Biomedical Research Foundation

Biomedical Research Foundation Biomedical Research Foundation (BRF) is an independent non-profit organization based in Bangladesh.

It aspires to be a reputed international collaborative research platform for biomedical research dedicated to improve the quality of life. BRF also wants to be the bridging platform for local and expatriate scientists.

Bangladesh is experiencing its largest measles outbreak in two decades, with mortality that appears disproportionate to ...
12/07/2026

Bangladesh is experiencing its largest measles outbreak in two decades, with mortality that appears disproportionate to the reported case burden. A new study found that 71% of critically ill children could not secure a paediatric intensive care unit (PICU) bed because none were available or existing units were full.

Although more than 127,000 measles cases were reported across Europe in 2024, only 38 deaths were recorded. Why, then, is the mortality rate so much higher in Bangladesh?

When it comes to child deaths from measles, the greater challenge is not vaccination alone, it is the weakness of the healthcare system. Bangladesh still lacks adequate pediatric ICU support to manage severe measles complications.

This issue has been explored in a single-author paper published in “Tropical Medicine and Health” by Mohammad Sorowar Hossain, Scientist at the Biomedical Research Foundation (BRF).

হামের টিকা জীবন বাঁচাতে পারে। কিন্তু যখন শিশুটি সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে, তখন জীবন বাঁচায় একটি আইসিইউ বেড। আর সেখানেই সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাংলাদেশের।

বাংলাদেশ গত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় হাম (Measles) প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি। উদ্বেগের বিষয় হলো, শনাক্ত রোগীর সংখ্যার তুলনায় মৃত্যুর হার অস্বাভাবিকভাবে বেশি।

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, গুরুতর অসুস্থ শিশুদের ৭১ শতাংশ প্রয়োজনীয় পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (PICU)–এর শয্যা পায়নি। কারণ, হয় কোনো শয্যা খালি ছিল না, নয়তো বিদ্যমান ইউনিটগুলো ইতোমধ্যেই পূর্ণ ছিল।

একই সময়ে ইউরোপ অঞ্চলে ২০২৪ সালে ১ লাখ ২৭ হাজারের বেশি হাম রোগী শনাক্ত হলেও মৃত্যু হয়েছিল মাত্র ৩৮ জনের। এই বৈপরীত্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে, বাংলাদেশে মৃত্যুর হার এত বেশি কেন?

উত্তরটি শুধু টিকাদান কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গুরুতর হামে আক্রান্ত শিশুর জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন সময়মতো অক্সিজেন, নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন হলে পেডিয়াট্রিক আইসিইউ সাপোর্ট। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এই সক্ষমতার ঘাটতি এখনও প্রকট।

এই বাস্তবতাকে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে Biomedical Research Foundation (BRF) এর সায়েন্টিস্ট Mohammad Sorowar Hossain এর একক (single-author) গবেষণায়, যা আন্তর্জাতিক জার্নাল Tropical Medicine and Health এ প্রকাশিত হয়েছে।

শিশুমৃত্যু কমাতে শুধু টিকার কভারেজ বাড়ালেই হবে না; একই সঙ্গে জরুরি শিশু চিকিৎসা ও পেডিয়াট্রিক আইসিইউ সক্ষমতায় বিনিয়োগ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।



ভয়-লজ্জায় চিকিৎসা পেছানোয় বাড়ছে স্তন ক্যানসারে মৃত্যুঝুঁকিস্তনে একটি ছোট গাঁট। শুরুতে তেমন গুরুত্ব দেননি। ভেবেছেন, কয়েক ...
03/07/2026

ভয়-লজ্জায় চিকিৎসা পেছানোয় বাড়ছে স্তন ক্যানসারে মৃত্যুঝুঁকি

স্তনে একটি ছোট গাঁট। শুরুতে তেমন গুরুত্ব দেননি। ভেবেছেন, কয়েক দিন পরই হয়তো সেরে যাবে। কারও কাছে বলতে লজ্জা পেয়েছেন, কেউ আবার ক্যানসার ধরা পড়ার ভয়ে চিকিৎসকের কাছেই যাননি। এভাবেই কেটে গেছে মাসের পর মাস। এরপর যখন হাসপাতালে পৌঁছেছেন, তখন অনেকের ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছে দ্বিতীয় বা তৃতীয় ধাপে।

