অজানা কে জানা

অজানা কে জানা আমি ঘৃণা পছন্দ করি �
#- কিন্তু অপমান না�!!
আমার শহরে শত্রু থাকবে
#- কিন্তু বেইমান না��!!

মানুষ কষ্ট দিচ্ছে? অপমান করছে? অন্যায় করছে?তাহলে এটা পড়ুন… (বিস্তারিত ক্যাপশনে)মানুষ কষ্ট দিচ্ছে?অপমান করছে?আপনার অতীত ট...
22/03/2026

মানুষ কষ্ট দিচ্ছে? অপমান করছে? অন্যায় করছে?
তাহলে এটা পড়ুন… (বিস্তারিত ক্যাপশনে)
মানুষ কষ্ট দিচ্ছে?
অপমান করছে?
আপনার অতীত টেনে এনে আপনাকে ছোট করছে?
একটা কথা মনে রাখুন—
আপনি যদি সৎ থাকেন, কারো ক্ষতি না করেন, তবুও মানুষ আপনাকে নিয়ে হাসবে… খোঁচা দিবে… বিচার করবে।
কারণ—মানুষ সবসময় বুঝতে পারে না, কিন্তু আল্লাহ সব জানেন।
“নিশ্চয়ই আল্লাহ বান্দার অন্তর জানেন, যা সে প্রকাশ করে না।”
(সূরা আল-মুলক ৬৭:১৩)
আপনার মন কেমন—এটা আল্লাহ ভালোভাবেই জানেন।
তাই মানুষের কথায় ভেঙে পড়বেন না।
আপনি ভালো—এটা আপনি জানেন।
আল্লাহ জানেন।
এটাই যথেষ্ট।
মানুষ জানলো কি জানলো না—তা কোনো বিষয় না।
কখনো এমন সময় আসবে—
সবাই আপনাকে ছেড়ে যাবে…
আপনাকে একা ফেলে দেবে…
তখন মনে রাখবেন—
“আমার বান্দার জন্য আমি-ই যথেষ্ট।”
(সূরা আয-যুমার ৩৯:৩৬)
আপনাকে যারা কষ্ট দিয়েছে…
অপমান করেছে…
একদিন তারাই আফসোস করবে।
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি—
একসময় তারা নিজেরাই বলবে—
"এই মানুষটাকে এত অপমান করলাম…
তবুও সে আমাকে কখনো খারাপ বলেনি…
কখনো গালি দেয়নি…
তর্ক করেনি…
বরং ভালো ব্যবহারই করেছে…"
সেদিন তারা বুঝবে—
ভুলটা তাদেরই ছিল।
তাই ধৈর্য ধরুন…
সময়ই জবাব দিবে।
অভিশাপ দিবেন না—
এটা আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর শিক্ষা না।
তাকে কত অপমান করা হয়েছে…
কত কষ্ট দেওয়া হয়েছে…
তবুও তিনি কাউকে অভিশাপ দেননি।
আপনি শুধু আল্লাহকে বলুন—
“হে আল্লাহ…
যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, অপমান করেছে—
তাদের কাছে আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিন।
আপনি ন্যায় বিচার করুন…
তাদের সঠিক বুঝ দান করুন…”
আমিন 🤲
মনে রাখবেন—
“আল্লাহ ছাড় দেন… কিন্তু ছেড়ে দেন না।”
তাই আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।
তিনি সব দেখছেন… সব শুনছেন।
রাসূল (সাঃ) বলেছেন—
“যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন, তাকে তিনি পরীক্ষা করেন।”
(তিরমিজি, হাদিস ২৩৯৬)
আপনার কষ্ট…
আপনার অপমান…
সবই একটা পরীক্ষা।
জীবনে অনেক মানুষ আসবে…
আবার চলে যাবে…
কেউ আপনাকে ভালোবাসা শিখাবে…
কেউ আপনাকে কষ্ট দিয়ে শক্ত করে যাবে…
সবই একটা শিক্ষা।
মনে করুন—
মুসা (আ:) (আ:) যখন তাঁর জাতিকে নিয়ে সাগরের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন—
সামনে পানি, পেছনে শত্রু…
কোনো পথ ছিল না।
কিন্তু তিনি আল্লাহর উপর ভরসা করেছিলেন…
আর আল্লাহ সেই সাগরকে দ্বিখণ্ডিত করে রাস্তা করে দিয়েছিলেন।
দেখলেন?
আল্লাহর উপর ভরসার ফল কেমন হয়…
তাই এগিয়ে যান…
মানুষ থাকুক বা না থাকুক—
আল্লাহ আছেন।
অযথা টেনশন করে লাভ নেই…
শেষে শুধু এটুকু মনে রাখুন—
“যারা ধৈর্য ধরে, আল্লাহ তাদের বিনা হিসাবেই পুরস্কার দেবেন।”
(সূরা আয-যুমার ৩৯:১০)
ধৈর্য ধরুন…
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন…
আপনার সময়ও আসবে… 🤍

