MR. Legend

MR. Legend Our Motto ⁂ Know yourself and let to know others. Thus be a part in social development.

14/07/2025

মানুষের প্রিয় হওয়ার জন্য কাঁদি ,
আর রবের প্রিয় হবার ব্যাপারে বেখেয়াল থাকি!

অথচ রবের প্রিয় হবার মধ্যেই ছিল সবার কাছে প্রিয় হবার 'গোপন ফর্মুলা'।

'আমি আল্লাহর দিকে ঝুঁকে যাবো, আল্লাহর সৃষ্টি আল্লাহ আমার দিকে ঝুঁকিয়ে দিবেন ।'

তাই কাঁদা যখন রবের জন্য হয় না , তখন মানুষের প্রিয় হওয়াটাও একপ্রকার অসম্ভবও বটে ।

19/03/2025
11/03/2025

বেতন (টাকা) কে মাসের শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখার পরামর্শপত্র

ঘটনাটি এক সৌদি-যুবকের। সে তার জীবনের প্রতি মোটেও সন্তুষ্ট ছিল না। তার বেতন ছিল মাত্র চার হাজার রিয়াল। বিবাহিত হওয়ায় তার সাংসারিক খরচ বেতনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। মাস শেষ হওয়ার আগেই তার বেতনের টাকা শেষ হয়ে যেত, তাই প্রয়োজনের তাগিদে তাকে ঋণ নিতে হত। এভাবে সে আস্তে আস্তে ঋণের কাদায় ডুবে যাচ্ছিল। আর তার বেতনে এমন বিশ্বাস জন্ম নিচ্ছিল যে, তার জীবন এই অভাবেই কাটবে। অবশ্য তার স্ত্রী তার এ-অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখত। কিন্তু ঋণের বোঝা এত ভারী হযেছিল, যেন নিশ্বাস নেওয়াও দুষ্কর।

একদিন সে তার বন্ধুদের এক মজলিসে গেল। সেদিন এমন একজন বন্ধু সেখানে উপস্থিত ছিল, যে অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি। যুবকের বক্তব্য এমন ছিল যে, আমার ওই বন্ধুর সকল পরামর্শকে আমি খুব গুরুত্ব দিতাম।

কথায় কথায় যুবক তার সকল অবস্থা বন্ধুকে বলল। বিশেষত আর্থিক সমস্যাটা তার সামনে তুলে ধরল। তার বন্ধু মনোযোগ সহকারে কথাগুলো শুনল এবং বলল, আমার পরামর্শ হল- তুমি তোমার বেতন থেকে কিছু টাকা ছদকার জন্য নির্ধারণ কর। যুবক আশ্চর্য হয়ে বলল, জনাব! সাংসারিক প্রয়োজন পুরনেই ঋণ নিতে হয়; আর আপনি আমাকে ছদকার জন্য টাকা নির্ধারণ করতে বলেছেন?

যাইহোক, যুবক বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্ত্রীকে জানাল। তার স্ত্রী বলল, পরিক্ষা করতে সমস্যা কী? হতে পারে আল্লাহ্ তা’আলা তোমার জন্য রিযিকের দরজা খুলে দিবেন। যুবক বেতনের চার হাজার রিয়াল থেকে ত্রিশ রিয়াল ছদকার জন্য নির্ধারণের ইচ্ছা করল এবং মাসশেষে তা আদায় করতে শুরু করল।

সুবহানাল্লাহ! কসম করে বললে মোটেও ভুল হবে না, তার (আর্থিক) অবস্থা সম্পূর্ণ বদলে গেল। সে তো সবসময় টাকা-পয়সার চিন্তা টেনশনেই পড়ে থাকত; আর এখন তার জীবন যেন ফুলের মতো হয়ে গেছে। এত ঋণ থাকা সত্ত্বেও নিজেকে স্বাধীন মনে হত। মনের মধ্যে এমন এক অনাবিল শান্তি হচ্ছিল, যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়।

কয়েক মাস পর থেকে সে নিজের জীবনকে সাজাতে শুরু করল। নিজের আয়কৃত টাকা কয়েক ভাগে ভাগ করল, আর তাতে এমন বরকত হল, যা পূর্বে কখনও হয়নি। সে হিসাব করে একটা আন্দাজ করল, কত দিনে ঋণের বোঝাটা মাথা থেকে নামাতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

