Maruf rana dulu

Maruf rana dulu News

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Ashik Jone Bissnesu, আঁম্মুঁরঁ রাঁজঁপুঁত্রঁ
22/11/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Ashik Jone Bissnesu, আঁম্মুঁরঁ রাঁজঁপুঁত্রঁ

12/11/2025

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Kajol Chhetri, MD Mostofa Mostofa, Rupali Rani Roy

09/11/2025

যখন আপনার মেয়েকে বিয়ে দিবেন...

যখন আপনার মেয়েকে বিয়ে দিবেন...

তাকে শেখান, তার ঘরের গোপনীয়তা শুধু তার এবং তার স্বামীর মধ্যেই থাকবে।

◆ তাকে শেখান, স্বামীর সঙ্গে কথায় জেদ না করতে, কারণ জেদ তাকেই প্রথমে ধ্বংস করবে।

তাকে শেখান, স্বামীর পরিবারের প্রতি যত্নশীল হতে এবং তাদের সম্মান করতে।

◆ তাকে শেখান, উচ্চস্বরে হাসি বা চিৎকার তার নারীত্ব নষ্ট করে।

তাকে শেখান, স্বামীর কাছে একবারও মিথ্যা বললে তার প্রতি স্বামীর আস্থা চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

তাকে শেখান, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং ঘরের পরিচ্ছন্নতা স্বামীকে ইতিবাচক আচরণে উৎসাহিত করে এবং ঘরের প্রতি ভালোবাসা বাড়ায়।

তাকে শেখান, গীবতকারী না হতে।

তাকে শেখান, স্বামীর সামনেও লজ্জাশীল থাকতে।

তাকে শেখান, নারীত্ব এবং পৌরষ দুটো ভূমিকাই না নিতে; সে নারী, নারীই থাকবে এবং লজ্জাশীল নারী হিসেবে তার ভূমিকা পালন করবে, পুরুষের মতো নয়।

তাকে শেখান, স্বামীর ঈর্ষা ভালোবাসা, সন্দেহ নয়; এবং তার সমস্যার পেছনে আপনারা দাঁড়াবেন না।

◆ তাকে শেখান, বাবার বাড়ি ভুলে যেতে; বাবার বাড়ি শুধু স্নেহ ও সাক্ষাতের জন্য, কিন্তু তার আসল বাড়ি হলো স্বামীর ঘর।

◆ তাকে শেখান, তার স্বামী ছাড়া কেউ তাকে সহ্য করবে না।

তাকে শেখান, চিৎকার না করতে এবং সবসময় নরম কণ্ঠে কথা বলতে।

◆ তাকে শেখান, আল্লাহর নির্দেশে স্বামীর উপর কর্তৃত্ব; নিজের মতামত বা কথা জোর করে চাপিয়ে না দিতে।

তাকে শেখান, প্রতিটি ঝগড়ায় "তালাক" শব্দটি মুখে না আনতে।

তাকে শেখান, যত বড় ঝগড়াই হোক, স্বামীর শয্যা ত্যাগ না করতে।

◆ তাকে শেখান, স্বামীর মুখোমুখি হাসিমুখে থাকতে এবং বিরক্ত না করতে।

তাকে শেখান, স্বামী কাজ থেকে ফিরলে চুমু, এক গ্লাস পানি এবং হাসি দিয়ে স্বাগত জানাতে।

তাকে শেখান, স্বামীর অসুস্থতা বা বিপদের সময় তাকে ছেড়ে না যেতে।

তাকে শেখান, আপনারা সবসময় তার পাশে আছেন, কিন্তু প্রতিটি ঝগড়ায় রাগ করে স্বামীর ঘর ছেড়ে যাওয়া যাবে না।

তাকে শেখান, তার নারীত্ব দিয়ে সে একটি হিংস্র

সিংহকেও বশ করতে পারে, কিন্তু জেদ করে নিজেকেই ভাঙবে।

তাকে শেখান, কথিত নারীমুক্তি শয়তানের ফাঁদ, এবং রাস্তায় সাজগোজ করে বের হওয়া তাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

তাকে শেখান, সে যেন নারী হয়, তার ঘরের রানী হয়, পরিবার পরিচালনা করে, তাদের মধ্যে ভালোবাসা, স্নেহ এবং দয়া বপন করে।

** একটা সংসারে একা নারীর দায়িত্ম না। ছেলেদের আরও বেশী দায়িত্ম রয়েছে। এ টপিকসে হয়তো মেয়েদের

দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এ জন্য ভুল বুঝবেন না। পরিবার সুন্দর করতে সুন্দর রাখতে যেগুলো ভালো মনে করেন সেগুলো গ্রহন করুন। যদি ভুল থাকে সেটা আপনি বর্জন করুন। আর মতের অমিল হতেই পারে। সবার চিন্তা আর অভিজ্ঞতা এক নয়। যদি মনে করেন সুস্হ সমাজ গঠনে পোষ্টটি ভালো তবে শেয়ার করুন।

04/11/2025
04/11/2025

আল্লাহ কেন তাঁর বান্দাকে পরীক্ষা করেন?

আল্লাহ বান্দাকে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি কুরআন ও হাদীসে বারবার এসেছে। এর গভীরতা বোঝার জন্য কয়েকটি দিক লক্ষ্য করা যায়:

১. ঈমান যাচাই করার জন্য;

আল্লাহ বলেন:

"মানুষ কি ধারণা করে যে, তারা 'আমরা ঈমান এনেছি' বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে এবং তাদের পরীক্ষা করা হবে না?" (সূরা আল-আনকাবুত: ২)

অর্থাৎ, কেবল মুখে ঈমান বললেই নয়, বরং কঠিন পরিস্থিতিতে, সুখ-দুঃখে, বিপদে-আপদে কিভাবে বান্দা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক রাখে তা যাচাই করা হয়।

২. বান্দাকে পরিশুদ্ধ করার জন্য: পরীক্ষা অনেক সময় বান্দার গুনাহ মোচন ও আত্মাকে বিশুদ্ধ করার উপায় হয়।

রাসূল বলেছেন: "মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীকে আল্লাহ তার নিজের, তার সন্তান বা তার সম্পদের মাধ্যমে পরীক্ষা করেন। এমনকি যখন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করে তখন তার কোনো গুনাহ থাকে না।" (তিরমিজি)

৩. প্রকৃত মুমিন ও মুনাফিককে আলাদা করার জন্য: যারা শুধু দুনিয়ার স্বার্থে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক রাখে, পরীক্ষার সময় তারা ভেঙে পড়ে। আবার যারা সত্যিকার মুমিন, তারা ধৈর্য ধরে আল্লাহর ওপর ভরসা করে।

৪. ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার শিক্ষা দেওয়ার জন্য: পরীক্ষা কখনো কষ্ট দিয়ে, কখনো সুখ দিয়ে হয়।

কষ্টে ধৈর্য ধরতে হয়।

সুখে কৃতজ্ঞ হতে হয়। এভাবেই বান্দা আল্লাহর কাছে উত্তীর্ণ হয়।

৫. মর্যাদা বৃদ্ধি করার জন্য:

অনেক সময় আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদেরকে পরীক্ষা করেন তাদের মর্যাদা আরও উঁচু করার জন্য। যেমন, নবীদের জীবনে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাই এসেছে।

রাসূল বলেছেন:

"সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা দেওয়া হয় নবীদেরকে, তারপর যারা তাদের নিকটবর্তী (ঈমান ও আমলে), তারপর যারা তাদের নিকটবর্তী।" (তিরমিজি)

৬. বান্দার অন্তর পরিষ্কার করার জন্য: পরীক্ষার মাধ্যমে বান্দার অন্তর থেকে অহংকার, দুনিয়ার প্রতি আসক্তি, কপটতা ইত্যাদি দূর হয়।

আল্লাহ বলেন: "আল্লাহ মুমিনদেরকে এমন অবস্থায় রাখবেন না, যতক্ষণ না তিনি মন্দকে ভাল থেকে আলাদা করে দেন।" (সূরা আলে ইমরান: ১৭৯)

৭. বান্দাকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনার জন্য: মানুষ যখন সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকে তখন অনেক সময় আল্লাহকে ভুলে যায়। বিপদ-আপদে আল্লাহ বান্দাকে পরীক্ষা দেন যেন সে তাঁর দিকে ফিরে আসে। আল্লাহ বলেন: "আমি তাদেরকে অবশ্যই বড় শাস্তির আগে দুনিয়ার ক্ষুদ্র শাস্তি আস্বাদন করাবো, যাতে তারা ফিরে আসে।" (সূরা আস-সাজদাহ: ২১)

৮. বান্দাকে তার প্রকৃত শক্তি দেখানোর জন্য: পরীক্ষা না হলে মানুষ নিজেই জানে না তার অন্তরের ধৈর্য, ঈমান, আল্লাহর প্রতি ভরসা কতটুকু। পরীক্ষার মাধ্যমে বান্দা নিজের অবস্থাও বুঝতে পারে।

৯. বান্দাকে জান্নাতের যোগ্য বানানোর জন্য: জান্নাত সস্তায় পাওয়া যায় না। আল্লাহ বলেন: "তোমরা কি ধারণা কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ আল্লাহ এখনও তোমাদের মধ্য থেকে যারা জিহাদ করেছে ও যারা ধৈর্য ধারণ করেছে তাদের প্রকাশ করেননি?" (সূরা আলে ইমরান: ১৪২) অর্থাৎ, জান্নাতের পথ কঠিন পরীক্ষা পেরিয়েই খোলা হয়।

১০. বান্দার আমল ও অবস্থার সাক্ষী রাখার জন্য: আল্লাহ বান্দাকে পরীক্ষা দেন যেন কিয়ামতের দিন তার নিজের কর্মই তার বিরুদ্ধে বা পক্ষে সাক্ষী হয়। "আমি তোমাদের পরীক্ষা করবো মন্দ ও ভালো দ্বারা, আর তোমাদের আমার দিকেই ফিরতে হবে।" (সূরা আল-আম্বিয়া: ৩৫)

সংক্ষেপে বলা যায়:

আল্লাহর পরীক্ষা হলো-ঈমান যাচাই, গুনাহ মোচন, ধৈর্য-শিক্ষা, আল্লাহর দিকে ফেরানো, জান্নাতের যোগ্যতা তৈরি, মর্যাদা বৃদ্ধি।

আল্লাহ বান্দাকে পরীক্ষা নেন: কার ঈমান সত্যিকারের, তা প্রমাণের জন্য। বান্দাকে গুনাহ থেকে পরিশুদ্ধ করার জন্য। ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতা শেখানোর জন্য। মর্যাদা ও পুরস্কার বৃদ্ধি করার জন্য।

অনেকে ইনবক্সে লেখাগুলো চেয়ে থাকেন সবার রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই চাইলে আমাদের Facebook থেকেই কপি করে নিতে পারেন।

* ফেইসবুক লিংক প্রোফাইল bio-তে দেওয়া

04/11/2025
04/11/2025

কুফু মিলিয়ে বিবাহ করুন!

অধিকাংশ বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে কুফু না মিলার কারণে.!

আসুন জেনে নেই কুফু কী?

কুফু )فو( কি?? বিয়ের ক্ষেত্রে "কুফু" একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تَخَيرُوا لِنَطْفِكُمْ » وَانْكِحُوا الأكفاء وأنكِحُوا إليهم

"তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম নারী গ্রহণ করো এবং 'কুফু' বিবেচনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও 'কুফুর' প্রতি লক্ষ্য রাখো।" [১]

এখন 'কুফু'-র অর্থ কি? "কুফু" )کُفو( একটি আরবী শব্দ; যার অর্থ সমান, সমতুল্য, সমতা, সমকক্ষ [২]।

ইসলামী পরিভাষায় বর-কনের দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় কিছুতে সমান সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে "কুফু" বলে।

বিয়ের ক্ষেত্রে "কুফু" কেন গুরুত্বপূর্ণ আসুন একটি উদাহরণ দেখি:

মনে করুন, A একটি দ্বীনদার মেয়ে এবং B একটি বেদ্বীন ছেলে। একজন দ্বীনদার, অপরজন বেদ্বীন; দুজনের মধ্যে কুফু নেই। তারপরেও দুজনের বিয়ে হলো, মেয়েটি যেহেতু দ্বীনদার তাই সে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার দ্বীনকে টেনে আনে, চায় প্রতিটি ক্ষেত্রে দ্বীনের ছাপ থাকুক। অপরপক্ষে বেদ্বীন ছেলেটি চাইবে দুনিয়ার স্রোতে গা ভাসিয়ে দিতে, চাইবে সবকিছুই হোক দ্বীনের বাঁধনমুক্ত। ফলস্বরূপ অশান্তি।

শেষ পরিণতি 'তালাক'।

এবার আরেকটি উদাহরণ দেখি:

মনে করুন, আপনার মাসিক আয় দশ হাজার টাকা। আর আপনি এমন কাউকে বিয়ে করলেন যার বাবার মাসিক আয় ছিল পঞ্চাশ হাজার টাকা। অর্থনৈতিক অবস্থানে 'কুফু' নেই। কি মনে হয় সুখে থাকবেন? নাহ।

হাতি-ওয়ালার সাথে বন্ধুত্ব করলে হাতি রাখার মত ঘর নিজেকে বানাতে হবে।

অতএব, আপনার রোজগার দশ হাজার টাকা হলে আপনার বিয়ে করা উচিত এমন কাউকে যে এরমধ্যেই মানিয়ে চলতে পারবে। নয়তো বিয়ের পর শুনতে হতে পারে, 'ভুল করেছি তোমায় বিয়ে করে, দাও এবার আমার হাতটি ছেড়ে'।

