Manab Pragati Sangha-MPS

Manab Pragati Sangha-MPS Manab Pragati Sangha (MPS) is a Women Hadet Organigetion. Sense 1999 was working with all Forms of Discrimination & Violence Against Women..!

10/06/2026
মানব প্রগতি সংঘ ও বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস)-এর যৌথ আয়োজনে এবং ইউএন উইমেন-এর সহায়তায় টাঙ্গাইল এনজিও ফোরাম  কনফা...
10/06/2026

মানব প্রগতি সংঘ ও বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস)-এর যৌথ আয়োজনে এবং ইউএন উইমেন-এর সহায়তায় টাঙ্গাইল এনজিও ফোরাম কনফারেন্স রুমে আজ ১০জুন ২০২৬, বুধবার নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডার স্থানীয় ইস্যু চিহ্নিতকরণ এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে স্থানীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন বিএনপিএস পরিচালক শাহনাজ সুমী। ফ্যাসিলিটেটর ছিলেন মানব প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা শেলী এবং বিএনপিএস-এর উপপরিচালক নাসরিন বেগম।

কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেন্ডার এক্সপার্ট নাজনীন পাপ্পু, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি টাঙ্গাইল জেলা কর্মকর্তা খন্দকার নিপুণ হোসাইন টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার পুলিশ এএসআই রুনা, ব্লাস্ট টাঙ্গাইল ইউনিটের সমন্বয়কারী খন্দকার আমিনা রহমান।

কর্মশালার দলীয় কাজে অংশগ্রহণ করেন সেতু অরগানাইজেশান এর প্রতিনিধি পংকজ, ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটি, বেলার গবেষক গৌতম সরকার, জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষক তাসরিফা আনাহলি, আমরা করবো জয় এর প্রতিনিধি একান্ত আনাহলী, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ইউনিটের সমন্বয়ক সেরাজুম মনিরা, হরিজন পল্লীর প্রতিনিধি সহ নানা শ্রেণি-পেশা এবং কমিউনিটি থেকে আসা প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিবর্গ সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।






মানব প্রগতি সংঘ এর  বাস্তবায়নে "আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) সুইজারল্যান্ড দূতাবাস এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা (GAC) ও ...
08/06/2026

মানব প্রগতি সংঘ এর বাস্তবায়নে "আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) সুইজারল্যান্ড দূতাবাস এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা (GAC) ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এর সহায়তায় নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (CEF) প্রোগ্রামের অধীনে EngageNow প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।"প্রকল্পের অধীনে উপজেলা মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদ কমিটি ও মানবাধিকার নারী পরিষদ এর কমিটির দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত সভায় ২টির সভাপতিত্ব করেন কোহিনুর বেগম ইউপি সদস্য ও রওশন আরা এবং কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন সার্বিক সহযোগিতায় এমপিএস এর প্রোগ্রাম অর্গানাইজার রাহিমা ও প্যারালিগ্যাল মাহবুবা খানম জিনিয়া
স্থান : কাতুলী বাগবাড়ি চৌবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ
তারিখ: ০৭ জুন ২০২৬
মানব প্রগতি সংঘ
টাঙ্গাইল
Israt Jahan Rahima

মানব প্রগতি সংঘ এর  বাস্তবায়নে "আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) সুইজারল্যান্ড দূতাবাস এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা (GAC) ও ...
08/06/2026

মানব প্রগতি সংঘ এর বাস্তবায়নে "আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) সুইজারল্যান্ড দূতাবাস এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা (GAC) ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এর সহায়তায় নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (CEF) প্রোগ্রামের অধীনে EngageNow প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।"প্রকল্পের অধীনে বিনাদ নাট্যদলের পাঠচক্র অনুষ্ঠিত হয় এবং তারা নাটকের সংক্ষিপ্ত রিয়ার্চাল করেন । সার্বিক সহযোগিতায় এমপিএস এর প্রোগ্রাম অর্গানাইজার রাহিমা ও প্যারালিগ্যাল মাহবুবা খানম জিনিয়া
স্থান : মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান উচ্চ বিদ্যালয়
তারিখ: ০৮ জুন ২০২৬
মানব প্রগতি সংঘ
টাঙ্গাইল
Israt Jahan Rahima

