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষে ইসলামী পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী সংগঠন তাদেরকে সংঘবন্ধ করে আল্লাহ পাকের হুকুম পালনের সুযোগ করে দিবে। ইনশাআল্লাহ।


আসসুফফাহ্র লক্ষ্য

সমাজের সর্বস্তর থেকে জাহালতের আধিপতা দূর করে কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী সাহাবায়ে কেরামের অনুসৃত পথে মানবজীবন গঠন ও সুশং শান্তিপূর্ণ সুস্থ সমাজ বিনির্মান।


উদ্দেশ্য:

আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন।



কর্মপদ্ধতি

খেদমতে খালক বা সৃষ্টির সেবা।
দারিদ্র মুক্ত সমাজ গঠনে সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্প চালু করা।
সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
পরস্পরের মাঝে মৈত্রী প্রীতির সম্পর্ক স্থাপন করা।
সমাজের প্রতিটি সেক্টরে শান্তি ও ইনসাফ নিশ্চিত করা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানো।
দেশ ও জাতির কল্যাণে মাদক দ্রব্য সেবন ও বিক্রি বিরুদ্ধে প্রয়োজনে প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে এভি গড়ে তোলা।
দ্বীনি কাজে সব ধরণের সাহায্য সহযোগীতা করা
অন্যায় ও পাপাচার মূলক কাজে বাধা প্রদান করা।
সুদ মুক্ত সমাজ গড়া
সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্প চালু করা।
একটি ইসলামিক পাঠাগার গড়ে তোলা।
বাৎসরিক পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পুরুষ্কৃত করা।
বছরে কমপক্ষে একবার ইসলামের ইতিহাস সম্বলিত সাধারণ জ্ঞান কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা
সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার লক্ষ্যে ইসলামী সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা।
বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা।


অর্থব্যবস্থা

আসসুফফাহ সামাজিক সংগঠনের বাইতুল মাল বা অর্থ তহবীল থাকবে। সদস্য ও সুভাকাঙ্খীদের বাৎসরিক ও এককালীন দান বাইতুল মালের উৎস।


সাংগঠনিক কাঠামো

সংগঠনের ১৪/১৫ সদস্য বিশিষ্ট মূল কমিটিসহ আরও ৫ জন বিজ্ঞ ও সম্মানিত ব্যক্তি দেখে ২০ সদস্য বিশিষ্ট মজলিশে শুরা গঠন করা। মজলিশে শুরার ভোটের মাধ্যমে প্রতি বছর কমিটি নবায়ন করা।
বছর শেষে মজলিশে শুরার মধ্য থেকে সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি দেখে ৩ সদস্য বিশিষ্ট অডিট কমিটি গঠন করা অডিট কমিটি সকল দায়িত্বশীলের ফাইল তদারকী করে তাদের ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দিবে। এভাবে বর্তমান সেশনের দায়িত্বশীলগণ নিজেদের দায়িত্বের ত্রুটির উপর অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুন সেশনের দায়িত্বশীলদের কাছে যার যার ফাইল প্রদান করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবে। সেশন শেষে বাৎসরিক বড় কোন অনুষ্ঠানে দায়িত্বশীলদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা।




সংগঠনের বৈশিষ্ট

আদর্শ সমাজ বিনির্মানে নবী-রাসূল (স.) এর উত্তরসুরি উলামায়ে কেরামের অনুপ্রেরণা, দিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি খুব কাফেলা।
আত্মাহুদ্ধির মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাজ গঠনে সার্বিক প্রচেষ্ঠাকারী একটি সংঘবন্ধ যুব কাফেলা।
প্রচলিত কোন রাজনৈতিক/দলকেন্দ্রিক মানসিকতা বরং কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের দায়িত্ব পালনে ঐক্য প্রয়াসী অরাজনৈতিক সামাজিক শক্তি।


উপদেষ্টা পরিষদ

১। হযরত মাওলানা মনোয়ার হোসেন
২। এম এ হামিদ মাষ্টার
৩। হযরত মাওলানা ইব্রহিম খলিলুল্লাহ
৪। হযরত মাওলানা আব্দুস সালাম


প্রচার ও প্রকাশনায়
“আফাহ্ সামাজিক সংগঠন”


মোবাঃ সভাপতি 01748241218,
সাধারন সম্পাদক 01777491581

“আদর্শবান যুবকরা জাগলেই জাগবে সমাজ”

16/11/2024

রব্বে কারীম
"আসসুফ্ফাহ পরিবার"কে
ইখলাসের সাথে আদর্শিক শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু সমাজ বিনির্মানে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনকল্যাণে কাজ করার তাওফিক দান করুক!🤲

16/11/2024

আস সুফা ফাউন্ডেশন এর সদস্য মাওলানা নাঈমুল ইসলাম তার মনোভাব প্রকাশ করলেন।

10/11/2024

আলহামদুলিল্লাহ...!

