TSF.BD,Chittagong Metropolitan Branch

TSF.BD,Chittagong Metropolitan Branch Informations de contact, plan et itinéraire, formulaire de contact, heures d'ouverture, services, évaluations, photos, vidéos et annonces de TSF.BD,Chittagong Metropolitan Branch, Organisation à but non lucratif, Democratic Republic of the.

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এ চান্সপ্রাপ্ত সকল ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদ...
11/05/2026

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এ চান্সপ্রাপ্ত সকল ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন। 🌸

তোমরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব, তোমরাই জাতির গর্ব ও আশার প্রতীক। তোমাদের মেধা, পরিশ্রম ও সফলতা ত্রিপুরা জাতিকে আরও সমৃদ্ধ ও এগিয়ে নিয়ে যাবে—এই প্রত্যাশা রইলো।

নতুন এই পথচলায় সবার জন্য রইলো অফুরন্ত শুভকামনা ও সফল ভবিষ্যতের প্রার্থনা।

’’ফতিহাতু নুর বেলি ত্রিপুরা” নামক ফেসবুক পেইজ থেকে সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবা...
30/04/2026

’’ফতিহাতু নুর বেলি ত্রিপুরা” নামক ফেসবুক পেইজ থেকে সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

20/04/2026

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা।

ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের সকল এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজ শুরু হতে যাচ্ছে। এই পথচলায় আত্মবিশ্বাস, পরিশ্রম এবং দৃঢ় মনোবলই হবে তোমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। মনে রেখো—পরীক্ষা শুধু জ্ঞান যাচাইয়ের মাধ্যম, জীবনের সাফল্য তার চেয়েও অনেক বড়।

ভয় নয়, আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাও। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দাও শান্ত মনে, আর নিজের উপর ভরসা রাখো। তোমাদের সাফল্যই আমাদের গর্ব, আমাদের অনুপ্রেরণা।

✨ তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
✨ প্রতিটি পরীক্ষায় সফলতা অর্জন করো।

সবার জন্য রইলো আশীর্বাদ ও ভালোবাসা। 🤍

বিবৃতি: পাহাড়ে উৎসবের রঙ বনাম বম জনগোষ্ঠীর বিষাদতারিখ: ১৩ এপ্রিল, ২০২৬বিষয়: কারাবন্দী নিরপরাধ বম জনগোষ্ঠী মুক্তি ও মানবি...
13/04/2026

বিবৃতি: পাহাড়ে উৎসবের রঙ বনাম বম জনগোষ্ঠীর বিষাদ

তারিখ: ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
বিষয়: কারাবন্দী নিরপরাধ বম জনগোষ্ঠী মুক্তি ও মানবিক অধিকার রক্ষার আবেদন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়জুড়ে এখন উৎসব মুখর পরিবেশ। বৈসাবি, বিজু বা সাংগ্রাইয়ের রঙে যখন চারপাশ রাঙিয়ে ওঠার কথা, যখন আনন্দ-উৎসবে মুখরিত হওয়ার কথা প্রতিটি পাড়া—ঠিক তখনই এক গভীর বিষাদ ছেয়ে আছে বম জনগোষ্ঠীর জনপদে। দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বম সম্প্রদায়ের অসংখ্য মানুষ নিরপরাধে কারাবন্দী হয়ে আছে।

উৎসবের এই আবহে যখন ভ্রাতৃত্বের জয়গান গাওয়ার কথা, তখন পাহাড়ের অন্যতম বম জনগোষ্ঠীর অনেক পরিবারই তাদের প্রিয়জনদের ছাড়া মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব নিরপরাধ মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে বিনাবিচারে বা কেবল সন্দেহের বশবর্তী হয়ে কারাবন্দী হয়ে আছেন, তাদের জীবনের এই দুই বছর কেবল তাদের ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং পুরো সম্প্রদায়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এবং মানবাধিকার কাঠামোর ওপর এক চরম আঘাত।

আমাদের আবেদন:

