Matriseba Old Age Care Center

Matriseba Old Age Care Center সমাজের অবহেলিত বৃদ্ধ পিতামাতার সেবায় আমরা অঙ্গিকার বদ্ধ।

ছোট পেটে সন্তানের জায়গা হয় কিন্তু বিরাট ফ্ল্যাটে মায়ের জায়গা হয় না!
27/04/2023

ছোট পেটে সন্তানের জায়গা হয় কিন্তু বিরাট ফ্ল্যাটে মায়ের জায়গা হয় না!

বৃদ্ধাশ্রমে মা-বাবাদের আকুতি!!!
22/04/2023

বৃদ্ধাশ্রমে মা-বাবাদের আকুতি!!!

11/04/2023

এই ভিডিও টি যতবার দেখেছি ততবারই কান্না করেছি। ধন্যবাদ WALTON।

বাড়ি ঘর নির্মাণ করার সময় আমাদের সকলেরই খেয়াল রাখা উচিত যে আমার লা*শটা নেওয়ার জন্য জায়গা থাকে, আল্লাহ সকলকে বুঝার তৌ...
30/03/2023

বাড়ি ঘর নির্মাণ করার সময় আমাদের সকলেরই খেয়াল রাখা উচিত যে আমার লা*শটা নেওয়ার জন্য জায়গা থাকে, আল্লাহ সকলকে বুঝার তৌফিক দিন আমিন।

27/03/2023
কিসের অহংকারগত শুক্রবার যমুনা ফিউচার পার্কের মসজিদের সামনে এই লোকটা ভিক্ষা করছিলেন তার পরিচয় হচ্ছে তিনি সাবেক গার্মেন্টস...
19/03/2023

কিসের অহংকার

গত শুক্রবার যমুনা ফিউচার পার্কের মসজিদের সামনে এই লোকটা ভিক্ষা করছিলেন তার পরিচয় হচ্ছে তিনি সাবেক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মিঃ শাহজাহান। মান্দার এলাকায় তার গার্মেন্টস ছিল। সম্প্রতি তিনি ১০ কোটি টাকা লোকসান করে আজ পথের ফকির। তার স্ত্রী খুব অসুস্থ। তিনি নিজেও হার্টের রোগী। বড় অপারেশন হবে। তাই সাহায্য চাচ্ছে। মনে মনে ভাবলাম কত মানুষের রোজগারের সুযোগ করে দিয়েছিলেন আজ তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করছেন। এরকম কিছু মানুষের জন্যই হয়তো এতো বড় একটি সেক্টর এর জন্ম হয়েছিল।

আল্লাহ যে কাকে কোন অবস্থা থেকে কোন অবস্থায় নিমিশেই নিয়ে যাবে কল্পনাও করতে পারবে না, তাই নিজের অবস্থান ও অর্থবিত্ত নিয়ে অহংকার না করি এবং অন্যের খারপ অবস্থার জন্য কাউকে খোটা না দেই। আল্লাহ সবাইকে যে যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় থেকেই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার তৌফিক দান করুন৷ আমীন
সংগৃহীত

বড় সন্তানের উপর ছোট সন্তানদের দায়িত্ব চাপিয়ে দেবেন না।কোনো দম্পতি যদি একের অধিক সন্তান জন্ম দেয়, তবে অবশ্যই তাদের মাথ...
12/03/2023

বড় সন্তানের উপর ছোট সন্তানদের দায়িত্ব চাপিয়ে দেবেন না।

কোনো দম্পতি যদি একের অধিক সন্তান জন্ম দেয়, তবে অবশ্যই তাদের মাথায় রাখতে হবে সব সন্তানের দায়িত্ব তাদের, সে যে পরিস্থিতিই হোক না কেন। বড় সন্তানের উপর তার ছোট ভাইবোনদের দায় চাপিয়ে দেয়া যাবেনা, কারণ সেটা তার দায়িত্ব নয়।

আমাদের সমাজে বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়াটা যেন অলিখিত নিয়ম। সব ত্যাগ তাকেই করতে হবে। সে নিজেও যে একটা শিশু সেটা ভুলে যায় সবাই। অথচ যে ভাইবোনের জন্ম হয়েছে তাদের এই দুনিয়াতে সে আনে নি। তাহলে কেন তাকে সব ত্যাগ স্বীকার করতে হবে?