বাংলাদেশে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে এমনই উদ্বেগজনক বাস্তবতা উঠে এসেছে দেশের অন্যতম স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (বিআরএফ) এক গবেষণায়। গবেষণা বলছে, রোগের লক্ষণ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে চূড়ান্ত চিকিৎসা শুরু করতে অর্ধেকেরও বেশি রোগীর চার মাসের বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। এই দীর্ঘ বিলম্ব কমিয়ে দিচ্ছে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা, বাড়িয়ে দিচ্ছে জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি।

আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী হেলথ সায়েন্স রিপোর্টসে সম্প্রতি প্রকাশিত ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং ডিলেজ ইন ব্রেস্ট ক্যানসার ডায়াগনোসিস ইন বাংলাদেশ: অ্যা ফ্যাসিলিটি-বেইজড ক্রস-সেকশনাল স্টাডি’ শীর্ষক গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে ঢাকার জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (NICRH) ৩৫৫ জন স্তন ক্যানসার রোগীর ওপর। গবেষণায় নেতৃত্ব দেন বিআরএফের সায়েন্টিস্ট এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন মোহাম্মদ নাঈম হাসান, সুমাইয়া খান তৃষা ও অনকোলজিস্ট ড. মো. ওয়াহিদ আখতার।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৫৬ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে রোগের উপসর্গ দেখা দেওয়া থেকে চিকিৎসা শুরু হতে চার মাসের বেশি সময় লেগেছে। গবেষকরা একে ‘টোটাল ডিলে’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে ৪১ শতাংশ নারী নিজেরাই তিন মাসের বেশি সময় চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করেছেন (‘পেশেন্ট ডিলে’)। আবার ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ ক্ষেত্রে হাসপাতাল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা স্বাস্থ্যব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসা বিলম্বিত হয়েছে (‘প্রোভাইডার ডিলে’)।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, চিকিৎসকের কাছে প্রথমবার পৌঁছানোর সময় প্রায় অর্ধেক রোগী (৪৮ দশমিক ৮ শতাংশ) ছিলেন ক্যানসারের দ্বিতীয় ধাপে, আর ৪৪ দশমিক ১ শতাংশ ছিলেন তৃতীয় ধাপে। তৃতীয় ধাপের রোগীদের মধ্যেই চিকিৎসা বিলম্বের হার সবচেয়ে বেশি— ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় অনেক রোগীর ক্যানসার এমন পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে, যেখানে চিকিৎসা হয়ে ওঠে আরও জটিল, ব্যয়বহুল এবং অনিশ্চিত।

গবেষণাটি শুধু চিকিৎসা বিলম্বের চিত্রই তুলে ধরেনি, বরং এর পেছনের সামাজিক বাস্তবতাও সামনে এনেছে। প্রায় ৭৯ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, প্রথমে তারা ভেবেছিলেন স্তনের সমস্যাটি এমনিতেই সেরে যাবে। প্রায় ৭৬ শতাংশের ক্ষেত্রে ছিল অবহেলা। প্রায় ৬৬ শতাংশ অর্থাভাবে চিকিৎসা পিছিয়ে দিয়েছেন। ৪৪ দশমিক ৬ শতাংশ নারী স্তন পরীক্ষা করাতে বা এ বিষয়ে কথা বলতে লজ্জাবোধ করেছেন। আর ৩৮ শতাংশ ক্যানসার ধরা পড়বে কিংবা কেমোথেরাপি নিতে হবে— এই আশঙ্কায় চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করেছেন।

