Snake Rescue & Wildlife Awarness Organization Rangpur

Snake Rescue & Wildlife Awarness Organization Rangpur যদি কাটে সাপে দ্রুত যাও হাসপাতালে

বাড়ির পাসে কলা গাছের ঝোপে তিন সন্তান সহ আশ্রয় নিয়েছিল এক মা বনবিড়াল। বাড়িওয়ালা ও এলাকাবাসীর সহ্য হলো না সেটা। মুরগ...
22/10/2025

বাড়ির পাসে কলা গাছের ঝোপে তিন সন্তান সহ আশ্রয় নিয়েছিল এক মা বনবিড়াল। বাড়িওয়ালা ও এলাকাবাসীর সহ্য হলো না সেটা। মুরগি খেয়ে ফেলবে এই অপরাধ দিয়ে তিন সন্তান সহ মা বিড়ালটিকে হ/ত্যা করল এলাকার সব মানুষ মিলে। পুরো একটি পরিবার নিমিষেই শেষ করে দিল লাঠির আঘাতে। মানুষ নাকি সৃষ্টির সেরা জীব একি তার নমুনা?
হয়তো তারা তাদের দুঃখ ভাষায় বলতে পারেনা কিন্তুু বিশ্বাস করেন উপরে যিনি বসে আছে তিনি তাদের সব ভাষা বোঝেন। তিনি যেমন মানুষের সৃষ্টিকর্তা তাদের ও সৃষ্টিকর্তা। শেষ বিচারের দিনে এই অন্যায়ের বিচারও তিনি করবেন।

অনুরোধ রইলো ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট এর কাছে এই সকল অমানুষদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জন্য।

21/10/2025

প্রান্তিক এলাকার শিশুদের সর্পদংশনের চিকিৎসা সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম। আগামীর প্রজন্মই গড়ে তুলবে নতুন বাংলাদেশ।

18/10/2025

ঘুঘু দম্পতির মেটিং সেশন💞

মুরগি খাওয়ার অপরাধে একটি বন বিড়ালকে মে/রে বাড়ির পাশে পুঁতে রেখেছিল কুষ্টিয়ার এক ব্যাক্তি।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফরেস্...
02/10/2025

মুরগি খাওয়ার অপরাধে একটি বন বিড়ালকে মে/রে বাড়ির পাশে পুঁতে রেখেছিল কুষ্টিয়ার এক ব্যাক্তি।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফরেস্ট গার্ডারা উদ্ধার করেছে সেই বন'বিড়ালের দেহ। ছোট ছোট বন জঙ্গল বাঁশঝাড় কেটে বাড়ি বানাবেন আর সেখানে বনবিড়াল যদি দুই একটা মুরগী খায় তাকে এভাবে মেরে পুঁতে দিবেন?
এটা কি মনুষত্বের পরিচয়? আমরা আর কবে মানুষ হবো পৃথিবীটা মানুষের একার না। অপরাধী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রইলো।

সর্প দংশনের প্রাথমিক চিকিৎসা ও অ্যান্টিভেনোম এর প্রয়োগ! জেনে রাখুন প্রাণ রক্ষাকারী তথ্যগুলো 👇⚠️সর্প দংশন মানেই নিশ্চিত ...
27/09/2025

সর্প দংশনের প্রাথমিক চিকিৎসা ও অ্যান্টিভেনোম এর প্রয়োগ! জেনে রাখুন প্রাণ রক্ষাকারী তথ্যগুলো 👇

⚠️সর্প দংশন মানেই নিশ্চিত মৃত্যু নয়, কেউ দংশনের শিকার হলে তাকে সাহস দিন ও আশ্বস্ত করুন হাসপাতলে গিয়ে চিকিৎসা করালে সে সুস্থ হবে।

✳️দংশিত স্থানে বা ক্ষত জায়গায় কোন ধরনের কাটা ছেঁড়া করবেন না। মুখ দিয়ে বিষ চুষে বের করার চেষ্টা করবেন না। সম্ভব হলে কিছুটা পানি দিয়ে ক্ষতস্থান ধুয়ে দিন।

✳️রোগীকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে শান্ত থাকতে বলুন।

✳️পড়নে টাইট জামাকাপড় অথবা আংটি বা অন্যান্য অর্নামেন্ট থাকলে তা খুলে ফেলুন।

✳️শুধুমাত্র রোগীর মনবল বাড়াতে দংশিত স্থানের কয়েক ইঞ্চি উপরে' কাপড় বা ফিতা দিয়ে খুব হালকা/সহশা করে একটি বাধন দিতে পারেন।

✳️দংশনের পর প্রতিটা মুহূর্ত অনেক মূল্যবান তাই খুব তারাতারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।

✳️খেয়াল রাখবেন দ্রুতগামী বাহনে রোগীকে বসিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং রোগীর সাথে স্বাভাবিক কথা বলতে বলতে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

✳️কি সাপে কামড়েছে তা দেখা বা জানা আবশ্যক নয়,
তাই সাপ খুঁজে বের করতে সময় নষ্ট করার এবং মেরে বা জীবিত ধরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। সাপ মারতে গেলে অথবা ধরতে গেলে আবারো সর্পদংশনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোটাই অত্যাবশ্যকীয় বিষয়।