কিছুদিন পর আল্লাহ তা’লা তার সামনে আরও একটি পথ খুলে দিলেন। সে তার এক বন্ধুর সাথে প্রপাটি-ডিলিং এর কাজে অংশ নিতে শুরু করে। সে বন্ধুকে গ্রাহক/ক্রেতা এনে দিত, তাতে ন্যায্য প্রফিট পেত।

আলহামদুলিল্লাহ! সে যখনই কোনো গ্রাহকের কাছে যেত, গ্রাহক অবশ্যই তাকে অন্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছনোর রাস্তা দেখিয়ে দিত। এখানেও সে ঐ আমলের পুনরাবৃত্তি করত। অর্থাৎ প্রফিটের টাকা হাতে আসলে (আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) অবশ্যই তা থেকে ছদকা নির্ধারণ করত।

আল্লাহর কসম! ‘ছদকা কী’ তা কেউ জানে না; ঐ ব্যক্তি ব্যতিত যে তা পরিক্ষা করেছে। ছদকা কর এবং ছবরের সাথে চল- আল্লাহর ফযলে খায়ের বরকত নাযিল হবে, যা নিজ চোখে দেখতে পাবে।

◾নোট:- যদি আপনি কোনো মুসলমানকে তার উপার্জনের একটি অংশ ছদকার জন্য নির্ধারণ করতে বলেন এবং এর উপর আমল করে, আপনিও ঐ পরিমাণ ছওয়াব পাবেন যে পরিমাণ ছদকাকারী পেয়েছে। আর ছদকাকারীর ছওয়াবে কোনো কমতি আসবে না।

আপনি দুনিয়া থেকে চলে যাবেন আর আপনার অবর্তমানে কেউ আপনার কারণে ছদকা করতে থাকবে। আপনি ছওয়াব পেতে থাকবেন।

যদি আপনি তালিবে ইলমও হন এবং আপনার আয় একেবারে সীমিত ও নির্ধরিতও হয়। তবুও কম-বেশি, যতদূর সম্ভব (সামান্য কিছু হলেও) ছদকার জন্য নির্ধারণ করুন।

যদি ছদকাকারী জানতে ও বুঝতে পারে যে, তার ছদকা ফকিরের হাতে যাওয়ার আগে আল্লাহর হাতে যায়। তাহলে অবশ্যই ছদকা গ্রহণকারীর তুলনায় ছদকাদানকারী অনেক গুণ বেশি আত্মিক প্রশান্তি লাভ করবে।

◾ছদকা দানের উপকারিতা:-

ছদকা দানকারী এবং যে তার কারণ হবে সেও এ সকল ফায়েদার অন্তর্ভুক্ত।

▪️১. ছদকা জান্নাতের দরজাসমূহের একটি।
▪️২. সদকা আমলের মধ্যে উত্তম আমল।
▪️৩. ছদকা কেয়ামতের দিন ছাঁয়া হবে এবং ছদকা-আদায়কারীকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করবে।
▪️৪. ছদকা আল্লাহ তা‘লার ক্রোধকে ঠান্ডা করে এবং কবরের উত্তপ্ততায় শীতলতার উপকরণ হবে।
▪️৫. মৃতব্যক্তির জন্য উত্তম বদলা এবং সবচে’ উপকারী বস্তু হল সদকা। আর ছদকার ছওয়াবকে আল্লাহ তা‘আলা ক্রমাগত বৃদ্ধি করতে থাকেন।
▪️৬. ছদকা পবিত্রতার আসবাব, আত্মশুদ্ধির মাধ্যম ও সৎকাজের প্রবর্ধক।
▪️৭. ছদকা কেয়ামতের দিন ছদকাকারীর চেহারার আনন্দ ও প্রফুল্লতার কারণ হবে।
▪️৮. ছদকা কেয়ামতের ভয়াবহ অবস্থায় নিরাপত্তা হবে। অতীতের জন্য আফসোস করা থেকে বিরত রাখে।
▪️৯. ছদকা গুনাহের ক্ষমা এবং খারাপ কাজের কাফফারা।
▪️১০. ছদকা উত্তম মৃত্যুর সুসংবাদ এবং ফেরেস্তাদের দোয়ার কারণ।
▪️১১. ছদকা দানকারী সর্বোত্তম বান্দাগণের অন্তর্ভুক্ত এবং ছদকার ছওয়াব প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি পায় যে কোনো না কোনোভাবে অংশিদার হয়।
▪️১২. ছদকা দানকারীর সঙ্গে সীমাহীন কল্যাণ ও বিরাট প্রতিদানের ওয়াদা রয়েছে।
▪️১৩. খরচ করা মানুষকে মুত্তাকীদের কাতারে শামিল করে। ছদকাকারীকে সৃষ্টিকূল মুহাব্বত করে।
▪️১৪. ছদকা দয়া-মায়া ও দানশীলতার আলামত।
▪️১৫. ছদকা দোয়া কবুল এবং জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম।
▪️১৬. ছদকা বালা মসিবত দূর করে দুনিয়াতে সততরটা খারাপির দরজা বন্ধ করে।
▪️১৭. ছদকা হায়াত ও মাল বৃদ্ধির মাধ্যম। সফলতা এবং রিজিকের প্রশস্ততার মাধ্যম।
▪️১৮. ছদকা চিকিৎসা, ঔষধ ও সুস্থতা।
▪️১৯. ছদকা আগুনে পোড়া, পানিতে ডোবা ও অপহরণসহ (সকল) অপমৃত্যুর প্রতিবন্ধক।
▪️২০. ছদকার প্রতিদান পাওয়া যায় চাই তা পশু-পাখিকেই দেওয়া হোক না কেন।