বিআরএফের গবেষণায় আরও দেখা গেছে, চিকিৎসা বিলম্বের সঙ্গে শিক্ষা, আয় এবং বসবাসের স্থানের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। নিরক্ষর নারীদের চিকিৎসা নিতে দেরি হওয়ার ঝুঁকি মাধ্যমিক বা তার বেশি শিক্ষিত নারীদের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। মাসিক পারিবারিক আয় পাঁচ হাজার টাকার কম হলে এই ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের নারীদের চিকিৎসা বিলম্বের ঝুঁকি প্রায় তিন গুণ বেশি। সবচেয়ে সংকটাপন্ন পরিস্থিতি রংপুর বিভাগে, যেখানে চিকিৎসা বিলম্বের ঝুঁকি প্রায় ছয় গুণ। এমনকি যেসব নারী স্বামীর সঙ্গে নিজের শারীরিক সমস্যা নিয়ে কথা বলতে সংকোচ বোধ করেন, তাদের চিকিৎসা পেতে দেরি হওয়ার আশঙ্কাও দ্বিগুণের বেশি।

বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (বিআরএফ) গবেষকদের মতে, এই সংকট কাটাতে শুধু হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না; প্রয়োজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার। তাই তারা গ্রামাঞ্চলে স্তন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা কর্মসূচি, স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, মোবাইল ক্লিনিকের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্ক্রিনিং ও রোগ নির্ণয় সেবা সম্প্রসারণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর রেফারেল ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং স্বাস্থ্যবিমার মতো আর্থিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেছেন।

রিসার্চ পেপারটির প্রধান গবেষক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘স্তন ক্যানসারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হলো দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ। কারণ, প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার ধরা পড়লে চিকিৎসার সফলতা যেমন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে, তেমনি কমে চিকিৎসা ব্যয় ও মৃত্যুঝুঁকিও।’

Dr. Mohammad Abbas Uddin Shiyak, Executive Director of the Biomedical Research Foundation (BRF), has been listed among A...
26/05/2026

Dr. Mohammad Abbas Uddin Shiyak, Executive Director of the Biomedical Research Foundation (BRF), has been listed among Asia’s top 100 scientists.

In recognition of his significant contributions to research, the Singapore-based science magazine ‘Asian Scientist’ has released its list of the top 100 scientists in Asia.

Dr. Mohammad Abbas Uddin Shiyak, Executive Director of the Biomedical Research Foundation (BRF) and Associate Professor in the Department of Dyes and Chemical Engineering at the Bangladesh University of Textiles (BUTEX), has secured a place on this year's list. Asian Scientist primarily highlights the innovations, research, and scientific contributions of researchers and scientists from various Asian countries.

Every year, the organization publishes the 'Asian Scientist 100' list, featuring scientists who have made outstanding contributions to research, technology, medicine, engineering, and environmental studies. The selection is made from researchers and innovators who have achieved international recognition. This year, three scientists from Bangladesh have earned a spot on the prestigious list.

Dr. Mohammad Abbas Uddin Shiyak previously achieved international acclaim by being selected for the "Global Change Award" presented by the H&M Foundation in 2025. He received this honor as his research plays a vital role in developing eco-friendly textile processes. His project, titled "Decarbonization Lab for Textile Process Innovation," focuses on developing low-emission dyeing and treatment processes aimed at reducing the environmental footprint of the fashion industry.

Dr. Shiyak's achievement in developing sustainable and eco-friendly technologies for the textile sector is being viewed as a matter of great pride for Bangladesh. This international recognition is expected to further inspire and advance textile research in the country.

