KIN, A Voluntary Organization of SUST

KIN, A Voluntary Organization of SUST “আত্মার কাছে দায়বদ্ধতায় হাতে রাখি হাত।” For the shelter they goes to their close relatives. Also the membership of this organization is open for general people.

The name of this organization is KIN, which means relative.Calamities have no specific time to appear and when it comes peoples seek the shelter. Then relatives(KIN) provides the hands of dependence, hands of help and give the assistance of freedom from diversities. Our job is to ferry wounded souls across the river of dread until the point where hope is at least dimly visible. It is our spirit an

d not the form of rules that keeps humanity alive

KIN promises of that relationship and also promises to make a relationship between man to man in society. Words of KIN:

KIN is not only relative/relation; it also fulfils the dream of helpless. We need to say more that “for making a peaceful society we need to fulfill dream, KIN is trying to fulfill that”. Eligibility Criteria:

Non-political students, teachers, officers-stuffs and the former students of this university could be member of this organization. Aim, Objective and Activities:

•We are trying to create social consciousness against ACID CRIME and help the acid victims as for as possible.
•We arrange Free Blood Donation programmed and try to supply the blood to sick people.
•We help the serious sick people of any age.
•We help the people who are affected by national disaster.
•We provide relief among cold affected people.
•We help the deprived children by teaching, by entertaining and health servicing.

শাবিপ্রবির অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন KIN-এর অন্যতম মানবিক ও চ্যারিটিভিত্তিক আয়োজন হলো ‘KIN বই উৎসব’। এরই ধারাবাহিকতায় এব...
14/05/2026

শাবিপ্রবির অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন KIN-এর অন্যতম মানবিক ও চ্যারিটিভিত্তিক আয়োজন হলো ‘KIN বই উৎসব’। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মেজর থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশু আহমাদুল্লাহ এবং হাবিবুল্লাহর চিকিৎসায় সহযোগিতার উদ্দ্যেশ্যে আয়োজিত হয় KIN বই উৎসব ২০২৫।

উক্ত বই উৎসবটি গত ১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত পরিচালিত হয়। এবারের বই উৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল‚‘পুস্তকের আলোকধারায় মানবতার উন্মেষ’ এবং বই উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছিল একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও সাহিত্য সম্পাদক জাহানারা আরজু-কে।

আজ, ১৪ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার), ‘KIN বই উৎসব ২০২৫’ এর বই বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকার অনুদানের চেক মেজর থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুর অভিভাবকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন KIN-এর সম্মানিত উপদেষ্টা ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন চৌধুরী। এছাড়াও শাবিপ্রবি প্রেসক্লাব-এর সদস্য এবং KIN-এর শুভানুধ্যায়ীরা অর্থ হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন।

আমরা শিশু আহমাদুল্লাহ এবং হাবিবুল্লাহর সুস্থতা কামনা করি। একইসাথে, KIN-এর ভবিষ্যৎ কার্যক্রমেও সকল সদস্য এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

আজ ১০ই মে, বিশ্ব মা দিবস। মাতৃত্বের মহিমা, আত্মত্যাগ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকে সম্মান জানানোর এক বিশেষ দিন। ‘মা’ ছোট্ট একট...
10/05/2026

আজ ১০ই মে, বিশ্ব মা দিবস। মাতৃত্বের মহিমা, আত্মত্যাগ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকে সম্মান জানানোর এক বিশেষ দিন।

‘মা’ ছোট্ট একটি শব্দ, অথচ এর গভীরতা আকাশসম। পৃথিবীর আলো দেখার আগ থেকেই যিনি আমাদের জন্য স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন, তিনিই মা। অসীম কষ্ট, ত্যাগ আর নির্ঘুম রাত পেরিয়ে তিনি সন্তানকে আগলে রাখেন বুকের সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে। নিজের ক্লান্তি, অভাব কিংবা দুঃখ আড়াল করে সন্তানের মুখে হাসি ফোটান নিরন্তর। তাই মা শুধু জন্মদাত্রী নন, তিনি আমাদের প্রথম শিক্ষক, সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়, আর জীবনের প্রতিটি অন্ধকারে পথ দেখানো এক অনির্বাণ আলো। মায়ের ভালোবাসার গভীরতা শব্দে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