টাঙ্গাইল জেলার সকল সমমনা সংগঠনের প্রতি আহবান জানাচ্ছি যে দুর্বার নেটওয়ার্ক ও নারীপক্ষের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের ...
23/05/2026

টাঙ্গাইল জেলার সকল সমমনা সংগঠনের প্রতি আহবান জানাচ্ছি যে দুর্বার নেটওয়ার্ক ও নারীপক্ষের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা সহ সারাদেশে শিশুদের উপর যে নির্মম বর্বরোচিত কায়দায় ধর্ষণের মহোৎসব চলছে তারই প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সমবেত হয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। আপনাদের অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ রইলো।

মাহমুদা শেলী
সভানেত্রী
দুর্বার নেটওয়ার্ক
ময়মনসিংহ অঞ্চল।

Chowdhury Haseen এর ওয়াল থেকে নেয়া।আমার দেশেও মৃত্যু দন্ডাদেশ বাতিল করে এরকম তিলে তিলে সাজাভোগ রেপিস্টের জন্য আইন সংশোধন...
22/05/2026

Chowdhury Haseen এর ওয়াল থেকে নেয়া।
আমার দেশেও মৃত্যু দন্ডাদেশ বাতিল করে এরকম তিলে তিলে সাজাভোগ রেপিস্টের জন্য আইন সংশোধন করা হোক! এরকম শাস্তি আনা হলে রেপিস্ট অন্তত ২০ বার ভাববে।-------------------

❗চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।
The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)

অনেকেই হয়তো দেখেছেন,আবার অনেকেই দেখেননি।যারা দেখেননি তাদের জন্য আমি মূল কাহিনীটা বলছি।

​এই সিনেমার মূল চরিত্র উইলি বিংহাম।একজন অপরাধী,যার অপরাধ এক নিষ্পাপ বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করা।

কিন্তু প্রচলিত ফাঁসি তার হবেনা।কারণ দেশ থেকে মৃত্যুদন্ড তুলে নেওয়া হয়েছে।সে জেলেই থাকবে এবং ভালো থাকবে জানে।তাই আদালতে সে নির্বিকার হাসিমুখে আছে।
কিন্তু আদালত ও আইন চাইলোনা এম্ন অপরাধীকে শুধু জেলে রাখতে। কিন্তু ফাঁসিও দেওয়া নিষিদ্ধ। তাহলে কি করা যায়?

আইন নতুন এক শাস্তির চিন্তাভাবনা করলো।যে শাস্তি পৃথিবীতে আগে হয়নি।এবং এই শাস্তির ফলাফল কি হয় অপরাধীদের মধ্যে দেখতে চাইলো আইন।

তাই নতুন এক আইন অনুযায়ী, তাকে দেওয়া হলো তার শাস্তি—'এক এক করে অঙ্গচ্ছেদ'।তবে ব্যাথাহীনভাবে।সার্জারীর মাধ্যমে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী ঠিক করা হবে অপরাধীর শরীরের ঠিক কোন অংশটি কখন কেটে ফেলা হবে!

ভুক্তভোগী পরিবার এই আইনে রাজি হলো।কাহিনীর শুরু।

​​জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে বসে ছিল উইলি। হঠাৎ ভারী বুটের আওয়াজ এগিয়ে এল। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন জর্জ মরটন নামের এক সরকারি কর্মকর্তা। শান্ত গলায় তিনি উইলিকে শোনালেন তার ওপর নেমে আসতে চলা সেই শাস্তির কথা।