জীবনে কিছু পরিবর্তন আসে, যা প্রথমে খুব বেদনাদায়ক মনে হয়। পুরোনো অভ্যাস, সম্পর্ক কিংবা পরিচিত পরিবেশ থেকে সরে আসা সহজ নয়।...
18/03/2026

জীবনে কিছু পরিবর্তন আসে, যা প্রথমে খুব বেদনাদায়ক মনে হয়। পুরোনো অভ্যাস, সম্পর্ক কিংবা পরিচিত পরিবেশ থেকে সরে আসা সহজ নয়। মানুষ স্বভাবতই স্থিরতা পছন্দ করে, তাই পরিবর্তনের মুহূর্তগুলো আমাদের ভেতরে অস্থিরতা আর কষ্ট তৈরি করে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো—সব পরিবর্তন খারাপ নয়। অনেক সময় জীবনের উন্নতি, শিক্ষা ও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয় এই কঠিন পরিবর্তনগুলোই। যে মানুষ পরিবর্তনের কষ্ট সহ্য করতে পারে, সে-ই ধীরে ধীরে নিজের জীবনকে নতুনভাবে গড়ে তোলার শক্তি পায়।

তাই কিছু পরিবর্তন যতই বেদনাদায়ক হোক না কেন, সেগুলো অনেক সময় আমাদের ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয়। কারণ জীবনের পথচলায় কষ্টের ভেতর দিয়েই মানুষ নতুন শক্তি, নতুন আশা এবং নতুন দিগন্ত খুঁজে পায়।

#জীবন_চক্র

👉👉👉👇👇👇👇💪😎💯🤟এই পৃথিবীতে তোমার সবথেকে শক্তিশালী অস্ত্র হলো তোমার অদম্য আশাবাদ বা অপ্টিমিজম এবং পজিটিভিটি—এমনকি যদি সেটা এই...
09/03/2026

👉👉👉👇👇👇👇💪😎💯🤟
এই পৃথিবীতে তোমার সবথেকে শক্তিশালী অস্ত্র হলো তোমার অদম্য আশাবাদ বা অপ্টিমিজম এবং পজিটিভিটি—এমনকি যদি সেটা এই মুহূর্তে অবাস্তবও মনে হয়, তবুও।

শত্রুর কাছে অর্থ, ক্ষমতা, অস্ত্র সব থাকতে পারে, কিন্তু তোমার কাছে আছে তোমার বিশ্বাস। তোমার বড় অস্ত্র হলো—মুখে হাসি রাখা এবং এই বিশ্বাস বুকে ধরে রাখা যে, তুমি এই 'ম্যাট্রিক্স' ভেঙে বেরিয়ে আসবেই।

যুদ্ধে নামার আগেই যদি তুমি মনে করো যে তুমি হারবে, তবে তুমি অলরেডি হেরে গেছো। জয়ের প্রথম শর্তই হলো—তোমাকে বিশ্বাস করতে হবে যে, তুমি জিতবে।
দুনিয়া তোমাকে বলতে পারে "এটা সম্ভব না," "তুমি পাগল," বা "বাস্তববাদী হও।" কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যারা অবাস্তব স্বপ্ন দেখার সাহস করেছিল, পৃথিবী আজ তাদেরই জয়গান গায়!

