Islamic research

Islamic research Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic research, Community Organization, bani chad Road, Saidpur.

08/01/2026

বুখারী শরীফ
৪৩৮. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিষয় প্রদান করা হয়েছে, যা আমার পূর্বে কোন নবীকে দেয়া হয়নি।
(১) আমাকে এমন প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে যা একমাসের দূরত্ব পর্যন্ত অনুভূত হয়।
(২) সমস্ত যমীন আমার জন্যে সালাত আদায়ের স্থান ও পবিত্রতা অর্জনের উপায় করা হয়েছে। কাজেই আমার উম্মতের যে কেউ যেখানে সালাতের ওয়াক্ত হয় (সেখানেই) যেন সালাত আদায় করে নেয়।
(৩) আমার জন্যে গানীমাত হালাল করা হয়েছে।
(৪) অন্যান্য নবী নিজেদের বিশেষ গোত্রের প্রতি প্রেরিত হতেন আর আমাকে সকল মানবের প্রতি প্রেরণ করা হয়েছে।
(৫) আমাকে সার্বজনীন সুপারিশের অধিকার প্রদান করা হয়েছে। (৩৩৫; মুসলিম ৫/৫, হাঃ ৫২১, আহমাদ ১৪২৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৫)

11/12/2025

৮১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কি তোমাদের এমন একটি হাদীস বর্ণনা করব যা আমার পর তোমাদের নিকট আর কেউ বর্ণনা করবে না। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের কিছু আলামাত হলঃ ‘ইল্ম হ্রাস পাবে, অজ্ঞতার প্রসার ঘটবে, ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়বে, স্ত্রীলোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে, এমনকি প্রতি পঞ্চাশজন স্ত্রীলোকের জন্য মাত্র একজন পুরুষ হবে পরিচালক। (৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১)

10/04/2025

şura nahal.16
[তাফসীরে জাকারিয়া] ৫৮. তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন তার মুখমন্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট হয়(১)।

(১) এর বিপরীতে ইসলাম কন্যা সন্তানকে আখেরাতের নাজাতের অসীলা নির্ধারণ করে দিয়েছে। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেনঃ এক মহিলা তার দুটি মেয়ে সন্তান সহ আমার কাছে এসে কিছু চাইল। সে আমার কাছে মাত্র একটি খেজুরই পেল। আমি তাকে তাই দিলাম। সে তা গ্রহণ করে তা দু’ভাগে ভাগ করে দু মেয়েকে দিল। নিজে কিছুই খেল না। তারপর সে দাঁড়িয়ে গেল এবং বের হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে প্রবেশ করলে আমি তাকে ঐ মহিলা এবং তার মেয়েদের সম্পর্কে জানালাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “যে কেউ মেয়েদের নিয়ে দুঃখ কষ্টে পড়বে এবং তাদের প্রতি সদ্ব্যাবহার করবে, সেগুলো তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।” [বুখারীঃ ১৪১৮, মুসলিমঃ ২৬২৯]

26/03/2025

গায়েব বলতে মানব জাতির বাহ্য বা অবাহ্যেন্দ্রিয়ের আড়ালের কোন বস্ত্তকে বুঝানো হয়। অর্থাৎ যা কোন ধরনের মানবেন্দ্রিয় বা মানব তৈরী প্রযুক্তি কর্তৃক উপলব্ধ বা জ্ঞাত হওয়া সম্ভবপর নয় তাই গায়েব।

একমাত্র আল্লাহ্ তা’আলাই গায়েব জানেন। তিনি ভিন্ন অন্য কেউ এতটুকুও গায়েব জানে না।

আল্লাহ্ তা’আলা বলেন:

«قُلْ لاَ يَعْلَمُ مَنْ فِيْ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الْغَيْبَ إِلاَّ اللهُ، وَمَا يَشْعُرُوْنَ أَيَّانَ يُبْعَثُوْنَ»
‘‘(হে নবী) আপনি বলে দিন: আকাশ ও পৃথিবীতে একমাত্র আল্লাহ্ তা’আলা ছাড়া অন্য কেউ গায়েব জানে না এবং তারা এও জানে না যে তারা কখন পুনরুত্থিত হবে’’। (নামল : ৬৫)