এবার শাস্তি শুনে আর উইলির মুখে সেই নির্বিকার হাসি থাকলো না।

নিজের ভবিষ্যৎ শুনে ভয়ে-আতঙ্কে ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল উইলির, সেখানেই সে বমি করে দিল। সে চিৎকার করে মিনতি করল—তাকে যেন একবারে মেরে ফেলা হয়, বিষ দেওয়া হয় বা ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু আইন নিষ্ঠুর,তার মৃত্যুর আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে গেল।মৃত্যুদন্ড নিষিদ্ধ।

​শুরু হলো প্রথম অস্ত্রোপচার। অবশ করার পর নির্মমভাবে কেটে বাদ দেওয়া হলো তার ডান হাত আর বাঁ পা।অপারেশনটি গ্লাসের অপর পাশ দিয়ে দেখলো রে*প হওয়া বাচ্চাটার পুরো পরিবার।

এই পঙ্গু শরীর নিয়েই কয়েক মাস ধরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল বিভিন্ন অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে। রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হলো বক্তৃতা—যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কোনো কিশোর অপরাধ করার সাহস না পায়।

তবে উইলি বিংহামের এখনো সাহস অবশিষ্ট ছিলো।এখনো সে জোর দিয়ে কথা বলতো,হাসতো,জেদ দেখাতো।

​কিন্তু শাস্তি তো কেবল শুরু হয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে একে একে কেটে ফেলা হলো তার বাঁ হাত, ডান পা, একটা কিডনি, এমনকি ফুসফুসের একটা অংশও!

আস্তে আস্তে তার ভয়াবহ আতংকিত কান্নাকাটি ও পংগু শরীর বাচ্চা মেয়েটার পরিবারও সহ্য করতে পারছিলোনা।শুধু বাবা প্রতিবার আসছিলো,সাইন করছিলো অনুমতি পত্রে ও নির্বিকার চোখে গ্লাসের অন্যপাশে দাঁড়িয়ে সার্জারী দেখছিলো।

কিন্তু বাইরে সাধারণ মানুষ এই অমানবিক শাস্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নামলো, উঠলো প্রতিবাদের ঝড়।এই শাস্তি অমানবিক।থামাও একে।হয় ফাঁসি দাও দ্রুত নাহয় জেল।

কিন্তু আইনের চাকা থামেনি, স্তব্ধ হয়নি সার্জারির ধারালো ছুরির শব্দ।
​দ্রুত মৃত্যু বা জেলের আরাম কোনো শাস্তি চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের জন্য আর হবেনা।আইন কঠিন হয়ে রইলো।

​পাঁচ মাস পরের ঘটনা। এবার পঞ্চম অস্ত্রোপচারের পালা। যখন জানানো হলো এবার তার যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হবে, উইলি তখন কান্নায় ভেঙে পড়ল। পাগলের মতো কাকুতি-মিনতি করতে লাগল সে।

কিন্তু কাচের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবার চোখে তখন শুধুই প্রতিশোধের আগুন। তিনি ঠান্ডা মাথায় বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে সম্মতি দিলেন। অ্যানেস্থেশিয়ার ইঞ্জেকশন পুশ করা হলো উইলির শরীরে... চিরতরে হারিয়ে গেল তার পুরুষত্ব।

​এই অপারেশনের পর উইলির ভেতরের মানুষটা পুরোপুরি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সে আর কোনোদিন একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি, তার চোখে-মুখে আর কোনোদিন কোনো অনুভূতির লেশমাত্র দেখা যায়নি। সে বেঁচে থেকেও একটা জ্যান্ত লাশে পরিণত হলো।

​এরপরের সার্জারীর দিন যখন উপস্থিত হলো, তখন তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হলো। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হলো শরীরের অবশিষ্ট চামড়া। উইলি তখন যন্ত্রণারও অতীত। তার নিজের বলতে আর কোনো ইচ্ছাশক্তি অবশিষ্ট ছিল না।সে শুধু মনে মনে চাচ্ছিলো মৃত্যু।

​অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা মাংসপিণ্ডটার দিকে তাকিয়ে অবশেষে তৃপ্ত হলেন সেই মৃত মেয়ের বাবা।এরপরের সার্জারীর জন্য সে অনুমতি দিলে উইলির হার্ট বা ব্রেন অপারেশন করা হবে।উইলির মৃত্যু ঘটবে।শাস্তি শেষ হবে।

কিন্তু না,বাবা আর পরবর্তী সার্জারীর জন্য সাইন দিলেন না।তিনি বললেন তিনি সন্তুষ্ট।এখন সার্জারি বন্ধ করতে চান।

তিনি জর্জ মরটনের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে সই করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর অস্ত্রোপচার বাড়াতে চান না। যাওয়ার আগে শেষবারের মতো এক তীব্র ঘৃণার দৃষ্টি ছুড়ে দিলেন উইলির দিকে।

​​আজ উইলি বিংহাম জেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটা ঘরে বন্দি। চব্বিশ ঘণ্টা তীব্র আলো জ্বলে সেই ঘরে, যেখানে অন্ধকারেরও কোনো অনুমতি নেই।

সে এখন এক জীবন্ত হুইলচেয়ারের সাথে চিরতরে আটকে যাওয়া এক মাংসের স্তূপ। সে শুনতে পায় না, ঘ্রাণ পায় না, স্বাদ পায় না, নড়াচড়া করার ক্ষমতা তো বহুদূরের কথা।

​সারাদিন শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ঘরের সিলিংটার দিকে। শুধু মাসের শেষ সপ্তাহে তার এই জড়দেহের একটু নড়চড় হয়।

জর্জ মরটন তাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যান বিভিন্ন হাইস্কুলে। অবাধ্য ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে এনে দাঁড় করান সেই বিকলাঙ্গ, বীভৎস অবয়বকে—অপরাধের এক জীবন্ত, ভয়ঙ্কর ও চিরন্তন স্মারক হিসেবে।

সবাই আতংকে আতকে ওঠে।তাদের শ্বাস প্রশ্বাস থেমে যায়।মাথায় গেথে যায় চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের শাস্তি চিরদিনের মত।
** লেখাটা Balika by Dr.Omi পেইজ থেকে নেওয়া। লেখক Dr-Tanjila Omi
It Follows The Following Follow For Follow

২০০৯ সনে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে লেঃ শাহজাহানের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলাম।রংপুর অঞ্চল প্রকল্প কর্মকর্তা...
19/05/2026

২০০৯ সনে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে লেঃ শাহজাহানের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলাম।
রংপুর অঞ্চল প্রকল্প কর্মকর্তা কবিতার সুকৌশল পদক্ষেপে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সহজ হয়েছিল।
ছবিতে আমি ও Firoza Begum (রংপুর ক্যান্টনমেন্ট)

উল্লেখ্য: তখন আমি দুর্বার নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। টাংগাইলের আমার বন্ধু এডভোকেট আলপনা শিশু অপহরণের ঘটনা বিস্তারিত জানায়। তক্ষুনি যে বাড়ি থেকে শিশু কুসুম (৭) নিখোঁজ হয়েছিল সেই বাড়ির মালিকের নাম লালমিয়া (টাংগাইলের বিখ্যাত লালমিয়া গ্যারেজ নামে পরিচিত) লালমিয়ার বাসা সাবালিয়ায়। সেখানে গিয়ে লাল মিয়ার স্ত্রীর কাছে জানতে পারি, শিশু কুসুমের বাড়ি পঞ্চগড় একটি গ্রামে। কুসুমের বাবা মারা যাবার পর কুসুমের মা গার্মেন্টসে চাকরি নিয়ে গাজীপুরে যায় এবং সেখানেই ২য় বিয়ে করে। কুসুমের দায়দায়িত্ব পালন করতো দাদী। কুসুমের ফুপুর স্বামী ট্রাকের ড্রাইভার থাকায় লাল মিয়ার সাথে যোগাযোগ অব্যাহত থাকে এবং ড্রাইভারকে বলে একটা বাচ্চা মেয়ে যদি খোঁজে থাকে তার স্ত্রীর জন্য যেন নিয়ে আসে। লাল মিয়ার তিনটি কন্যা সন্তানকেই বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। তার স্ত্রী একা থাকে বাড়িতে তাই। ফুপা ড্রাইভার তার শালার মেয়ে কুসুম কে লালমিয়ার বাড়িতে দেয়। এভাবে বছর কাটলো।

