Human Education & Environment Development - HEED"

Human Education & Environment Development - HEED" একটি সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন

19/03/2024

একটু মনোযোগ দিয়ে পড়বেন
রোজার শেষ দিকে বাংলাদেশের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানা গুলোতে এক করুন দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত ২৫ রোজা থেকে মাদ্রাসা গুলো ছুটি হতে থাকে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবক এসে বাচ্চাদেরকে বাসায় নিয়ে যায়। কিন্তু একদল বাচ্চাকে নিতে কেউ আসে না। এদের কারো বাবা-মা নেই, কারো বাবা নেই মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের মা নেই, বাবা বাচ্চার খোজ রাখে না। খুব বেশি ভাগ্যবান হলে কারো কারো মামা খালা চাচা এসে কাউকে কাউকে নিয়ে যায়। বাকীরা সারাদিন কান্না করে। তারা জানে তাদেরকে কেউ নিতে আসবে না। তারা সারা বছর কাঁদে না। কিন্তু যখন সহপাঠীদেরকে সবাই বাসায় নিয়ে যায় অথচ তাদেরকে কেউ নিতে আসে না তখন তাদের দুঃখ শুরু হয়ে যায়। মৃত মা বাবার উপর তাদের অভিমান সৃষ্টি হয়- কেন তারা তাদেরকে দুনিয়ায় রেখে এই বয়সে মারা গেল? তারা কি আর কিছুটা দিন বেঁচে থাকতে পারত না? মা বাবা বেঁচে নাই তো কী হইছে? মামা চাচারা কেউ তাদেরকে নিতে আসল না কেন? মা বেচে থাকতে মামারা কত আদর করত! বাবা বেঁচে থাকতে চাচারা কত আদর করত! এই বয়সেই তারা দুনিয়ার একটা নিষ্ঠুর চেহারা দেখেছে।

একটা অনুরোধ - এই ঈদে আপনার কাছাকাছি এতিমখানায় যান। কয়জন বাচ্চা ঈদে বাড়ি যায় নি খোজ নিন। তাদের জন্য আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যা পারেন তা নিয়ে যান। এই গরমে তাদের আইসক্রিম খাওয়াতে পারেন। কমপক্ষে একটা চকলেট খাওয়ান। মনে রাখবেন, আজ আপনি বেঁচে না থাকলে আপনার ছোট সন্তান এতিম হয়ে যাবে!
আমরা ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব যদি আল্লাহ্ সহায়ক হয়।

21/02/2024

আসসালামু ওয়ালাইকুম ,
সকালের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে আগামী ২৩/ ২ /২০২৪ শুক্রবার (বাদ আসর)পূর্বাশা+Heed এর সকল সদস্যদের ইস্রাফিলের চায়ের দোকানে ,(চায়ের আড্ডা)আমন্ত্রন রইলো।আমি দেশে আসছি ,আর কবে আল্লাহ নিয়ে আসবেন জানিনা।এজন্য সবার সাথে একটু শুভেচ্ছা বিনিময় করতে চাই।
অনুগ্রহ করে সকালেই আসবেন।
ধন্যবাদ..

30/05/2023

একটা শিক্ষনীয় পোস্ট।
দয়াকরে না পড়ে যাবেননা......

ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়বার সময় আমার মা আমাকে সপ্তাহে ১০০ টাকা দিতেন যাতায়াত ভাতা আর ৫০০ টাকা দিতেন মাসে অন্যান্য খরচের জন্য। সব মিলিয়ে ৯০০ টাকা। আমার সারা মাসে যাতায়াতের টাকা লাগত ৩০০ ।
সরাসরি মিনিবাসে চানখারপুল বা বখশিবাজার যেতে আসতে মীরপুর থেকে দিনে ১০ টাকা। মুড়ির টিন (বড় বাস) চড়লে ৬ টাকা , ছাত্র আই ডি কার্ড দেখালে হাফ ভাড়া, ৩ টাকা। তাই প্রতিবার মাসএর শেষ সপ্তাহের শুরুতে ১০০ টাকা পেলেই আমি চলে যেতাম নিউমার্কেট। হেঁটে যেতাম যাতে পয়সা বাঁচে,আর জমানো পুরো টাকা দিয়ে বই কিনতাম।
একবার সেরকম বই কিনে পকেটে আছে ১২ টাকা। রিকশা দিয়ে বাড়ী ফেরার সিদ্ধান্ত নিলাম। তখন ২য় বর্ষে পড়ি। রিকশাওয়ালা অতিরিক্ত ভাড়া চাইতে থাকায় আমি হেঁটে কলাবাগান চলে আসলাম। কলাবাগান থেকে আমার বাসার রিকশা ভাড়া ছিল আট টাকা। কেন যেন কোন রিকশা সেদিন আর যেতে রাজী হয় না।
আমি রাগ করে হেঁটে চলে এলাম আসাদগেট। এবার একজন রাজী হলো যেতে কিন্তু ভাড়া তখনো বেশী। পকেটের ১২ টাকাই সে চায়, আমি সিদ্ধান্ত নিলাম হেঁটেই বাড়ী ফিরবো।
ঠিক কলেজ গেট আর শ্যামলীর সংযোগস্থলে আসতেই দেখি রাস্তায় দাঁড়িয়ে এক দিনমজুর কাঁদছেন আর বলছেন,
“আল্লাহ তোমার দুনিয়ায় কি কেউ নাই আমাকে একবেলা ভাত খাওয়ায়।”
আমি তার সাথে কথা বলে মনে হলো তিনি সত্যি কথা বলছেন। সকালে এসেছিলেন তুরাগ নদীর ওপার থেকে বসিলা হয়ে। দেরী হয়ে যাওয়ায় কাজ পান নি। কাঁদতে কাঁদতে বললেন
“আজকে না খেলে তো কালকেও কাজ করতে পারবো না।”
উল্টোদিকের হোটেলে তাকে নিয়ে যেতে তিনি বললেন , কই মাছ দিয়ে ভাত খাবেন। হোটেলওয়ালা বললো, ভাত আর কই মাছ ১২ টাকা দাম। পকেটের সব টাকা দিয়ে তাকে ভাত আর কই মাছ খাওয়ালাম। তিনি হাততুলে আমাকে দোয়া করলেন, আমার স্পষ্ট মনে আছে।
“আল্লাহ,আমার ভাইটার জীবনে যেন কোনদিন ভাতের অভাব না হয়।”
অামি বাকি রাস্তা হেঁটে মীরপুরে আমার বাড়ীতে ফিরলাম।
আমার পকেটে বহুদিন টাকা ফুরিয়ে গেছে। (যখন এভাবে বই বা খেলনা কিনেছি) এমনকি বিদেশেও একবার এমন হয়েছিল। পকেটে টাকা নাই। থাকতে হবে আরো দুই দিন। খিদে লাগার সাথে সাথে কেউ না কেউ , আমাকে খাবার সেধেছে। আমার জীবনে এখনো ভাতের অভাব হয় নাই।
সেদিন কেন এতটা পথ হেঁটেছিলাম?
এখন বুঝি , আমি স্বেচছায় হাঁটি নাই। সেই দিনমজুরের দোয়া কবুল হয়েছিল। আমি হেঁটেছিলাম , কারন আল্লাহ সেদিন আমার মাধ্যমে তাকে ভাত পাঠিয়েছিলেন।
তাকে আরেকবার খুঁজে পেলে আমার জন্য দোয়া করতে বলতাম।
বলতাম , আল্লাহকে বলেন ভাই
“আমার ভাইটা যেন প্রিয় মানুষের ভালবাসার মধ্যে মরতে পারে। ”
-ডাঃ আব্দুর নূর তুষার।

25/04/2022

প্রাণপ্রিয় সদস্যবৃন্দ,

আসসালামু আলাইকুম। সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,

পারষ্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, communication, team work বজায় রাখার জন্য, এবছর ঈদপরবর্তী একটি মিলনমেলা ও প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
সুতরাং সকল স্বেচ্ছাসেবক এবং রক্তযোদ্ধাদের উক্ত মিলনমেলায় উপস্হিত হয়ে অনুষ্ঠানটি সাফল্যমন্ডিত করার জন্য বিনীত আবেদন করছি।

বিঃদ্রঃ রেজিষ্ট্রেশনের সমস্ত নিয়মকানুনের আপডেট অতিদ্রুত জানানো হবে।

বিনীত
মোঃ আরিফুল ইসলাম (রনজু)
নির্বাহী পরিচালক

কিছুদিনের মধ্যে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি এই সপের লভ্যাংশ সবটাই খরচ হবে মানবতার কাজে।ইনশাআল্লাহ আপনি এখানে পন্য কিনে শরিক হত...
24/04/2022

কিছুদিনের মধ্যে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি



এই সপের লভ্যাংশ সবটাই খরচ হবে মানবতার কাজে।ইনশাআল্লাহ
আপনি এখানে পন্য কিনে শরিক হতে পারেন মানবতার কাজে।

কিছু দিনের মধ্যে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি   ” এই অনলাইন সপের লভ্যাংশ সবটাই খরচ হবে মানবতার কাজে।ইনশাআল্লাহ দোয়া করবেন সবাই
24/04/2022

কিছু দিনের মধ্যে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি ” এই অনলাইন সপের লভ্যাংশ সবটাই খরচ হবে মানবতার কাজে।ইনশাআল্লাহ

দোয়া করবেন সবাই

28/01/2022

Address

Satkhira
9450

Telephone

+393894758557

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Human Education & Environment Development - HEED" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Human Education & Environment Development - HEED":

Share