01/04/2025
যেখানে শরীর জ্বলার কারনঃ মুছা(ভাই) মেম্বারের ছেলে মঞ্জুরের ফাসি চাই।
আমাদের গ্রামে ভালো কিছু হয় না আমরা নিয়ম মানি না বলে। আমাদের গন্ডারের চামড়া, অনিয়ম আমাদের সহ্য হয়ে গেছে। নিয়মের কথা, হক কথা বলতে গেলে বাবা মা তুলে গালি খেতে হয়। সব চোর, বদমাশ, দালাল এক হয়ে ওই লোকের পিছনে লাগে। এখন সময় এসেছে তাদের সমাজ থেকে বয়কট করার।
আমাদের গ্রামের মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে ছিল। সবাই মিলে চালু করা হল। ২০ বছর পুরানো মাদ্রাসা বন্ধ থেকে চালু হলো। আগের কমিটি রেখেই আমরা চালু করলাম। শুধু টাকার(মধু)🤔 হিসাব নিকাশটা আমরা নিয়ে নিলাম।
ব্যক্তিগত কারো কাছে টাকা রাখা বন্ধ করলাম। মাদ্রসার নামে ব্যাংক একাউন্ট করে টাকা রাখলাম। রিসিট ছাড়া লেনদেন বন্ধ করলাম। ক্যামেরা বসিয়ে মনিটর করার ব্যবস্থা করলাম। গ্রামের সবাই হাত খুলে দান করেছে! আবার অনেকে বদরি কাফেলার নামে টাকা দিচ্ছে প্রতি মাসে। টাকাতো ভালোই আছে!
নজর পড়েছে শকুনের! সাত মাসের মাথায় মাদ্রাসার ভুল ধরতে মরিয়া হয়ে উঠেছে হায়নার দল। মধু খেতে না পেরে পাগলের প্রলাপ বকছে। আমাদের উপদেশ না দিয়ে, ভুল ধরতে ব্যাস্ত তারা। অর্থাৎ যেকোন মুল্যে মধু তাদের লাগবে।
২০ বছরে যা হয় নাই, ৭ মাসে তা আমরা করে দেখাই এমনি প্রত্যাশা তাদের। গায়ের জোরে অনিয়মকে নিয়ম বানাতে চায় তারা।
মঞ্জুরের অপরাধঃ
প্রতি বছর শত চেষ্টা করেও সময় মত নামাজ পড়তে পারেনা গ্রামবাসী। টাকা কালেকশন এর অজুহাত দেয়া হয়। আপনাদের যদি টাকা তোলার জন্য ১ ঘন্টা লাগে, তবে ১ ঘন্টা পরে জামাতের সময় দেন। অনেকে বলবে ১০ মিনিট দেরি হলে সমস্যা নাই ঈদগাহ এর ভালোর জন্য। তাদের বলতে চাই, যারা নিয়ত করেছে টাকা দান করবে, তারা করবে যে কোন সময় যে কোন মূল্যে। এই কথা যারা বলে বা মানে তারা অনিয়মে থাকতে থাকতে বা করতে করতে গন্ডারের চামড়া হয়ে গেছে। সিস্টেম মানতে এখন তাদের সমস্যা হয়। ঈদের জামাত ঠিক সময়ে করা উচিত। এক সেকেন্ড ও এদিক সেদিক না। এটাই নিয়ম। কিন্তু আমরা সেটা মানতে চাই না। আমরা অনিয়ম মানতে চাই। কারন আমাদের সেটা সয়ে গেছে।
মুছা ভাইয়ের ছেলে নিয়ম মানার কথা বলেছে। আমার প্রশ্ন হলো- যেই গ্রামে অনিয়মকে নিয়ম মনে করে, যেখানে ইদগাহ, মাদ্রাসা,মসজিদ তাদের বাপের সম্পত্তি মনে করা হয় এবং গ্রামবাসী সেটা মেনে নেয়, সেখানে মুছা ভাইয়ের ছেলে নিয়মের কথা বলবে কেন?
নিয়ম মেনে ঈদের জামাত করার কথা বলার অপরাধে আসুন আমরা তার ফাসি চাই।
ঈদগাহ আমার বাপের সেখানে মঞ্জুর কথা বলবে কেন?
Mohammad Mamun এর ফেসবুক থেকে।
বি:দ্র: ঈদের আগে যখন ঈদগাঁ কমিটিতে বর্তমান যারা দায়িত্বে আছে তাদের থেকে খোলা চিঠির মাধ্যমে হিসাব চাওয়া হয়। তখনই, কিছুটা অনুমেয় ছিল এমন কিছু একটা ঘটবে যেটা থেকে আমাদের হিসাব চাওয়ার দাবিটা দূরে সরে যাবে। ফলাফল তাই হলো, পরিস্থিতি এমন ঘোলাটে হলো হিসাব চাওয়া তো দূরের ব্যাপার নামাজ শেষ করতে পারাটাই ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাড়ালো।
এখন কেউই সাহস করে বলতে পারবেন না বিগত সালের হিসেবগুলো কোথায়? কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া কতটুকু? কোষাধ্যক্ষ কে? সভাপতি কে? যেহেতু একজন নিয়মিত কোষাধ্যক্ষ নাই, তাই আমাদের নিকট ভবিষ্যৎতেও যে হিসাব দিতে হবে না সেই রাস্তাটাও মোটামুটিভাবে পরিষ্কার।
এখন আমরাও সবাই নিজেদের কাজে ব্যস্ত হয়ে গেছি, বেঁচে থাকলে আবার সামনের ঈদের নামাজ পড়ে তাড়াহুড়ো করে বাড়ি চলে আসবো। গরুটাকে জবাই করার জন্য রেডি করতে হবে। সময়ক্ষেপন করা যাবে না। ব্যস্ততায় হিসাব চাওয়ার সময়ই থাকবে না।
ফলাফল সেই জবাবদিহিতা বিহীন কমিটির পুনরাবৃত্তি, মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে জিম্মি থাকাবে গোটা সমাজ ব্যবস্থা।