M.A. Razzak Memorial Foundation

M.A. Razzak Memorial Foundation আসুন আমরা একটি দারিদ্রমুক্ত গ্রাম গড়ি�

27/10/2025

অস্থির এক জেনারেশন
লোকমান আহমেদ

আমরা আছি অস্থির জেনারেশনের ভেতর
দিকহারা প্রজন্ম,শুধু স্বপ্নে বিভোর,
লক্ষ্য নেই, মিশন নেই, আদর্শ হারা
এদের ভবিষ্যৎ অনেক দুর।

রোদে হাঁটে না, বৃষ্টিতে ভিজে না
ঘাসে এলার্জি, কাঁদায় পা মেলে না,
আধা কিলো রাস্তা,রিক্সার অপেক্ষা
কখনো তাদের চলে পা।

গান শুনে না,সিনেমা বোঝে না
খেলার মাঠে যেতে রাজি নয়,
ভোরের সূর্য,রাতে আকাশ দেখে না
তবু রাত জেগে রয়।

মোবাইল স্ক্রিনে ডুবে থাকে
স্ক্রিনে আলোর অভ‍্যস্থতা,
চোখে ক্লান্তি, মনে শূন্যতা
তবু ওরা হাসে, ভার্চুয়াল ব্যস্ততা।

বড়দের দেখলে মুখ ফিরিয়ে যায়
ধাক্কা মেরে হাসে,সরি বলে না হায়,
শিক্ষকের মুখে পরামর্শ লাগে না
ওরা বলে,ওল্ড ফ্যাশনড এই বলে যায়।

বাসে খালি সিট দেখলে যুদ্ধ শুরু হয়
বয়স্ক লোক দাঁড়িয়ে,তবু সে বসে,
স্কুল যেখানে ওদের শেখার কথা
সেখানে শিখে না, বসে আছে তাসে।

রাতভর জেগে রিল দেখে যায়
ভোরের রোদে উঠে ন,অ্যালার্মে ঘুমায়,
সূর্যোদয় বিছানায়, সূর্যাস্ত স্ক্রিনে
ভার্চুয়াল চিনে,বাস্তব হারায়।

ইতিহাস জানে না, সাহিত্য বোঝে না
বইয়ের পাতায় আঙুলও ফেলে না,
তাদের একটাই স্কিল,রিল দেখা
হাসা ভুলে যাওয়া,নিজেকে হারিয়ে ফেলা।

গাছে চড়ে না,নদীতে নামে না
দৌড়াতে পায় ভয়,
সাহস নেই সাগর পাড়ি দেওয়ার
মনোবল নেই,পাহাড় উঠার জয়।

মন টা মেশিনে বন্দি
একটাই স্কিল,আঙুলের স্পীড,
আমরা আছি অস্থিরতার রাজ্যে
স্ক্রিনের ভিতরে হারিয়ে করে বীট।

না আছে বিনয়,না কৃতজ্ঞতা
না শ্রদ্ধা, না শৃঙ্খলা,
কখন থামতে হয় জানে না তারা
এদের জীবন অস্তমিত,ডুববে বেলা।

আমরা আছি অস্থির এক প্রজন্মের পাশে
যেখানে ভালোবাসা শুধু স্ক্রিনে ভাসে,
হাসি আছে,কিন্তু নেই উষ্ণতা
ভালোবাসা আছে,শুধু নোটিফিকেশনে আসে।

এই প্রজন্ম, এই সময়, এই গল্প
তারা জানে না,মহা বিপদ টেনশন,
কি যে জানে, তাও বুঝে না
অস্থির এক জেনারেশন।

তোমাকে ভুলা যায় না
12/03/2025

তোমাকে ভুলা যায় না

24/10/2024

বাংলাদেশে রাজনৈতিক সুনামি চলছে-
এই সুনামি দেশ কে লন্ডভন্ড ও তছনছ করে দিবে।

08/09/2024

কোন নেতা কে যদি কোন শহরের গুডাউন এর চাবি দেওয়া হয়, তাহলে তাড়াতাড়ি তালা পরিবর্তন করতে হবে।

07/09/2024

পর্ব-১(সূচনা)