হাসিই তোমার ঢাল। যখন পরিস্থিতি তোমাকে নিচে নামাতে চায়, তখন তোমার একটি আত্মবিশ্বাসী হাসিই প্রমাণ করে যে, তুমি এখনো দমে যাওনি। এই হাসিই তোমার ভেতরের শক্তিকে জাগিয়ে রাখে।
এই সমাজ, এই সিস্টেম তোমাকে একটা নির্দিষ্ট ছাঁচে বন্দি করে রাখতে চায়। কিন্তু যতক্ষণ তোমার মনে মুক্তির বিশ্বাস আছে, ততক্ষণ কোনো দেয়াল তোমাকে আটকে রাখতে পারবে না।

সবাই যখন ভয় আর হতাশায় ডুবে আছে, তখন তুমি বেছে নাও আশা। কারণ তোমার মন যদি পরাজয় মেনে না নেয়, তবে বাইরের কোনো শক্তি তোমাকে হারাতে পারবে না। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো, লড়াই চালিয়ে যাও। চূড়ান্তবিজয় আছে তোমারই অপেক্ষায়।

20/01/2026

নিজের মূল্যায়ন করবেন যেভাবে -

১. ​মূল্যায়িত না হলে; দূরত্ব বজায় রাখুন।
২. ​আমন্ত্রণ না পেলে; যাবেন না।
৩. ​উপেক্ষিত হলে; যোগাযোগ করা বন্ধ করুন।
৪. ​বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হলে ক্ষমা করে দিন এবং এগিয়ে যান।
৫. ​কেউ আপনাকে ভুলে গেলে; আপনিও তাদের ভুলে যান।
৬. ​অপদস্থ হলে; নিজের সাফল্য দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে যান।
৭. ​ব্যবহৃত হলে ; কঠোর সীমাবদ্ধতা (Boundaries) নির্ধারণ করুন।
৮. ​অসম্মানিত হলে; মর্যাদার সাথে সরে আসুন।
৯. ​অবহেলিত বা অবমূল্যায়িত হলে; আপনার কাজকে কথা বলতে দিন।
১০. ​গুরুত্ব না দিলে; আপনার সঙ্গ কমিয়ে দিন।
১১. ​মানসিকভাবে ক্লান্তবোধ বা ড্রেইন ফিল করলে; অপরাধবোধ ঝেড়ে ফেলে বিশ্রাম নিন।
১২. ​অন্যের সাথে তুলনা করলে; নিজের লক্ষ্যেই স্থির থাকুন।
১৩. ​কারসাজি বা ম্যানিপুলেশনের শিকার হলে; কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাস করুন।
১৪. ​কেউ সহজেই আপনার বিকল্প খুঁজে নিলে; নিজের যোগ্যতা মনে রাখুন।
The Following Grow With Life

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও ফার্স্ট লেডি কে আটক করেছে ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে  একটা দেশের রানিং...
05/01/2026

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও ফার্স্ট লেডি কে আটক করেছে ট্রাম্প।
আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে একটা দেশের রানিং প্রেসিডেন্টকে চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে গেল। তারা আবার অন্য দেশের ভালো মন্দের হিসাব করে! বাহ দুচির ভাই বাহ্।

ভুয়া ভুয়া স্লোগানে নিজ এলাকায় তোপের মুখে ব্যারিস্টার ফুয়াদ #ইতিহাস  fans
07/12/2025

ভুয়া ভুয়া স্লোগানে নিজ এলাকায় তোপের মুখে ব্যারিস্টার ফুয়াদ

#ইতিহাস fans

07/12/2025

আল্লাহর সুন্দর গুনবাচক নামসমূহ:
আল আসমাউল হুসনা

৫২. الْوَدُودُ (আল-ওয়াদুদ)
অর্থ : স্নেহশীল, প্রেমময়।

পরিভাষায় যিনি অত্যন্ত দয়াপরবশ ও ভালোবাসাময়, যাকে ভালোবাসার জন্য অনুগত অন্তরসমূহ সদা আকর্ষিত হয়, যিনি সৃষ্টিকে ভালোবাসেন এবং সৃষ্টিকূলও তার প্রতি প্রেমাসক্ত তিনিই হলেন, আল-ওয়াদুদ।

৫৩. الْمَجِيدُ (আল-মাজিদ)
অর্থ : মহিমান্বিত, মহা সম্মানিত।

বিস্তৃত অর্থে আল মাজিদ হলেন, যিনি মহান দাতা, পরম করুণাময় ও ক্ষমাশীল, প্রভাব প্রতিপত্তির অসীম প্রাচুর্যের অধিকারী। সৃষ্টিজগতের এরূপ সকল মহৎ গুণাবলির একক স্বত্বাধিকারী রব্ব হলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা।

সংক্ষিপ্ত তাৎপর্য :

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনুল কারিমে ইরশাদ করেছেন,
আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।
[সূরা আল-বুরূজ, আয়াত: ১৪]

এখানে الْوَدُود শব্দটির কয়েকটি অর্থ বর্ণিত আছে। কারও কারও মতে, ‘ওয়াদূদ’ বলা হয় তাকে যার কোন সন্তান নেই। অর্থাৎ যার এমন কেউ নেই। যার প্রতি মন টানতে থাকবে।
[ফাতহুল কাদীর]
তবে অধিকাংশ মুফাস্‌সিরের মতে এর অর্থ, প্রিয় বা প্রিয়পাত্র। [ইবন কাসীর]
যার ভালবাসায় কোন খাদ নেই। যারা তাঁকে ভালবাসেন তিনিও তাদেরকে ভালবাসেন।

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন,

“তিনি তাদেরকে ভালবাসেন আর তারাও তাঁকে ভালবাসে”।
[সূরা আল-মায়েদাহ: ৫৪]

তিনি এমন সত্তা যাঁকে তার ভালবাসার পাত্ররা এমন ভালবাসে যে ভালবাসার কোন উদাহরণ দেয়া সম্ভব হয় না। যার কোন তুলনা নেই। তাঁর খালেস বান্দাদের অন্তরে তাঁর যে ভালবাসা রয়েছে সেটার তুলনা কোন ভালবাসা দিয়ে দেয়া যাবে না। আর এজন্যই ভালবাসা হচ্ছে আল্লাহর দাসত্বের মূল কথা। যে ভালবাসার কারণে যাবতীয় ভালবাসার পাত্রের উপর সেটা স্থান করে নেয়। অন্য ভালবাসা যদি আল্লাহর ভালবাসার অনুগামী না হয় তবে সেটা বান্দার জন্য বিপদ ও শাস্তির কারণ হয়।[সা'দী]
(তাফসীরে জাকারিয়া)

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আরও ইরশাদ করেছেন,

“হে নবী পরিবার, আপনাদের ওপর আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকত। নিশ্চয় তিনি প্রশংসিত সম্মানিত।”
[সূরা হূদ, আয়াত: ৭৩]

সকল প্রশংসা জগতসমূহের মহান প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অতি প্রেমময়, অধিক প্রশংসিত এবং মহা সম্মানিত
ইন শা আল্লাহ...

শুনে যে কেউ অবাক হবে—কারণ গত বছরই তার আয় ছিল ২৩ মিলিয়ন ডলার। এবছর হবে ৩২–৩৫ মিলিয়ন। তার আরও আছে ১২ মিলিয়ন ফলোয়ারের এক...
05/12/2025

শুনে যে কেউ অবাক হবে—কারণ গত বছরই তার আয় ছিল ২৩ মিলিয়ন ডলার। এবছর হবে ৩২–৩৫ মিলিয়ন। তার আরও আছে ১২ মিলিয়ন ফলোয়ারের একটি চ্যানেল, যেখানে তিনি সারা বিশ্ব থেকে কনটেন্ট বানান।

কিন্তু তার গল্প শুরু হয়নি কোনো বিলাসবহুল জীবন থেকে।
তিনি বলেন—
২১ বছর আগে আমি ব্রিজের নিচে থাকতাম। হেরোইন আর ক্র্যাকের নেশায় শেষ হয়ে গিয়েছিলাম। গৃহহীন, নিঃস্ব। জীবন পুরোপুরি অন্ধকার।

একদিন তিনি ভেঙে পড়ে অনুভব করলেন—
এভাবে আর চলতে পারে না।
তখনই জীবনের মোড় ঘুরল।

তিনি বলেন—
“প্রথমে আমাকে নিজেকে ঈশ্বরের হাতে সোপর্দ করতে হয়েছিল। তারপর বুঝলাম—আমি এতদিন ভিকটিম সাজছিলাম। আমার বাবা-মা, শিক্ষক, সমাজ—সবাইকে দোষ দিতাম। কিন্তু জীবনের সব দায় ছিল আমারই।”

