An-Najat Foundation

An-Najat Foundation উম্মাহর কল্যাণে, মুক্তির সন্ধানে উম্মাহর কল্যাণে, মুক্তির সন্ধানে।

26/08/2026

An-Najat Foundation আন নাজাত ফাউন্ডেশন।
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর মহান সীরাতকে সামনে রেখে ধারাবাহিক আলোচনা।

"রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সীরাত ও আমাদের বাস্তবতা"

এপিসোড ৪
হযরত মোহাম্মদ ﷺ এর জন্মমৃত্যু তারিখ নিয়ে আলোচনা

আলোচক : মুফতি আব্দুর রহমান রাহমানী
চেয়ারম্যান : আন নাজাত ফাউন্ডেশন

শুনেন। দ্বীনী স্বার্থে শেয়ার করে অন্যদের শুনার সুযোগ করেদিন।
-----------------
আন নাজাত ফাউন্ডেশন
উম্মাহর কল্যাণে মুক্তির সন্ধানে



An-Najat Foundation

25/08/2026

An-Najat Foundation আন নাজাত ফাউন্ডেশন।
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর মহান সীরাতকে সামনে রেখে ধারাবাহিক আলোচনা।

"রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সীরাত ও আমাদের বাস্তবতা"

এপিসোড ৩
শীআবে আবু তালিবে ৩ বছরের হৃদয়বিদারক বয়কট

আলোচক : মাওলানা মাহমুদ আল হাফিজ
সূরা সদস্য: আন নাজাত ফাউন্ডেশন

শুনেন। দ্বীনী স্বার্থে শেয়ার করে অন্যদের শুনার সুযোগ করেদিন।
-----------------
আন নাজাত ফাউন্ডেশন
উম্মাহর কল্যাণে মুক্তির সন্ধানে

23/08/2026

An-Najat Foundation আন নাজাত ফাউন্ডেশন।
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর মহান সীরাতকে সামনে রেখে ধারাবাহিক আলোচনা।

"রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সীরাত ও আমাদের বাস্তবতা"

এপিসোড ২
ইব্রাহীম আ: এর দোআ ও মোবারক জন্ম ১

শুনেন। দ্বীনী স্বার্থে শেয়ার করে অন্যদের শুনার সুযোগ করেদিন।
-----------------
আন নাজাত ফাউন্ডেশন
উম্মাহর কল্যাণে মুক্তির সন্ধানে

23/08/2026

An-Najat Foundation আন নাজাত ফাউন্ডেশন।
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর মহান সীরাতকে সামনে রেখে ধারাবাহিক আলোচনা।

"রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সীরাত ও আমাদের বাস্তবতা"

এপিসোড ২
ইব্রাহীম আ: এর দোআ ও মোবারক জন্ম ১

শুনেন। দ্বীনী স্বার্থে শেয়ার করে অন্যদের শুনার সুযোগ করেদিন।
-----------------
আন নাজাত ফাউন্ডেশন
উম্মাহর কল্যাণে মুক্তির সন্ধানে

15/08/2026

An-Najat Foundation
মোহাম্মদ সা. এর জীবনাদর্শ ও আমাদের বাস্তবতা।
এবিষয়কে সামনে রেখে ৬৩ পর্বের এপিসোড এর ভূমিকাস্বরুপ আলোচনা। ইনশাআল্লাহ ধারাবাহিক চলবে...

 # রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মহান জীবনকে সামনে রেখে আন-নাজাত ফাউন্ডেশন, সিলেট বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে **ধারাবাহিক ৬৩ পর্বের সীরাত আলো...
27/07/2026

# রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মহান জীবনকে সামনে রেখে

আন-নাজাত ফাউন্ডেশন, সিলেট বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে **ধারাবাহিক ৬৩ পর্বের সীরাত আলোচনা।**

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র মহান জীবন, আদর্শ, চরিত্র, দাওয়াত, ইবাদত, পরিবার, সমাজ, রাজনীতি,অর্থনীতি,রাষ্ট্রনীতি ও উম্মতের জন্য রেখে যাওয়া চিরন্তন দিকনির্দেশনা নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই ধারাবাহিক আলোচনা।

★★ নবীজীর জীবনাদর্শ গ্রহণ, উম্মাহর নাজাতের একমাত্র মাধ্যম ★★

>>> আলোচনায় থাকবেন, ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীলবৃন্দ ও অতিথি বিশিষ্ট উলামায়ে কেরাম

>>> শুনতে ও দেখতে পাবেন: আন নাজাত ফাউন্ডেশন এর ফেইসবুক পেইজে
https://www.facebook.com/share/1DVcKRNKnm/
------------------
**আয়োজনে: আন-নাজাত ফাউন্ডেশন
সিলেট, বাংলাদেশ

উম্মাহর কল্যাণে, মুক্তির সন্ধানে

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সাহায্য করা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং মানবতাবোধে...
15/07/2026

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সাহায্য করা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং মানবতাবোধের এক অনন্য প্রকাশ। বিপদের সময় আর্তমানবতার সেবা করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের নৈতিক ও দ্বীনি দায়িত্ব।

​. বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়ালে আল্লাহর সাহায্য মেলে
​মানুষ যখন অন্য কোনো ভাইয়ের বিপদে এগিয়ে আসে এবং তার কষ্ট লাঘব করার চেষ্টা করে, মহান আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার কষ্ট দূর করে দেন।
​রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
​مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا، نَفَّسَ اللهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ، وَمَنْ يَسَّرَ عَلَى مُعْسِرٍ، يَسَّرَ اللهُ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، ... وَاللهُ فِي عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِي عَوْنِ أَخِيهِ
​"যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়াবী কষ্টসমূহের মধ্য থেকে কোনো কষ্ট দূর করে দেবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার কষ্টসমূহ থেকে একটি কষ্ট দূর করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো অভাবগ্রস্তের অভাব সহজ করে দেবে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার পথ সহজ করে দেবেন। ... বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্য করতে থাকে, আল্লাহও ততক্ষণ বান্দার সাহায্য করতে থাকেন।"
— [সহীহ মুসলিম, হাদীস নম্বর: ২৬৯৯]

​. আর্তমানবতার সেবা আল্লাহর সন্তুষ্টির মাধ্যম
​বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে যারা ঘরবাড়ি, খাবার ও বিশুদ্ধ পানি হারিয়ে তীব্র কষ্টে ভুগছেন, তাদের মুখে অন্ন ও বস্ত্র তুলে দেওয়া সরাসরি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা বান্দাকে জিজ্ঞেস করবেন কেন সে ক্ষুধার্ত বা তৃষ্ণার্তকে সাহায্য করেনি।
​হাদীসে কুদসীতে এসেছে, আল্লাহ তাআলা বলবেন:
​يَا ابْنَ آدَمَ اسْتَطْعَمْتُكَ فَلَمْ تُطْعِمْنِي، قَالَ: يَا رَبِّ وَكَيْفَ أُطْعِمُكَ؟ وَأَنْتَ رَبُّ الْعَالَمِينَ، قَالَ: أَمَا عَلِمْتَ أَنَّهُ اسْتَطْعَمَكَ عَبْدِي فُلَانٌ فَلَمْ تُطْعِمْهُ؟ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّكَ لَوْ أَطْعَمْتَهُ لَوَجَدْتَ ذَلِكَ عِنْدِي
​"হে আদম সন্তান! আমি তোমার কাছে খাবার চেয়েছিলাম, কিন্তু তুমি আমাকে খাবার দাওনি। বান্দা বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনাকে কীভাবে খাওয়াতাম, অথচ আপনি তো বিশ্বজগতের প্রতিপালক? আল্লাহ বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে খাবার চেয়েছিল, কিন্তু তুমি তাকে খাবার দাওনি? তুমি কি জানতে না যে, তুমি যদি তাকে খাবার দিতে, তবে তা আজ আমার কাছে পেতে?"
— [সহীহ মুসলিম, হাদীস নম্বর: ২৫৬৯]

​. মুমিনদের পারস্পরিক সহানুভূতি
​মুসলিম উম্মাহ একটি দেহের মতো। দেহের এক জায়গায় আঘাত লাগলে যেমন পুরো শরীর সেই কষ্ট অনুভব করে, তেমনি দেশের যেকোনো অঞ্চলের মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমাদেরও সেই কষ্ট অনুভব করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত।
​রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন:
​مَثَلُ الْمُؤْمِنِينَ فِي تَوَادِّهِمْ وَتَرَاحُمِهِمْ وَتَعَاطُفِهِمْ مَثَلُ الْجَسَدِ إِذَا اشْتَكَى مِنْهُ عُضْوٌ تَدَاعَى لَهُ سَائِرُ الْجَسَدِ بِالسَّهَرِ وَالْحُمَّى
​"মুমিনদের পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া-অনুগ্রহ ও সহানুভূতিশীলতার উদাহরণ একটি দেহের মতো। যখন দেহের কোনো একটি অঙ্গ অসুস্থ বা ব্যথায় আক্রান্ত হয়, তখন পুরো শরীর রাত জেগে এবং জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তার সমব্যথী হয়।"
— [সহীহ বুখারী, হাদীস নম্বর: ৬০১১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নম্বর: ২৫৮৬]
​ দানের মাধ্যমে সম্পদ কমে না, বরং বৃদ্ধি পায়
​অনেকে মনে করতে পারেন যে বন্যা তহবিলে বা বিপদে পড়া মানুষকে দান করলে নিজের সম্পদ কমে যাবে। কিন্তু ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয় যে, দান করলে সম্পদ কমে না, বরং আল্লাহ তাতে বারাকাহ দান করেন।

​পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন:
​وَمَا أَنفَقْتُم مِّن شَيْءٍ فَهُوَ يُخْلِفُهُ ۖ وَهُوَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ
​"তোমরা যা কিছু ব্যয় করবে, তিনি তার বিনিময় দেবেন। আর তিনিই উত্তম রিযিকদাতা।"
— [সূরা সাবা, আয়াত: ৩৯]
​হাদীস শরীফে রাসূলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে কসম খেয়ে বলেছেন:
​مَا نَقَصَتْ صَدَقَةٌ مِنْ مَالٍ
​"সদকা বা দান করার কারণে কখনো সম্পদ কমে না।"
— [সহীহ মুসলিম, হাদীস নম্বর: ২৫৮৮]

চট্রগ্রাম সহ বন্যাদুর্গত এলাকায় আজ শিশু, বৃদ্ধ ও নারীরা অবর্ণনীয় কষ্টে দিন পার করছেন। এই মুহূর্তে আমাদের সাধ্যানুযায়ী যেকোনো পরিমাণ দান, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধ নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো ঈমানী ও মানবিক দায়িত্ব। আমাদের ছোট একটি অবদান হয়তো একটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তৌফিক দান করুন। আমীন।
​আপনার কি ত্রাণ সংগ্রহের প্রচারণার জন্য অন্য কোনো তথ্য বা লেখার প্রয়োজন আছে?
-----------
পিকচারে দেয়া যেকোন নম্বরে আপনার তাওফিক অনুযায়ী যেকোন পরিমান দান করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ আপনার আমানত আমরা জামানতের সাথে সঠিক জায়গায় পৌছে দিবো।
°°°°°°°°°°°°°°°°
আন-নাজাত ফাউন্ডেশনত ফাউন্ডেশন
সিলেট বাংলাদেশ

26/06/2026

ইসলামের স্বাতন্ত্র্যবোধ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মধ্যে এতটাই প্রগাঢ় ছিল যে—ইবাদতেও যেন ই*হু*দিদের অনুকরণ না হয়, সে জন্য তিনি সাহাবিদেরকে আশুরার দুইটি রোজা রাখতে বলেছিলেন।

অথচ তাঁর অনুসারী দাবিদার হয়েও আজ আমরা জাগতিক সাধারণ বিষয় তো বটেই; জীবনবোধে, সংস্কৃতিতে, মূল্যবোধে—এমনকি বহু পাপাচারেও তাদের অন্ধ অনুকরণ করছি। শুধু তাই নয়, কখনো কখনো অন্ধ অনুকরণ করে গর্ববোধ করছি।

এ যেন রাসুলের (সা.) সেই সতর্কবাণীরই জ্বলন্ত প্রতিচ্ছবি: তোমরা প্রতি বিঘতে ও প্রতি গজে পূর্ববর্তীদের অনুকরণ করবে। এমনকি তারা গুইসাপের গর্তে ঢুকলে তোমরাও ঢুকবে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, তারা কি ই*হু*দি-খ্রি*স্টান? নবীজি (সা.) বললেন, তবে আর কারা? [বুখারি: ৩৪৫৬]

খেয়াল করুন, এটি কোনো প্রশংসাসূচক হাদিস নয়। বরং এটি ভয়ংকর এক ভবিষ্যদ্বাণী।

আসুন, যুগের স্রোতে বদলে না গিয়ে বরং যুগকেই বদলানোর চেষ্টা করি। যেভাবে মক্কার জাহিলিয়াতের বিরুদ্ধে একাই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)।

উদাসীনতার পিঠে চাবুক মেরে আত্মপরিচয় ফিরিয়ে আনার এই লড়াই-ই হোক এবারের আশুরার অঙ্গীকার।
----
শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফি:

26/06/2026

আজ বাদ জুমআ (আনুমানিক বেলা ২ টা ১৫ মি) আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।
An-Najat Foundation ফেইসবুক পেজ থেকে। সবাইকে সাথে থাকার আমন্ত্রণ।

স্বাগতম মোবারকবাদ ১৪৪৮ হিজরী💚হিজরী সন মুসলমানদের ঐতিহ্য। রাসুলুল্লাহ ﷺ এর হিজরত থেকেই হিজরী সন গণনা শুরু হয়। কিন্তু দুনি...
17/06/2026

স্বাগতম মোবারকবাদ ১৪৪৮ হিজরী💚

হিজরী সন মুসলমানদের ঐতিহ্য। রাসুলুল্লাহ ﷺ এর হিজরত থেকেই হিজরী সন গণনা শুরু হয়। কিন্তু দুনিয়ার শুরু থেকেই এই বারোটি মাস ছিল।
সময় মিল ইসলামের সকল বিধানই এই হিজরী সনের সাথে জড়িত। যেমন রোজা হজ্ব ঈদাইন ইত্যাদি।
আমি মনে করি ইংরেজি বাংলার চাইতেও হিজরী সনের হিসাব রাখা মুসলমানদের জন্য বেশ জরুরি।

আব্দুর রহমান রাহমানী
৩ আষাঢ় -১৪৩৩ বাংলা/১৬ জুন-২০২৬ ঈসায়ী
পিকচারটি মতন উক্ত লেখাগুলো মিল করে দিন
-------
An-Najat Foundation
Sylhet Bangladesh

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when An-Najat Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share