তবে অত্যন্ত বেদনাদায়ক হলেও সত্য, আজকের সমাজে অনেক মা আছেন যারা সারাজীবন সন্তানের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার পর বার্ধক্যে এসে অবহেলা, নিঃসঙ্গতা ও উপেক্ষার শিকার হচ্ছেন। কোনো কোনো মা ঠাঁই নিচ্ছেন বৃদ্ধাশ্রমে, অপেক্ষা করছেন একটু খোঁজ নেওয়ার, একটু ভালোবাসার। এটি শুধু একটি পরিবারের নয়, আমাদের মানবিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধেরও প্রশ্ন।

মা দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, যত্ন ও ভালোবাসা প্রকাশের প্রতিজ্ঞা। পৃথিবীর প্রতিটি মা যেন সম্মান, নিরাপত্তা ও ভালোবাসায় জীবন কাটাতে পারেন এটাই KIN-এর প্রত্যাশা।

KIN পরিবারের পক্ষ থেকে বিশ্বের সকল মায়ের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, অফুরন্ত ভালোবাসা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আজ ১লা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে উচ্চারিত এক ঐতিহাসিক দিন। ১৮৮৬ সাল...
01/05/2026

আজ ১লা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে উচ্চারিত এক ঐতিহাসিক দিন। ১৮৮৬ সালের এই দিনে আমেরিকার শিকাগো শহরে শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, তাঁদের সেই আত্মত্যাগই আজ শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মে দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় এই সমাজ ও সভ্যতার চাকা সচল রাখার প্রকৃত শক্তি সেই সব শ্রমজীবীরা অর্থাৎ কৃষক, দিনমজুর, গার্মেন্টসকর্মী, নির্মাণশ্রমিক, রিকশাচালকসহ অসংখ্য পরিশ্রমী মানুষ, যারা প্রতিদিন ঘাম ঝরিয়ে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন। তাঁদের অবদান ছাড়া কোনো শিল্প, কোনো উন্নয়ন সম্ভব না, কোনো রাষ্ট্রই এগোতে পারে না।

তবুও বাস্তবতা হলো বাংলাদেশে এখনো অনেক শ্রমিক ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত। তাই শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই এখনো চলমান, এখনো অসম্পূর্ণ।

সভ্যতার অগ্রযাত্রা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন শ্রমিকদের প্রাপ্য সম্মান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে। যেখানে তাদের পরিশ্রম কেবল ব্যবহৃত নয়, যথাযথ মর্যাদায় মূল্যায়িত হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার বন্ধনে গড়ে উঠবে এক মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও আলোকিত পৃথিবী এটাই KIN-এর প্রত্যাশা।

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা।

"নব আনন্দে জাগো আজি নব রবি কিরণে, শুভ্র সুন্দর প্রীতি-উজ্জ্বল নির্মল জীবনে।"চৈত্রের জীর্ণ পাতা ঝরার বেলায় আজ নতুনের পদধ্...
14/04/2026

"নব আনন্দে জাগো আজি নব রবি কিরণে, শুভ্র সুন্দর প্রীতি-উজ্জ্বল নির্মল জীবনে।"

চৈত্রের জীর্ণ পাতা ঝরার বেলায় আজ নতুনের পদধ্বনি। মহাকালের আবর্তে বিদায় নিচ্ছে পুরোনো বছর, আর কালবৈশাখীর রুদ্র উল্লাসে আকাশ-বাতাস মুখরিত হচ্ছে আগামীর বার্তায়। জরা আর ক্লান্তি ধুয়ে মুছে দিগন্ত জুড়ে আজ নতুন এক ভোরের সুর: স্বাগত ১৪৩৩।

বাঙালির চিরায়ত সত্তার নাম ‘পহেলা বৈশাখ’, নতুন বছরের প্রথম দিন। বৈশাখ মানেই মেলা; পথ জুড়ে, গাল জুড়ে আলপনার রঙ, শোভাযাত্রার বর্ণিল সাজ, পুতুলনাচ, মুড়ি-মুড়কি ও আরও নানান মিষ্টান্নের বাহার, প্রিয়জনদের সাথে পান্তা-ইলিশের সেই চিরচেনা আমেজ, সব মিলিয়ে এ এক অন্যরকম মিলনমেলা। পেছনের সব পাওয়া-না-পাওয়া আর বিষাদের ছায়া পেরিয়ে এই দিন শুধু নতুনের জয়গান।