সেদিন থেকে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন—
দায়িত্ব নেবেন, অভিযোগ নয়।

চাকরি পাচ্ছিলেন না।
চেহারা খারাপ, অতীত দাগে ভরা।
তবুও তিনি হাল ছাড়েননি—
কুকুর ধোয়া
বাড়ি পরিষ্কার
গাড়ি ধোয়া

যা কাজ পেয়েছেন, তাই করেছেন।
৭ দিন কাজ, খরচ কমানো, টাকা সঞ্চয়, ইনভেস্ট—এই ছিল তার মন্ত্র।
এভাবেই ধীরে ধীরে তিনি গড়েছেন এখনকার বিশাল ব্যবসা।

জীবন থেকে তিনি একটি কঠিন সত্য শিখেছেন—
“পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ আছে: যারা শুধু কথা বলে আর যারা কাজ করে। যারা কাজ করে, তারাই ভালো জীবন পায়।”

মানুষকে হেয় না করার উপদেশও দিলেন তিনি—
“মানুষকে প্রশংসা করো, ভালো অনুভূতি দাও। তবে কখনো তোষামোদ কোরো না—এটা বিপদ ডেকে আনে।”

তরুণদের জন্য তার বিশেষ একটি পরামর্শ—
“পর্ন দেখো না। এটা তোমার জীবনশক্তি খেয়ে ফেলে, আত্মাকে দুর্বল করে।”

শেষে সবচেয়ে আবেগী কথাটা বলেছিলেন—

“ছেলেরা, তোমার মাকে ভালোবাসো। প্রতিদিন ফোন করে বলো তুমি তাকে ভালোবাসো।
আমার মা আর নেই… কিন্তু জীবনের শেষ ১৭ বছর তাকে আমি সবকিছু দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছি—গয়না, ভ্রমণ, বাড়ি… সব। মাকে যত্ন করা—এটাই একজন পুরুষের সর্বোচ্চ মান।”

KOICA Chief Meets Chief AdviserDHAKA, December 1: Chief Adviser Professor Muhammad Yunus welcomed the President of the K...
02/12/2025

KOICA Chief Meets Chief Adviser

DHAKA, December 1: Chief Adviser Professor Muhammad Yunus welcomed the President of the Korea International Cooperation Agency (KOICA), Chang Won-sam, at the State Guest House Jamuna on Monday.

During the meeting, the two sides discussed enhancing development cooperation, investment, skills training, and support for Bangladesh’s smooth graduation from LDC status.

“It’s truly great for me to visit this country again. I convey the warm greetings from the President,” said KOICA President Chang Won-sam.

He reaffirmed KOICA’s political and developmental support for the Interim Government of Bangladesh and its ongoing reform initiatives.

The Chief Adviser thanked Chang Won-sam for his visit and expressed hope that Bangladesh and Korea would continue to advance together at an accelerated pace.

Presenting the government’s economic vision, the Chief Adviser encouraged Korean investors and institutions to view Bangladesh as a long-term strategic partner in production and trade.

“We want to become a production hub,” he said. “We can produce your products here and sell them everywhere. We have the manpower and the capabilities, and our young population is eager to work hard.”

The Chief Adviser placed special emphasis on people-centric cooperation, particularly in language training, healthcare, and skills development.

He urged KOICA to expand Korean language programmes in Bangladesh to widen opportunities for Bangladeshi youth in education, training, and employment in Korea.

He also called for deeper collaboration in healthcare training.

“It’s very crucial for our healthcare system and for global healthcare. We need to focus more on training nurses,” the Chief Adviser said, noting the growing global demand for skilled nurses and health workers.

In response, KOICA President Chang Won-sam expressed willingness to explore expanded cooperation in skills development and education.

Chief Adviser’s Special Envoy for International Affairs Lutfey Siddiqi and SDG Coordinator and Senior Secretary Lamiya Morshed were also present at the meeting.
fans Bangladesh Cricket : The Tigers #ইতিহাস #হিটলারের

Address

Savar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অজানা কে জানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to অজানা কে জানা:

Share