Golapganj - গোলাপগঞ্জ, সিলেট

Golapganj - গোলাপগঞ্জ, সিলেট >> আপনিও পাঠান আপনার এলাকার ছবি ও যেকোন ঘটনা, ইতিহাস

Golapgonj Upazila (Sylhet District) with an area of 278.34 sq km is bounded by Jaintiapur and Kanaighat Upazilas on the north, Fenchuganj and Barlekha Upazilas on the south, Beanibazar and Barlekha Upazilas on the east, Sylhet Sadar Upazila on the west. It has an area of 11.55 sq km. The town has a population of 14835; male 52.44%, female 47.56%; density of population is 1284 per sq km. Literacy r

ate among the town people is 40.6%. Administration Golapgonj Thana, now an Upazila, was established in 1922. The Upazila consists of 11 union Parishads, 108 Mouzas and 254 villages. Historical events As a part of the historic Nankar movement Ronkeli rebellion and Bhadeswar rebellion were held in the Upazila.

24/11/2025
সিলেটের মানুষ জাতেও মাতাল তালেও মতাল,শুধু অতীতের নয় বর্তমান নেতা খেতা আর বড় বড় লিডার যাই বলেন সব সমান,সিলেটবাসীর লজ্জ...
10/11/2025

সিলেটের মানুষ জাতেও মাতাল তালেও মতাল,
শুধু অতীতের নয় বর্তমান নেতা খেতা আর বড় বড় লিডার যাই বলেন সব সমান,
সিলেটবাসীর লজ্জা হলেও এটাই বাস্তব,
এক কথায় সিলেটের মানুষ আসলেই বোদাই।

এখন বুঝে নেন কিভাবে,
এক যুগ আগে একটা ট্রেন চালু করা হয়েছে এখন পর্যন্ত বোদাইরা কোন ট্রেন পায়নি আবার তারা বলে নাকি সিলেট নাকি পর্যটন কেন্দ্র,
তাহলে আমার প্রশ্ন হলো:
পর্যটন কেন্দ্রের মর্যাদা কোথায়।

আদিম কালের ব্রিটিশ আমলের রেল লাইন ও বাই রোড এভাবে ধ্বংসের দিকে বিশেষ করে কয়েক দিন পর পর ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, এবং হাজার হাজার যাত্রীদের ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে,
তারা নাকি বলে আবার তারা নাকি লন্ডনি,
তাহলে আমার প্রশ্ন: লন্ডনের রাস্তাঘাট কি খাল আর বিল নাকি,
সিলেটের রুটের প্রকল্প অন্য রুটে বাস্তবায়ন হয় আর তারা শুধু দেখে দেখে তৃপ্তি মারে।

সিলেট নাকি স্পট টুরিস্ট কেন্দ্র তাদের নাকি যাত্রী বেশি:
তাহলে ২০১৯ সালে,
সিলেট থেকে চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ থেকে সিলেট দুটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু করার কথা থাকলেও দুটি ট্রেন বাতিল হয়ে যায়,
তাহলে আমার প্রশ্ন হলো:
সিলেটের নামে এতো কিছু বরাদ্দ থাকলেও কেনো আবার সিলেটবাসীর সম্পদ আরেক দিকে যাবে,
তাহলে মুল কথা হলো:
সিলেটের সম্পদ অন্যরা ভোগ করতেছে, তাহলে আমার কথা হলো:
সিলেটবাসী কি হিজরা নাকি যে প্রতিবাদ করতে ভয় পায়।

ও ও প্রতিবাদ তো দুইবার করছেন,
প্রথমে,
আন্দোলন করছেন রেল কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তাদের সাথে বসবে কিন্তু বসার পরে মুলা শূন্য,

দ্বিতীয়বার
শুধু একটা বগি ধরিয়ে দিয়ে মুলা ধরিয়ে দিছে তাতে সিলেটের মানুষ চান্দের দেশে,
তাহলে বুঝা গেলো সিলেটবাসী কতটা বোদাই।

এখন আসেন বর্তমানের কথায়,
ইঞ্জিন সংকট, কোচ সংকট,
লালমনিরহাট ৩টি ট্রেন থাকা সত্ত্বেও,
যাত্রার ৫ মিনিট আগে টিকেট এভেলেবেল পাওয়া যেতো, এমনকি অনেক সিট খালিও যায়,
তাহলে আমার প্রশ্ন হলো:
সেখানে নতুন ট্রেন চালু করার মূল কারণটা কী,
আমার প্রশ্ন হলো ইঞ্জিন সংকট তাহলে কেনো নতুন ট্রেন চালু করা হলো।

অপর দিকে,
সিলেটের মাত্র ৪টা ট্রেন তাও আবার লোকাল,
এই অঞ্চলে যাত্রীদের আকর্ষণ থাকার কারণে ৪টা ট্রেনে ২টা করে এক্সট্রা বগি যুক্ত করেও যাত্রীদের ভোগান্তি দূর করা অসম্ভব,
অর্থাৎ হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে প্রতিদিন একটা ট্রেন চলছে,
তাহলে আমার প্রশ্ন হলো:
সেই অঞ্চলে কেনো নতুন ট্রেন দেওয়া হচ্ছে না মুল কারণটা কী,
সমস্যাটা কী দয়া করে আপনাদের হাতে পায়ে ধরি মুল কারণটা কী বলবেন।

