মায়া ফাউন্ডেশন একটি দাতব্য সংস্থা, যার কার্যক্রম শুরু হয় ২০১২ সালে।
সংস্থার মুল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হলো আর্ত মানবতার সেবায় সর্বাত্মক কাজ করে যাওয়া আর প্রয়োজনে সমমনা সংগঠনের সংগে যৌথভাবে বিভিন্ন প্রকল্প আয়োজন করা।
২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে, পারিবারিক উদ্যোগে শুরু হয় মায়া ফাউন্ডেশন এর যাত্রা।
বীর মুক্তিযোদ্বা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এর মাতা, মায়ারুন নেছা ২০১২ সালের ৬ই ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন, তাঁর
ত্যাগ, ভালোবাসা আর স্নেহধন্য পরিবার, তাঁর প্রতি শ্রদ্বা জানাতে, বিভিন্ন দাতব্য কাজের মাধ্যমে তাঁর রুহের মাগফেরাতের জন্য তাঁর নাম অনুসারে মায়া ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
মায়ারুন নেছা ছিলেন এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি তাঁর নামকে সার্থক করেছেন, তাঁর মায়া-মমতা আর ভালোবাসায় তাঁর কাছের সকলই সিক্ত হয়েছেন। তিনি তাঁর সাধ্যের সবটুকু দিয়ে মানুষকে ভালোবেসেছেন, সহযোগিতা করেছেন।
১৯৯১ সালের এপ্রিল মাসে প্রলংকরী ঘুর্ণিঝড়েও ক্ষতিগ্রস্থ চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় তিনি পারিবারিক ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি করেন।
বর্তমানে, মায়া ফাউন্ডেশন মরহুমা মায়ারুন নেছার পরিবারের প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাপণায় আর আর্থিক অনুদানে পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া, বিভিন্ন নিয়মিত কার্যক্রম কিংবা আকস্মিক ত্রান কার্যক্রমে বিভিন্ন দেশ এবং প্রবাসের শুভাকাংক্ষীরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। আমরা তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞ।
এছাড়া, মায়া ফাউন্ডেশন এর বিভিন্ন কার্যক্রমকে সফল করতে এক ঝাক তরুণ তরুণিরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা তাদের ভালোবাসায় ঋণী।
নিয়মিত কার্যক্রম সমুহঃ
১. শিক্ষা বৃত্তিঃ প্রতি বছর গরিব এবং অসহায় ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে এককালীন অনুদান/বৃত্তি প্রদান।
২. যাকাতঃ মরহুমা মায়ারুন নেছার পরিবারের যাকাত এর অর্থ আর শুভাকাংক্ষীদের প্রদান করা যাকাতের অর্থ (যদি দেয়া হয়) বন্টনের ব্যবস্থা করা।
৩. চক্ষু শিবিরঃ একক বা যৌথ পরিচালনায় গরিব মানুষদের জন্য দিন ব্যপী চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা, যেখানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার উপস্থিত থেকে দিনব্যপী বিনামূল্যে গরিব রোগীদের চোখের চিকিৎসা প্রদান করবেন।
৪. শীতবস্ত্র বিতরণঃ একক বা যৌথ আয়োজনে শীতবস্ত্র বিতরণ।
যেকোন প্রকল্পের ব্যপারে জানতে বা অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন।