The MISSION is to continue with the TREND & EXAMPLE they have set in their life time for society, for poor, and for helpless people. ভূমিকা (Introduction)
১। একজন ব্যক্তির জীবনের ইতিহাসের পাতা খুলে তার অতীত দেখার চেষ্টা করেছি। ৬৫ বছর বয়সে মৃত্যূর আগে পর্যন্ত তাঁর কর্ম-জীবন নিয়ে ভেবেছি আর আশ্চর্য হয়েছি এই ভেবে যে (৬৫ বিয়োগ ২০)=৪৫ বছরের কর্ম-জীবনে তিনি শুধু তিনটি দেশের নাগরিক হিসেবে সদর্পে পদচারণা করেছেন খেলাধূলা, রাজনীতি, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে। তার এই পদচারণা ছিলো চোখে পড়ার মতো। তিনি সব কিছু কিছু লিখে রাখেননি, কিন্তু রেখে যাওয়া নোটবই আর পুরানো দিনের ফটোগুলোই অনেক কিছু’র প্রমান দিয়ে যায়। অথচ তার কথা-বার্তায় কিংবা আচার-আচরণে এসব কিছুর কখনোই প্রকাশ ঘটে নাই, কখনোই চেষ্টা করেন নাই নিজেকে সেভাবে প্রকাশ করতে। তার স্বভাবে তা ছিলোই না। ব্রিটিশ শাসনের গাইবান্ধায়, কলকাতায়, পাকিস্তান আমলের গাইবান্ধা, এবং স্বাধীন দেশের গাইবান্ধা’র খেলাধূলা, রাজনীতি, সাংস্কৃতিক, সমাজ উন্নয়ন, এবং দরিদ্রদের সহায়তায় এগিয়ে যাওয়ার এক পথিকৃত ছিলেন তিনি। শুধু ব্যক্তিগত ভাবেই নয়, তার স্ত্রীসহ পরিবারের মৌলিক পরিচয় হয়ে দাড়িয়েছিলো।
২। তাঁর এবং তার স্ত্রী’র স্বরণার্থে এবং তাদের রেখে যাওয়া পথ ধরে ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও সহায়তা দেয়ার লক্ষে তাঁর নামে এই ফাউন্ডেশন গড়ার কাজ শুরু হলো।
নামকরণ (Naming)
৩। এই ফাউন্ডেশনের নাম রাখা হলোঃ ‘ডাঃ মফিজার রহমান ফাউন্ডেশন’। ফাউন্ডেশনের নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে মরহুমের স্ত্রী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও গাইবান্ধা’র সাংস্কৃতিক জগতের পথিকৃতি হিসেবে পরিচিয় ‘সৈয়দা রাবেয়া খাতুন’ এর নামে।
উদ্দেশ্য (Mission Statement)
৪। এই ফাউন্ডেশনের উদ্দেশ্য হবে ডাঃ মফিজার রহমান ও তদীয় স্ত্রী সোয়দা রাবেয়া খাতুন এর কার্যক্রমের ধারাগুলোকে অব্যাহত রেখে সহায়তা প্রদান এবং তাদের স্মৃতিকে ধরে রেখে সমাজে দৃষ্টান্ত তৈরী করা এবং অন্যদের এ বিষয়ে উজ্জীবিত করা