একটা কথাই বলেন ইঞ্জিন সংকট,
তাহলে এই কথা গুলোর উত্তর দেন তো আপনারা,
উপকূল কেনো ৩০০০ নিয়ে চলে,
চট্টলা কেনো ৩০০০ নিয়ে চলে,
লালমনিরহাটে ৬টা ৩০০০ দেওয়ার কারণ কি হতে পারে,
জবাব দিয়ে যাবেন,
এমন পরিচালনা যে করতেছে ঘৃণার সাথে প্রতিবাদ জানাই।

আচ্ছা সব বাদ দিয়ে দিলাম,
বলেন তো
করতোয়া এক্সপ্রেস,
১২/২৪ লোডের ট্রেন ১৭টা স্টপিজ দিয়েও ৬ ঘন্টা ৩০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছে সেই ট্রেন কিভাবে ৩০০০ নিয়ে চলাচল করে,
আর এই দিকে ৩০০০ ইঞ্জিনের কারনে তেলের গাড়ি বন্ধ থাকে ও ৩০০০ ইঞ্জিনের কারণে একটা ট্যুরিস্ট পর্যটন কেন্দ্রের ট্রেন চালু হচ্ছে না,
এর অর্থটা কি,
আর দুর্বল ইঞ্জিনের কারণে,
২০/৪০ লোডের পারাবত দুই ঘন্টা তিন ঘন্টা বিলম্ব হচ্ছে এই যাত্রীদের কি কোন মূল্য নেই,
এর মুল কারণটা কী ভাই,
এখন আমার প্রশ্ন হলো:
রাষ্ট্রীয় মালামাল ক্রয় করা হয় কেনো শুধু দেখার জন্য না আয় ও দেশের উন্নতি করার জন্য কোনটা,
জবাব দেন।

তবুও বুঝলাম ইঞ্জিন সংকট তাহলে ২/৩ দিন আগে,
৩০০২ আসলো সেটা কোথায়,
সিলেটের মানুষকে আর কত ধরনের বাহানা দেখাবেন বলেন।

পেছনে যা বলছি সব বাদ এখন একটাই প্রশ্ন:
৭১১/৭১২ উপকূল এক্সপ্রেস,
৭১৩/৭১৪ করতোয়া এক্সপ্রেস,
এই দুই ট্রেনের কিভাবে ৩০০০ ইঞ্জিন দেওয়া হয়,
তার কারণ কী,
মুল রহস্যটা বা উদ্দেশটা কী,
এই দুটি ট্রেনের বিষয়ে বলে যাবেন।

সিলেটবাসী এখন ঘুমানোর সময় নয়,
ধাপে ধাপে আমাদেরকে তারা অত্যাচার জুলুম করছে,
এমনকি আমাদেরকে আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে,
এখন আমরা আমাদের অধিকার আদায় করবো ইনশাআল্লাহ।

সিলেটের মানুষ এখনো যারা ঘুমিয়ে আছেন,
জাগ্রত হও সিলেটবাসী আমরা আমাদের অধিকার আদায় করবো ইনশাআল্লাহ।

শাশুড়ির কারণে শুধু সংসার না, জীবন ও যায়, প্রমাণিত।
24/10/2025

শাশুড়ির কারণে শুধু সংসার না, জীবন ও যায়, প্রমাণিত।

12/10/2025

সিলেটের টাকায় দেশের অর্থনীতি ঘুরে। কিন্তু সরকার সিলেট চেনেনা।

19/09/2025

আমাদের বিয়ের কয়েকদিন পর, আমার বউ তনুর সাথে পরামর্শ করে ঠিক করলাম আমরা হানিমুনে যাবো।
সে তো মহাখুশি—কারণ তাকে কোনোদিন তার বাবা-মা তেমন কোথাও ঘুরতে নিয়ে যায়নি।
যখন শুনল আমার সাথে কক্সবাজার যাবে, খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেল।

পরের দিন খাবারের টেবিলে বসে আমি মাকে বললাম,
— আম্মা, আগামী সপ্তাহে আমরা দুইজন একটু কক্সবাজারে যাব।

আম্মা ভ্রু কুঁচকে বললেন,
— কেন?

আমি বললাম,
— আম্মা, আমরা তো হানিমুনে যাইনি এখনো। তাই ভাবছি অফিস থেকে দুইদিন ছুটি নিয়ে ওকে নিয়ে একটু ঘুরে আসি।

তনু তখন রান্নাঘরের দিকে ব্যস্ত ছিল।

আম্মা কেমন যেন একটু স্বর ভারী করে বললেন,
— হানিমুন-টানিমুনে গিয়ে টাকা নষ্ট কইরো না। টাকা জমাও, বুঝছো? আমি যে জীবনে হানিমুনে যাই নাই, তাতে কি আমি তোমার বাপের সংসার করি নাই? সংসারে কি শান্তির কোনো অভাব ছিল?

আমি কি যে বলব সেটা বুঝে উঠতে পারছিলাম না।
মাঝখান থেকে আমার ছোট বোন সায়মা বলে উঠল,
— ওয়াও ভাইয়া! আমরাও তো কখনো কক্সবাজার যাই নাই। চলো সবাই মিলে একসাথে যাই!