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বিআরএফ-এর নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়ক

গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করেছে।

চলতি বছরের এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (বিআরএফ)-এর নির্বাহী পরিচালক এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)-এর ডাইস অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়ক। ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ মূলত এশিয়ার বিভিন্ন দেশের গবেষক ও বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন, গবেষণা এবং বৈজ্ঞানিক অবদান তুলে ধরে থাকে।

প্রতিবছর প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা, প্রযুক্তি, চিকিৎসা, প্রকৌশল ও পরিবেশবিষয়ক কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বিজ্ঞানীদের নিয়ে ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’ তালিকা প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাওয়া গবেষক ও উদ্ভাবকদের মধ্য থেকেই এই তালিকা নির্বাচন করা হয়। এ বছর উক্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের তিনজন বিজ্ঞানী।

ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়ক ২০২৫ সালে এইচএন্ডএম ফাউন্ডেশন প্রদত্ত “গ্লোবাল চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড” এর জন্য নির্বাচিত হয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেন। পরিবেশবান্ধব টেক্সটাইল প্রসেস উদ্ভাবনে তার গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় তিনি এই সম্মাননা লাভ করেন। তার উদ্ভাবিত “ডিকার্বনাইজেশন ল্যাব ফর টেক্সটাইল প্রসেস ইনোভেশন” প্রকল্পে স্বল্প নির্গমনভিত্তিক ডাইং ও ট্রিটমেন্ট প্রক্রিয়া উন্নয়নের কাজ করা হচ্ছে, যা ফ্যাশন শিল্পের পরিবেশগত ক্ষতি কমাতে সহায়তা করবে।

টেক্সটাইল খাতে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উন্নয়নে ড. শায়কের এই অর্জন বাংলাদেশের জন্যও একটি গর্বের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেশের টেক্সটাইল গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

Eid MubarakTaqabbalallahu minna wa minkumMay Allah accept from us and from you. May we all have a happy Eid. Greetings o...
20/03/2026

Eid Mubarak

Taqabbalallahu minna wa minkum

May Allah accept from us and from you. May we all have a happy Eid. Greetings on behalf of the Biomedical Research Foundation.

জামালপুরে অসহায় রোগীদের মাঝে বিআরএফের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণজামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশন ...
23/02/2026

জামালপুরে অসহায় রোগীদের মাঝে বিআরএফের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (বিআরএফ) ও বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগে ৫০ জন অসহায় রোগীর মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ১২ টায় উপজেলার বেলতৈল গ্রামের জামিয়া সাজেদা আজিজিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে এই বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জোবায়ের বলেন, 'আমরা বিভিন্ন সামাজিক কাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে মরণাপন্ন রোগীদের সেবায় প্যালিয়েটিভ কেয়ার নিয়ে কাজ করে আসছি। আমরা রোগীদের কাছে গিয়ে তাদের অসহায়ত্বের কথাগুলো শুনি। সাধ্যমতো সেবার চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা এবার ৫০ জন রোগীর প্রতিজনকে ১,৫০০ টাকার ইফতার প্যাকেজ উপহার দিলাম। পরবর্তীতে তাদের চিকিৎসা সেবা সহ সার্বিক সহযোগিতা করবো, ইনশাআল্লাহ।'

জামিয়া সাজেদা আজিজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইউনুস আলী বলেন, 'বিআরএফের প্যালিয়েটিভ কেয়ার ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগ। অন্যান্য সামাজিক কাজের চেয়ে এই কাজ সমাজের অসহায় মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।'

ইফতার পেয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের পেশেন্ট হাসনা বেগম বলেন, 'আমার কোন ছেলে নাই। নাতি নিয়ে কষ্টে জীবন যাপন করি। আল্লাহ তোমাদের কাজ কবুল করুক।'

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাজী মো. ইসমাঈল হোসেন বলেন, 'অন্যান্য সামাজিক সংগঠনের চেয়ে বিআরএফের উদ্যোগগুলো ব্যাতিক্রম। মরণাপন্ন অসহায় রোগীদের সেবায় নিয়মিত প্যালিয়েটিভ কেয়ার কার্যক্রম পরিচালনা শুধু জাতীয় নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অনন্য উদাহারণ।'

এ সময় রোগী অথবা রোগীর আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন। যেসব রোগীর কোনো প্রতিনিধি আসতে পারেনি, তাদের বাসায় স্বেচ্ছাসেবীরা উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে।

Congratulations to Dr. S M Yasir Arafat on being listed among the World’s Top 2% Scientists in 2025!  This remarkable ac...
25/01/2026

Congratulations to Dr. S M Yasir Arafat on being listed among the World’s Top 2% Scientists in 2025! This remarkable achievement in the field of Psychiatry reflects his outstanding research contributions, academic excellence, and dedication to advancing clinical medicine. It is a proud moment for Biomedical Research Foundation and an inspiration for the research community.

