Markajul Islah International Cadet Madrasah

Directions

Markajul Islah International Cadet Madrasah Our main aim and objective is to play a role in modernizing Islamic education to meet all the challenges of New Jahiliyyah.

May Allah help us, Ameen.

জাহিলিয়াতের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইসলামী শিক্ষার আধুনিকায়নে ভূমিকা রাখাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমীন।

আলহামদুলিল্লাহ! চলছে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা, সফলতার পথে আরেকটি ধাপ! প্রিয় দ্বীনদার অভিভাবকবৃন্দ ও শুভানুধ্যায়ী, আসসা...
16/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ! চলছে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা, সফলতার পথে আরেকটি ধাপ!

প্রিয় দ্বীনদার অভিভাবকবৃন্দ ও শুভানুধ্যায়ী, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আপনার সন্তানের সোনালী ভবিষ্যৎ ও কুরআনের নূরানি আলোয় জীবন গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলা মারকাযুল ইসলাহ্ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসা-তে বর্তমানে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা চলছে। ছোট্ট সোনামণিগুলো তাদের ছোট্ট কাঁধে বইয়ের বোঝা নিয়ে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে যেভাবে নিজেদের প্রস্তুত করছে, তা সত্যিই এক অভূতপূর্ব দৃশ্য! আপনাদের দোয়ায় আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

কেন আমাদের মাদরাসা আপনার সন্তানের জন্য সেরা পছন্দ?

• কুরআন ও আধুনিক শিক্ষার সুসমন্বয়: হিফজুল কুরআনের পাশাপাশি যুগোপযোগী সাধারণ শিক্ষা।

• নৈতিকতা ও আদর্শ গঠন: সুন্নাহসম্মত জীবনযাপনের মাধ্যমে সৎ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী:
• প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রতি আলাদা যত্ন ও নিবিড় তদারকি।
• নিরাপদ ও আধুনিক পরিবেশ: আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য চমৎকার পড়াশোনার পরিবেশ।

আপনার সন্তানের সফলতা এবং ইসলামের খেদমতে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য আপনাদের সকলের আন্তরিক দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

#মারকাযুল_ইসলাহ্_ইন্টারন্যাশনাল_ক্যাডেট_মাদরাসা #দ্বিতীয়_সাময়িক_পরীক্ষা #ইসলামিক_শিক্ষা #ক্যাডেট_মাদরাসা #গংগাচড়া_রংপুর

-আব্দুর রহিম আহমাদ
পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক,
মারকাযুল ইসলাহ্ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসা, গংগাচড়া, রংপুর।

আগাছা রেখে ভালো ফলনের আশা: শিক্ষকের শাসন বনাম নির্যাতন এবং আমাদের দ্বিমুখী নীতির বেড়াজালআমাদের সমাজব্যবস্থায় আজকাল এক অদ...
06/08/2026

আগাছা রেখে ভালো ফলনের আশা: শিক্ষকের শাসন বনাম নির্যাতন এবং আমাদের দ্বিমুখী নীতির বেড়াজাল

আমাদের সমাজব্যবস্থায় আজকাল এক অদ্ভুত ও আত্মঘাতী দ্বিমুখী নীতি দেখতে পাওয়া যায়। বিষয়টি দেখলে হাসি পায়, আবার কান্নাও পায়। ঘরের ভেতরে অভিভাবকরা নিজেদের সন্তান একটু এদিক-এদিক কিছু করলেই তো তাদের ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা! তখন হাতের কাছে রুল, লাঠি, বেল্ট কিংবা যা পায় তা দিয়েই সন্তানকে পেটাতে পেটাতে পিঠের চামড়া তুলে ফেলা হয়। তখন সন্তানের প্রতি সেই তথাকথিত মমতা, মানবাধিকার বা মৃদু আচরণের বাতি কোথায় নিভে যায়, তা এক বিশাল রহস্য! ঘরের কোণে বেধড়ক পিটিয়ে যখন সন্তানকে সোজা করা হয়, তখন সমাজ বা মানবাধিকারকর্মীদের টুঁ শব্দটি পর্যন্ত শোনা যায় না।

কিন্তু ঠিক সেই একই সন্তান যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে কোনো অন্যায় করে, শিক্ষকদের সাথে চরম বেয়াদবি করে, আর শিক্ষক তাকে একটু শাসন বা মৃদু ধমক দেন অমনি তথাকথিত সুশীল সমাজের ঘুম ভেঙে যায়! শুরু হয়ে যায় ফেসবুক লাইভ, মানববন্ধন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তুলকালাম কাণ্ড এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের দাবি। শিক্ষকের শাসনের অধিকার চিরতরে কেড়ে নিয়ে আশা করা হয় যে ছাত্রটি একদম ফেরেশতা হয়ে উঠবে, এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-ফাইভ নিয়ে আসবে এবং জাতির এক বিশাল রত্ন হয়ে উঠবে! ভাইরে, জমিতে আগাছা পরিষ্কার না করে, সারাদিন জমি খালের পানিতে ডুবিয়ে রেখে যদি বাম্পার ফলন পাওয়ার আশা করেন, তবে সেই আশাকে বোকামি ছাড়া আর কী বলা চলে?