আম্মা তখন বললেন,
— এইটা করা যায়। আমারও একটু রেস্ট হইল।

আমি বললাম,
— একসাথে অনেকগুলো মানুষ গেলে অনেক টাকা লাগবে। আমরা আগে ঘুরে আসি, এরপর আরেকবার সবাই মিলে যাব।

বোন মন খারাপ করল। আম্মা কোনো কিছু না বলে তার খাবারের প্লেট নিয়ে রান্নাঘরে চলে গেলেন। মনে হলো রাগ করেছেন।

এখানে যে কথাগুলো হলো, সেগুলো তনু কিছুই জানত না।

রাতে সে যখন বলছিল,
— কক্সবাজার যাওয়ার সময় কি কি জামাকাপড় নিব?

আমি তখন বলে উঠলাম,
— এখন যাওয়া হবে না বুঝছো। কিছুদিন পরে যাবো, অফিস থেকে ছুটি পাইনি।

আমার এই কথা বলার পেছনে কারণ ছিল—
খাবারের টেবিল থেকে উঠে আমি অনেকক্ষণ ভাবলাম, “আব্বা তো আম্মাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যায়নি। তবুও তারা হানিমুন না করেই কত সুখে সংসার করেছে।”
ভাবলাম, তনুকে নিয়ে যাবো, কিন্তু এখন না। পরে যাবো।

কিন্তু সেই "পরে" আর হলো না।
তনুও আর কোনোদিন কিছু বলেনি।
মায়ের বাড়ি ছাড়া আর কোথাও ঘুরতে যেত না।

দুই বছর পর আমাদের প্রথম সন্তান ছেলে হলো।
তার দেড় বছর পরে আরেকটি কন্যা সন্তান হলো।

ছেলে-মেয়ের বয়স যখন ৪ আর ২.৫ বছর, তখন আমার বোনের বিয়ে হলো।

বিয়ের সপ্তাহ খানেক পর বোন বাসায় বেড়াতে এলো।
আমার মা আর তনু মিলে অনেক কিছু রান্না করলো।
বোন আগে এসেছে। বোন জামাই পরে এসে রাতের খাবার খেয়ে ওকে নিয়ে যাবে।
ছুটির দিন ছিল, তাই আমিও সারাদিন বাসায় ছিলাম।

ভাইবোন আর মা মিলে যখন গল্প করছিলাম, তখন কথায় কথায় বোন বলল, সে আগামী সপ্তাহে জামাই নিয়ে হানিমুনে যাবে।
আম্মা বললেন,
— বেশি কইরা গরম কাপড় নিস, যেই শীত পড়ছে।

আমি মাঝখান দিয়ে বললাম,
— কবে যাবি তোরা? চলো সবাই একসাথে যাই!

বোন কিছু বলার আগে মা বললেন,
— নতুন জামাই-বউর সাথে কে যায় রে ঘুরতে? এতটুকু জ্ঞানও কি তোর নাই?

আমি একটু নড়ে বসলাম।
“আমি এমন কি বলে ফেললাম?”
হঠাৎ বুকের ভেতরটা কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠলো।

ছয় বছর আগের সেই খাবারের টেবিলের দৃশ্যটা হঠাৎ ভেসে উঠলো চোখের সামনে—
আমি তনুর চোখের আনন্দ লুকিয়ে দুঃখে রূপান্তরিত করেছিলাম।
মিথ্যে বলেছিলাম, অফিস থেকে ছুটি পাইনি বলে।
কিন্তু আসল কারণ ছিল আমার মায়ের এক কথাই আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল।

আর আজ সেই একই মা আমার বোনের হানিমুনের ব্যাপারে এমন কথা বলছেন, যেন এটা একেবারেই স্বাভাবিক।

আমি মুখ খুলে কিছু বলতে পারছিলাম না।
তনু তখন চুপচাপ পাশে বসে গল্প শুনছিল।
তার মুখের দিকে তাকাতেই আমার অপরাধবোধ হতে লাগল।
তার চোখে কোনো অভিযোগ নেই, কোনো প্রশ্ন নেই—
শুধু একরকম অভ্যস্ত নীরবতা।
এই নীরবতা আমাকে আরও বেশি কষ্ট দিল।

হঠাৎ আমার ছোট বোন হাসতে হাসতে বলল,
— ভাইয়া, তুমি সিরিয়াসলি বলছ নাকি? আমাদের হানিমুনে সবাই মিলে যাবে নাকি?

মা তখন গম্ভীর গলায় বললেন,
— হানিমুনে আবার সবাই যায় নাকি? নতুন জামাই-বউরে একটু সময় দে না।

আমি আর সহ্য করতে পারলাম না।
একটা চাপা হাসি দিলাম, কিন্তু সেই হাসির ভেতরে ছিল তীব্র কষ্ট।
ধীরে ধীরে বললাম,
— হুম, ঠিকই তো। নতুন জামাই-বউরে সময় দেওয়া উচিত।

তারপর মনে মনে ভাবলাম,
"তাহলে তনু আর আমি কি তবে সেই সময়টার যোগ্য ছিলাম না?"

---

রাতে তনু আর আমি ঘরে ঢোকার পর চুপচাপ কাপড় গুছাচ্ছিলাম।
হঠাৎ আমি বললাম,
— তনু, তুমি এখনো কি কক্সবাজার যেতে চাও?

