28/09/2026
‘বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬’
ফরাসী বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর প্রথম সফলভাবে জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেছিলেন। তার মৃত্যু দিবসকে স্মরণে রেখে ২০০৭ সাল থেকে ২৮শে সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
প্রতি বছর ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে জলাতঙ্ক নির্মূলের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এই দিবসটি পালিত হয়।
এ বছর বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসের প্রতিপাদ্য “Stronger Together” (ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আরও শক্তিশালী) আমাদের একটি সহজ সত্যের কথা মনে করিয়ে দেয়- যে, আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই কেবল জলাতঙ্ক নির্মূল করা সম্ভব।
স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও পশু চিকিৎসা পেশাজীবী থেকে শুরু করে সরকার, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষাবিদ এবং বৈশ্বিক অংশীদার—জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়ে তুলতে আমাদের প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
যে সকল প্রাণীর কামড়ে ভ্যাকসিন দিতে হবে:
কুকুর, বানর, বিড়াল, বাদুড়, শিয়াল, বেজি
যে সকল প্রাণীর কামড়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রয়োজন নাই:
ইঁদুর, কাঠবিড়ালি, খরগোশ, হ্যামস্টার, মানুষ
যে সকল অবস্থায় ভ্যাকসিন নিতে সমস্যা নাই:
মায়ের দুগ্ধদান কালে, অন্য যে কোন অসুস্থতায়, গর্ভাবস্থায়, বৃদ্ধ অবস্থায়
আক্রান্ত হলে করণীয়:
• আক্রান্ত স্থানটি ক্ষত ১৫ মিনিট ধরে কাপড় কাচা সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
• অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা দিন।
• আপনার পোষা কুকুর, বিড়াল, বেজি বা বানরকে জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকা দিন।
বর্জনীয়
• ক্ষতস্থান ঢেকে রাখা যাবে না বা ব্যান্ডেজ করা যাবে না।
• লবণ, গুড় এবং পানিপড়া জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করে না।
গুরুত্বপূর্ণ
রেবিস আক্রান্ত গরুর দুধ বা মাংস খেলে জলাতঙ্ক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা। প্রতিকারে প্রয়োজন তড়িৎ পদক্ষেপ।
আপনার পোশা প্রাণীর টিকাদান নিশ্চিত করুন। কামড় বা নখের আঁচড় খেলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা টিকাকেন্দ্রে গিয়ে টিকা গ্রহণ করুন।
আমাদের সম্মিলিত পদক্ষেপেই সম্ভব জলাতঙ্ক নির্মূল করা।