“ডিজিটাল অভিন্ন শিক্ষা ও চিকিৎসা নীতি” বাংলাদেশ-২০২৩ এর পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা এবং সুপারিশমালাঃ
………………………………………................................................................................................
পৃথিবীতে চলার মৌলিক জ্ঞান সমূহ ও চারিত্রিক গণাবলী অর্জন কে শিক্ষা বলে।
মানুষের অন্তরনীহিত গুণাবলী পূর্ণ্য বিকাশের জন্য সুপ্ত প্রতিভা কে জাগ্রত ও দক্ষতা অর্জনের সহায়তা বা লিপ্ত থাকার নাম শিক্ষা।
শিক্ষা সাধারণত দুই ভাগে বিভক্তঃ
১। একাডেমিক শিক্ষা।
২। গৃহ শিক্ষা।
১। একাডেমিক শিক্ষাঃ যে শিক্ষা অর্জন স্কুল/বিদ্যালয় থেকে হয় সেটাই একাডেমিক শিক্ষা।
২। গৃহ শিক্ষাঃ এটা প্রচীণ কালের শিক্ষা ব্যাবস্থা।বর্তমানে উন্নত বিশ্বে ছেলে মেয়েদের অবিভাবক গণ হোম টিউটোরিয়াল বা গৃহ শিক্ষকের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করে থাকে। এটা সাধারণত প্রথম শ্রেনী হইতে দশম শ্রেনী পর্যন্ত হয়ে থাকে।তবে এস এস সি পরীক্ষার আগে অবশ্যই কোন স্কুলের সাথে নাম রেজিস্টার করতে হয়।এটা ব্যায় বহুল, আমাদের দেশে সম্ভব নহে।সুতরাং গৃহ শিক্ষার ব্যবস্থা রাস্ট্রে থাকতে পারে।
ডিজিটাল অভিন্ন শিক্ষা নীতির প্রয়োজনীয়তাঃ পৃথিবীর সকল দেশেই ডিজিটাল অভিন্ন শিক্ষা নীতি বিদ্যমান। শুধু বাংলাদেশে সেই বৃটিশ ঔপনোবেশিক শাসন থেকে ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা পদ্ধতি চালু রয়েছে।অথচ মেধা যাচাই বাচাইয়ের জন্য অভিন্ন শিক্ষা নীতির বিকল্প নেই। অন্যথায় বিশেষ গোষ্ঠি সুবিধা পাবে বা অন্যরা এই রাষ্ট্রের সুবিধা পাবে না। মুলত বৃটিশরা মুসলিমদের রাজনীতি বা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতার বাহিরে রাখতে এই মাদ্রাসা শিক্ষা চালু করেছিল।কারণ তৎকালীন সকল বৃটিশ বিরুধী আনন্দোলনে মুসলিমদের ভূমিকা ছিলো অগ্রনীয়। মুসলিমদের সন্তষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ১৭৮০ সালে কলকাতায় আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে।যাতে মুসলিম গোষ্ঠি ইসলাম ও ধর্ম কর্ম নিয়ে ব্যাস্ত থাকে।১৮২৪ সালে ইংরেজরা শুধু তাদের বিশ্বস্ত গণ বাহ্মনদের ইংরেজী শিক্ষা চালু করেন।যাতে বাহ্মন গোষ্ঠি তাদের কথা বার্তায় হুমুক নির্দেশ পালন করে এই শর্তে।পরবর্তীতে ১৮৪৮ সালে বৃটিশ সরকার সকলের জন্য ইংরেজী শিক্ষা চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
দেশ ভাগ থেকে আরম্ভ করে সকল কিছুই ধর্মের ভিক্তিতে হয়েছিল যার ফলে ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা ব্যাবস্থা গড়ে ওঠে।ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা ব্যাবস্থা থাকতে পারে কিন্ত সেটা থাকতে হবে জাতীয় শিক্ষা নীতি ঠিক রাখিয়া।যেমন কিছু জাতীয় পুস্তক ঘোষণা করে এবং সেই পুস্তক গুলি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রেখে বাকী গুলি তাহাদের অতিরিক্ত পুস্তক পড়াবেন।এটা স্বাভাবিক।শিক্ষা নীতি থাকবে যেমন একটি গাছের মতো। একটি গাছ ১২/১৩ বছর পর তার যেমন শাখা প্রশাখা বের হয়,ঠিক তেমনী এক যুগে এক নিয়মে ছাত্র/ছাত্রীরা লেখা পড়া করবে,তারপর শিক্ষার বিভিন্ন শাখার পদার্পন করবে,এটাই স্বাভাবিক কিন্ত আমাদের দেশে ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা ব্যাবস্থা যাহা একটির সাথে অন্যটির মিল নেই।