25/05/2026
🌊 𝗗𝗲𝗺𝗮𝗻𝗱 𝗳𝗼𝗿 𝗦𝗽𝗲𝗰𝗶𝗮𝗹 𝗔𝗹𝗹𝗼𝗰𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻 𝗶𝗻 𝘁𝗵𝗲 𝗡𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻𝗮𝗹 𝗕𝘂𝗱𝗴𝗲𝘁 𝘁𝗼 𝗦𝗮𝘃𝗲 𝘁𝗵𝗲 𝗖𝗼𝗮𝘀𝘁- উপকূল বাঁচাতে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি 🌊
📍 Due to the severe impacts of climate change, 𝟭𝟵 𝗰𝗼𝗮𝘀𝘁𝗮𝗹 𝗱𝗶𝘀𝘁𝗿𝗶𝗰𝘁𝘀 𝗼𝗳 𝗕𝗮𝗻𝗴𝗹𝗮𝗱𝗲𝘀𝗵 𝗮𝗿𝗲 𝗻𝗼𝘄 𝗮𝘁 𝗲𝘅𝘁𝗿𝗲𝗺𝗲 𝗿𝗶𝘀𝗸. Cyclones, storm surges, salinity intrusion, and river erosion are 𝗱𝗲𝘀𝘁𝗿𝗼𝘆𝗶𝗻𝗴 𝗵𝗼𝗺𝗲𝘀, 𝗹𝗮𝗻𝗱, 𝗹𝗶𝘃𝗲𝗹𝗶𝗵𝗼𝗼𝗱𝘀, 𝗮𝗻𝗱 𝗱𝗿𝗲𝗮𝗺𝘀 𝗲𝘃𝗲𝗿𝘆 𝘀𝗶𝗻𝗴𝗹𝗲 𝗱𝗮𝘆.
On 𝟮𝟰 𝗠𝗮𝘆 𝟮𝟬𝟮𝟲, at the 𝗧𝗼𝗳𝗮𝘇𝘇𝗮𝗹 𝗛𝗼𝘀𝘀𝗮𝗶𝗻 𝗠𝗮𝗻𝗶𝗸 𝗠𝗶𝗮 𝗛𝗮𝗹𝗹 𝗼𝗳 𝘁𝗵𝗲 𝗡𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻𝗮𝗹 𝗣𝗿𝗲𝘀𝘀 𝗖𝗹𝘂𝗯, 𝟮𝟭 𝗸𝗲𝘆 𝗱𝗲𝗺𝗮𝗻𝗱𝘀 𝗳𝗼𝗿 𝗰𝗼𝗮𝘀𝘁𝗮𝗹 𝗽𝗿𝗼𝘁𝗲𝗰𝘁𝗶𝗼𝗻 𝘄𝗲𝗿𝗲 𝗽𝗿𝗲𝘀𝗲𝗻𝘁𝗲𝗱 in a press conference organized by the 𝗖𝗹𝗶𝗺𝗮𝘁𝗲 𝗔𝗰𝘁𝗶𝗼𝗻 𝗙𝗼𝗿𝘂𝗺 (𝗖𝗔𝗙) with the support of LEDARS.
🗣️ Speakers stated that the 𝗰𝗼𝗮𝘀𝘁𝗮𝗹 𝗰𝗿𝗶𝘀𝗶𝘀 𝗶𝘀 𝗻𝗼 𝗹𝗼𝗻𝗴𝗲𝗿 𝗮 𝗳𝘂𝘁𝘂𝗿𝗲 𝗰𝗼𝗻𝗰𝗲𝗿𝗻—𝗶𝘁 𝗶𝘀 𝘁𝗼𝗱𝗮𝘆’𝘀 𝗿𝗲𝗮𝗹𝗶𝘁𝘆. They emphasized the urgent need for a long-term, coordinated, and effective national initiative, along with a 𝘀𝗽𝗲𝗰𝗶𝗮𝗹 𝗮𝗹𝗹𝗼𝗰𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻 𝗶𝗻 𝘁𝗵𝗲 𝗻𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻𝗮𝗹 𝗯𝘂𝗱𝗴𝗲𝘁 𝗳𝗼𝗿 𝘁𝗵𝗲 𝗰𝗼𝗮𝘀𝘁𝗮𝗹 𝗿𝗲𝗴𝗶𝗼𝗻. They also highlighted that the coast is not just a geographical area—it is a vital foundation of Bangladesh’s food security, economy, fisheries resources, and ecological balance. The Sundarbans acts as a natural protective shield against climate risks, yet climate budget allocation remains insufficient and there is a clear lack of long-term planning for the coastal zone.
👥 𝗦𝗽𝗲𝗮𝗸𝗲𝗿𝘀 𝗮𝘁 𝘁𝗵𝗲 𝗽𝗿𝗲𝘀𝘀 𝗰𝗼𝗻𝗳𝗲𝗿𝗲𝗻𝗰𝗲 𝗶𝗻𝗰𝗹𝘂𝗱𝗲𝗱:
Assistant Professor. Mir Mohammad Ali (Sher-e-Bangla Agricultural University), former DRU President Rafiqul Islam Azad, Executive Director of SERAC Bangladesh S.M. Shaikat, Joint Secretary of BAPA Humayun Kabir Suman, General Secretary of Sachetan Sangstha Sakila Parvin, National Advocacy Coordinator of LEDARS Shakil Ahmed, and Convener of Youth Climate Action Forum, Sadia Sultana Shapla, among others.
