মধুপুর গড়

মধুপুর গড় Also there live inhabitants [email protected]

Madhupur Gar is a very Special Area for environment and also diversity basis of people Specially there are many Indigenous people living and they love Nature and protection of Pollution of today's poisons medicine in nature.

মারিয়া মান্দা সম্পর্কে একটি আবেগঘন ও অনুপ্রেরণামূলক লেখা:⚽🇧🇩 সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের বর্তমান অধিনায়...
06/06/2026

মারিয়া মান্দা সম্পর্কে একটি আবেগঘন ও অনুপ্রেরণামূলক লেখা:

⚽🇧🇩 সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের বর্তমান অধিনায়ক মারিয়া মান্দা — তোমার নেতৃত্বে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ 🇧🇩⚽

বাংলাদেশ নারী ফুটবলের ইতিহাসে মারিয়া মান্দা একটি উজ্জ্বল নাম। ময়মনসিংহ অঞ্চলের গারো আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে উঠে এসে তিনি শুধু একজন দক্ষ ফুটবলারই নন, বরং সংগ্রাম, সাহস, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক।

সম্প্রতি বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

মারিয়া মান্দার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নারী দল মাঠে শুধু জয়ের জন্য নয়, দেশের সম্মান, জাতীয় পতাকা এবং কোটি মানুষের স্বপ্নকে বুকে নিয়ে লড়াই করে।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার হিসেবে খেলছেন। তাঁর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং লড়াকু মানসিকতা তাঁকে সতীর্থদের কাছে একজন প্রেরণাদায়ী নেত্রীতে পরিণত করেছে।

কোচ পিটার বাটলার মারিয়া মান্দাকে অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার সময় তাঁকে "ফাইটার" এবং দলের সম্মানিত একজন সদস্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর বিশ্বাস, মারিয়ার নেতৃত্বে দল আরও ঐক্যবদ্ধ ও আত্মবিশ্বাসী হবে।

গারো আদিবাসী পরিবারের এই কন্যা প্রমাণ করেছেন যে প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কোনো বাধাই অতিক্রম করা অসম্ভব নয়।

একসময় কিশোরী দলের অধিনায়ক হিসেবে সাফল্য এনে দেওয়া মারিয়া আজ জাতীয় দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

🌟 মারিয়া মান্দা, তোমার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নারী ফুটবল আরও এগিয়ে যাক।
🌟 তোমার পায়ের জাদু, সাহস ও নেতৃত্বে লাল-সবুজের পতাকা আরও উঁচুতে উড়ুক।
🌟 বাংলাদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা ও শুভকামনা তোমার সঙ্গে আছে।

জয় হোক বাংলাদেশের নারী ফুটবলের।
জয় হোক মারিয়া মান্দার নেতৃত্বের।
🇧🇩

ড. রামপ্রসাদ সেনগুপ্তপৃথিবীর বিখ্যাত নিউরোসার্জন ৬৪ বছর পর গত বছর ২০২৩খ্রি. নিজ জন্মভূমি ছুয়ে দেখতে এসেছিলেন চট্টগ্রামে।...
28/05/2026