তবে এখানেই মুদ্রার উল্টো পিঠটাও আমাদের অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দেখতে হবে। শাসনের নামে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় এবং এটি প্রতিরোধ করাও সময়ের কঠোর দাবি।

শাসন আর নির্যাতন এই দুটির মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে। শাসন হলো একটি সংশোধনী প্রক্রিয়া, যা মালি যেমন গাছের মরা ডাল ছেঁটে দিয়ে তাকে সোজা করে বড় হতে সাহায্য করে, শিক্ষকও ঠিক তেমনি ছাত্রের ভেতরের ভুলত্রুটি ও অহংকার দূর করার জন্য অভিভাবকসুলভ মায়া নিয়ে শাসন করেন। কিন্তু যখন সেই শাসন চরম মাত্রা ছাড়িয়ে পাশবিক নির্যাতনে রূপ নেয়, যখন ক্রোধের বশে একজন ছাত্রের ওপর অমানবিক শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় তা কোনোভাবেই শিক্ষকসুলভ আচরণ হতে পারে না।

আজকের যুগে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিক্ষকের নামের কলঙ্ক গায়ে লাগিয়ে কেউ কেউ শিক্ষার্থীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত ও নিষ্ঠুর নির্যাতন চালান। রড দিয়ে পেটানো, অমানবিক উপায়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে দাঁড় করিয়ে রাখা বা মানসিকভাবে এমন সব অপমানজনক কথা বলা, যা একটি কোমলমতি শিশুর বা কিশোরের মানসিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেয় এটি কোনোভাবেই শাসন হতে পারে না। এটি সরাসরি অপরাধ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। এই ধরনের নৃশংসতা ও নির্যাতন রোধ করাও আজকের দিনে সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যদি ভীতি ও ত্রাসের রাজত্বে পরিণত হয়, তবে সেখান থেকে কখনো সুস্থ মনের মানুষ তৈরি হতে পারে না।

সমস্যার মূল শেকড়টি লুকিয়ে আছে আমাদের সামাজিক হিপোক্রেসি বা দ্বিমুখী নীতির মধ্যে। ঘরে বসে অভিভাবকরা নিজেদেরা যখন সন্তানের ওপর নিয়মিত মেজাজ হারান এবং মাত্রাতিরিক্ত মারধর করেন, তখন তাদের কাছে সেটি শাসন বলে মনে হয়। অথচ শিক্ষক যখন ক্লাসের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বা কোনো গুরুতর অপরাধের কারণে ছাত্রকে একটু কড়া ভাষায় ধমকান বা মৃদু শাসন করেন, তখন অভিভাবক সরাসরি স্কুল চত্বরে গিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে হাজির হন! এই যে ঘরের শাসনকে বৈধ আর স্কুলের শাসনকে অপরাধ বলে গণ্য করার মানসিকতা, এটি আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দিচ্ছে।

শিক্ষক কি কেবলই সিলেবাস শেষ করার একটা রোবট বা কোডিং করা মেশিন? শিক্ষক মানেই তো অভিভাবক, গাইড এবং গুরুর সর্বোচ্চ আসন। তিনি যেমন পরম যত্নে পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করবেন, মায়মতার ছায়ায় ভালোমন্দ শেখাবেন, সহানুভূতি আর শিষ্টাচার পড়াবেন তেমনই বিপথগামী হওয়া থেকে বাঁচাতে প্রয়োজনে কড়া শাসনও করবেন। শাসন ছাড়া তো কচি মনের ভেতরের অহংকার, জেদ আর ময়লা দূর হয় না। মানুষ গড়ার কারিগরদের হাত যদি আজ ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে বারবার বেড়ি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়, তবে শিক্ষালয়গুলো এক একটা বিশৃঙ্খল ও বখাটে তৈরির কারখানায় পরিণত হতে বাধ্য।

