19/03/2026
না লিখে পারলাম না—নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরলাম।
কাপাসিয়া উপজেলার উপর দিয়ে চলাচলকারী সকল বাসের চিত্র প্রায় একই— প্রথমত, কাপাসিয়ার টিকিট দেওয়া হচ্ছে না; যাত্রীদের জোর করে পাকুন্দিয়া/কটিয়াদি/মনোহরদী গন্তব্যের টিকিট নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, “সিটিং সার্ভিস” এর নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, অথচ অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হচ্ছে এবং মাঝপথ থেকে লোকাল যাত্রীও নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, কাপাসিয়ার লোকাল পরিবহন ‘পথেরসাথী’ নির্ধারিত কাপাসিয়া-টোক রোডে চলাচল না করে গাজীপুর-ময়মনসিংহ-গাজীপুর রুটে নির্বিঘ্নে ট্রিপ দিচ্ছে। কাউন্টার আছে, টিকিট আছে, যাত্রী আছে—কিন্তু নির্ধারিত রুটে বাস নেই।
গাজীপুর চৌরাস্তার পথেরসাথীর এক কাউন্টার মাস্টারের ভাষ্যমতে, কাপাসিয়া গিয়ে আসতে প্রায় ১৮০০ টাকা তেলের খরচ হওয়ায় বাসমালিকদের পোষায় না; তাই তারা অন্য রুটে বাস চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
এখন সময়ের দাবি—
কাপাসিয়া বাসস্ট্যান্ডে নিয়মিত ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করে প্রতিটি বাস তল্লাশি করা হোক। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারী পরিবহনগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা (জেল-জরিমানা) নেওয়া হোক এবং যেসব বাস নির্ধারিত রুটে না চলে অন্যত্র লোকাল সার্ভিস দিচ্ছে, তাদের রুট পারমিট বাতিল করা হোক।
কাপাসিয়ার মানুষ সাধারণত প্রতিবাদ করে না বলেই এই সমস্যাগুলো দিন দিন বাড়ছে। এখনই সচেতন না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে।
এ সমস্যা সমাধানে কাপাসিয়ার মাননীয় সাংসদ ও উপজেলা প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।