📍 জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাবে বাংলাদেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলা আজ চরম ঝুঁকির মধ্যে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা আর নদীভাঙন—সব মিলিয়ে প্রতিদিনই হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের ঘর, জমি, জীবিকা এবং স্বপ্ন।
গত ২৪ মে ২০২৬, জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হল-এ LEDARS-এর সহযোগিতায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম (CAF) আয়োজনে এবং উপকূল সুরক্ষায় ২১ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।
🗣️ বক্তারা বলেন, উপকূলের সংকট আর ভবিষ্যতের বিষয় নয়, এটি এখনকার বাস্তবতা। তাই এখনই প্রয়োজন একটি দীর্ঘমেয়াদী, সমন্বিত ও কার্যকর জাতীয় উদ্যোগ এবং জাতীয় বাজেটে উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ। তারা আরও বলেন, উপকূল শুধু ভৌগোলিক অঞ্চল নয়—এটি বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনীতি, মৎস্যসম্পদ এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্যের অন্যতম ভিত্তি। সুন্দরবন দেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয় হিসেবে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইসাথে জলবায়ু খাতে বাজেট বরাদ্দ এখনো প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল এবং উপকূলের জন্য আলাদা, লক্ষ্যভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ঘাটতি স্পষ্ট।
👥 সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন—
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর মোহাম্মদ আলী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সিরাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত, বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সুমন, সচেতন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাকিলা পারভীন, LEDARS-এর ন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি কোঅর্ডিনেটর শাকিল আহমেদ, ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের আহ্বায়ক সাদিয়া সুলতানা শাপলা প্রমুখ।
🧭 উত্থাপিত ২১ দফা দাবিগুলো হলো—
👉 আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য “উপকূল উন্নয়ন বোর্ড” গঠন, যেখানে দক্ষিণ-পশ্চিম, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের জন্য পৃথক দপ্তর থাকবে।
👉 উপকূল বরাবর পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন, ব্লু-কার্বন সংরক্ষণ ও কার্বন ক্রেডিট উদ্যোগ; পরিবেশ ধ্বংসকারী প্রকল্প নিষিদ্ধ।
👉 সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা।
👉 উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষায় বিশেষ মহাপরিকল্পনা ও জাতীয় বাজেটে আলাদা ও পর্যাপ্ত বরাদ্দ।
👉 ঝুঁকি বিবেচনায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি (নগদ ও খাদ্য সহায়তা) সম্প্রসারণ।
👉 ক্লাস্টারভিত্তিক বসবাস পরিকল্পনা ও Tidal River Management (TRM) বাস্তবায়ন।
👉 “একটি বাড়ি, একটি সেল্টার” কর্মসূচি চালু।
👉 8️⃣ উপকূলীয় তথ্যভান্ডার, জরিপ, গবেষণা ও টেকসই ড্রেনেজ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
👉 9️⃣ ভরাট নদী ও খাল অবিলম্বে ড্রেজিং।
👉 🔟 সাইক্লোন শেল্টারগুলো নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণবান্ধব করা।
👉 1️⃣1️⃣স্থায়ী ও মজবুত বেড়িবাঁধ পুনর্নির্মাণ, স্লুইসগেট আধুনিকায়ন এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা।
👉 1️⃣2️⃣ নিরাপদ পানির টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা।
👉 1️⃣3️⃣ বৃহৎ জলাধার নির্মাণ, দিঘি-খাল সংরক্ষণ ও উন্মুক্ত রাখা।
👉 1️⃣4️⃣ বৃক্ষরোপণ, প্যারাবন সৃষ্টি এবং সুন্দরবন সংরক্ষণ জোরদার।
👉 1️⃣5️⃣ স্বাস্থ্যসেবা (কমিউনিটি, ইউনিয়ন ও উপজেলা) কার্যকর ও শক্তিশালী করা।
👉 1️⃣6️⃣ ক্ষতিকর চিংড়ি চাষসহ ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রম সীমিত করা।
👉 1️⃣7️⃣ জেলেদের জীবনবীমা, সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ ও আধুনিক VTS ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
👉 1️⃣8️⃣ সকল উন্নয়ন প্রকল্পে EIA ও SIA বাধ্যতামূলক করা।
👉 1️⃣9️⃣ জলবায়ু ক্ষতিপূরণ ও Loss & Damage তহবিল দেশে আনা এবং স্থানীয় সরকারকে সক্ষম করা।
👉 2️⃣0️⃣ জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
👉 2️⃣1️⃣ ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ তহবিল ও WASH রক্ষণাবেক্ষণ তহবিল গঠন।
📌 এই ২১ দফা শুধু দাবি নয়—এটি উপকূলের মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম ও ভবিষ্যতের রূপরেখা।
🤝 এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার—
উপকূল বাঁচাও, জীবন বাঁচাও, ভবিষ্যৎ বাঁচাও।