Hasanul Banna Siam, a member of the Biomedical Research Foundation, has received a 2026 American Heart Association Predo...
24/01/2026

Hasanul Banna Siam, a member of the Biomedical Research Foundation, has received a 2026 American Heart Association Predoctoral Fellowship.

Md Hasanul Banna Siam, a Ph.D. student studying biomedical sciences, is conducting research to understand how aging alters CD8⁺ T-cell function and contributes to atherosclerosis, the primary underlying cause of heart attack and stroke. Siam’s research suggests that biological changes associated with aging are modifiable, potentially reversing the process of atherosclerotic plaque formation. In 2022, Siam received the HSOM STAR21 Award, a prestigious award designed to help recruit the top graduate student applicants to the Graduate Biomedical Sciences Program. Prior to joining UAB, Siam studied Microbiology at the University of Dhaka in Bangladesh, worked at Biomedical Research Foundation, icddr,b and served as a lecturer at BRAC University.

রিসার্চার হিসেবে ক্ষুদ্র ভালো লাগার মতো ঘটনাহেলথকেয়ার সেটিং-এ এন্টিবায়োটিক সহনশীলতা নিয়ে গত বছর আমরা একটি কম্প্রিহেনসভি ...
21/01/2026

রিসার্চার হিসেবে ক্ষুদ্র ভালো লাগার মতো ঘটনা

হেলথকেয়ার সেটিং-এ এন্টিবায়োটিক সহনশীলতা নিয়ে গত বছর আমরা একটি কম্প্রিহেনসভি পেপার পাবলিশ করেছিলাম। সেই পেপারটি সম্প্রতি ন্যাশনাল গাইডলাইন তৈরীতে ভূমিকা রেখেছে।
বাংলাদেশে Antimicrobial Resistance (AMR) এর আউটব্রেক ম্যানেজ করার জন্য জাতীয় গাইডলাইন তৈরিতে উদ্ধৃত নয়টি গবেষণাপত্রের মধ্যে আমাদের পেপারটি একটি।

এই পেপারটি পাবলিশ করতে প্রায় ৩ বছর সময় লেগেছিলো। পেপারটি যখন কিছুটা হতাশা জেগে বসে তখন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী একজন রিসার্চার (ড মেহেদী) ফিনিশিং দেয়। । পেপারটি নিয়ে কাজ করার সময় মেহদি ভয়াংকর রোড এক্সিডেন্টে অনেকদিন আইসিইউতে ছিলেন। সেখান থেকে ৩ মাস পরে ফিরে এসে পেপারটি নিয়ে কাজ করে পাবলিকেশনে ভূমিকা রাখেন।

এন্টিবায়োটিক সহনশীলতার পেপারটি নিয়ে আমার দেশ পত্রিকা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো।

বিআরএফ (BRF) রিসার্চ প্লাটফর্মের উদ্যোগে প্রকাশিত আমাদের গবেষণাপত্র দেশের এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হয়েছে। যেমন বাংলাদেশের ডেংগু সিচুয়েশন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে আমাদের একটি পেপার মেইন রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

থ্যালাসেমিয়া নিয়ে ক্লাস নাইনের বইতে আমাদের গবেষনা লিপিবদ্ধ হয়েছে। সেই অংশটুকু আমি লিখে দিয়েছিলাম।
বিআরএফ এর উছিলায় ১৪০+ রিসার্চ পেপার গত ৮ বছরে প্রকাশিত হয়েছে।