আল্লাহ্ তা’আলা আরো বলেন:

«وَعِنْدَهُ مَفَاتِحُ الْغَيْبِ لاَ يَعْلَمُهَا إِلاَّ هُوَ، وَيَعْلَمُ مَا فِيْ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ، وَمَا تَسْقُطُ مِنْ وَّرَقَةٍ إِلاَّ يَعْلَمُهَا، وَلاَ حَبَّةٍ فِيْ ظُلُمَاتِ الْأَرْضِ، وَلاَ رَطْبٍ وَلاَ يَابِسٍ إِلاَّ فِيْ كِتَابٍ مُّبِيْنٍ»

‘‘গায়েবের চাবিকাঠি একমাত্র তাঁরই হাতে। তিনি ছাড়া অন্য কেউ গায়েব জানে না। জল ও স্থলের সব কিছুই তিনি জানেন। কোথাও কোন বৃক্ষ থেকে একটি পাতা ঝরলেও তিনি তা জানেন। এমনকি ভূগর্ভের দানা বা বীজ এবং সকল শুষ্ক ও তরতাজা বস্ত্তও তাঁর অবগতির বাইরে নয়। বরং সব কিছুই তাঁর সুস্পষ্ট কিতাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে’’। (আন্’আম : ৫৯)
তিনি আরো বলেন:

«إِنَّ اللهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ، وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ، وَيَعْلَمُ مَا فِيْ الْأَرْحَامِ، وَمَا تَدْرِيْ نَفْسٌ مَا ذَا تَكْسِبُ غَدًا، وَمَا تَدْرِيْ نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوْتُ، إِنَّ اللهَ عَلِيْمٌ خَبِيْرٌ»

‘‘নিশ্চয়ই কিয়ামতের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ্ তা’আলার নিকটই রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তিনিই একমাত্র জানেন গর্ভবতী মহিলার জরায়ুতে কি জন্ম নিতে যাচ্ছে। কেউ জানেনা আগামীকাল সে কি অর্জন করবে। কেউ জানেনা কোথায় তার মৃত্যু ঘটবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা’আলা সর্বজ্ঞ ও সর্ব বিষয়ে অবগত’’। (লোকমান : ৩৪)

তবে আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা.) হাদীসের মধ্যে আমাদেরকে গায়েব সম্পর্কে যে সংবাদগুলো দিয়েছেন তা আল্লাহ্ তা’আলা ওহীর মাধ্যমে তাঁকে জানিয়ে দিয়েছেন। অতএব তিনি নিজ পক্ষ থেকে গায়েবের কোন সংবাদ দেননি এবং কখনো তিনি গায়েব জানতেন না।

আল্লাহ্ তা’আলা বলেন:

« قُلْ لاَ أَقُوْلُ لَكُمْ عِنْدِيْ خَزَآئِنُ اللهِ، وَلاَ أَعْلَمُ الْغَيْبَ »

‘‘(হে নবী!) আপনি তাদেরকে বলে দিন: আমি তোমাদেরকে এ কথা বলছি না যে, আমার নিকট আল্লাহ্’র ধন ভান্ডার রয়েছে। যাকে ইচ্ছা তাকে আমি ধনী বানিয়ে দেবো। আর এমনো বলছি না যে, আমি গায়েব জানি তথা অদৃশ্য জগতের কোন খবর রাখি’’। (আন’আম : ৫০)

আল্লাহ্ তা’আলা আরো বলেন:

«قُلْ لاَ أَمْلِكُ لِنَفْسِيْ نَفْعًا وَّلاَ ضَرًّا إِلاَّ مَا شَآءَ اللهُ، وَلَوْ كُنْتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لاَسْتَكْثَرْتُ مِنَ الْـخَيْرِ، وَمَا مَسَّنِيَ السُّوْءُ، إِنْ أَنَا إِلاَّ نَذِيْرٌ وَّبَشِيْرٌ لِّقَوْمٍ يُّؤْمِنُوْنَ»