তনু থেমে আমার দিকে তাকালো।
তার চোখে হালকা বিস্ময়।
তারপর এক টুকরো মলিন হাসি দিয়ে বলল,
— এখন আর সময় কোথায়? বাচ্চা দুইটা নিয়ে কোথাও গেলে তো হানিমুনের মজা পাওয়া যাবে না।

আমি বললাম,
— এটা আরেক রকমের মজা হবে। বাচ্চারা মজা করবে, সেটা দেখে আমরা মজা করবো।

তনু কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,
— হানিমুন ছাড়াও তো কত মানুষ কত সুন্দর সুখী সংসার কাটিয়ে দিলো। আমরাও পারবো। তাছাড়া তোমার অফিস থেকে ছুটি নেওয়াও সমস্যা। বাদ দাও এসব কথা। ঘুমাও, সকালে অফিস আছে।

তনুর কথা শুনে আমি থেমে গেলাম।
এতো বছর পর বুঝলাম—সেদিন খাবার টেবিলে বসে আমাদের সব কথাই তনু শুনেছিল।
কিন্তু একটুও বুঝতে দেয়নি।

দুজনই দুপাশ হয়ে শুয়ে পড়লাম।
কারো চোখে ঘুম নেই।
কারো কিছু বলার নেই।

কিন্তু আমি বলতে চাচ্ছিলাম—
"স্যরি তনু।
স্যরি সেই সময়টা আর ফিরিয়ে দিতে পারবো না, যে সময়টা আমাদের দুজনের হওয়ার কথা ছিল।
যে আনন্দটা তোমার প্রাপ্য ছিল, আমি সেটা দিতে পারিনি।"

কিন্তু কথাগুলো মুখে আনতে পারলাম না।
আমাদের মাঝখানে ছড়িয়ে থাকা নীরবতা যেন দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে রইল।

পরের সপ্তাহে কাউকে কিছু না জানিয়ে কক্সবাজারের টিকিট কেটে বাসায় ফিরলাম।
তনুকে বহু কষ্টে রাজি করিয়ে সব গুছিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আম্মাকে বললাম,
— সায়মাকে বলেছি দুইদিন তোমার সাথে এসে থাকবে। ও মনে হয় রাস্তায় আছে, কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসবে।

মা বললেন,
— কেন? আর তুই কই যাস?

আমি মুচকি হেসে বললাম,
— বৌকে নিয়ে তো হানিমুনে যাই নাই। বাচ্চার মায়ের একটু ঘুরিয়ে নিয়ে আসি।

ডানে-বামে আর না তাকিয়ে, কিছু না বলে তনু আর বাচ্চাদের নিয়ে বেরিয়ে গেলাম।
তনু ভীষণ খুশি, কিন্তু কি যেন একটা নাই—
নাই সেই সময়টা,
যে সময়টা আর কোনো কিছুর বিনিময়েও ফিরে আসবে না।

© জাকিয়া হোসেইন তৃষা

এই দেশ বদলাবে না, কয়েকদিন লাউ আর কয়েকদিন কদু। জিনিস একই।
07/08/2025

এই দেশ বদলাবে না, কয়েকদিন লাউ আর কয়েকদিন কদু। জিনিস একই।

জুনায়েদ পলক। তরুন বয়সে এমপি এরপর মন্ত্রী।  এখন জেলখানায়!  চোখে পানি!  আমি জেলখানার ভেতরে ঘুরে দেখেছি। কেমন দম বন্ধ লাগছি...
24/07/2025

জুনায়েদ পলক। তরুন বয়সে এমপি এরপর মন্ত্রী।

এখন জেলখানায়! চোখে পানি!
আমি জেলখানার ভেতরে ঘুরে দেখেছি। কেমন দম বন্ধ লাগছিল৷ অথচ এই রকম একটা জেলের একটা ছোট্ট খোপে বন্দি হতে হয়েছে এই মন্ত্রীর। সেখানে কথা বলার মত মানুষ নেই, মোবাইল নেই! দিন রাতের হিসাব নেই!
কত বছর থাকতে হবে তার ঠিক নেই! হয়তো বাবর সাহেবের মত বৃদ্ধ বয়সে.. তারপর দল থেকে বাতিলের খাতায়!

একটাই ত জীবন! কি নিদারুন অপচয়!

ক্ষমতায় থাকাকালীন কি ছিল না?
গাড়ি,বাড়ি,লোকজন, কর্মী, ক্ষমতা, টাকা -- এখন প্রিয় স্ত্রীও নেই৷

এই ছবিটি একটা চরম শিক্ষা! এখন যারা ক্ষমতায়, আগামীতে যারা,ক্ষমতায় আসবেন তাদের জন্য।
কত প্রভাবশালীরা এখন চুপসে গেছে। কেউ সালাম দেয় না, ভালমন্দ জিজ্ঞেস করে না। অথচ আগে কি সম্মান!!

এই পলক যাদের জন্য করেছে তারা দেশ ছাড়া।

@ রাজনীতি বড়ই কঠিন খেলা!