যার যার ইচ্ছামত পুস্তক পরিবর্তন ,সংযোজন,সংযুক্তি করছেন,যাহা একটি দেশের জন্য ক্ষতিকর। নৈতিক শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষা একত্রে চলতে পারে। সকলেই যাতে বিশ্ববিদ্যালয়, ডাক্তার,ইন্জিনিয়ার,অনার্স,মাস্টার্স বিভিন্ন কোর্স করতে পারে সেই ব্যাবস্থা করা। কিন্ত অতিশয় দূঃখের বিষয় আমাদের দেশে তিনটি স্তরে মুলত শিক্ষা ব্যাবস্থা চলছে।সাধারণ শিক্ষা,আলিয়া শিক্ষা,ও কওমি শিক্ষা।কি ভাবে অভিন্ন শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু করা যায়,সেই নিয়েই মুলত ফলপ্রসু আলোচনা করছি।এই তিন স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা কে ৮টি পুস্তক বা সাবজেক্ট কে জাতীয় পুস্তক হিসাবে ঘোষণা করে বাধ্যতামূলক করতে হবে তবেই অভিন্ন শিক্ষা নীতি হয়ে যাবে।বাকী ৪টি পুস্তক বা সাবজেক্ট স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান পড়াতে পারবে।যেমন আলিয়া ও কওমিদের যদি ৮টি পুস্তক বা সাবজেক্ট বিদ্যমান থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে ৮টি কে ৪টি বিষয়ে করা যায়।প্রতিটি পুস্তক বা সাবজেক্ট ৫০নাম্বারে বা প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্রে ভাগ করে ৫০+৫০=১০০ নাম্বার সহজে করা যেতে পারে।সুতরাং আলিয়া ও কওমিদের মোট পুস্তক থাকবে জেনারেল পুস্তক ৮টি ও ৪টি মোট ১২ টি। সাধারণ শিক্ষার পুস্তক ঐ ৮টি জাতীয় পুস্তক ও একটি কৃষি বিজ্ঞান এবং অন্য টি নৈতিক শিক্ষা ধর্ম,মোট ১০টি বাধ্যতামুলক বাকী দুই ভাষার উপর এচ্ছিক ভাবে নিতে পারবে।যেমন ইংরেজী ভাষা,ফ্যান্স ভাষা, আরবী ভাষা,স্পীনিশ ভাষা,ডাজ ভাষা ইত্যাদি।সাধারণ শিক্ষার মোট পুস্তক হবে এচ্ছিক সহ ১২টি।
১৭৮০ সালে আলিয়া ও ১৮৬৬ সালের কওমি শিক্ষা ব্যাবস্থা তৎকালীন সময়ে যুগোপযোগি হয়তো ছিলো।এই ব্যাপারে আলোচনা করতে চাই না।কিন্ত সময়ের সাথে এর পরিবর্তন জরুলী বটে।কারন বর্তমান বিজ্ঞানের আধুনিক যুগ।মধ্যপ্রচ্যে আরব বিশ্বে ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হচ্ছে,যতো সমস্যা বাংলাদেশে।একজন আলিয়ার বা কওমির ছাত্র/ছাত্রী ডিসি,নির্বাহী কর্মকর্তা,ডাক্তার,ইন্জিনিয়ার,প্রফেসর,শিক্ষক হয়, তাহলে সমস্যা কোথায়?বরং ইসলাম সর্বস্তরে বিরাজ করবে,ইসলাম আরো সুন্দর প্রসারিত ও প্রচার হবে।এই ক্ষেত্রে আলিয়ার ও কওমির সততা ও নৈতিক শিক্ষার দ্বারা সমাজ কে অনেক বদলে দিতে পারবে।ডাক্তার হলে আরো বেশী উপকৃত হবে এবং সকল পেশার মাঝে নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল সৃষ্টি হবে।আরব বিশ্ব যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষা অর্জন করছে।ফলে তারা এগিয়ে যাচ্ছে।শুধু ইসলামী শিক্ষা অর্জন করে বর্তমান যুগে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব নহে।
মহান আল্লাহুতায়ালা সূরায় বাকারায়(২০১) বলেছেনঃ রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া-হাছানাতাও ওয়া ফিল আ-খিরাতি হাছানাতাও,ওয়া কিনা আযা বান্নার।
অর্থঃহে আমার প্রতিপালক! আমাকে দুনিয়াতে কল্যাণ দাও,এবং আখেরাতেও কল্যান দাও এবং আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।
তাহলেও মহান আল্লাহুতায়ালা আগে দুনিয়ার কথা আগে বলেছেন।তারপর আখিরাতের কথা বলেছেন।সুতরাং বিদ্যালয় বা স্কুল শিক্ষা হারাম নহে।মাদ্রাসার শব্দের অর্থ একই বহন করে। শুধু ভিন্ন ভিন্ন নাম।সাধারণ শিক্ষার মধ্যে নৈতিক শিক্ষার অভাব রয়েছে।তাই আসুন সবাই মিলে ডিজিটাল অভিন্ন শিক্ষা নীতি বাস্তবায়ন ও এর সমর্থন করি।