‘‘(হে নবী!) আপনি বলে দিন: আমার ভালো-মন্দ, লাভ-ক্ষতি, মঙ্গল-অমঙ্গল ইত্যাদির ব্যাপারে আমার কোন হাত নেই। বরং আল্লাহ্ তা’আলা যাই ইচ্ছে করেন তাই ঘটে থাকে। আমি যদি গায়েব জানতাম তাহলে আমি প্রভূত কল্যাণ লাভ করতে পারতাম এবং কোন অমঙ্গল ও অকল্যাণ কখনো আমাকে স্পর্শ করতে পারতো না। আমি অন্য কিছু নই। বরং আমি শুধু মু’মিন সম্প্রদায়ের জন্য ভয় প্রদর্শনকারী ও সুসংবাদবাহী’’। (আ’রাফ : ১৮৮)

তিনি আরো বলেন:

«وَكَذَلِكَ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ رُوْحًا مِّنْ أَمْرِنَا، مَا كُنْتَ تَدْرِيْ مَا الْكِتَابُ وَلاَ الْإِيْمَانُ وَلَكِنْ جَعَلْنَاهُ نُوْرًا نَّهْدِيْ بِهِ مَنْ نَّشَآءُ مِنْ عِبَادِنَا، وَإِنَّكَ لَتَهْدِيْ إِلَى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ»

‘‘এভাবেই আমি আপনার নিকট আমার প্রত্যাদেশ রূহ তথা কোর’আন পাঠিয়েছি। ইতিপূর্বে আপনি কখনোই জানতেন না কোর’আন কি এবং ঈমান কি? মূলতঃ আমি কোর’আন মাজীদকে নূর হিসেবে অবতীর্ণ করেছি। যা কর্তৃক আমার বান্দাহ্দের যাকে ইচ্ছে হিদায়াত দিয়ে থাকি। আর আপনিতো নিশ্চয়ই মানুষকে সঠিক পথ দেখিয়ে থাকেন’’। (যুখরুফ : ৫২)

আবু হুরাইরাহ্ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: একদা রাসূল (সা.) ঘর থেকে বের হলে জনৈক ব্যক্তি (জিব্রীল) তাঁকে জিজ্ঞাসা করলো, কিয়ামত কখন হবে? তখন তিনি উত্তরে বললেন:

مَا الْـمَسْؤُوْلُ عَنْهَا بِأَعْلَمَ مِنَ السَّائِلِ، وَلَكِنْ سَأُحَدِّثُكَ عَنْ أَشْرَاطِـهَا، إِذَا وَلَدَتِ الْأَمَةُ رَبَّهَا فَذَاكَ مِنْ أَشْرَاطِهَا، وَإِذَا كَانَتِ الْعُرَاةُ الْـحُفَاةُ رُؤُوْسَ النَّاسِ فَذَاكَ مِنْ أَشْرَاطِهَا، وَإِذَا تَطَاوَلَ رِعَاءُ الْبَهْمِ فِيْ الْبُنْيَانِ فَذَاكَ مِنْ أَشْرَاطِهَا

‘‘যাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে তিনি কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাকারী চাইতে বেশি জানেন না। তবে আমি আপনাকে উহার আলামত সম্পর্কে কিছু জ্ঞান দিতে পারি। যখন কোন দাসী তার প্রভুকে জন্ম দিবে তখন এটি কিয়ামতের একটি আলামত এবং যখন উলঙ্গ ও খালি পা ব্যক্তিরা মানুষের নেতৃস্থানীয় হবে তখন এটি কিয়ামতের আরেকটি আলামত। আর যখন পশু রাখালরা বিরাট বিরাট অট্টালিকা বানাতে প্রতিযোগিতা করবে তখন এটি কিয়ামতের আরেকটি আলামত’’। (বুখারী, হাদীস ৫০ মুসলিম, হাদীস ৯)