পুরো লেখাটি লিখেছেনMd Mobasshar Rahman এটা কোনো ব্যাখ্যা না। এর কোনো ব্যাখ্যা হয় ও না৷ যার যায়, কেবল সে ই বুঝে, বাকিরা ব...
22/07/2025

পুরো লেখাটি লিখেছেন
Md Mobasshar Rahman

এটা কোনো ব্যাখ্যা না। এর কোনো ব্যাখ্যা হয় ও না৷ যার যায়, কেবল সে ই বুঝে, বাকিরা বুঝার ভান করে, কেউ প্রচন্ড আবেগে ব্যাথিত হয়, আবার কেউ নিজের কোনো স্বার্থ হাসিলে৷ কিন্তু আমাদের শিক্ষা হয় না৷ সমস্যা রয়ে যায় কারন আমরা যা দরকার তা নিয়ে কথা বলি না, যা নিয়ে কথা বলতে একটু কম্ফোর্ট ফিল করি তা নিয়ে কথা বলি৷

যারা পরিবার হারিয়েছেন, তাদের প্রতি কিছু বলার ভাষা বা সক্ষমতা আমার নাই। কিন্তু যারা প্রচন্ড ক্ষুব্ধ, যারা জবাবদিহিতা চান তাদের জন্য, আমার ২-৩ টা অগোছালো কথা৷ আপনারা যারা জবাব চান, তাদের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া৷ আমি আপনাদের বিরুদ্ধে না, শুধু মাত্র আমার সামান্য পেশাগত জ্ঞানের আলোকে কথা গুলো বলা৷ কারন আপনারা যদি সঠিক প্রশ্ন না করেন আপনাদের প্রশ্ন মূল্যায়িত হবে না৷ পাত্তাই দিবে না৷

প্রথম কথা: বিমান বাহিনী কেন এই জনবসতিপূর্ন এলাকায় প্রশিক্ষন করে?

উত্তর: একটা প্রশিক্ষন বিমান প্রথমে Take-off করতে হয়, তারপর সিলেবাস অনুযায়ী কিছু পরিচালনা করতে হয়, এবং তারপর Landing করতে হয়৷ Take off এবং landing করতে দরকার হয় runway. বাকি প্রশিক্ষন এর জন্য নির্ধারিত এলাকা আছে, সেগুলো সোজা বাংলায় 'ট্রেনিং এরিয়া' বলে৷ যেগুলো জনবসতি থেকে দূরে হয়ে থাকে৷ বিমান বাহিনীর প্রতিটি প্রশিক্ষন ও সেখানেই হয়৷

জনবসতিপূর্ন এলাকায় প্রশিক্ষনের শুধু Take off, landing এবং এর সাথে জড়িত কাজগুলো অনুশীলন করা হয়৷ কারন? কারন এর জন্য runway দরকার৷runway ছাড়া সেটা সম্ভব না৷ runway এবং এর চারপাশ জনবসতি পূর্ন হওয়ার কথা না। কেন হলো এটার দায় কাদের আপনারা জবাব চাইবেন দয়া করে৷ কারন রানওয়ে আগে হয়েছে, জনবসতি পরে, জনবসতির মাঝে এসে রানওয়ে বানানো হয় নাই৷

আমি একটা ছবি সংযুক্ত করেছি৷ runway এর যেখানে বিমান এসে টাচ করে, সেখান থেকে দূর্ঘটনার জায়গাটার দূরত্ব, এভিয়েশন এর হিসাব এ ১.৯ নটিকাল মাইল৷

এই যে runway বরাবর যে এলাকাটা? হলুদ চিহ্ন দিয়ে দেখানো, এটাকে এভিয়েশন এর ভাষায় বলে 'Final'। এই এলাকাটার টেকনিকাল নাম 'Final'. এই runway তে যেকোন, I repeat, সামরিক বেসামরিক আধাসামরিক, যেকোন বিমান land করতে গেলে এই রাস্তা ধরেই আসতে হবে৷ আসতেই হবে, তানাহলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ল্যান্ড করা সম্ভব না৷ এবং এই Final এর কত দূর পর্যন্ত বিমান থাকে জানেন? ৬-৮ নটিকাল মাইল পর্যন্ত৷ সেখানে স্কুলটা মাত্র ১.৯ ন্যটিকাল মাইল দূরে৷ অর্থাৎ যত বিমান নামে এই ডিরেকশন এ, সকল বিমান এই স্কুলের উপর দিয়েই যাবে৷ সেটা শুধু বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষন বিমান না৷ আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধা ভাইদের যে বিমান মধ্য প্রাচ্য থেকে এসে ল্যান্ড করে সেটা ও৷ তাহলে এরকম একটা ক্রিটিকাল জায়গায় স্কুল কিভাবে পার্মিশন পায়? আল্লাহ না করুক, অন্য যেকোন বিমান, যেগুলা কিনা আজকের বিধ্বস্ত বিমানের থেকে ১৫-২০ কিংবা ৩০ গুন বেশি বড়, সেরকম একটা বিমান যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য এখানে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই?

আজ যে কথাটা উঠছে যে ঘন বসতি পূর্ন এলাকায় প্রশিক্ষন কেন করে? ধরেন করলো না প্রশিক্ষন, শুধু কমার্শিয়াল বিমান runway তে ল্যান্ডিং করবে, তাহলে কি এই জায়গাটা স্কুল কিংবা হাসপাতাল বানানোর জন্য সেইফ? উত্তর চাইতে হবে এই প্রশ্নের৷ কে দিল এখানে স্কুল বানানোর অনুমতি? আদৌ দিয়েছে?

