02/06/2026
পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী ও শ্রুতিনির্ভর পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আরও সহজ ও ন্যায্য করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে শ্রুতিলেখক ও শ্রুতিনির্ভর পরীক্ষার্থীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা হয়েছে এবং পরীক্ষা গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন এই নীতিমালার আওতায় এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত সব পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় অভিন্ন নিয়মে শ্রুতিলেখক সুবিধা প্রদান করা হবে।নীতিমালায় শ্রুতিলেখকের যোগ্যতা ও দায়িত্ব স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শ্রুতিলেখক নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্পষ্ট ও প্রমিত উচ্চারণ, সহজে বোধগম্য হস্তাক্ষর, শুদ্ধ বানান এবং দ্রুত লেখায় পারদর্শী ব্যক্তিকে যাচাই করে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।নীতিমালায় শ্রুতিনির্ভর পরীক্ষার্থীদের জন্য শ্রুতিলেখকের সংখ্যা ও অতিরিক্ত সময়ের বিষয়টি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শ্রুতিনির্ভর পরীক্ষার্থী নিজের মনোনীত সর্বোচ্চ দুইজন শ্রুতিলেখকের জন্য আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে পরীক্ষা গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ ওই দুইজনকে অনুমোদন দেবে। অনুমোদিত দুজনের মধ্যে যে কোনো একজনের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন পরীক্ষার্থী।এছাড়া শ্রুতিলেখকের সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতাও নির্ধারণ করা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে- প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক শ্রুতিলেখক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী, সপ্তম শ্রেণির জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী, অষ্টম শ্রেণির জন্য সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী, নবম শ্রেণির জন্য অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী, এসএসসির জন্য অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং এইচএসসির জন্য দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রুতিলেখক হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের জন্য এইচএসসি শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় বর্ষের জন্য প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী, তৃতীয় বর্ষের জন্য দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী, চতুর্থ বর্ষের জন্য তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ও এর উপরের পরীক্ষা যেমন বিসিএসের জন্য স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা শ্রুতিলেখকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।