02/09/2024
30/08/2024

রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করা বা চুরি করা গুরুতর অপরাধ


রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা প্রত্যেক মুমিনের ঈমানী দায়িত্ব। কেননা এটি পবিত্র আমানত। প্রতিটি নাগরিকের এ আমানত রক্ষা করা উচিৎ। কুরআনুল কারিমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়ে বলেন যে, তোমাদের আমানতগুলো প্রাপকের কাছে পৌছে দাও।’ (সুরা নিসা : আয়াত ৫৮)।

পেয়ারা নবী মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘লা ঈমানা, লিমান লা আমানাতা লা’। অর্থাৎ- ‘যার আমানতদারী নেই, তার ঈমান নেই’। (মুসনাদে আহমদ)। রাষ্ট্রের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য, রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব সম্পর্কে প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা প্রত্যেকে দায়িত্বশীল। প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। (সহীহ বুখারী)। রাষ্ট্রীয় গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, পাহাড়, মাটি, বন, বালি, আরো যে কোন সম্পদ যথাযথ ব্যবহার না করলে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয় হবে। অপচয়কারী শয়তানের ভাই। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, ‘নিশ্চয় অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই’। (বনী ঈসরাইল : আয়াত ২৭)।

আমাদের দেশে রয়েছে অনেক সরকারি খাস জমিন, যা রাষ্ট্রীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত। সেখানে অবৈধ স্থাপনা, পাহাড় কাটা, বন উজাড় করা, নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাতের শামিল। নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে, এক বিঘা জমি দখল করে, কিয়ামতের দিন ৭ স্তবক জমিন, তার গলায় ঝুলিয়ে দেয়া হবে। (আল হাদীস)।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ করা কবিরা গোনাহ। এর ফলে কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। মহান রাব্বুল আলামীন বলেন, ‘ যারা আত্মসাৎ করে, তারা কিয়ামতের দিন আত্মসাৎকৃত সম্পদসহ উপস্থিত হবে। আর প্রত্যেকে তার উপার্জিনের ফল ভোগ করবে’। (আল কুরআন)। সুনানে আবু দাউদ ও ইবনে মাজায় এসেছে, হজরত যায়েদ ইবনে খালিদ জুহানী (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘খায়বার যুদ্ধে জনৈক ব্যক্তি কোনো দ্রব্য আত্মসাৎ করে। পরে সে মারা গেলে, রাসূলে কারিম (সা.) তার জানাযা পড়াননি। বরং বললেন, সে সম্পদ আত্মসাৎ করেছে। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা তার জিনিসপত্র তল্লাসী করে তাতে একটি রেশমি বস্ত্র পেয়েছিলাম। সহীহ মুসলিম ও বুখারী শরীফে বর্ণিত, একবার রাসূল (সা.) ইবনুল লুতবিয়া কে বায়তুল মালের অর্থ আদায়ের জন্য নিয়োগ করেন। তিনি ফিরে এসে আদায়কৃত অর্থগুলো দু’ভাগে ভাগ করে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এগুলো রাষ্ট্রের সম্পদ, আর এগুলো আমার সম্পদ। যা মানুষ আমাকে হাদিয়া দিয়েছে। তার কথা শুনে রাসূল (সা.) খুব রেগে গেলেন। তিনি সাহাবাদের বললেন, তোমাদের কাউকে আমি সদকা আদায়ের জন্য পাঠালে, সে ফিরে এসে বলে, এগুলো রাষ্ট্রের আর এগুলো আমার সম্পদ, যা মানুষ আমাকে হাদিয়া দিয়েছে। তার চিন্তা করা উচিৎ, যদি সে বাড়িতে বসে থাকতো, তাহলে মানুষ তখন তাকে হাদিয়া দিতো না।