নববর্ষ বাংলার গ্রামীণ থেকে নাগরিক জীবন, সর্বত্র যোগ করে আনন্দ আর উল্লাস। মনে করিয়ে দেয় আমাদের যে, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে আমরা বাঙালি। সহস্রাব্দের এই ঐতিহ্য যেন প্রতিটি প্রজন্মের রক্তে নতুন করে প্রাণের স্পন্দন জাগিয়ে তোলে।

নতুন বছরে সকলের পথচলা হোক শান্তিময়, সমৃদ্ধ আর অফুরন্ত উচ্ছ্বাসে ঘেরা। KIN-এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে নববর্ষের নির্মল ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা।

‘শুভ নববর্ষ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ’

২৫শে মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন পুরো জাতি বুঝে গিয়েছিল আর পিছু ...
26/03/2026

২৫শে মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন পুরো জাতি বুঝে গিয়েছিল আর পিছু ফেরার পথ নেই। ট্যাংকের গর্জন আর অসংখ্য প্রাণহানির মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল এবার মুক্তির সংগ্রাম অবধারিত। এই প্রেক্ষাপটেই ২৬শে মার্চ উচ্চারিত হয় স্বাধীনতার ঘোষণা, একটি জাতির মুক্তির অঙ্গীকার। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আহ্বান ছড়িয়ে পড়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তে, জাগিয়ে তোলে অদম্য সাহস আর স্বাধীনতার অগ্নিশিখা।

আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। শোষণ-বৈষম্যের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলে স্বাধীন জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ইতিহাস এই দিনে লেখা হয়েছিল। নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, মা-বোনের সম্ভ্রমহানি, এবং লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই স্বাধীনতা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শুধু ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ না থেকে বেঁচে থাকুক প্রতিটি বাংলাদেশীর হৃদয়ে। নতুন প্রজন্ম জেনে উঠুক তাদের শিকড়ের কথা, বুঝতে পারুক স্বাধীনতার মূল্য।

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা ধরে রাখা আমাদের প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। স্বাধীনতার চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে গড়ে তুলি একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত বাংলাদেশ- এটাই KIN এর প্রত্যাশা। সকলকে জানাই মহান স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

26/03/2026

শুভ জন্মদিন‚ KIN School 🤍

আজ ২১শে মার্চ, আন্তর্জাতিক বন দিবস। ২০১২ সালে জাতিসংঘ এই দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। প্রতিবছর এই দিনটি আমাদের মনে ...
21/03/2026

আজ ২১শে মার্চ, আন্তর্জাতিক বন দিবস। ২০১২ সালে জাতিসংঘ এই দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। প্রতিবছর এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বন শুধু গাছের সারি নয়, এটি পৃথিবীর ফুসফুস, জীবনের ধারক ও বাহক।

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক বন দিবসের প্রতিপাদ্য "Forests and Economies", অর্থাৎ "বন ও অর্থনীতি"।

বনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে লক্ষ কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা। কাঠ, বাঁশ, ঔষধি গাছ, ফলমূল, প্রাকৃতিক এই সম্পদগুলো শুধু পরিবেশই রক্ষা করে না, গড়ে তোলে বিশাল অর্থনৈতিক কাঠামো। জাতিসংঘের তথ্যমতে, বন ও বনভিত্তিক শিল্প বিশ্ব অর্থনীতিতে ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি অবদান রাখে। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রতিবছর আমরা হারাচ্ছি প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ হেক্টর বনভূমি।

বাংলাদেশের সুন্দরবন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সবুজ পাহাড়ি বন, মধুপুরের শালবন, এসবই আমাদের গর্ব, আমাদের পরিচয়। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবসৃষ্ট নানা কারণে আজ এই বনগুলো হুমকির মুখে। বন হারানো মানে শুধু গাছ হারানো নয়, হারানো আমাদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ, আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি।

KIN বিশ্বাস করে, বন সংরক্ষণ মানে আগামী প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য বিনিয়োগ। সঠিক পরিকল্পনা ও সচেতনতার মাধ্যমেই বন সংরক্ষণ সম্ভব। সবাই মিলে ছোট ছোট উদ্যোগই পারে বড় পরিবর্তন আনতে।

তাই KIN সবসময় পাশে থাকবে বন ও পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে।

20/03/2026

শাওয়ালের চাঁদ আকাশে উঠতেই আনন্দের আলো ছড়িয়ে পড়ে মুমিনের হৃদয়ে। দীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনার পর শান্তি ও পুরস্কারের বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

রমজান আমাদের শিখিয়েছে ধৈর্য, সংযম ও ত্যাগের মহিমা। ঈদ সেই শিক্ষারই সুন্দর প্রতিফলন, সম্পর্ককে নতুন করে গড়ে তোলার এক অনন্য উপলক্ষ।

ঈদ মানে হৃদয়ের বন্ধনকে আরও গভীর করা। ঈদ মানে ক্ষমা আর সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করা। ফিতরার মাধ্যমে আনন্দ পৌঁছে দেওয়া প্রতিটি ঘরে। ঈদগাহের সেই এক কাতার, যেখানে ধনী-গরিবের ভেদাভেদ মুছে যায়, সিজদায় সবাই হয়ে ওঠে এক, মানবতার বন্ধনে আবদ্ধ।

KIN-এর প্রত্যাশা, ঈদের এই সুন্দর চেতনা যেন ছড়িয়ে থাকে বছরজুড়ে। ভালোবাসা, সহমর্মিতা আর সম্প্রীতিতে ভরে উঠুক এই পৃথিবী।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই আনন্দঘন মুহূর্তে KIN পরিবারের পক্ষ থেকে রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

ঈদ মোবারক।

চকচকে আলোকসজ্জা, বৃষ্টিপূর্ব নির্মল আবহাওয়া আর শীতল বাতাসে সামাজিক সংহতি ও সহমর্মিতার অংশ হিসেবে আজ ১৪ই মার্চ ২০২৬, পবিত...
14/03/2026

চকচকে আলোকসজ্জা, বৃষ্টিপূর্ব নির্মল আবহাওয়া আর শীতল বাতাসে সামাজিক সংহতি ও সহমর্মিতার অংশ হিসেবে আজ ১৪ই মার্চ ২০২৬, পবিত্র রমজান মাসের ২৪তম দিনে প্রাণপ্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে KIN-এর ঢাকা পর্বের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আত্মীয়তা ও বন্ধুত্বের প্রফুল্ল সম্পর্ক বৃদ্ধি পবিত্র রমজানের মাহাত্ম্যকে আরও উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরে। সকলের অংশগ্রহণে ইফতারের আয়োজন এই সম্পর্ককে করেছে আরও দৃঢ় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ। এছাড়াও, একত্রিত হওয়ার এই উৎসবমুখর মাহেন্দ্রক্ষণ সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর মাঝে সুসম্পর্কের বার্তা বহন করে।

এই আলোকিত ও প্রাণবন্ত সন্ধ্যায় KIN-এর যেসব শুভানুধ্যায়ীরা আমাদের সঙ্গে থেকে আয়োজনটিকে আরও স্মৃতিময় ও উৎসবমুখর করে তুলেছেন, তাঁদের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের মূল্যবান উপস্থিতি আমাদের ভবিষ্যৎ দিনগুলোকে এভাবেই উজ্জ্বল ও আনন্দময় করে তুলবে—এটিই KIN-এর প্রত্যাশা।

"জাগো নারী জাগো বহ্নি-শিখা।জাগো স্বাহা সীমন্তে রক্ত-টিকা।দিকে দিকে মেলি' তব লেলিহান রসনা,নেচে চল উন্মাদিনী দিগ্বসনা।"আজ ...
08/03/2026

"জাগো নারী জাগো বহ্নি-শিখা।
জাগো স্বাহা সীমন্তে রক্ত-টিকা।
দিকে দিকে মেলি' তব লেলিহান রসনা,
নেচে চল উন্মাদিনী দিগ্বসনা।"

আজ ৮ই মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ইতিহাসের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় নারীদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামের স্মারক এই দিনটি। একসময় নারীমাত্রই আবদ্ধ ছিল গৃহের চার দেয়ালে; তাদের কণ্ঠস্বর ছিল অবদমিত, স্বপ্ন ছিল সীমায়িত। সেই বন্দীশালা ভেঙে আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণাই এই দিবসের মূল চেতনা।