মানবিক বিবেচনা: দীর্ঘ দুই বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এখন সময় এসেছে মানবিক ও আইনি মানদণ্ডে তাদের বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখার। যারা প্রকৃত অর্থেই নিরপরাধ, তাদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হোক।

বিচারের স্বচ্ছতা: আইনি প্রক্রিয়া দ্রুততর করার মাধ্যমে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে আনা হোক, যাতে কোনো সাধারণ নাগরিক বিনা অপরাধে কারাবরণ না করেন।

শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা: পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে সকল জনগোষ্ঠীর মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।

পাহাড়ের প্রতিটি কোণে উৎসবের রঙ ছড়িয়ে পড়ুক এবং কোনো সম্প্রদায়ের চোখের জলে যেন সেই আনন্দ ম্লান না হয়—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা আশা করি, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই মানবিক সংকটের সমাধানে এগিয়ে আসবেন এবং কারাবন্দী বম জনগোষ্ঠীর নিরপরাধ সদস্যদের পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার পথ সুগম করবেন।
শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক।

🌸 হারি বৈসু’র আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🌸ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পক্ষ থেকে সবাইকে...
13/04/2026

🌸 হারি বৈসু’র আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🌸

ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই হারি বৈসু’র শুভেচ্ছা।
আজ ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কলা ফ্যাকাল্টি ঝর্ণায় ‘হারি বৈসু’ উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী ফুল নিবেদন (খুম বকনাই) করা হয়।
এই প্রার্থনার মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার এই মুহূর্তটি ছিল শান্তি, সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব মিলন।
এই আয়োজনের মাধ্যমে সকলের মঙ্গল, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়েছে।
শুভ হোক বৈসু 💝
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

বৈসু ও গরিয়া নৃত্য  নিয়ে মিতা ত্রিপুরা'র ভাবনা"বৈসু ও গরিয়া নৃত্য: উৎসব ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন"-পার্বত্য চট্টগ্রামের ত্রিপ...
11/04/2026

বৈসু ও গরিয়া নৃত্য নিয়ে মিতা ত্রিপুরা'র ভাবনা

"বৈসু ও গরিয়া নৃত্য: উৎসব ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন"-
পার্বত্য চট্টগ্রামের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব হলো বৈসু। ত্রিপুরা জনজাতি চৈত্র-বৈশাখ সংক্রান্তিতে বৈসু উৎসব পালন করে থাকে। বৈশাখের শুরুতে আয়োজিত এই উৎসবের মূল আকর্ষণ হলো গরিয়া নৃত্য (খেরেবাই), যা ধন-সম্পদ ও সুখ-সমৃদ্ধির দেবতা গরিয়াকে সন্তুষ্ট করতে পরিবেশন করা হয়।

হারি বৈসু (প্রথম দিন): উৎসবের শুরু হয় ঘরদোর পরিষ্কার করা এবং ফুল দিয়ে বাড়ি সাজানোর মাধ্যমে।এদিন ভোরে ছোট ছেলেমেয়েরা বন থেকে বুনো ফুল (বিশেষ করে ভাতৌ ফুল) সংগ্রহ করে পবিত্র স্নান সেরে দেবতাকে ফুল উৎসর্গ করে।ঘরবাড়ি সাজানোর পাশাপাশি গবাদি পশুকে স্নান করিয়ে গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেওয়া হয় যা প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি রূপ।
বৈসুমা (দ্বিতীয় দিন): এটি উৎসবের মূল দিন। ঘরে ঘরে হরেক রকমের পিঠা এবং বিভিন্ন পদের সবজি, ভেষজ মূল এবং বাঁশকোড়ল দিয়ে তৈরি করা হয় ঐতিহ্যবাহী খাবার পাচন। এদিন ছোটরা বড়দের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেয়।
বিসিকাতাল (তৃতীয় দিন):
এটি নববর্ষের দিন। এদিন মন্দিরে প্রার্থনা করা হয় এবং বয়স্কদের সেবা করার মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।