দ্বিতীয় কথা, এই সময় একটা ব্যাপার খুব সামনে আসছে যে লাশের হিসাব লুকানো যাবে না! আমি এখানে জনগনের কোনো দায়ই দেখি না৷ আমার দেশের জনগন মনে করে, সরকার, প্রশাসন লাশ লুকায়, এটা সরকার, প্রশাসনের দায়৷ আমরা সেই বিশ্বাস অর্জন করতে পারিনি, এটা আমাদের ব্যার্থতা৷ যেকোন এরকম দূর্ঘটনায়, সর্বোচ্চ ট্রান্সপারেন্সি ই পারে জনগনকে আশ্বস্ত রাখতে, জনগন আমাদের বিশ্বাস করছে না, এই দায় আমাদেরই৷ আমাদের এখানে কাজ করতে হবে আরও৷ তবে এটাও সবার মাথায় রাখতে হবে, যে কিছু মানুষ 'Chaos' পছন্দ করে৷ কিছু মানুষের কাছে লাশের সংখ্যা বাড়লে তার কিছু ভিউ বাড়বে, উপরি ইনকাম হবে, এদের থেকে সবাই একটু সাবধান থাকাই ভাল৷ তবে জনগন কাকে বিশ্বাস করবে, আর কাকে করবে না, এইটা দায়িত্বশীল যারা আছে তাদের উপরই বর্তায়৷ তবে আমার মনে হয়, এই আন্তর্জাতিক Tragedy তে লাশের সংখ্যা লুকায়ে আর্মি বা এয়ারফোর্স বা সরকার কারও কোনো লাভ আছে।

তারপর, এত এত ডিফেন্স বাজেট, তারপরও এই বিমান কেন? এটা খুবই উপযুক্ত প্রশ্ন৷ দেখেন বাজেট যতই হোক, আমার বেতন পে গ্রেড অনুসারে আসে, আমার রেশন নির্ধারিত মূল্যে কিনে খেতে হয়, আমার ইউনিফর্ম ও কিনে পরতে হয়, মোদ্দা কথা আমরা বেতনভূক্ত কর্মচারী, বাজেটের ব্যাপার স্যাপার দেখে মূলত মন্ত্রনালয়, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ মোটামুটি ঘন্টায় ৫০০ মাইল বেগে ছুটে চলা একটা উড়ন্ত মেশিনে বসতে চাইবে না, যদি সে ঐ মেশিনের প্রতি ভরসা না পায়৷ দুনিয়া কত আগায়ে গিয়েছে, আমরা কেন এই মেশিনে পড়ে আছি? কেউ চায় না ভাই, কেউ চায় না৷ তবে এটাও ঠিক, যুদ্ধবিমান শুধু টাকা থাকলেই কিনা যায় না৷ আমি ভাল কিছু যাতে কিনতে না পারি, তার জন্য আমার প্রতিবেশিরা, শত্রুরা অনেক দেন দরবার, লব্যিং করে প্রতি মুহূর্তে৷ আর আমাদের নিজেদের দুর্নীতি তো ছিলই৷ সেগুলো অনেক উচু লেভেল এর ব্যাপার৷ সেখানে জনগনই পারে হাত দিতে কারন তা মূলত জনপ্রতিনিধিদের ব্যাপার৷ আমরাও চাই অত্যাধুনিক বিমান, সরঞ্জাম দিয়ে নিরাপদে, সগর্বে সাজানো থাকুক আমাদের অফিস৷

কেন বিল্ডিং এ ক্রাশ করলো, কেন মাঠে ক্রাশ করলো না?

আজ ক্রাশ করার ফলে যেই পাইলট জীবন দিয়েছেন, আমি তাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনতাম৷ সেই হিসাব না হয় বাদই দিলাম৷ স্কুল হাসপাতাল সব বাদ দেন, একটা পাগল ও যদি বিমানের মধ্যে থাকে, আর তার কাছে যদি নিয়ন্ত্রন থাকে, সে চাইবে খোলা জায়গায় যেয়ে নামতে। লোকের সেফটির কথা বাদ দিলাম, নিজের সেফটির জন্যই সে খোলা জায়গায় ক্রাশ ল্যান্ডিং করতে চাইবে৷ আর যদিও বা এটা নিশ্চিত না, তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে, তবে এটা নিশ্চিত যে বিমান ফেলে দিয়ে ইজেকশন করতে চাইলে পাইলট ২০০০ ফিটের উপরেই ইজেকশন করতে চাইবে, অথবা যতটা উপরে থেকে করা যায়, নিজের স্বার্থেই, নিজের বাঁচার স্বার্থে৷ তাই একদম ক্রাশ করা পর্যন্ত বিমানের সাথে লেগে থাকা পাইলটকে আমরা যৌক্তিক ভাবে বলতে পারি যে তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন ঘটনার নিয়ন্ত্রন নিতে৷ তাকে সুপার হিরো আপনারা না ভাবতেই পারেন, গ্লোরিফাই না করতেই পারেন, তাকে ভিলেন ভাবার যৌক্তিক কোনো কারন নাই৷ তবে এখানেও একদম প্রচন্ড আবেগ থেকে, এতগুলা বাচ্চার প্রানহানীর কারনে বলছেন পাইলট এটা করতে পারতো কেন করলো না বা ওটা করতে পারতো কেন করলো না! that is completely understandable. কিন্তু absurd কথা বইলেন না যে মিরপুর DOHS এর উপর পড়লো না, এখানে পড়লো কেন?কারন ওখানে বড় বড় সামরিক কর্মকর্তারা থাকে তাই? একটা মানুষ বুঝতেছে মৃত্যু তার অনেক কাছে, তখন তার মাথায় এই ক্যালুলেশন কাজ করে যে কোন এলাকায় কে থাকে? সোজা কথা মিরপুর DOHS এর উপর যাওয়ার কথা না, ওদিকে কেন যাবে, এখানের উপর দিয়েই যাওয়ার কথা ছিল, সেখান দিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু যেভাবে যাওয়ার কথা ছিল, যান্ত্রিক ত্রুটি(আপাতত ধারনা করা হচ্ছে) সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি৷