আজ বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছেন অভাবনীয় গতিতে। বিজ্ঞান থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা, শিক্ষা থেকে খেলাধুলা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁদের সাফল্যের দীপ্ত উপস্থিতি আমাদের গর্বিত করে। তবু কোথাও না কোথাও থমকে আছে সমতা। কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য, বেতনের অসমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশীদারিত্বের অভাব—এসব এখনো বহু নারীর নিত্যসঙ্গী। নারীর প্রতি এই বৈষম্য শুধু একজন নারীকে নয়, আঘাত করে পুরো সমাজকেই। একটি শিক্ষিত, আত্মমর্যাদাশীল ও স্বাবলম্বী নারী যেমন গড়ে তোলে আলোকিত প্রজন্ম, তেমনি অবহেলিত নারী বহন করে সমাজের অন্ধকার বাস্তবতা। তাই নারীকে পিছনে ফেলে কোনো সমাজই সত্যিকারের উন্নতি করতে পারে না।

নারীর সমঅধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণে United Nations–এর এবারের প্রতিপাদ্য—
"Rights. Justice. Action. For ALL Women and Girls"
অর্থাৎ, "সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য অধিকার, ন্যায়বিচার ও কার্যকর পদক্ষেপ।"— এটি একটি অঙ্গীকার। অধিকার মানে শুধু আইনের চোখে সমান নয়, বাস্তব জীবনেও সমান সুযোগ পাওয়া। ন্যায়বিচার মানে নিপীড়িত নারীকে শুধু সহানুভূতি নয়, তার প্রাপ্য প্রতিষ্ঠা করা। আর কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া এই দুটোই কেবল অলীক কল্পনা।

KIN বিশ্বাস করে—একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গড়ে উঠতে হলে নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তাই শুধু একটি দিন নয়; প্রতিটি দিন হোক নারী জাগরণের দিন। মেয়েদের জন্য নিশ্চিত হোক নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ, কর্মক্ষেত্রে সম্মান ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমান অধিকার।

KIN পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।

ঈদ মানে কারও মুখে একটুখানি হাসি ফুটিয়ে তোলা, কারও ছোট্ট স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা। বিশেষ করে শিশুদের জন্য ঈদ যে...
06/03/2026

ঈদ মানে কারও মুখে একটুখানি হাসি ফুটিয়ে তোলা, কারও ছোট্ট স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা। বিশেষ করে শিশুদের জন্য ঈদ যেন এক অন্যরকম উৎসবের নাম; যেখানে ঈদ মানে নতুন জামার অপেক্ষা, মিষ্টি আহার, আর বন্ধুদের সঙ্গে নির্ভাবনায় খেলাধুলার আনন্দে ভরা কিছু মুহূর্ত। সেই নিষ্পাপ আনন্দকে আরও একটু রঙিন করে তুলতে এবং শিশুদের মুখে বাড়তি হাসি ফোটানোর লক্ষ্যেই KIN-এর ছোট্ট উদ্যোগ ‘KIN ঈদ আনন্দ ২০২৬’।

আজ ৬ মার্চ ২০২৬, বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে শাবিপ্রবির অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন KIN কর্তৃক আয়োজিত হয় ‘KIN ঈদ আনন্দ ২০২৬’। এই আনন্দ আয়োজনে KIN School-এর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদবস্ত্র ও ইফতার বিতরণ করা হয়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে KIN School-এর প্রায় ১১৫ জন শিক্ষার্থীকে ঈদবস্ত্র উপহার দেওয়া হয়। ঈদের নতুন বস্ত্র পেয়ে তাদের যে আগ্রহ আর আনন্দ, তা যেন ঈদের আসল অর্থকেই তুলে ধরে।

উক্ত প্রোগ্রামে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন KIN-এর সম্মানিত উপদেষ্টা এবং পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন ম্যাম। তাঁর উপস্থিতি ও শুভেচ্ছা শিশুদের আরও বেশি উজ্জীবিত করে তোলে।

এছাড়াও, এই আনন্দ আয়োজনে KIN-এর শুভানুধ্যায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ শিশুদের আনন্দ ও উচ্ছ্বাসকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পেছনে যারা নিরন্তর পরিশ্রম করেছেন, সবাইকে KIN-এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভবিষ্যত কার্যক্রমেও সবাই এভাবেই KIN-এর পাশে থাকবেন, এটাই KIN-এর প্রত্যাশা।

Address

Sylhet
3114

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KIN, A Voluntary Organization of SUST posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to KIN, A Voluntary Organization of SUST:

Share