বাংলার চোখ” সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখে, প্রতিভাবান কিশোর-কিশোরীর স্বপ্ন দেখে, টগবগে স্বপ্নবাজ উদ্যমী-তরুণ তরুণীর স্বপ্ন দেখে, সততার সংগ্রামকে বেগবানকারী প্রধান গুণী বিচিত্র মানুষের স্বপ্ন দেখে, মুক্তিযুদ্ধের আকাক্ষার-মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। তাই উপরোক্ত সকলের সমন্বয়ে বাংলার চোখ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এরাই আমার মূল চালিকা শক্তি। ফলে সুন্দর আগামীর বিনির্মাণে এদের সমন্বয়ে বাংলার চোখ সমা
জের অগ্রযাত্রায় নিবেদিত প্রাণ হয়ে সোনার বাংলা গড়ার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায়। আমাদের সফল অভিযাত্রার প্রধান সোপান তারুন্যের শক্তি। অপসংস্কৃতি মাদক এর ভয়াল ছোবল যাতে কোনভাবে আমাদের আগামীকে বিনষ্ট করতে না পারে তারই অভিপ্রায় তরুণদেরকে সম্পৃক্ত করার মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই তারুণ্যের শক্তি আর প্রধান গুনীজনদের চিন্তা পরামর্শের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের অগ্রপথিক সংগঠন এই “বাংলার চোখ”। শুরু থেকে কাজ করে আসা শত শত কর্ম উদ্যোম, সৃজনশীল তারুণ্য ও গুণী ব্যাক্তি বর্গই আমাদের সকল কাজের মূল অংশিদার। “বাংলার চোখ”র যথেষ্ট সফলতার গল্প আছে। কারণ এটি রংপুরের বুকে এমন একটি সংগঠন যেখানে কিশোর-তরুণ-প্রবীণ-শিক্ষক-সাংস্কৃতিক কর্মী-নাট্যকর্মীদের চিন্তার সংমিশ্রনে প্রত্যেকদিন কাউকে না কাউকে সহযোগিতা করে যাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দূর্যোগে বন্যাকবলিত অঞ্চলে সফলতার সাথে প্রত্যেক বছরে পর্যাপ্ত ত্রান সামগ্রী “বাংলার চোখ” ভলান্টিয়ার গ্রুপ নিজেরাই গিয়ে প্রদান করে আসেন। এরফলে সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে তরুণরা যখন অপসংস্কৃতির ভয়াল ছোবলে আক্রান্ত, আক্রান্ত-মাদকের ছোবলে সেই অবস্থায় তাদেরকে-এইরকম স্বেচ্ছাসেবী কাজে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সামাজিক কাজে ফিরিয়ে আনাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও সাফল্য। এই ১৪ বছরে যখনই জংগীবাদ মৌলবাদ চাড়া দিয়ে উঠেছে রংপুরে সর্বজনকে সাথে নিয়ে তা মোকাবিলায় ব্রিগেড গঠন করেছে “বাংলার চোখ। পেট্রোল বোমা সহিংসতার সময় সচেতনতামূলক কর্মকান্ডে যুক্ত ছিল “বাংলার চোখ”র সহস্রাধিক কর্মী। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে “বাংলার চোখ” রংপুরে সফলভাবে সহযোগিতা তৎপরতা অব্যাহত রাখে এতে করে বাংলার চোখ চেয়ারম্যান তানবীর করোনায় আক্রান্ত হন কিন্তু কর্মকান্ড থেমে থাকেনি। তিনি শ্মশানে, কবরে লাশ নিজেই নামানোর দায়িত্ব পর্যন্ত নিয়েছিলেন। ২০০৭ সালে যখন সিডর আঘাত হানে, উপকুলে বিডিআর এর সহযোগিতায় লক্ষাধিক টাকার ত্রাণ পোঁছে দেন “বাংলার চোখ”। বন্যাকবলিত রংপুর বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে “বাংলার চোখ ত্রাণ তহবিল গঠন করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, এবং সফলভাবে তা সম্পন্ন হয়। এরকম অজস্র ঘটনার জন্ম দেয়া প্রতিষ্ঠানের নাম “বাংলার চোখ” এবং তার প্রাণ পুরুষ আলহাজ্ব মোঃ তানবীর হোসেন আশরাফী।