বড় সন্তানের বয়সের পার্থক্য সর্বোচ্চ কত হয় সাধারণত? ৫/৬/৭! অনেকক্ষেত্রে দেড় বা দুবছর বা তার চেয়েও কম হয়। তাহলে কিভাবে এই ছোট শিশুটির কাছে আশা করি সে সব বুঝবে? সে তার সব দাবীদাওয়া ছেড়ে দেবে? কেন তাকে সবাই বলে যে - তুমি তো বড়, তুমি এটা ছোট ভাই/বোনকে দাও। ভাইবোনের মাঝে ঝামেলা হলে মা এসে বড়জনকে বকে, পেটায়। বাবাও এসে বড়জনকেই দোষ দেয়, কেন সে বুঝেনা! অথচ মা বাবা দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও তো বোঝেনা ওই ছোট শিশুটি কি চায়!

আস্তে আস্তে বড় হয় তারা। বাসার বড়জনকে ঘরের কাজে হাত লাগাতে হয়, কিন্তু ছোটজনকে কুটোটিও নাড়তে দেয়া হয় না, কারণ সে ছোট। পছন্দের কোনো খাবার বা পোশাক সব ক্ষেত্রেই প্রাধান্য পায় ছোটজন, এরপর বাকি থাকলে বড়জন সেটা পায়। যে ছোট সে কখনোই বড় হয়না। বয়স ২০/২৫/৩০ হয়ে গেলেও সে ছোটই থাকে।

সংসারের দায়িত্বও কিন্তু বড়ছেলের। বড়ছেলের পাশাপাশি সে দায়িত্ব এসে পড়ে বড় বউয়ের ঘাড়ে। তারা সংসারের দায়িত্ব নিতে বাধ্য। ছোটরা গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরলেও সমস্যা নেই। এই সমাজ ব্যবস্থায় "বড়ছেলে" টাইপ নাটক মানুষের পছন্দ। বড়ছেলেকে যে ত্যাগ করতে শিখতে হয়, নিজের শখ ও ইচ্ছা বিসর্জন দিতে শিখতে হয়। তা না হলেই সে কুলাংগার সন্তান, তাই ভাইবোনের দায়িত্ব নেয় না। অথচ ভাইবোন যে এখনো সাবলম্বী হতে পারেনি, বা সাবলম্বী হয়েও তুচ্ছ বিষয়ে বড় ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে সে দোষ কার?

সন্তান বছর বছর জন্ম দিলেই হয়না, তাদের প্রতি কর্তব্যটুকুও করতে হয়। এক সন্তানের ঘাড়ে জোয়াল বসিয়ে অন্যসন্তানদের টেনে নিয়ে যেতে বাধ্য করার যে রীতি তা কতটুকু স্বাভাবিক? কতটুকু মানবিক?

দায় চাপিয়ে দিতে হয়না। তখন সেটা গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়ায়। সন্তান মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন করবে ভালোবেসে, বাধ্য হয়ে নয়। এই সহজ সত্যটা কবে বুঝবো আমরা?

©উম্মে সালমা কলি

#সংগৃহীত🙂🙂🙂

বৃদ্ধাশ্রমেও বাবাকে দেখতে যায়নি সন্তানরা, সেজন্য ২ কোটি টাকার সম্পদ সরকারকে লিখে দিলেন বৃদ্ধ!!!ভারতের উত্তর প্রদেশে ৮৫ ব...
07/03/2023

বৃদ্ধাশ্রমেও বাবাকে দেখতে যায়নি সন্তানরা, সেজন্য ২ কোটি টাকার সম্পদ সরকারকে লিখে দিলেন বৃদ্ধ!!!

ভারতের উত্তর প্রদেশে ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধ তার প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি সন্তানদের না দিয়ে সরকারকে লিখে দিয়েছেন।

শুধু তাই নয়, সন্তানদের কাছে ‘বোঝা হয়ে যাওয়া’ নাথু সিং নামের ওই বৃদ্ধ তার মৃতদেহ একটি মেডিকেল কলেজে উইল করে দিয়ে বলেছেন, তার ছেলে ও চার মেয়ে কেউ যেন তার শেষকৃত্যে অংশ নিতে না পারে।

মুজাফফরনগরের বাসিন্দা নাথু সিং যে বসতবাড়ি এবং জমির রয়েছে, তার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। তার একটি ছেলে রয়েছে যে একজন স্কুল শিক্ষক। এছাড়াও তার চার মেয়ে আছে, যারা সবাই বিবাহিত।

স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে বৃদ্ধ একাই থাকতেন। প্রায় সাত মাস আগে তিনি তার গ্রামের একটি বৃদ্ধাশ্রমে চলে আসেন।

৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের হৃদয় ভেঙে যায়, যখন তার কোনো সন্তান তাকে দেখতে আসেনি। তিনি তার সম্পত্তি সরকারকে লিখে দিয়ে তার মৃত্যুর পরে সেখানে একটি হাসপাতাল বা একটি স্কুল তৈরি করতে বলেন।