রাসূল (সা.) বলেন, আল্লাহর কসম! যারা রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষা করবেনা, আমানতের খেয়ানত করবে, কিয়ামতের দিন তারা উট কাঁধে নিয়ে উঠবে। সে চিৎকার করে আমার কাছে সাহায্য চাইবে, কিন্তু সে দিন আমি তার কোনো সাহায্য করবো না। আলোচ্য কুরান ও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা মুমিনের ঈমানী দায়িত্ব ও কর্তব্য। এটি একটি বিশাল আমানত। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। আমীন

25/08/2024

Assalamu Alaikum
Stand by the flood-affected people in Bangladesh.
Money is being withdrawn from mosques in different countries or from any reliable organization in the country.
Do what you can ?
Help!
Almighty Allah swt will help you.
Jazak Allah Khairan

10/08/2024

লাল বাংলা
লোকমান আহমেদ

রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলা
অনেক চড়াই উৎরাই করেছি পার,
ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি সোনার চেয়ে দামী
দেশ এখন সংকরণ দরকার।

কাজী নজরুলের বাংলাদেশ
৫৩ বছরের স্বাধীনতা,
অনিয়মে ভরা আজ দেশ টা
সর্বক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা।

জীবনান্দদাসের রূপসী বাংলা
রুপের নেই কো শেষ,
রক্তচোষা মানুষ গুলি
তাহারাই আছে বেশ।

ইবনে বতুতার সবুজ বাংলা
গাছে ঘাসে ভরা দেশ নাইরে ভাই,
সবুজের মধ্যে লাল বাংলা
এমন তো আশা করি নাই।

বঙ্গবন্ধুর জয়বাংলা
স্বাধীনতার সাম্যের শ্লোগান,
বৈষম্যের সৃষ্টি করে কেহ
ছাত্র সমাজ রেখেছে আজ মান।

জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
উন্নয়ন উৎপাদন আজ নেই যারা,
ছাত্র সমাজের অর্জিত অবদান
মসনদে সোনার হরিণ চায় তারা।

পল্লী বন্ধু এরশাদের গ্রাম বাংলা
দ্বিধা বিভক্তিতে ভরা,
ইসলামী দেশ,শূক্রবারে ছুটি
উপজেলা করেছে তারা।

গোলাম আযমের নারায়েন তাকবীর
ইসলামী শাসন করে লালন,
কোনআন হাদিসের কথা বলে
মওদুদী কে করে না বারণ।

ছাত্র সমাজ এঁকেছে লাল বাংলা
রেনেসাঁর নবজাগরণ,
২৬শে মার্চের বাংলার স্বাধীনতা
৫ই আগষ্ট বিপ্লবীদের করছে স্মরণ।

স্বার্থপরদের এটা উর্বর বাংলা
বৃটিশ,পাকিস্তান করেছে শাসন,
২১৪ বছর গোলামী পরাধীনতা
উর্বর মাটিতে করেছে শোষণ।

সুজলা সফলা শস্য শ্যামলায়
বার বার শহিদদের রক্তে রঞ্জিত,
আমরা মানুষ কেমন জাতী
সব সময় বাংলার মানুষ বঞ্চিত।
তারিখ -১০/৮/২০২৪

09/08/2024

২০০৮ সালের “নাগরিক শক্তি” আবার আসিতেছে-২০২৪ সালে-
মতামত দিন !

04/08/2024

মা তোর বদন খানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি,

সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।

শান্তি চাই- বৈষম্য দূর করতে এসে-শুধু চাকুরীর বৈষম্য দূর হয়েছে কিন্ত ভাইয়ে ভাইয়ে, বন্ধুত্বে বন্ধুত্বে,দেশে বিদেশে, রক্তে রক্তে,মানুষ্যত্বে মানুষ্যত্ব,বিবেকে বিবেকে,প্রতিবেশিদের,ছাত্রের ছাত্রের,ছাত্রীর-ছাত্রীর,আত্মীয়ের আত্মীয়ের, আত্মার আত্মার, সাথীর সাথীর,কর্মে কর্মে, চলার পথে,প্রবাসে দেশে, বৈষম্য ও দুরত্ব বেড়েছে-
যাহা থেকে বের হওয়া অত্যান্ত কঠিন।
এই সম্পর্কের বৈষম্য দূর হোক- শুভ কামনা

04/08/2024

মহান আল্লাহুতায়ালা সব ক্ষমতার মালিক। তিনি যখন ক্ষমতা দিবেন এবং তিনিই ক্ষমতা কেঁড়ে নিবেন।
এখানে মানুষের কোন হাত নেই।

Address

Boali, Tangail
Sakhipur
1950

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M.A. Razzak Memorial Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to M.A. Razzak Memorial Foundation:

Share