আমাদের বুঝতে হবে যে, শিক্ষকের ভালোবাসা এবং শাসন উভয়টিরই একটি সুনির্দিষ্ট পরিধি রয়েছে। শাসন প্রয়োজন শিক্ষার্থীর চরিত্র গঠনে, তাকে নিয়মানুবর্তিতা শেখাতে এবং সমাজের একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে। কিন্তু সেই শাসন যেন কোনোভাবেই শিক্ষার্থীর শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি না করে।

আজকের দিনে শিক্ষকদের যেমন সচেতন হতে হবে, তেমনি অভিভাবকদেরও বুঝতে হবে যে শিক্ষকের শাসনের উদ্দেশ্য কখনোই ছাত্রকে কষ্ট দেওয়া নয়, বরং তাকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা। অন্যদিকে, যারা শাসনের আড়ালে নির্যাতন চালায়, তাদের আইনগত ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, ঢালাওভাবে সকল শিক্ষকের শাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে। শিক্ষকদের হাত থেকে যদি শাসনের অধিকার পুরোপুরি কেড়ে নেওয়া হয়, তবে ছাত্ররা হয়ে উঠবে লাগামছাড়া। আর আগাছা যেমন ফসলের ক্ষেত গ্রাস করে ফেলে, তেমনি শাসনহীন ও অনুশাসনহীন প্রজন্ম সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে।

ঘর থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন সব জায়গায় এই দ্বিমুখী ও হিপোক্রিট নীতি চলতে থাকলে জাতি হিসেবে আমাদের ধ্বংস হতে বেশি সময় লাগবে না। একদিকে যেমন শিক্ষকদের গায়ে হাত তোলার বা তাদের পবিত্র শাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার আত্মঘাতী সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে, ঠিক তেমনি অন্যদিকে শিক্ষকদের মধ্য থেকেও যেকোনো ধরনের নির্যাতনমূলক ও ক্রূর মানসিকতাকে চিরতরে দূর করতে হবে।

শাসন এবং মায়ার সুষম সমন্বয়েই কেবল একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে উঠতে পারে। আগাছা বাঁচিয়ে রেখে যেমন ভালো ফসলের আশা করা যায় না, তেমনি অন্ধ অনুশাসনহীনতা বা নির্যাতন কোনোটিই শিক্ষার বা জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। আসুন, আমরা একটি ভারসাম্যপূর্ণ, কল্যাণমুখী ও সুন্দর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলি, যেখানে শিক্ষক হবেন প্রকৃত মূর্তমান অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা হবে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

— আব্দুর রহিম আহমাদ
পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক, মারকাযুল ইসলাহ্ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসা, গংগাচড়া, রংপুর।

#শিক্ষক_ও_শাসন #নির_প্রতিরোধ #নৈতিক_শিক্ষা #শিক্ষাব্যবস্থা #দ্বিমুখী_নীতি #বাস্তবতা

04/08/2026
09/07/2026

বৃহস্পতিবার,চলছে ইসলামী সংগীত প্রশিক্ষন ক্লাস।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।সম্মানিত প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ!আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে তাঁর অসংখ্য নেয়ামত ...
25/06/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
সম্মানিত প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ!
আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে তাঁর অসংখ্য নেয়ামত দিয়ে ভরিয়ে রেখেছেন। তাঁরই এক মহান নেয়ামত হলো রঙিন, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। এই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও আল্লাহর দানের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে আমাদের মাদরাসা আয়োজন করতে যাচ্ছে আগামী ২৯/০৬/২০২৬খ্রি. সোমবার একটি আনন্দময় ও শিক্ষণীয় ফল উৎসব ২০২৬।

প্লেই গ্রুপ থেকে ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ২য় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ২৫০ টাকা ফি প্রদান করে তাদের শ্রেণি শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে আয়োজন করবে। আগামী রবিবারের মধ্যেই ফি পরিশোধ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হইল।

আপনার মূল্যবান উপস্থিতি, সান্নিধ্য ও দোয়া এই উৎসবকে আরও উজ্জ্বল, আনন্দময় ও স্মরণীয় করে তুলবে। আপনার আগমন আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহ বহুগুণ বৃদ্ধি করবে এবং তাদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আপনি যদি এই উৎসবে উপস্থিত থাকেন, তাহলে আমরা নিজেদেরকে ধন্য মনে করব।

আপনাদের আগমন প্রত্যাশা করছি। আল্লাহ তা'আলা আপনাকে সুস্থতা, বরকত ও নিরাপত্তা দান করুন।

উৎসবের বিবরণ:
তারিখ: ২৯/০৬/২০২৬
সময়: সকাল ৯:০০ টা থেকে
স্থান: মারকাযুল ইসলাহ্ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসা, গংগাচড়া, রংপুর।