এদিকে কুসুমের মা মেয়ের খোঁজখবর করতে বাড়ি আসে। ফুপু বলে ওকে একজন ভালো মানুষের বাড়িতে দিছি। সে ভালো থাকবে ভালো পরবে। কিন্তু মেয়েকে একনজর দেখার জন্য বলে কোন বাড়িতে দিছেন আমি যাবো একনজর দেখবো।
এদিকে ফুপু টাংগাইলে কুসুমকে দেখতে লালমিয়ার বাড়িতে যায় এবং কৌশলে কাওকে না বলে কুসুমকে নিয়ে চলে আসে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট। পঞ্চগড়ের কোনও এক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বাড়িতে ফুপু কাজ করতো। চেয়ারম্যান ফুপুকে বলে যে শিশুকে টাংগাইল থেকে এনেছিস ওকে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট এর একজন কর্নেল এর বাসায় দে। ভালো টাকা পাবি। লোভে পরে ফুপু কুসুমকে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট এর আর্মী অফিসার ডা: শাজারিয়ানের বাড়িতে দিলে শাহজালাল তাকে ৫০ হাজার টাকা দেয় এবং ডা: শাজাহান তাকে অমানবিক ভাবে কাজকর্ম করায়।
এদিকে কুসুমের মা মেয়েকে একনজর দেখার জন্য ফুপুকে চাপ দিতে থাকে এবং কোনও প্রকার সহযোগিতা না পেয়ে চেয়ারম্যান এর কাছে অভিযোগ করলে চেয়ারম্যান জানায় তোমার মেয়েকে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট এর একজন কর্নেল এর বাসায় দিয়েছে ওর ফুপু। তখন কুসুমের মা লাল মিয়াকে বিষয়টি জানালে আমি অবহিত হলে লাল নিয়া একটা মাইক্রো আমাকে দেয় এবং আমি দুর্বার নেটওয়ার্ক এর রংপুর অঞ্চলের প্রোজেক্ট কর্মকর্তা কবিতাকে ফোন করে রওনা হই। রংপুর অঞ্চলের নির্বাচন কমিশন ফিরোজাকে খবর দিলে চলে আসে মূহুর্তের মধ্যে। কবিতার বাড়িতে রাত্রি যাপন করলে শলাপরামর্শ করে কী ভাবে কুসুমকে উদ্ধার করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হয়। সকাল হলে আমরা প্রথমে থানায় অবহিত করি। কর্তব্যরত পুলিশ আর্মী অফিসার এর কথা শুনে বলে, আপনারা আগে শিশুর অবস্থান নিশ্চিত করুনঃ তারপর আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।
পিও কবিতা রংপুর লোকাল। তার আত্মীয় স্বজন চাকরি করে ক্যান্টমেন্টে। এদিকে কুসুমের মা আমাদের সাথে থানায় গিয়ে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। যথারীতি আমরা ক্যান্টনমেন্টের চেকপোস্টে গেলে পরিচয় জানতে চাইলে কবিতা বলে আমার ভাই মেজর সুমন। ব্যাস কবিতা ও কুসুমের মা রিক্সা চলে গেছে ঠিক ডা: শাহজাহানের কোয়ার্টারে। আমি ও ফিরোজা এক রিক্সায় ছিলাম। আমরা মামলার কপি দেখালাম। সঙ্গে সঙ্গে ৪/৫ জন লোক আস্তে আস্তে বলল, আমরা গোয়েন্দা সংস্থা থেকে খবর পেয়ে এসেছি। আমরা আর ভেতরে ঢুকতে পারিনি। কবিতা শাহজাহানের বাসায় দরজা নক করলেই সেই কুসুম দরজা খুলে দেয় এবং ওর মা চিৎকার করে মেয়েকে বুকে জাপটে ধরে। কুসুম এই কথা আমাকে ফোনে জানায়। কিছুক্ষণ পর একটা প্রাইভেট গাড়িতে করে শাহজাহান ও তার স্ত্রী কুসুম নিয়ে চেকপোস্টে আসে। আমাকে জিজ্ঞেস করে কে আমি? পরিচয় পেয়ে আমার বিজনেস কার্ডে নারীপক্ষের ল্যান্ডফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয় আমি দুর্বার নেটওয়ার্ক এর সেক্রেটারি।
এদিকে আমি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ দেখালে ভয়ংকর ভাবে আমাকে ধমক দিতে থাকে এবং "তুমি" সম্বোধন করে। তখন আমি কিছু বলার আগেই আমার সহকর্মীরা এবং চারপাশে ঘিরে থাকা গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীরা ডা শাহজাহানকে প্রতিহত করেন। একে একে খবর হেডকোয়ার্টারে চলে গেলে আমাদেরকে সভাকক্ষে যেতে বলেন। সভাকক্ষে সকল মেজর কর্ণেলের উপস্থিতিতে চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ডা: শাহজাহান, পুলিশ অফিসার, গণমাধ্যম কর্মীর উদ্যোগে শাহজাহান শিশুকে হস্তান্তর করেন। এবং কর্নেল শাহজাহানকে গ্রেফতার করে।