*শুরু থেকেই আমরা রিসার্চের মাধ্যমে কমিউনিটি সার্ভিস হিসেবে গ্রহণ করেছিলাম, এগুলো যেন সাদাকায়ে জারিয়া হয় সেই লক্ষ্য ছিলো* । আল্লাহ, আমাদের প্রচেষ্টা কবুল করুন।

- ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন

19/01/2026

জুলাই বিপ্লবে চোখ হারানো তরুণরা: রাষ্ট্রীয় সহিংসতায় এক প্রজন্মের অন্ধত্ব: রাষ্ট্রীয় সহিং°সতায় এক প্রজন্মের অন্ধত্ব

জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছোড়া রাবার বুলেট, গু°লি ও সাউন্ড গ্রেনে°ডে চোখ হারিয়েছেন অন্তত ৩৮২ জন। তাদের বেশিরভাগই তরুণ। অনেকেই এখনো সম্পূর্ণ বা আংশিক অন্ধ। সম্প্রতি ‘টর্চার’ নামক সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে ভয়াবহ এ বাস্তবতা তুলে ধরা হয়।

‘আই ইনজুরিস ইন বাংলাদেশ-২০২৪ স্টুডেন্ট-লেড আপরাইজিং : অ্যা পাবলিক হেলথ ক্রাইসিস আনফোল্ড’ শীর্ষক গবেষণাটিতে যুক্ত ছিলেন বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (বিআরএফ) গবেষক ফারহিন ইসলাম, ডা. এসএম ইয়াসির আরাফাত এবং ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন।

গবেষণায় বলা হয়, আন্দোলনের সময় এক হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ চোখে গুরুতর আঘাত পান। তাদের মধ্যে ৬৮০ জনের অ°স্ত্রোপচার লাগে। এর মধ্যে শতাধিক ভিট্রিও-রেটিনাল সার্জারি ও ৪০টির বেশি কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয়। কর্নিয়া দাতার অভাবে বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচার স্থগিত রাখা হয়। ৮৫৬ জন আহত ব্যক্তি ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অপথালমোলজিতে (এনআইওএইচ) চিকিৎসা নেন।

গবেষণা পত্রটি গুরুত্ব সহকারে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

মিডিয়া কভারেজ:
১. দৈনিক আমার দেশ (প্রিন্ট ভার্সন): ২২ মে ২০২৫, প্রথম পৃষ্ঠা (লিড নিউজ)
https://eamardesh.com/2025-05-22
২. দৈনিক আমার দেশ (অনলাইন): জুলাই বিপ্লবে চোখ হারানো তরুণরা: রাষ্ট্রীয় সহিংসতায় এক প্রজন্মের অন্ধত্ব
https://www.dailyamardesh.com/amar-desh-special/amd75yb4l9xvk
৩. দৈনিক আমার দেশ (ভিডিও): জুলাই বিপ্লবে চোখ হারিয়েছেন অন্তত ৩৮২ জন
https://youtu.be/7CIl0ebFTqM?si=eml-z1eSnhITTtSh
৪. দৈনিক বণিক বার্তা: জুলাই আন্দোলনে চোখ হারিয়েছেন ৪০১ জন: গবেষণা
https://www.bonikbarta.com/bangladesh/MvjeeItrCfgi5iXX
৫. টর্চার জার্নাল থেকে মূল গবেষণা পত্রটি ডাউনলোড করে পড়ুন: Eye injuries in Bangladesh’s 2024 student-led mass uprising: A public health crisis unfolds
https://doi.org/10.7146/torture.v35i1.152344

18/01/2026

শাপলায় শহীদদের ৮০ ভাগই তরুণ, সাধারণ মানুষ: বিআরএফ এর গবেষণা

ভিডিও রিপোর্ট: দৈনিক আমার দেশ

Address

House/22, 6th Floor, Road/08, Sector/09
Uttara

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Biomedical Research Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Biomedical Research Foundation:

Shortcuts

Share