রাসূল (সা.) যদি সত্যিই গায়েব জানতেন তাহলে তিনি বিলাল (রা.) কে সাথে নিয়ে তায়েফে গিয়ে পাথর খেয়ে রক্তাক্ত হতেন না। কারণ, রাসূল (সা.) গায়েব জেনে থাকলে তিনি প্রথম থেকেই জানতেন তারা তাঁকে সংবর্ধনা জানাবে। না পাথর নিক্ষেপে রক্তাক্ত করবে।

রাসূল (সা.) যদি গায়েব জানতেন তাহলে তিনি ক্বাবা শরীফের সামনে সিজ্দাহ্রত থাকাবস্থায় তাঁর পিঠে কাফিররা উটের ফুল চাপিয়ে দিতে পারতো না।

রাসূল (সা.) যদি গায়েব জানতেন তাহলে হা’ত্বিব্ বিন্ আবু বাল্তা’আহ্ (রা.) যখন জনৈকা মহিলাকে মক্কার কাফিরদের নিকট এ সংবাদ লিখে পাঠালেন যে, রাসূল (সা.) অচিরেই তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে আসছেন। অতএব তোমরা নিজেদেরকে রক্ষা করার জন্য অতিসত্বর প্রস্ত্ততি নিয়ে নাও। তখন রাসূল (সা.) কে ওহীর মারফত তা জেনে অনেক দূর থেকে সে মহিলাকে ধরে আনার জন্য সাহাবাদেরকে পাঠাতে হতোনা। কারণ, তিনি গায়েব জেনে থাকলে প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে জানতেন।

রাসূল (সা.) যদি গায়েব জানতেন তাহলে যখন তাঁর দাসী মারিয়াকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া হলো তখন তিনি হযরত ’আলী (রা.) কে ব্যভিচারী গোলামকে হত্যা করার জন্য বহু দূর পাঠাতেন না। অথচ তার কোন লিঙ্গই ছিলোনা। যাতে ব্যভিচার সংঘটিত হতে পারে।
রাসূল (সা.) যদি গায়েব জানতেন তাহলে যখন মক্কার কাফিররা ’উসমান (রা.) কে হত্যা করে দিয়েছে বলে গুজব ছড়ালো তখন তিনি ঐতিহাসিক ’হুদাইবিয়াহ্ এলাকায় মক্কার কাফিরদের থেকে ’উসমান হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য সাহাবাদের থেকে দ্রুত বায়’আত গ্রহণ করতেন না। যা ইতিহাসের ভাষায় ‘‘বায়’আতুর্ রিযওয়ান’’ নামে পরিচিত।

রাসূল (সা.) যদি গায়েব জানতেন তাহলে তাঁকে খায়বারে গিয়ে ইহুদী মহিলার বিষাক্ত ছাগলের গোস্ত খেয়ে দীর্ঘ দিন বিষক্রিয়ায় ভুগতে হতো না।

রাসূল (সা.) যদি গায়েব জানতেন তাহলে মুনাফিকরা যখন ’আয়েশা (রাঃ)-কে ব্যভিচারের অপবাদ দিয়েছিলো তখন তিনি ’আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আন্হা) কে এ ব্যাপারে সন্দেহ করে তাঁর সাথে সম্পূর্ণরূপে কথাবার্তা বন্ধ দিয়ে তাঁকে তাঁর বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিতেন না। ইত্যাদি ইত্যাদি।

রাসূল (সা.) যখন গায়েব জানেন না তখন তিনি ছাড়া অন্য কোন পীর বা বুযুর্গ গায়েব জানেন বলে বিশ্বাস করা সত্যিই বোকামি বৈ কি?