◾শেষকথা: এই মুহূর্তে আপনার জন্য সর্বোত্তম ছদকা হল, কথাগুলো ছদকার নিয়তে প্রচার করা।

লিখেছেন, শেখ মুনির

©

মছজিদ্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত সাবেক শিক্ষক এবং লতিফা সিদ্দিকী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শ্রদ্ধেয় ...
28/11/2024

মছজিদ্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত সাবেক শিক্ষক
এবং লতিফা সিদ্দিকী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শ্রদ্ধেয় Nur Uddin স্যারের ছেলে, আজ সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেনি। কোন হৃদয়বান ব্যক্তি যদি তার খোঁজ পেয়ে থাকেন দয়া করে নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করছি।

01814714817
01620004894
01626015801

হাফেজ মুতাসিম বিল্লাহ
বয়স: ১৫ বছর

সে ছোট কুমিরা নুরিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি ।

একবার একই সময়ে দুজন লোকের মৃত্যুর ফরমান জারি হয়। একজন মুমিন, আরেকজন কাফির। এ সময় মুমিন ব্যক্তির আকাঙ্ক্ষা হলো যাইতুনের ত...
21/11/2024

একবার একই সময়ে দুজন লোকের মৃত্যুর ফরমান জারি হয়। একজন মুমিন, আরেকজন কাফির। এ সময় মুমিন ব্যক্তির আকাঙ্ক্ষা হলো যাইতুনের তেল খাওয়ার। ঘরে যাইতুনের তেল আছেও। আর কাফির ব্যক্তির শেষ ইচ্ছা হলো বিশেষ এক জাতের মাছ খাওয়ার। কিন্তু তার বাড়ির পুকুরে সেই মাছ নেই।

আল্লাহ্‌ তা’আলা দুজন ফেরেশতাকে পাঠালেন। একজনকে দায়িত্ব দিলেন সেই যাইতুনের তেল নষ্ট করে দেয়ার, অন্যজনকে দায়িত্ব দিলেন পুকুরে ঐ বিশেষ জাতের একটা মাছ ছেড়ে দেয়ার। ফেরেশতাগণ তাই করলেন। ফলে মুমিন ব্যক্তি তেল থাকতেও অতৃপ্তি নিয়ে মারা যান। আর কাফির তাজা মাছ খেয়ে শেষ ইচ্ছা পূর্ণ করে মারা যান।

ফেরেশতাগণ কাজ শেষে আল্লাহ্‌ তা’আলাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌! আপনি সত্যিই মহান। আপনার কোন কাজ হিকমাহ ছাড়া নয়। কিন্তু আজকের এই ঘটনার হিকমাহ কী? যে লোক আজীবন আপনার ইবাদত করল, আপনি তার শেষ ইচ্ছা পূর্ণ করলেন না। আর যে আজীবন নাফরমানি করল, তার শেষ ইচ্ছা এত সহজে পূর্ণ করে দিলেন?

