Youth Foundation Saidpur

Youth Foundation Saidpur Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Youth Foundation Saidpur, Nonprofit Organization, Saidpur.
(1)

Youth Foundation Saidpur এর মূল লক্ষ্য হলো স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণদের ইসলামী মূল্যবোধে উজ্জীবিত করা এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ এর অনন্য আদর্শে পরিচালিত এক সুশৃঙ্খল প্রজন্ম গড়ে তোলা
https://chithi.me/YouthFoundationSaidpur

09/08/2026

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী হক্কানী আলেমদের সম্মান করেন -এটি ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য। আলেমদের দায়িত্ব হল দিন প্রতিষ্ঠার জন্য সুনির্দিষ্ট রোড ম্যাপ তৈরি করে জাতিকে সে পথে পরিচালিত করা এবং নিজেদেরকেও কারো ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হতে না দেয়া।

হে আমাদের রব!আমাদের শাসক ও দায়িত্বশীলদের সংশোধন করুন। তাদেরকে ন্যায়বিচার, আমানতদারি, ইনসাফ ও জনকল্যাণের তাওফীক দান করুন।

#হেফাজতেইসলামেরআমির #বাবুনগরী #সাক্ষাৎ

03/08/2026

"বেদাতে ছেয়ে গেছে দেশ, দুয়ার মধ্যে বেদাত, নামাজের মধ্যে বেদাত, সবখানে বেদাতে ছেয়ে গেছে, এগুলো থেকে বের হয়ে আসতে হবে, একটা সুষ্ঠ ইসলামী সমাজ আমরা চাচ্ছি এই এডুকেশন সিস্টেম এর মাধ্যমে।" - বাংলাদেশ সেনাপ্রধান

আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট উদ্বোধনকালে তিনি এই কথা বলেন
#সালাফি #বেদাতি

এই নিউজটা আজকের। নিউজটা পড়ে কি বুঝলেন? মাদ্রাসা নিয়ে ষড়যন্ত্র কেন, আর কিছু কি বুঝার বাকি আছে?বাস্তবতা হলো, আমি ঢাকার ...
01/08/2026

এই নিউজটা আজকের। নিউজটা পড়ে কি বুঝলেন? মাদ্রাসা নিয়ে ষড়যন্ত্র কেন, আর কিছু কি বুঝার বাকি আছে?

বাস্তবতা হলো, আমি ঢাকার একটি শীর্ষস্থানীয় মাদ্রাসায় প্রায় ১২–১৩ বছর লেখাপড়া করেছি। সেই মাদ্রাসায় কোনোদিনও বলাৎকারের কথা শুনিনি। শুধু আমাদের মাদ্রাসা নয়, ঢাকার বড় বড় মাদ্রাসাগুলোতেও আপনারা সাধারণত এ ধরনের নিউজ পাবেন না।

গ্রামাঞ্চলের কিছু মাদ্রাসায় বিচ্ছিন্নভাবে এ ধরনের ঘটনা শোনা যায়। বিশেষ করে গ্রামের কিছু ইমাম সাহেব, যারা বিভিন্ন বাড়িতে লজিং থাকেন, তাদের মধ্যেও কখনো কখনো অপরাধের ঘটনা ঘটে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এসব অপরাধের পক্ষে কোনো মাদ্রাসার ছাত্র দাঁড়ায় না, কোনো হুজুরও দাঁড়ান না। বরং অপরাধী প্রমাণিত হলে তাকে শাস্তি দেওয়া হোক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা কী?

সেখানে নীতি-নৈতিকতা শিক্ষার ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। ধর্মীয় শিক্ষার অবস্থাও একই। এখন আবার নতুন করে নাচ-গানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিক্ষিকারা টিকটক করছে, ছেলে-মেয়েদের নৈতিক অবক্ষয় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে।

সেদিনও আমার ছোট ভাই এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিল। সেই আত্মীয় তার ছেলেকে নসিহত করার জন্য আমার ছোট ভাইকে বলছিলেন, ছেলে বাবা-মায়ের কথা শোনে না, উচ্ছৃঙ্খলভাবে ঘোরাফেরা করে। অথচ দুজনের বয়সও কাছাকাছি।