বিঃদ্রঃ- এই মামলাটি আমার জীবন বাজী রেখে আমার সহযোদ্ধাদের সহযোগিতার ফলে শিশু কুসুম উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। তার জন্য সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বিশেষ করে গোয়েন্দা সংস্থা, সংবাদ কর্মী ও প্রশাসনের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।☝️☝️💐

মানব প্রগতি সংঘ বাস্তবায়নে  আইন ও সালিশ কেন্দ্র আসক, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা(GAC) ও ইউরোপীয়...
16/05/2026

মানব প্রগতি সংঘ বাস্তবায়নে আইন ও সালিশ কেন্দ্র আসক, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা(GAC) ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) সহায়তায় নাগরিকতা সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড(CEF) প্রোগ্রামের অধীনে EngageNow প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
এর ধারাবাহিকতায় প্রকল্পের ১ দিন ব্যাপি বিনাদ নাট্যকর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় । স্থান: সন্তোষ জাহ্নবী উচ্চ বিদ্যালয়
তারিখ:১৩/০৫/২০২৬

মানব প্রগতি সংঘ বাস্তবায়নে আইন ও সালিশ কেন্দ্র আসক, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা(GAC) ও ইউরোপীয় ...
12/05/2026

মানব প্রগতি সংঘ বাস্তবায়নে আইন ও সালিশ কেন্দ্র আসক, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা(GAC) ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) সহায়তায় নাগরিকতা সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড(CEF) প্রোগ্রামের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মানবাধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেন্ডার সমতা বিষয়ক ধারণা প্রদানের মাধ্যমে দিনব্যাপি বিনাদ নাট্যকর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ঢাকা থেকে আগত আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান আমান। কর্মশালা উদ্বোধন করেন প্রধান শিক্ষক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মানব প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা শেলী। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রোগ্রাম অর্গানাইজার ইশরাত রাইমা ও সহযোগিতায় প্যারা লিগ্যাল জিনিয়া আক্তার।

স্থানঃ বাগবারি চৌবারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়।
কাতুলি ইউনিয়ন, সদর টাঙ্গাইল, টাঙ্গাইল।
তারিখঃ ১২ মে/২০২৬

Address

Daspara, Adi Tangail
Tangail
TANGAIL-1900

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801714746493

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Manab Pragati Sangha-MPS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Manab Pragati Sangha-MPS:

Share