কাশ্ফ ও গায়েবের জ্ঞানের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। সূফীদের নিকটে কারোর কাশফ হয় বা কেউ কাশ্ফ ওয়ালা মানে, তার অলক্ষ্যে কিছুই নেই। সকল লুক্কায়িত বা দূরের বস্ত্তও সে খোলা চোখে দেখতে পায়। দুনিয়া-আখিরাত, জান্নাত-জাহান্নাম, ’আর্শ-কুরসী, লাওহ্-ক্বলম সব কিছুই সে নির্দ্বিধায় দেখতে পায়। এমনকি মানব অন্তরের লুক্কায়িত কথাও সে জানে।

বরং কাশ্ফের ব্যাপারটি গায়েবের জ্ঞানের চাইতেও আরো মারাত্মক। কারণ, গায়েবের জ্ঞানের সাথে খোলা চোখে দেখার কোন শর্ত নেই। কিন্তু কাশফের মানে, খোলা চোখে দেখা।

অতএব যখন একমাত্র আল্লাহ্ তা’আলা ছাড়া গায়েবের জ্ঞান আর কারোর নেই তখন কাশ্ফও একমাত্র আল্লাহ্ তা’আলারই হবে। আর কারোর নয়। যদিও কাশ্ফ শব্দের অস্তিত্ব উক্ত অর্থে কোর’আন ও হাদীসের কোথাও পাওয়া যায় না। বরং তা সূফীদের নব আবিষ্কার।।।

26/03/2025

পরিচ্ছেদঃ ৯৭/৪. আল্লাহর বাণীঃ তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত, তিনি তাঁর অদৃশ্যের জ্ঞান কারো কাছে প্রকাশ করেন না- (সূরাহ জ্বিন ৭২/২৬)। ক্বিয়ামাতের জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছে রয়েছে- (সূরাহ লুক্বমান ৩১/৩৪)। তা তিনি জেনে শুনে নাযিল করেছেন- (সূরাহ আন্-নিসা ৪/১৬৬)। তাঁর অবগতি ব্যতীত কোন নারী গর্ভ ধারণ করে না বা (তার বোঝা) হালকা করে না - (সূরাহ ফাতির ৩৫/১১)। ক্বিয়ামাতের জ্ঞান কেবল তাঁরই আছে- (সূরাহ ফুসসিলাত ৪১/৪৭)।

৭৩৮০. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তোমাকে বলে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় রবকে দেখেছেন, সে মিথ্যা বলল। কেননা আল্লাহ্ বলছেন, চক্ষু তাঁকে দেখতে পায় না। আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গায়েব জানেন, সেও মিথ্যা বলল। কেননা আল্লাহ্ বলেন, গায়িব জানেন একমাত্র আল্লাহ্। [৩২৩৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৬)

20/12/2024

sura আল ফুরকান

তাফসীরে জাকারিয়া] ৭৫. তারাই, যাদেরকে প্রতিদান হিসেবে দেয়া হবে জান্নাতের সুউচ্চ কক্ষ(১) যেহেতু তারা ছিল ধৈর্যশীল। আর তারা প্ৰাপ্ত হবে সেখানে অভিবাদন ও সালাম।

(১) غرفة শব্দের আভিধানিক অর্থ উঁচু কক্ষ, উপরতলার কক্ষ। বিশেষ নৈকট্যপ্রাপ্তগণ এমন উঁচু কক্ষ পাবে, যা সাধারণ জান্নাতীদের কাছে তেমনি দৃষ্টিগোচর হবে, যেমন পৃথিবীর লোকদের নিকট তারকা-নক্ষত্র দৃষ্টিগোচর হয়। [বুখারীঃ ৩০৮৩, মুসলিমঃ ২৮৩১, মুসনাদে আহমাদঃ ৮৪৫২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেনঃ “জান্নাতে এমন কক্ষ থাকবে, যার ভেতরের অংশ বাইরে থেকে এবং বাইরের অংশ ভেতর থেকে দৃষ্টিগোচর হবে। লোকেরা জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), এসব কক্ষ কাদের জন্য? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সৎ ও পবিত্ৰ কথাবার্তা বলে, প্রত্যেক মুসলিমকে সালাম করে, ক্ষুধার্তকে আহার করায় এবং রাত্রে যখন সবাই নিদ্রিত থাকে, তখন সে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করে।” [সহীহ ইবনে হিব্বানঃ ৫০৯, সহীহ ইবনে খুযাইমাঃ ২১৩৭, মুস্তাদরাকে হাকেমঃ ১/১৫৩, তিরমিযীঃ ১৯৮৪, মুসনাদে আহমাদঃ ১৩৩৭]