গরিয়া নৃত্য: সমৃদ্ধির আরাধনা

বৈসু উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো গরিয়া নৃত্য। গরিয়া নৃত্য কেবল একটি নাচ নয়, এটি একটি পবিত্র আচার। ত্রিপুরাদের পরম আরাধ্য 'গরিয়া' দেবতার সন্তুষ্টির জন্য এটি পরিবেশিত হয়। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী, 'গরিয়া' হলেন তুলা ও কৃষির দেবতা। তাকে সন্তুষ্ট করলে সারা বছর ভালো ফসল হবে এবং দুঃখ-কষ্ট দূর হবে।
নৃত্যের শৈলী: তরুণ-তরুণীরা দলবদ্ধভাবে ঢোলের (খ্রাম) তালে এই নাচ পরিবেশন করা হয়, সাথে থাকে আরও বাঁশির (সুমুর) সুর। ২২ টি ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রায় মানব জীবনের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সংঘটিত ক্রিয়াকলাপ প্রদর্শিত হয়, নাচের মুদ্রায় জুম চাষের বিভিন্ন ধাপ (যেমন- বীজ বোনা, আগাছা পরিষ্কার ও ফসল কাটা) ফুটিয়ে তোলা হয়।

সংস্কৃতির প্রতীক: নৃত্যশিল্পীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নৃত্য পরিবেশন করে থাকে। প্রত্যেক নৃত্যশিল্পীর হাতে থাকে একটি রিসা ও বাঁশের দুইটি কঞ্চি। নৃত্যশিল্পীদের ব্যবহৃত রিসার মুখে বেঁধে দেওয়া হয় মন্ত্রপূত করা একটি পৈত্যা যা তাদের সকল প্রকার অশুভ থেকে রক্ষা করে।

সামাজিক বন্ধন: গরিয়া নাচের দল এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ঘুরে বেড়ায়। গৃহস্থরা সাধ্যমতো চাল, টাকা বা ফলমূল দিয়ে নৃত্যশিল্পীদের আপ্যায়ন করে, যা সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও প্রীতি বাড়ায়।

বৈসু ও গরিয়া নৃত্য শুধু উৎসব নয়—এটি ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ইতিহাস, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

লেখক: মিতা ত্রিপুরা
সদস্য, টিএসএফ.বিডি, সিএমবি,

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

সুকৈই খেলাসুকৈই  খেলা  ত্রিপুরাদের একটি জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী লোকজ খেলা। এটি সহজ সরঞ্জাম দিয়ে খেলা যায় এবং বিশেষ করে শিশু-ক...
08/04/2026

সুকৈই খেলা

সুকৈই খেলা ত্রিপুরাদের একটি জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী লোকজ খেলা। এটি সহজ সরঞ্জাম দিয়ে খেলা যায় এবং বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের মধ্যে জনপ্রিয়।

🔹 খেলার উপকরণ
🟢 একই সুকৈই ( গিলা)
🟢 খোলা মাঠ বা জায়গা

🔹 খেলোয়াড় সংখ্যা
সাধারণত ২টি দল থাকে
প্রতি দলে ১ / একাধিক জন অংশ গ্রহণ করা যায়। (অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে)

🔹 খেলার নিয়ম (ধাপে ধাপে)
১. মাঠ প্রস্তুতি
২. মাটিতে একটি ছোট গর্ত বা নির্দিষ্ট জায়গা করা হয়
সেখানে গিলা(সুকই) রাখা হয়

👉👉খেলা শুরু পদ্ধতি
১ কোন দল আগে খেলা শুরু করবে
তা নিধারণ করে (সুকৈই টালা নায়) যে দল জয় হয় তাদের দ্বারা দলে দ্বারা শুরু হবে।