এক ছেলে ও চার মেয়ের বাবা শুক্কুর দেওয়ান। বয়সের ভাঁড়ে নূ্জ হ‌য়ে প‌রে‌ছে। এক সম‌য়ে শুক্কু‌রের নি‌জের জ‌মিজমা, বাড়ীঘর সবই ছ...
04/03/2023

এক ছেলে ও চার মেয়ের বাবা শুক্কুর দেওয়ান। বয়সের ভাঁড়ে নূ্জ হ‌য়ে প‌রে‌ছে। এক সম‌য়ে শুক্কু‌রের নি‌জের জ‌মিজমা, বাড়ীঘর সবই ছিল কিন্তু আজ তি‌নি নিঃস্ব। ভুল বু‌জি‌য়ে একমাত্র ছে‌লে নি‌জের না‌মে বাড়ীসহ সব সম্প‌ত্তি লি‌খে নেয়ায় আজ তার ঠাই হ‌য়ে‌ছে অ‌ন্যের বাড়ীর গোয়াল ঘ‌রে।

পঙ্গু স্বামীর প্রতি স্ত্রীর ভালবাসাপ্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্বামীকে নামাজ পড়ার জন্য অজু করানো। সকালের নাশতা খাওয়ানো, ...
03/03/2023

পঙ্গু স্বামীর প্রতি স্ত্রীর ভালবাসা

প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্বামীকে নামাজ পড়ার জন্য অজু করানো। সকালের নাশতা খাওয়ানো, দুপুরে গোসল করানো, কাপড় পরানো আর রাতে তাকে পিঠে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোসহ হাসিমুখে সবই করেন তিনি।

নয় বছর ধরে ভালবাসার মানুষটির জন্য এভাবেই নীরবে নিজের কাজ করে চলেছেন হালিমা বেগম (৫১)। তাইতো স্ত্রীর ভালবাসায় স্বামী আমজাদ আলী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে উঠেন, “হালিমা না থাকলে আমার বাইচ্চা থাকা কঠিন অইতো”। এই দম্পতির বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ রানীগাঁও গ্রামে।

বৃদ্ধাশ্রমে বসে এখন শুধু ডুকরে ডুকরে কাঁদেন আর সেই সোনালী অতীতের কথা ভাবেন৬৮ বছর বয়সী সিরাজুল ইসলাম ছিলেন বিমান বাহিনীর...
01/03/2023

বৃদ্ধাশ্রমে বসে এখন শুধু ডুকরে ডুকরে কাঁদেন আর সেই সোনালী অতীতের কথা ভাবেন

৬৮ বছর বয়সী সিরাজুল ইসলাম ছিলেন বিমান বাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার। সংসারে স্ত্রী ও চার মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান ছিল না। স্ত্রী কৌশলে পৈত্রিক ভিটা বাড়ি বিক্রি করে দেন। তারপরও সুখেই কাটছিল তার চাকরি জীবন। কিন্তু অবসরে যাওয়ার কয়েক বছর পরই দেখা দেয় অশান্তি। এক সময় স্ত্রী-সন্তানদের রোষাণলে পড়তে হয় তাকে।

শেষমেষ সিরাজুল ইসলামের ভুয়া মৃত্যু সনদ বানিয়ে ব্যাংকে গচ্ছিত জীবনের সবটুকু আয় তুলে নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয় তাকে। একইসঙ্গে নিজের মাসিক পেনশনের টাকা উত্তোলনের ক্ষমতাও নিয়ে নেন স্ত্রী। জীবিত হয়েও মৃত্যু সনদ বাতিল করতে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন সিরাজুল ইসলাম। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে আজ তার ঠাঁই হয়েছে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন মনিপুর বিশিয়া কুড়িবাড়ি ‘বয়স্ক পূনর্বাসন কেন্দ্রে’। বৃদ্ধাশ্রমে বসে এখন শুধু ডুকরে ডুকরে কাঁদেন আর সেই সোনালী অতীতের কথা ভাবেন।

শনিবার বৃদ্ধাশ্রম নিবাসীদের খোঁজ নিতে গেলে সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। এ সময় তিনি তার জীবনের নানা তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলেন। তার বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর এলাকায় হলেও চাকরি সুবাদে বসবাস করতেন ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার পাশে এক ভাড়া বাড়িতে। সেখানেই স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে থাকতেন।

স্ত্রীর পরামর্শে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুরের আতলরা এলাকায় শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি কেনেন স্ত্রীর ও মেয়েদের নামে। এতে তার নিজের ভাই-বোনদের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি হয়।

২০০২-০৩ সালে অবসরে যাওয়ার পর বাড়ি ভাড়া ও সংসার খরচ চালানোর মতো অবস্থা ছিল না। পরে চাকরি নেন ঢাকার বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এক অফিসে।