দেশ ও জাতির কল্যাণে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ও যুব সমাজকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন করার লক্ষ্যে ---
৮/১১/২৪ইং রোজ শুক্রবার বাদ এশা "আসসুফ্ফাহ"র অস্থায়ী কার্যালয়ে সভাপতি ইকরাম হুসাইনের সভাপতিত্বে, মাওলানা হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় ১জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বৈঠকে গৃহিত সিদ্ধান্তবলী-----

১] আগামী ১৫/১১/২৪ইং তারিখ রোজ শুক্রবার বাদ ফজর হতে মাদক বিরোধী গণসচেতনতা ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি বাস্তবায়ন।

২] ১৮/১১/২৪ইং তারিখ রোজ সোমবার মাদক বিরোধী স্লোগান সম্বলিত ওয়াল রাইটিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন।

৩] পরবর্তী কোন বৈঠকে তারিখ নির্ধারণ করে আগামী ২ /৩ মাসের মধ্যে উন্মুক্ত কোন মাঠে বড় পরিসরে মাদক বিরোধী সেমিনার করা হবে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ----
১. মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রব
২. মাওলানা কাউসার মাহমুদ
৩. মাস্টার মুহাম্মদ রুবেল
৪. মুহাম্মদ মারুফ
৫. মুহাম্মদ আমিন
৬. মুহাম্মদ সিয়াম
৭. মাওলানা হেলাল উদ্দিন ও
৮. ইকরাম হুসাইন

মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে আসসুফা জেগে উঠেছে। আসুন আমরা সবাই মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলি।
09/11/2024

মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে আসসুফা জেগে উঠেছে।

আসুন আমরা সবাই মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলি।

09/11/2024
07/11/2024

রবীন্দ্রনাথ স্কুল পালিয়েছেন। নজরুল তো বেশি পড়তেই পারলো না। লালন তো বুঝলই না স্কুল কি? আজ মানুষ তাঁদেরকে নিয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করছে। আন্ড্রু কার্নেগীকে তো ময়লা পোশাকের জন্যই পার্কেই ঢুকতে দেয় নি। ৩০ বছর পরে উনি সেই পার্কটি কিনে ফেলেন আর সাইন বোর্ড লাগিয়ে দেন "সবার জন্য উন্মুক্ত"। স্টিভ জব শুধু মাত্র ১ দিন ভাল খাবারের আশায় ৭ মাইল দূরে পায়ে হেটে গির্জায় যেতেন। ভারতের সংবিধান প্রণেতা বাবা আম্বেদকর নিম্ন বর্ণের হিন্দু ছিলেন বলে স্কুলের বারান্দায় বসে বসে ক্লাস করতেন। কোন গাড়ি তাঁকে নিতেন না। মাইলের পর মেইল হেঁটে পরীক্ষা দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বাজার থেকে চাঁদা তুলে পড়া লেখা করেছেন। উনি সবার ঋণ শোধ করতে পারলেও ওই চাঁদার টাকা শোধ করতে কোন দিন সাহস পান নি। সুন্দর চেহারার কথা ভাবছেন?শেখ সাদী (র) এর চেহারা যথেষ্ট কদাকার ছিল, লতা মুংগেস্কারের চেহারা মোটেই সুশ্রী নয়। তৈমুর লং খোঁড়া ছিলেন, নেপোলিয়ন বেটে ছিলেন। শচীন টেল্ডুল্কারের উচ্চতা তো জানাই আছে। আব্রাহাম লিঙ্কনের মুখ ও হাত যথেষ্ট বড় ছিল। স্মৃতি শক্তির কথা ভাবছেন? আইনস্টাইন নিজের বাড়ীর ঠিকানা ও ফোন নাম্বার মনে রাখতে পারতেন না।