দিনশেষে একটা কথা বলি, আমি নিজে বাবা হওয়ার পর থেকে আমার বাস্তবতা অনেক অনেক চেঞ্জ হয়ে গিয়েছে৷ আগে যেখানে আমি নিজের কথা বেশি ভাবতাম, এখন আমি আমার বাচ্চার কথা ভাবি৷ মনে হয় সমস্ত দুনিয়া উলটে পালটে যাক, আমার বাচ্চাটা ঠিক থাকুক৷ আমি বাবা না হলে আজকের এই ঘটনা আমাকে যতটা ব্যাথিত করেছে, ততটা বেশি হয়তো ব্যাথিত করতো না৷(এখনের থেকে কম করতো) এখন আমার সব ঘটনার ভিতরে, জাজমেন্ট এর ভিতরে পিতৃত্ব চলে আসে, চিন্তা করে বসি আমিও একজন বাবা, একদিন আমার ছেলেটাও স্কুলে যাবে৷ ভেবে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে৷ না এটা নিছক কোন দূর্ঘটনা না(আমি বিমান ক্রাশের কথা বলছি না, আমি বলছি বিমান ক্রাশের পরবর্তী ফলাফলের কথা) এটা অনেকগুলো অপকর্মের সামষ্টিক ফল, যেটা কিনা তারা ভোগ করছে যারা এটা ডিজার্ভ করতো না৷

আল্লাহ আমাদের ধৈর্য দিক৷ আমাদের সুবুদ্ধি দিক৷ আমাদের সাহায্য করুক৷ no one deserves this. আল্লাহ সকলকে জান্নাতবাসী করুক৷
প্রশ্ন করুন৷ সঠিক প্রশ্ন, সঠিক জায়গায়৷

03/06/2025

একই ফ্যামিলিতে এক সাথে থাকার পরেও অনেক মায়েরা সন্তানদেরকে চাচা চাচিদের থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করে।ফুফুদের থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করে। ছোট থেকেই চাচা ফুফুদের সম্পর্কে নেগেটিভ ধারণা দিয়ে রাখে। চাচিদের কাছে যাইতে নিষেধ করে। সেই মা আবার খালা মামাদের সম্পর্কে ভালো ধারণা দেয় সন্তানদের। খালাদের সাথে কিভাবে বেশি বেশি সম্পর্ক রাখা যায় সেটা শিখিয়ে তুলে। অনেক চাচা ফুফুরা খারাপ হয় এটাও সত্য। কিন্তু যারা ভালো হয় ভাতিজা ভাতিজির ভালো চায় , আগলে রাখতে চায় তাদের মা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। গুটিবাজি করে ভাই ভাইয়ে সম্পর্ক নষ্ট করে। চাচাদের সাথে ভাতিজা ভাতিজীদের দূরত্ব তৈরি করে। অনেকে বড় হয়েও চাচা ফুফুদের সম্পর্কে আসল সত্যিটা জানে না। ওরা চাইছিল তোদের আগলে রাখতে, কিন্তু তোদের মা তোদের ভালো চায় নাই। ভুল শিক্ষা দিয়ে বড় করছে ।

31/05/2025

ক্লাসরুমের ভিডিও। শিক্ষক তখন বোর্ডে কিছু একটা লিখছেন। গভীর মনোযোগে ছিলেন। পেছনে কী হচ্ছে, খেয়াল করেন নি। সেই সুযোগ নিলো শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলে-মেয়ে একসাথে পাশাপাশি বসেছে ক্লাসরুমে। এক মেয়ে জুতো এগিয়ে দিলো তার বন্ধুকে। সেই বন্ধু মেয়েটির জুতো হাতে নিয়ে বোর্ডে মনোযোগী শিক্ষককে জুতো দিয়ে মারতে গেল। ব্যাপারটা ওরা ফান করেছে। ফান এরকম যে, শিক্ষকের দিকে জুতো দেখানো নিয়ে ওরা হেসে মরছে। কেউ একজন ভিডিও করছে। সেই ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে ইন্টারনেটে।

গতরাতে ভিডিওটা দেখেছি। পতনের অবস্থা দেখে কেঁপে উঠছি বারবার। এ কোনও বিদেশি স্কুলের ভিডিও না। আমাদের দেশের স্কুল, আমাদের বাচ্চাদের ক্লাসরুম।

আমাদের সময় দুনিয়া কাঁপানো মাস্তানেরাও দূর থেকে শিক্ষকের ছায়া দেখতে পেয়ে পালাতো। আর এখন? এই বাচ্চারা এই দেশকে কী দেবে? ক্রমাগত উন্নতি করছে দুনিয়ার অন্ধকারে থাকা দেশগুলোও। আর আমরা আলো থেকে ছিটকে পড়ছি তো পড়ছিই।