ধন্যবাদান্তে,
পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক,
মারকাযুল ইসলাহ্ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসা
গংগাচড়া, রংপুর
মোবাইল: ০১৭৩৮৬১৮০৮৮, ০১৭৮৮১০০১৮৪

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ্❤️প্রিয় প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,ঈদুল আযহার পবিত্র আনন্দ-উৎসবের মধুর ছুটি আজ শেষ হলো। আ...
08/06/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ্❤️

প্রিয় প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
ঈদুল আযহার পবিত্র আনন্দ-উৎসবের মধুর ছুটি আজ শেষ হলো। আলহামদুলিল্লাহ, আগামীকাল থেকে আমাদের প্রিয় মাদ্রাসা পুনরায় তার নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।

তাই সকল প্রিয় শিক্ষার্থীদের প্রতি অনুরোধ, নির্ধারিত পোশাক সুন্দরভাবে পরিধান করে যথাসময়ে মাদ্রাসায় উপস্থিত হওয়ার জন্য। জ্ঞানের এই পবিত্র আঙিনায় ফিরে আসার মাধ্যমে আমরা যেন আবার নতুন উদ্যমে ইলম অর্জনের পথে অগ্রসর হতে পারি।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে সুস্থতা, নিয়মানুবর্তিতা ও ইলমী উন্নতি দান করুন। আমীন।
আগামীকাল দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ।

ওয়াসসালাম।

আলহামদুলিল্লাহ! ❤️প্রিয় অভিভাবক ও সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,আজ আমাদের হৃদয় আনন্দে ভরে উঠেছে। প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল প...
24/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ! ❤️
প্রিয় অভিভাবক ও সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
আজ আমাদের হৃদয় আনন্দে ভরে উঠেছে। প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

ছোট্ট ছোট্ট এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যে অধ্যবসায়, পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল, তার প্রতিফলন আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি। কারো চোখে উজ্জ্বল সাফল্যের আলো, কারো মুখে আরও ভালো করার দৃঢ় প্রত্যয়। প্রতিটি ফলাফলের পেছনে রয়েছে রাত জাগা অধ্যয়ন, মায়ের দোয়া, বাবার উৎসাহ এবং শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম।

যারা উজ্জ্বল ফলাফল করেছে, তাদের অভিনন্দন। আর যারা এবার যতটা আশা করেছিল ততটা পায়নি, তাদেরকেও বলছি এটি শেষ নয়, বরং নতুন করে শুরু করার এক সুন্দর সুযোগ। তোমাদের প্রতিটি চেষ্টা আল্লাহ দেখেছেন এবং তিনি অবশ্যই তোমাদেরকে আরও বড় সাফল্যের পথে নিয়ে যাবেন, ইনশাআল্লাহ।

আজকের এই ফলাফল শুধু নম্বরের খাতা নয়, এটি তোমাদের স্বপ্নের প্রথম পাতা। আল্লাহ তোমাদের সকলের মেধা, মনন ও চরিত্রকে আরও উন্নত করুন, তাদেরকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করুন এবং উভয় জাহানের সফলতা দান করুন। আমীন।

অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়া ছাড়া এই যাত্রা সম্ভব হতো না। আলহামদুলিল্লাহ।💕

আব্দুর রহিম আহমাদ
পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক,
মারকাযুল ইসলাহ্ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসা, গংগাচড়া, রংপুর।

#আলহামদুলিল্লাহ #প্রথম_সাময়িক_পরীক্ষা #ফলাফল_প্রকাশ #শিক্ষার্থী_সাফল্য #কোমলমতি_শিক্ষার্থী #মারকাযুল_ইসলাহ #ইসলামিক_শিক্ষা #মাদরাসা_শিক্ষা #গংগাচড়া #রংপুর #ক্যাডেট_মাদরাসা #শিক্ষক_দিবস #অভিভাবক #দোয়া #সাফল্যের_পথ #পরীক্ষার_ফলাফল #শুভকামনা #আব্দুর_রহিম_আহমাদ #মেধাবী_শিক্ষার্থী #জ্ঞানের_আলো #ইনশাআল্লাহ #আমীন #শিক্ষার_আলো #ভবিষ্যতের_স্বপ্ন #পরিশ্রমের_ফসল #মাদরাসা_জীবন #শিক্ষায়_বিনিয়োগ #সোনার_সন্তান #আল্লাহর_রহমত #শিক্ষা_প্রতিষ্ঠান

Address

Rangpur
5410

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Markajul Islah International Cadet Madrasah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share