#শিক্ষা :: কোন কিছুই আপনার উন্নতির পিছনে বাঁধা হতে পারে না। যদি কোন কিছু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় তবে তা আপনার ভিতরের ভয়। ভয়কে দূরে রেখে জয় করা শিখুন সাফল্য ধরা দিবেই।

04/11/2024

একটি পাখি শীতের জন্য দক্ষিণ দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু এত ঠান্ডা ছিল যে পাখিটি শীতে জমে যাচ্ছিল এবং সে একটি বড় মাঠে এসে পড়ল। যখন সে মাঠে পড়ে ছিল, একটি গরু তার অবস্থা দেখে তাকে গোবর দিয়ে ঢেকে দিল। কিছুক্ষণ পর পাখিটি বেশ উষ্ণ অনুভব করল। যখন গোবরের গরমে সে খুব ঝরঝরে হয়ে উঠল, আনন্দে গান গেয়ে উঠল। এমন সময় একটি বিড়াল পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, পাখির গান শুনে খুঁজতে লাগল কোথা থেকে শব্দ আসে। একটু পরই সে গোবরের কাছে আসে এবং সঙ্গে সঙ্গে গোবর খুঁড়ে পাখিটিকে বের করে তার আহার সারে।
শিক্ষণীয় বিষয়
১. যারা আপনার ওপর কাদা ছোড়ে, তারা সবাই-ই আপনার শত্রু নয়।
২. যারা আপনাকে পঙ্কিলতা থেকে বের করে আনে, তারা সবাই-ই আপনার বন্ধু নয়।
৩. এবং যখন আপনি গভীর পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত, তখন মুখ বেশি না খোলাই শ্রেয়।

বা গোসলে, মা রান্না ঘরে আর ছেলে টিভি দেখছিল। এমন সময় দরজায় ঘণ্টা বাজল। ছেলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেখল, পাশের বাসার কর...
03/11/2024

বা গোসলে, মা রান্না ঘরে আর ছেলে টিভি দেখছিল। এমন সময় দরজায় ঘণ্টা বাজল। ছেলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেখল, পাশের বাসার করিম সাহেব দাঁড়িয়ে। ছেলে কিছু বলার আগেই করিম সাহেব বললেন, ‘আমি তোমাকে ৫০০ টাকা দেব, যদি তুমি ১০ বার কান ধরে উঠবস কর।’ বুদ্ধিমান ছেলে অল্প কিছুক্ষণ চিন্তা করেই কান ধরে উঠবস শুরু করল, প্রতিবার উঠবসে ৫০ টাকা বলে কথা। শেষ হতেই করিম সাহেব ৫০০ টাকার নোট ছেলের হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেলেন। বাবা বাথরুম থেকে বের হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে ছিল দরজায়?’ ‘পাশের বাসার করিম সাহেব’, উত্তর দিল ছেলে। বাবা বললেন কেনো এসেছিলেন, ‘আমার ৫০০ টাকা কি দিয়ে গেছেন?’
শিক্ষণীয় বিষয়
আপনার ধারদেনার তথ্য পরিবার থেকে গোপন করবেন না। এতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পাবেন।

আলহামদুলিল্লাহ আজকে আমাদের আস সুফফা ফাউন্ডেশন থেকে কিছু টাকা স্বপ্নযাত্রা ফাউন্ডেশনের মধ্যমে বন্যায়দুর্গতদের পুনর্বাসনের...
04/09/2024

আলহামদুলিল্লাহ আজকে আমাদের আস সুফফা ফাউন্ডেশন থেকে কিছু টাকা স্বপ্নযাত্রা ফাউন্ডেশনের মধ্যমে বন্যায়দুর্গতদের পুনর্বাসনের জন্য দিতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ

আমাদের সকল সমাজ সেবামূলক কাজে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামোনা করছি, আপনাদের সার্বিক সহযোগিতায় আমাদের এই আস সুফফা ফাউন্ডেশনটি অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।

তাই আমারা আশা করছি আমাদের সমাজের ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সমাজ সেবা মূলক কাজে আপনারা সব সময় আমাদের পাশে থাকবেন আপনাদের সহযোগিতায় সমাজের বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজ করে আমরা এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর।

Adresse

Democratic Republic Of The

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque As Suffah Foundation publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Raccourcis

Partager