আমাদের সবকিছু ফান আর ফান। এত ফান যে, আরেক ভিডিও দেখে হতবাক। এক চিকিৎসক বাবা তার ঘুমন্ত মেয়ের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন 'আরেক ব্যাডার বউরে পেলেপুষে বড় করতেছি'। সেই পোস্টে সবার হা হা। একজন শুধু লিখেছেন 'নিজের মেয়েকে নিয়ে এভাবে লিখলেন?' কমেন্টকারীকে ধুয়ে দিলো সকলে। আর কী বাকি থাকলো? বাবাও জানে না মেয়েকে নিয়ে কী লেখা যায়, কী লেখা যায় না।

ফানে ভরা জাতি, ফানের মধ্যে ডুবে থেকেই ধ্বংস হবে। এই আশঙ্কা এখন আর উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছেই না।

12/04/2025

এক মহিলা টাওয়েল পরে নাচছে তাতে মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউজ হাজার হাজার লাইক। অন্যদিকে ভাল কন্টেন্টে ৫০০ ভিউজ ১৫০ লাইক।

এটাই হয়ে গিয়েছে ফেসবুকের আসল ছবি। কেউ সকালে আলু পটল খাচ্ছে নাইটি পরে, আবার ক্যাপশনে লেখা "দেওর কে আজ যা দিলাম!" ব্যাস তা দেখার জন্যই একেবারে হুড়মুড়িয়ে পড়ছে মানুষ। না জানি ভিডিওর শেষে দেওর কে কী দেবে! এটা জানার উৎসাহে।

অন্যদিকে কবি নজরুল কে নিয়ে একটা কন্টেন্ট লিখুন, মুহূর্তের মধ্যে নাক বেঁকিয়ে এড়িয়ে যাবে ফলোয়ার্সরা। ওইসব জ্ঞান দেখে কী হবে? কবিতা দেখে কী হবে?

আসল ভাল লাগা আছে ভাবির নাইটির তলায়। এই জন্যই পাবলিক ডিম্যান্ড অনুযায়ী নাইটির কদর বাড়ছে। হুড়মুড়িয়ে নাইটি পরে পরে রিলস করতে নেমে পড়েছেন ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে।

ও বাবা! তাতেই আবার নাকি লক্ষ লক্ষ উপার্জনও হয়েছে। আর এই দেখে আর একদল ক্রিয়েটিভিটি বাড়াতে শায়া পরেই ভিডিও করা শুরু করেছে।

মাঝ বয়সী কিছু মহিলার কথা তো ছেড়েই দিন,তাঁরা মুখে বলছেন, "জানেন প্রেম করলে কত দুঃখ পেতে হয়?"

কবিতার ভঙ্গিতে, তবে এই বলাতে ভিউজ বাড়ছে না এটাতে ক্রিয়েটিভিটিও নেই আসল ব্যাপার হল বক্ষ বিভাজিকা প্রদর্শন।
মানে পাতি কথায় বুকের খাঁজ দেখিয়ে কবিতা বললে কবিতা কেউ শুনুক না শুনুক ভিউজ তো বাড়বে। অর্থাৎ ফেসবুকের এই মনিটাইজেশনের চক্করে বোঝা গিয়েছিল গোটা দেশ আটকে রয়েছে বক্ষ বিভাজিকা, শায়ার কাপড় আর নাইটির গভীরতায়।

"দেখুন তো আমি কী পরে আছি?" এক মহিলা খালি গায়ে স্ত.. ঢেকে পাবলিককে ভিডিওতে প্রশ্ন করছেন, আর তাতে পাবলিকের কী উচ্ছাস!
এর থেকেই এক ধাক্কায় সেই মাসের সংসারের টাকাটা উঠিয়ে নিয়েছেন মহিলা।

কমেডিও তো দুর্দান্ত!
কী দারুণ খিস্তি। কমেডি মানেই এখন কে কত ভাল খিস্তি দিতে পারে। আর তাতেই পাবলিক হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছে।

কী মনে হয় এটাই সমাজ? এইভাবে পেট চালানো যায়? শিক্ষার দাম কি ভুলেই যাব আমরা।?

ভাগ্যিস রিলস থেকে আয় কমানো হয়েছে নইলে আমার আপনার সন্তানকেও একদিন স্কুলে বসিয়ে শেখানো হত পড়াশুনো করে লাভ নেই ফেসবুক খুলে খাঁজ দেখো, খাঁজ দেখাও , তাতেই বাড়ি গাড়ি কিনতে পারবে বা শেখানো হত পাবলিক অ্যাট্রাক করতে বাপ, দেওর কাকু বা শ্বশুরকে নিয়ে কেমন সে*কুয়াল কন্টেন্ট বানানো যায়। এবার একটু নিজের রুচি বদলান নইলে নতুন প্রজন্মকে আর কি শেখাবেন!!

26/03/2025

যারা পাকিস্তানি ড্রেস কিনছে তাদের মনের এখন
কি অবস্থা ?
এবছর নাকি পাকিস্তান থেকে কোন ড্রেসই আমদানি হয় নাই🙂

Address

Golapgonj Sylhet
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Golapganj - গোলাপগঞ্জ, সিলেট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share