২ একজন খেলোয়াড় (বা দল) নিদিষ্ট সীমানা দুরত্ব থেকে য়ামুক দিয়ে শুরু করতে হবে।
৩ একজন খেলোয়াড় শুরু করার সুকৈই আরো একজন ধরতে পারবে না তখন বাতিল বলে গণ্য হয়।
৪ যে দুরত্ব(মাইফাং) থেকে শুরু করে ১ম ধাপ খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেতে পারবে না।

সুকৈই খেলার ধাপ গুলো

১ য়ামুক
২ পেরকাইং
৩ চুকুডাইং
৪ ফোমবতৈই
৫ থ্কলাই
৬ য়েসি চাক্ গ্রা
৭ খাচোক
৮ য়েসি আবোক
১০ ফামকাই
১১ য়াকত্রি
১২ বামকাই
১৩ দের মাই কতং
১৪ পোমা
১৪ পোমা থ্কলাই
১৫ খুন্ যু
১৬ রে-কে
১৭ কপা ( বখ্রোক)
১৮ খাজু
১৯ সিমতং
২০ য়ক্রাই
২১ য়াপ্লাই
২০ য়েসতং

🔹 জয়ের নিয়ম
নির্দিষ্ট সময় বা রাউন্ড শেষে
যে দল সবচেয়ে বেশি এগিয়ে যাবে। সেই দল জয়ী হবে।

🔹 খেলার বৈশিষ্ট্য
✔️ কৌশল ও চোখের নির্ভুলতা প্রয়োজন
✔️ দলগত সহযোগিতা বাড়ায়
✔️ গ্রামীণ উৎসব ও অবসর সময়ে বেশি খেলা হয়

🔹 গুরুত্ব
⭐ শরীরচর্চা ও মানসিক আনন্দ দেয়
⭐ শিশুদের দক্ষতা ও মনোযোগ বাড়ায়
⭐ লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে।

দমায়ন ত্রিপুরা
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক
ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম,বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম মহানগর শাখা।

ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশচট্টগ্রাম মহানগর শাখাঅভিনন্দন বার্তাত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম ...
31/03/2026

ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম মহানগর শাখা

অভিনন্দন বার্তা

ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পক্ষ থেকে আমাদের সম্মানিত সহ-সভাপতি মাচাংটি এন্টি ত্রিপুরাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

তিনি চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে সিজিপিএ-৪ অর্জন করে উত্তীর্ণ হয়েছেন—যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তাঁর এই সাফল্য আমাদের সংগঠনের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করেছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আমরা তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, সুস্বাস্থ্য ও আরও বৃহত্তর সাফল্য কামনা করছি।

শুভেচ্ছান্তে,
ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম মহানগর শাখা

Women are the symbol of strength, courage, and inspiration. Their contributions to family, society, and the nation are t...
08/03/2026

Women are the symbol of strength, courage, and inspiration. Their contributions to family, society, and the nation are truly invaluable.

On this International Women's Day, Tripura Student's Forum, Bangladesh, Chattogram Metropolitan Branch extends its heartfelt greetings and deepest respect to all women.
Let us stand together to ensure dignity, equality, and empowerment for every woman.

প্রথম আলো-এর ‘স্বপ্ন নিয়ে’ বিভাগে প্রকাশিত “গবেষণায় জোর দিলে ভবিষ্যতে সুফল মিলবে” শীর্ষক প্রবন্ধ রচনার জন্য চট্টগ্রাম বি...
22/02/2026

প্রথম আলো-এর ‘স্বপ্ন নিয়ে’ বিভাগে প্রকাশিত “গবেষণায় জোর দিলে ভবিষ্যতে সুফল মিলবে” শীর্ষক প্রবন্ধ রচনার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থী এবং ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখা-এর বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মাচাংটি সুরঞ্জনা ত্রিপুরাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবসম্পদ গঠনের বিষয়ে তাঁর সুচিন্তিত মতামত সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠে এমন গঠনমূলক চিন্তা দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

Adresse

Democratic Republic Of The

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque TSF.BD,Chittagong Metropolitan Branch publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Partager