তাই সর্বদিক দিয়ে নিজের চলাফেরা, পোশাক আশাক, বাড়িঘর, থাকা খাওয়ার মান যেমন, ঠিক সেই সমমানের পাত্রী পছন্দ করা উচিৎ। এতে কেউ কারোর উপর গর্ব প্রকাশ করবেনা, খোঁটা দেবেনা; ভালোবাসার গতিও বাধাগ্রস্ত হবেনা। এককথায় প্রায় সব বিষয়ে 'কুফু' বিবেচনা করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসা উচিত। নচেৎ পরবর্তী সময়ে 'ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালাতে পারে'।

যদি সবকিছুতেই 'কুফু' মিলে যায় তবে তো সোনায় সোহাগা এবং এমন দাম্পত্য হবে চিরসুখের। পক্ষান্তরে কিছু না পেলেও যদি শুধুই দুজনের মধ্যেই দ্বীনদারী থাকে তবে সুখের জন্য এটাই যথেষ্ট।

(এক কথায়- স্বামী স্ত্রী দুজনের মধ্যে রুজি রোজগার দিন ইসলাম ব্যাপারে খাওয়া দাওয়া ব্যাপারে কাপড়-চোপড় ঘরবাড়ি ব্যাপারে মনোমালিন্য নিজের ভিতর যেন না আসে।

এবং কোন ছেলে তার আর্থিক অবস্থার চাইতে বেশি মেয়ের আর্থিক অবস্থা যদি থাকে তাহলে নেগলেট করতে পারে)

আমার এটা হচ্ছে না ওটা হচ্ছে না আমার বাড়িতেই ভালো আমি ছিলাম

বলবে। (স্বামীর সব কিছুর উপর সন্তুষ্ট যেন থাকতে পারে, অসন্তুষ্ট যেন না হয়)

অনেকে ইনবক্সে লেখাগুলো চেয়ে থাকেন সবার রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই চাইলে আমাদের Facebook থেকেই কপি করে নিতে পারেন।

04/11/2025
নারীর জন্যে জান্নাত হারানো সেই আদম জাতি, নারীর ছোঁয়ায় ডুবে যাওয়া তাদের চিরন্তন নিয়তি। আদমের প্রথম ভুলও ছিল প্রেমের প্রলো...
21/10/2025

নারীর জন্যে জান্নাত হারানো সেই আদম জাতি, নারীর ছোঁয়ায় ডুবে যাওয়া তাদের চিরন্তন নিয়তি। আদমের প্রথম ভুলও ছিল প্রেমের প্রলোভনে, সৃষ্টির শুরু থেকেই ভালোবাসা ছিল রক্তে রন্ধ্রে।

এক নারীর হাসিতে ভেঙেছে কত পাহাড়সম অহংকার, এক দৃষ্টির টানে ছিঁড়ে গেছে সাম্রাজ্যের দেয়ালবার। জগৎ-সংসার ফেলে রেখেছে অনেক পথিক, কেবল এক নারীর নামডাকে হয়ে গেছে সান্তরিক।

ইতিহাস সাক্ষী, রাজ্য হারিয়েছে প্রেমের ঋণে, যোদ্ধাও পরাজিত হয়েছে চোখের পানির দ্বীনে। ধর্ম-বর্ণ ভুলে গেছে মানুষ ভালোবাসার টানে, প্রতিজ্ঞা ছিঁড়ে ফেলে ডুবেছে কোমল দরদখানে।

বিস্ময় বলো কাকে, বিসর্জনই তো প্রমাণ, নারীর জন্য হারানোই পুরুষের প্রাচীন সম্মান। রাজা হয়েছে ভিখারি, সৈনিক হয়েছে নত, একজনের ছোঁয়ায় বদলে গেছে জীবনপথ।

জান্নাতও ছোট মনে হয় যদি থাকে তার অবহেলা, দুনিয়াও শূন্য হয় যদি সরে যায় তার মায়ারেলা। তাই তো বলি, অবাক হওয়ার কিছুই নেই আর, নারীর টানে হারানোই পুরুষের সহজ অভিসার।

হৃদয়ের ইশারায় ঝরে গেছে যত গৌরব, হারিয়েও তারা মনে করে-এ হারা সবচেয়ে শ্রেয়তর অভিজ্ঞ..!!🌺💫

Address

Rangpur

Telephone

+8801788930509

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maruf rana dulu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share