ড. রামপ্রসাদ সেনগুপ্ত
পৃথিবীর বিখ্যাত নিউরোসার্জন ৬৪ বছর পর গত বছর ২০২৩খ্রি. নিজ জন্মভূমি ছুয়ে দেখতে এসেছিলেন চট্টগ্রামে। জন্মস্থানে নিজ ভিটে মাটিতে এসে মাটির দেয়ালে মাথা ছোঁয়ায়ে প্রনাম করলেন। তিনি চট্টগ্রামকে ভালোবাসেন, তেমনি চট্টগ্রামও তাঁকে ভূলে যায়নি। এখানকার অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান তাঁকে সম্মাননা জানিয়েছেন। চট্টগাম সিটি কর্পোরেশন শহরের একটি রাস্তার নামকরণও করেছে রামপ্রসাদ নামে।
ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসেল এর চীফ নিউরোসার্জন ছিলেন। কলকাতার চিকিৎসক হিসাবে পরিচিত হলেও তিনি মূলতঃ চট্টগ্রাম -এর হাটহাজারীর নন্দীরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান রামপ্রসাদ ডাক্তারী পড়ার আগে ফল বিক্রি করতেন। তিনি এখন ব্রিটিশ নাগরিক। নিউরোসার্জারিতে অসাধারণ অবদানের জন্যে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ব্রিটেনের সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব অর্ডার অব দি ব্রিটিশ এম্পায়ার বা ও বি ই উপাধিতে ভূষিত করেছে।
১৯৫৫ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর উচ্চতর পড়াশোনার জন্য তিনি কলকাতা যান। সেখান থেকে অধিকতর উচ্চ শিক্ষার জন্য ১৯৬১ সালে বিলেতে যান। ২০০২ সালে ৬৫ বছর বয়সে নিউক্যাসল হাসপাতাল থেকে অবসর নেন ড. সেনগুপ্ত। নিউক্যাসল হাসপাতাল তাদের অপারেশন থিয়েটারের নাম রাখে তার নামানুসারে ‘রবিন সেনগুপ্ত থিয়েটার’।
শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে পেয়েছেন অনেক সম্মাননা ও পুরস্কার। ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রাম থেকে মেট্রিক পরীক্ষায় বৃত্তি দিয়ে শুরু, তারপরে গোটা জীবনটাই বৃত্তি, পদক আর পুরষ্কারে ভরা।
নিজের টাকায় কলকাতায় গড়ে তুলেছেন নিউরোসায়েন্স সেন্টার নামে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি এখন পূর্ব ভারতের ৩০ কোটি মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে। এটি কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে ১৮৫, আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু রোডে অবস্থিত একটি ২১৫ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক হাসপাতাল।ইউ.কে তে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তাঁর একমাত্র ছেলে মাত্র ১৯ বছর বয়সে মারা যায়। মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন এবং সব কাজ কর্ম ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু বাংলায় স্বাস্থ্য পরিসেবায় নিজেকে নিয়োগ করার টান এবং স্ত্রী-র উৎসাহে কোম্পানি অ্যাক্ট এর sec-২৫ এ ইনস্টিটিউটটি মালিকানা দিয়ে দিলেন জনগণ বা রোগীদের। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে, প্রতি মাসে ২০দিন কলকাতা আর বাকি দিন ইউ.কে তে থেকে অক্লান্ত পরিশ্রমে ধাপে ধাপে গড়ে তুলছেন বাংলার গর্বের প্রথমে ১৫০ শয্যার এই আধুনিক ইনস্টিটিউট। ডঃ রবিন সেনগুপ্তকে ২০০০ সালে এই শতকের শ্রেষ্ঠ নিউরো সার্জেন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ভারতের কেন্দ্রিয় সরকারের DSIR, এই ইনস্টিটিউট কে দেশের অন্যতম নিউরো ইনস্টিটিউট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্রঃ-১।Bangladesh Research and Academy Institute for Neuroscience Foundation..এর প্রতিবেদন। ২। বিখ্যাত নিউরোসার্জন শ্রী রামপ্রসাদ সেনগুপ্ত এর বাড়ী বাংলাদেশের একটি অনলাইন বাংলা সংবাদপত্র।

😭💔 রামিসার বাবা কা'ন্না করে বলেন— “আমি আমার এই মেয়ের বিচার চাই না, কারণ এই দেশে বিচার পাওয়া যায় না…”একজন অসহায় বাবার বুক...
20/05/2026

😭💔 রামিসার বাবা কা'ন্না করে বলেন— “আমি আমার এই মেয়ের বিচার চাই না, কারণ এই দেশে বিচার পাওয়া যায় না…”

একজন অসহায় বাবার বুকফাটা আর্তনাদ আজ নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো সমাজকে। যে বাবা একসময় স্বপ্ন দেখেছিলেন মেয়েকে মানুষ করবেন, হাসিমুখে বিদায় দেবেন তার সুন্দর ভবিষ্যতের পথে— আজ সেই বাবাই মেয়ের নিথর দেহের পাশে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলছেন।

তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন,
“আমার মেয়েকে তো আর ফিরে পাবো না। বিচার চাইলেও বছরের পর বছর ঘুরতে হবে। অনেকেই বিচার পায় না। তাই আমি শুধু চাই, আর কোনো বাবাকে যেন আমার মতো এভাবে কাঁদতে না হয়।”

রামিসার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা বলছেন, মেয়েটি ছিল ভদ্র, শান্ত ও স্বপ্নবাজ। কিন্তু একটি নির্মম ঘটনার কারণে আজ সব স্বপ্ন থেমে গেছে।

সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকে বলছেন, দেশে যদি দ্রুত ও সঠিক বিচার নিশ্চিত হতো, তাহলে অপরাধ করার সাহস কেউ পেত না।

এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়— শুধু আইন থাকলেই হয় না, আইনের সঠিক প্রয়োগও জরুরি। একটি পরিবারের কান্না যেন আরেকটি পরিবারের ভবিষ্যৎ না হয়ে দাঁড়ায়।

🕯️ আমরা রামিসার আত্মার শান্তি কামনা করি এবং এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধে সবার সচেতনতা ও মানবিকতা কামনা করি।

18/05/2026
17/05/2026
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা  রাণীশংকৈলে মুক্তিযুদ্ধের সময় অত্যন্ত নির্যাতিত ও সাহসী নারী হিসেবে স্বীকৃত বীরাঙ্গনা টেপরি বর্মন মা'...
14/05/2026

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা রাণীশংকৈলে মুক্তিযুদ্ধের সময় অত্যন্ত নির্যাতিত ও সাহসী নারী হিসেবে স্বীকৃত বীরাঙ্গনা টেপরি বর্মন মা'রা গেছেন। 😭

Address

Madhupur
Tangail
1996

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মধুপুর গড় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to মধুপুর গড়:

Share