আমরাও বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে গেলে অনেক সময় আমাদের আত্মীয়রা নিজ ছেলেদের নসিহত করতে বলেন। এটা একেবারে সাধারণ বাস্তবতা।

অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, যারা মাদ্রাসায় পড়ে তাদের মধ্যে নীতি-নৈতিকতা, সভ্যতা ও ভদ্রতার চর্চা অনেক সময় সাধারণ কলেজপড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের তুলনায় ভালো দেখা যায়। এর প্রধান কারণ হলো, পরিবেশ।

মাদ্রাসার পরিবেশ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেখানে অপরাধ ও অশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। বিপরীতে অনেক স্কুল-কলেজের পরিবেশে ছেলে-মেয়েদের অবাধ মেলামেশার কারণে এমন অনেক কিছু ঘটে, যা ক্লাসরুমে বসেই ঘটছে।

এখানে আমি স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের দোষ দিচ্ছি না। দোষটা মূলত পরিবেশের। তাদের এমন একটি পরিবেশ দেওয়া হয়েছে, যেখানে ভালো থাকা অনেক কঠিন।

একজন মাদ্রাসার ছাত্রকে যদি এমন পরিবেশে নিয়ে যাওয়া হয়, সেও নষ্ট হয়ে যাবে। আবার স্কুল-কলেজের কোনো ছেলে-মেয়েকে যদি ভালো পরিবেশে, নিয়ন্ত্রিত ও নৈতিক শিক্ষার মধ্যে রাখা হয়, তারাও ভালো হয়ে উঠবে।

অর্থাৎ মূল বিষয়টা হলো, পরিবেশ মানুষকে গড়ে।

এ কারণেই দেখবেন, এখন সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। আপনার এলাকার স্কুলে গিয়ে খোঁজ নিন, অনেক স্কুলে ছাত্রছাত্রী নেই বললেই চলে। অভিভাবকরা সন্তানদের হয় মাদ্রাসায় দিচ্ছেন, অথবা বেছে নিচ্ছেন কোনো প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এর পেছনে অভিভাবকদের একটি বড় চিন্তা হলো, সন্তানকে শুধু শিক্ষিত করলেই হবে না, মানুষও করতে হবে।

আর এখানেই আমাদের প্রশ্ন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কোটার মাধ্যমে এমন অনেক মানুষকে প্রাথমিকে চাকরি দেওয়া হয়েছে, যাদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। এখন তাদের কেউ কেউ স্কুলে গিয়ে নাচ-গান শেখাচ্ছে, আবার নাচ-গানকে শিক্ষার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে।

আর গত কয়েকদিনে দেখলাম, নাচ-গানের এই সংস্কৃতিকে মুসলিম সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার পক্ষে একটি বিশেষ মহল ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে।

কারণ তাদের কাছে নাচ-গান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবের একটি অংশ। তাদের বিভিন্ন পূজা ও ধর্মীয় উৎসবেও নাচ-গানের প্রচলন রয়েছে।

কিন্তু একজন মুসলমানের কাছে প্রশ্নটা ভিন্ন। ইসলামে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা ও অনৈতিক সংস্কৃতির কোনো স্থান নেই।

তাই মাদ্রাসার কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা সামনে এনে পুরো মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আগে আমাদের একটু নিজেদের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে তাকানো উচিত।

মাদ্রাসা ধ্বংসের আগে বরং প্রশ্ন করুন, আমরা আমাদের সন্তানদের কী ধরনের পরিবেশে বড় করছি?

-Molla khalid saifulla

29/07/2026

মক্কায় যখন কুরআনের নূর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করল, যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কণ্ঠে তিলাওয়াতকৃত কুরআন শুনে মক্কার বহু মানুষ মুগ্ধ হতে লাগল, তখন সংস্কৃতিমনা কুরাইশ নেতারা গভীরভাবে বিচলিত হয়ে পড়ল। তারা ভাবতে লাগল, কীভাবে মানুষকে এই কুরআনের প্রভাব থেকে দূরে রাখা যায়?