20/12/2024

সূরা ফুরকান 25
তাফসীরে জাকারিয়া] ৬৮. এবং তারা আল্লাহর সাথে কোন ইলাহকে ডাকে না(১)। আর আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন, যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না(২)। আর তারা ব্যভিচার করে না(৩); যে এগুলো করে, সে শাস্তি ভোগ করবে।

১) পূর্ববর্তী ছয়টি গুণের মধ্যে আনুগত্যের মূলনীতি এসে গেছে। এখন গোনাহ ও অবাধ্যতার প্রধান প্রধান মূলনীতি বর্ণিত হচ্ছে। তন্মধ্যে প্রথম মূলনীতি বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কযুক্ত অর্থাৎ তারা ইবাদাতে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করে না। [ফাতহুল কাদীর]

(২) এ আয়াতে বলা হচ্ছে যে, আল্লাহর প্রিয় বান্দারা কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে না। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “একজন মুমিন ঐ পর্যন্ত পরিত্রাণের আশা করতে পারে যতক্ষণ সে কোন হারামকৃত রক্ত প্রবাহিত না করে’৷ [বুখারী: ৬৮৬২]

(৩) রহমানের বান্দারা কোন ব্যভিচার করে না। ব্যভিচারের নিকটবর্তীও হয় না। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, সবচেয়ে বড় গুণাহ কি? তিনি বললেনঃ “তুমি যদি কাউকে (প্ৰভুত্ব, নাম-গুণে এবং ইবাদতে) আল্লাহর সমকক্ষ দাঁড় করাও”। জিজ্ঞেস করা হলো, তারপর? তিনি বললেনঃ “তুমি যদি তোমার সন্তানকে হত্যা কর এই ভয়ে যে, সে তোমার সাথে আহারে অংশ নেবে”। জিজ্ঞেস করা হলো, তারপর? তিনি বললেনঃ “তুমি যদি তোমার পড়াশীর স্ত্রীর সাথে যিনা কর”। [বুখারীঃ ৬৮৬১, মুসলিমঃ ৮৬]

20/12/2024

সূরা আল ফুরকান
তাফসীরে জাকারিয়া] ৫৯. তিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেন; তারপর তিনি আরাশের উপর উঠলেন। তিনিই রাহমান, সুতরাং তাঁর সম্বন্ধে যে অবহিত তাকে জিজ্ঞেস করে দেখুন।

07/04/2024

The 6 points of Tablighi Jamat were introduced in a Mashwara (meeting) that took place in August 1934. Maulana Ilyas (the founder of Tabligh) and Shaykhul Hadith Maulana Zakariyya were part of that Mashwara.

The purpose of the six points is to simplify some of the best qualities of the Sahaba (companions of the Prophet SAW) so that with these qualities, it is easy to set oneself on track to bring complete Deen (Islam) into one’s life.

The majority of the people in this world are simple-minded and know little about Islam. While giving Da’wah (inviting others), it is best to teach them something very simple i.e. essential qualities which they can hold on to. With these qualities, we put them on track to bring complete Deen into their lives.

The Six Points of Tabligh is Simple and Straight forward
The six points of Tabligh itself are simple. There is nothing deep or hidden in the 6 points. Each point can best be described in one or two words. They are:

Kalimah (Declaration of Faith)
Salat (Prayers)
Ilm and Zikr (Knowledge and remembrance)
Ikramul Muslimeen (Respect to Muslims)
Ikhlas (Sincerity)
Da’wah & Tabligh (Inviting and Propagating)
It is important to point out that 6 points is not complete Islam. It is also not an innovation supplementing the 5 pillars of Islam or the 6 pillars of Imaan. The purpose is to inculcate people with the qualities that would make it easy to practice and bring complete Islam into their lives.

Address

Bani Chad Road
Saidpur
5310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic research posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share