তিনি বলেন, সেখানে ইনফরমেশন কাউন্টারে কাজ করতেন। ২০০৪ সালে সেখানে নার্স নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিলে এক নারী আবেদনকারী আমার ব্যাগে তার আবেদন ও ছবি রেখে যান। ভুলে তা আমার বাসায় চলে যায়। পরে ব্যাগ খুলে আমার স্ত্রী ওই আবেদনকারীর ছবি দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এনিয়ে স্ত্রীর সন্দেহ হয় এবং সংসারে কলহ সৃষ্টি হয়।

এক পর্যায়ে আমার স্ত্রী ঠিকানা অনুসারে ওই নারীর বাসায় গিয়ে তাকে গালাগালি করে আসে। বাড়িতে ফিরে আমাকে দা দিয়ে কোপাতে তেড়ে যায়। বাইরে কোনো কাজে দেরি হলেই আমাকে সন্দেহ ও আমার সাথে ঝগড়া শুরু করে। অশান্তির এক পর্যায়ে সেখান থেকে গ্রামের বাড়ি ছোট ভাই সফিউদ্দিনের কাছে চলে যাই। পৈত্রিক জমি বিক্রি করে শ্বশুরদের জমি কিনে স্ত্রী-সন্তানের নামে দেয়ায় ভাইয়েরাও আমাকে ভালোভাবে নেয়নি। কিছুদিন যাওয়ার পর ছোটভাইও আমার নামে থাকা অবশিষ্ট ১০ কাঠা জমি লিখে নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

পরে বেশ কয়েকমাস পরে (২০০৬ সালে) আবার ঢাকার বাসায় ফিরে গেলে স্ত্রী আমাকে স্বামী বলে অস্বীকার করেন এবং তার স্বামী মারা গেছেন বলে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে সেখান থেকে গাজীপুরের কোনাবাড়ির এক আত্মীয়ের বাসায় উঠি। সেখানে থাকা অবস্থায় আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। তারা পরে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয় এবং সুস্থ হলে আমাকে গাজীপুরের বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়।

পরে ব্যাংকে আমার টাকা তুলতে গিয়ে জানতে পারি নমিনি থাকা আমার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে আমার নামে ডেথ সার্টিফিকেট জমা দিয়ে ব্যাংকে জমানো জমি-বিক্রির ১০ লাখ ও পেনশনের ১২ লাখ টাকা তুলে নিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাংক ও বিমান বাহিনীর অফিসে গেলে ঘটনাটি আদালতের মাধ্যমে প্রমাণ করতে পরামর্শ দেয়া হয়। এখন শেষ বয়সে বৃদ্ধাশ্রমে থেকে আইনি লড়াই করার শক্তি আমার নেই।

তারই মতো বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন কুমিল্লার জাহানারা বেগম (৭৫)। অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তার স্বামীও বিমান বাহিনীতে চাকরি করতেন। ৪০ বছর আগে তার স্বামী চার ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রেখে মারা গেছেন। সকলের বিয়ে হওয়ার পর যে যার মতো আলাদা হয়ে গেছে। একসময় আমার ছোট ছেলে আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানেই চলছিল আমার জীবনযাপন। একদিন আমার ছোট ছেলে ও তার স্ত্রী প্রয়োজনের কথা বলে পাঁচ লাখ টাকার চেক স্বাক্ষর করে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেয়। বেশ কিছুদিন পর তারা আবারও আট লাখ টাকা চেক দিতে বলে। কিন্তু তাতে রাজী না হওয়ায় তাকে বকাঝকা শুরু করে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

এদিকে অন্যদের না দিয়ে শুধু ছোট ছেলেকে টাকা দেয়ায় অন্য সন্তানদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত আমি চলে আসি গাজীপুরের এই বৃদ্ধাশ্রমে। এখানে চার বছর ধরে আছি। সন্তানেরা আমাকে ভুলে থাকলেও আমিতো তাদের ভুলতে পারি না।

একদিন যেই সন্তানদের জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছি, দেহের রক্ত পানি করে বড় করেছি কিন্তু তারা কেন পাল্টে যায়? শুধু আইন করে সন্তান ও বাবা-মায়ের সম্পর্ক টিকে থাকে না। আমি মনে করি সন্তানদের মানবিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা খুব প্রয়োজন।

Adresse

Dhalat, Bara Harishpur, Natore
Democratic Republic Of The
6400

Téléphone

+8801750333962

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Matriseba Old Age Care Center publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L’organisation

Envoyer un message à Matriseba Old Age Care Center:

Partager