কোরআন বলছে, তারা বিভিন্ন ধরনের বিনোদন, গান-বাজনা, কাহিনি ও আমোদ-প্রমোদের ব্যবস্থা করে মানুষের মনোযোগ কুরআন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই আয়োজনের জন্য তারা পারস্য থেকে নর্তকী, গায়ক, সাহিত্যিক ক্রয় করে নিয়ে আসতো, এবং বাজারে বাজারে প্রদর্শনীর আয়োজন করতো। আল্লাহ তাআলা এ প্রসঙ্গে বলেন:

﴿وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ اللَّهِ﴾

“মানুষের মধ্যে কেউ কেউ এমন আছে, যারা আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে অনর্থক কথাবার্তা (গানবাজনা) ক্রয় করে।” (সূরা লুকমান, ৩১:৬)

তাই বিউটিপালদের ইসলামবিরোধী সংস্কৃতিকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা নতুন কোনো ঘটনা নয়; এর শিকড় বহু পুরোনো। যুগে যুগে আল্লাহর দ্বীনের মোকাবিলায় একই কৌশল বিভিন্ন রূপে ফিরে এসেছে।

তবে মুসলমানদের বিশ্বাস, সত্য ও মিথ্যার এই সংঘাতে সংখ্যাই শেষ কথা নয়। হতে পারে বিউটিপালদের পক্ষে লোক বেশি। তার ক্রেজি ফ্যানের বিশাল সংখ্যা রয়েছে, যারা ইসলামকে জবাই করে বিউটিপালের এর পক্ষে দাঁড়াচ্ছে।

কিন্তু যারা কুরআন ও সুন্নাহর আদর্শ ধারণ করে থাকবে, তারা তাদের দায়িত্ব পালন করে যাবে। আর চূড়ান্ত বিজয় আল্লাহ যাদের জন্য নির্ধারণ করবেন, তা তাঁরই ফয়সালায় হবে।

وَالْعَاقِبَةُ لِلْمُتَّقِينَ
“আর শুভ পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য।” (সূরা আল-আ'রাফ, ৭:১২৮)

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"আমার উম্মতের মধ্যে অবশ্যই এমন কিছু লোক হবে, যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে।"

- Molla khalid shaifullah

শায়েখ মামুনুর রশিদ কাসেমী (হাফিযাহুল্লাহ)-এর সৈয়দপুর সফরের কর্মসূচিতারিখ: ২৭ জুলাই, সোমবার🕓 বিকাল ৪:০০টামুযাকারা মজলিস...
24/07/2026

শায়েখ মামুনুর রশিদ কাসেমী (হাফিযাহুল্লাহ)-এর সৈয়দপুর সফরের কর্মসূচি

তারিখ: ২৭ জুলাই, সোমবার

🕓 বিকাল ৪:০০টা
মুযাকারা মজলিস
📍 স্থান: ভিশন কোচিং সেন্টার
(আনোয়ার ডা. এর বাসা সংলগ্ন, গিয়াস মোড়, সৈয়দপুর)

🌙 বাদ মাগরিব
প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে দ্বীন-ঈমান শেখা
📍 স্থান: গিয়াস মোড়, সৈয়দপুর

সকল দ্বীনপ্রিয় ভাইদের যথাসময়ে উপস্থিত থেকে ইলমী এই মজলিসকে সফল করার আন্তরিক আহ্বান জানানো হচ্ছে।

22/07/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আলহামদুলিল্লাহ। ইনশাআল্লাহ আগামী ২৭ জুলাই আমাদের প্রিয় শহর সৈয়দপুরে আগমন করবেন—

শায়েখ মামুনুর রশিদ কাসেমী
শায়খুল হাদীস, মারকাযুল হিকমাহ, ডেমরা, ঢাকা।

ইনশাআল্লাহ, তাঁর উপস্থিতিতে ইয়ুথ ফাউন্ডেশন সৈয়দপুর-এর উদ্যোগে একটি বিশেষ ইসলামী প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রোগ্রামের সময়, স্থান ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য খুব শিগগিরই জানিয়ে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।

Address

Saidpur
5310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Youth Foundation Saidpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share