আল্লাহ্‌ তা’আলা বললেন, মুমিন বান্দার কিছু ভুল আছে। আমি তার শেষ আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়ার কষ্ট দিয়ে সেই ভুলগুলো ক্ষমা করিয়ে নিলাম। এখন আর তার কোন গুনাহ নাই। সে জান্নাতি নিয়ামত ভোগ করবে। আর কাফিরের কিছু ভালো কাজ আছে। আমি তার শেষ ইচ্ছা পূরণের মাধ্যমে সেই ভালো কাজগুলোর বিনিময় দিয়ে দিলাম। এখন আর তার কোন ভালো কাজ নেই। এখন সে সোজা জাহান্নামে যাবে।

অতএব, নশ্বর এ দুনিয়ায় কাফিরদের সুখ দেখে আনন্দের যেমন কিছু নেই, তদ্রূপ মুমিনদের দারিদ্র্য ও দুর্দশা দেখে বিচলিত হওয়ার কারণ নেই। এই দুনিয়া খুবই স্বল্প সময়ের। এখানে বিপদ আছে, মৃত্যু আছে। কিন্তু আখিরাতের জীবনে বিপদ নেই, মৃত্যুও নেই।

হাদিসে এসেছে, “দুনিয়া মুমিনদের জন্য জেলখানা আর কাফিরদের জন্য জান্নাত”

[তাফসীরে ইবনু কাসির, তাফসীরে কুরতুবি; 'একটি মজার তাফসীর বলি'- মাসউদ আলিমী]

কুরবানির মৌসুমে পশু বিক্রি করে ছোটো ছেলে-মেয়ে বা বৃদ্ধের কান্নার ভিডিও, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকসহ, আবেগী ক্যাপশনে পোস্ট দেয়...
18/06/2024

কুরবানির মৌসুমে পশু বিক্রি করে ছোটো ছেলে-মেয়ে বা বৃদ্ধের কান্নার ভিডিও, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকসহ, আবেগী ক্যাপশনে পোস্ট দেয়া হয়।

"টাকার কাছে হেরে যায় ভালোবাসা।"

"আসল কুরবানি তো এই বৃদ্ধ করলো।"

এসব আবেগী ভিডিও একসময় ভালো লাগতো। কিন্তু, দিনদিন দেখা যাচ্ছে এগুলো কুরবানি বিরোধীতায়, কুরবানির বিধানকে হালকা করার জন্য প্রমোট করা হচ্ছে।

গরু বিক্রেতার মাঝে এতোটা আবেগ কাজ করছে না, যতোটা আবেগ ফেসবুকে ঘুরতে থাকা ভিডিওদাতা, শেয়ারদাতার মধ্যে কাজ করছে।

যেকোনো কিছু অনেকদিন ব্যবহার করলে (মোবাইল, ল্যাপটপ) সেটা বেশি দামে বা প্রয়োজনে পড়ে বিক্রি করতে কষ্ট হবে৷

পশুদের প্রতি তো আরো আবেগ থাকে। এগুলোর যত্ন নেয়া হয়, এগুলো মালিকের সাথে রেসপন্স করে। পশু বিক্রেতা আবেগী হবে, কান্না করবে এটা খুবই স্বাভাবিক।

একদিন পরই সে চিন্তা করবে আরো কয়েকটা গরু কিনে সেগুলো কয়েকবছর পর কুরবানিতে বিক্রি করবে।

তারা বাস্তবতায় বসবাস করে।

অথচ তার ঐ ৫ মিনিটের কান্নার ভিডিও দেখে আবেগতাড়িত হয়ে কুরবানির মতো এই ইবাদতকে প্রচ্ছন্নভাবে যারা সমালোচনা করছে, তাদের সেই কন্টেন্টে আমরা লাইক-শেয়ার দিচ্ছি।

৫ মিনিটের কান্নার ভিডিও সারাদিন যদি ফেসবুকে ঘুরতে থাকে, মনে হবে সেই লোকটা কয়েকদিন ধরেই কান্না করছে।

অথচ পশু বিক্রির টাকা পেয়ে তার পরিবারে যে আনন্দ ফিরছে, এটা আমরা চিন্তা করি না।

Let's be mature.

24/01/2024

MR. Legend পরিবারের শ্রদ্ধেয় মডারেটর Md Alauddin ভাইয়ের পিতা ইন্তেকাল করিয়াছেন।
انا لله وانا اليه راجعون
আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুণ।

Address

Sitakund
4311

Telephone

+8801907704502

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MR. Legend posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share