✳️আমাদের দেশে বিষধর সাপে কাটার একমাত্র নির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা ব্যবস্থা হচ্ছে অ্যান্টিভেনোম প্রয়োগ। তাই রোগীকে ওঁঝা কবিরাজ ও গুণীনের কাছে নিয়ে গিয়ে ঝাড়ফু করে অতি মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না। এতে জীবন বিপন্ন হবে।

⚕️অ্যান্টিভেনোম এর প্রয়োগের মাত্রা ও ব্যবহারবিধিঃ-

✳️ বিষধর সাপ দংশনের পর প্রাথমিক ডোজ হিসেবে অ্যান্টিভেনোম ইনজেকশন সরবরাহকৃত WFI দিয়ে দ্রবীভূত করে দুটি উপায়ে দেয়া হয়ে থাকে।
১, সরারসি ৫-১০ ভায়াল প্রতি মিনিটে ২মি.লি. হিসাবে শিরাপথে দিতে হবে।
২, ৫-১০ ভাইয়াল' নরমাল স্যালাইন বা গ্লুকোজ(২৫০-৫০০মি.লি.) এর সাথে মিশিয়ে ৫-১০মি.লি./কেজি ওজন হিসেব করে এক ঘন্টার উপরে শিরাপথে দিতে হবে। শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একই ডোজ প্রযোজ্য।

✳️অ্যান্টিভেনোম প্রয়োগের প্রথম এক ঘণ্টা রোগীকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

✳️সাপের বিষ যদি হিমোটক্সিক হয় তাহলে ৬ ঘন্টা পর পর হোল ব্লাড ক্লটিং টেস্ট (WBCT)এর মাধ্যমে রোগীর লক্ষণগুলো উন্নতি হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
যদি উন্নতি লক্ষ করা না যায় তাহলে পুনরায় ৫-১০ ভায়াল অ্যান্টিভেনোম প্রয়োগ করতে হবে।

✳️নিউরোটক্সিক বিষ এর ক্ষেত্রে এক ঘণ্টার মধ্যে যদি রোগীর কোন প্রকার উন্নতি দেখা না যায় তাহলে পুনরায় অ্যান্টিভেনোম প্রয়োগ করতে হবে

✳️সাধারণত ১৫ থেকে ২০ ভায়াল অ্যান্টিভেনাম প্রয়োগ করলেই রোগীর মধ্যে উন্নতি লক্ষ্য করা যায়। তবে এতেও রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি দেখা না গেলে এর অধিক অ্যান্টিভেনম রোগীকে দেয়া যেতে পারে।

✴️নির্বিষ সাপের ক্ষেত্রে অ্যান্টিভেনোম এর প্রতিক্রিয়াঃ
যদি কোন বিষহীন সাপ রোগীকে কামড় দিয়ে থাকে এবং সেই রোগীকে অ্যান্টিভেনোম প্রয়োগ করা হয় তাহলে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। অ্যান্টিভেনোম অত্যন্ত নিরাপদ। রোগীর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যেমনঃ চুলকানি চামড়া ফুলে যাওয়া ও লাল হয়ে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন প্রাণঘাতী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার কোন সম্ভবনা নেই।

⚕️সতর্কতাঃ আন্টিভেনাম প্রয়োগের কোন প্রতিনির্দেশিকা নেই। যদি কোন রোগী অ্যান্টিভেনোমের কোন উপাদানের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে যথাযত সতর্কতা বিধি গ্রহণ করতে হবে। সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এড়ানোর জন্য ০.২৫মি.লি. অ্যান্ডেনালিন ইনজেকশন রোগীর চামড়ার নিচে দেয়া যেতে পারে। সাপের বিষ যদি হেমোটক্সিক হয়ে থাকে তাহলে মাংসপেশিতে যেকোনো ইনজেকশন প্রয়োগ করলে সেই জায়গাতে রক্ত জমাট বাধা বা রক্তক্ষরণ হতে পারে।

✴️অন্যান্য করনীয়ঃ কেউটে ও গোখরা জাতীয় সাপ কামড়ালে রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয় সেজন্য অক্সিজেন দেওয়ার দরকার হতে পারে। তাই সে ব্যবস্থা রাখতে হবে।
চন্দ্রবোড়া জাতীয় সাপের কামড়ে দংশিতস্থান থেকে প্রচুর রক্তকরণ হতে পারে। তাই রক্তপাত বন্ধ করার জন্য রোগীকে ভিটামিন k দেয়া যেতে পারে।

🔅উপসংহারঃ সর্প দংশনের চিকিৎসা আমাদের দেশের জেলা সদর ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোকে সবচেয়ে ভালো হয়ে থাকে।
সর্বোপরি সর্পদংশনের চিকিৎসা হওয়ার পূর্বে সর্পদংশনই যাতে না হয় সেটার খেয়াল রাখা উচিত সবার।
বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার করে রাখা, ঘরে ইঁদুর ও অন্যান্য প্রাণী যাতে না আসতে পারে সেটার খেয়াল রাখা।
কৃষি ক্ষেতে কাজ করতে গেলে পায়ে গামবুট পরিধান ও লাঠি দিয়ে জংলা জায়গায় সাপ আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নেয়া। রাতে রাস্তা চলাচলের ক্ষেত্রে টর্চ ব্যবহার করা।
ঘুমানোর আগে মশারি বিছানার চারদিকে গুঁজে দেয়া সহ আরো অন্যান্য কিছু সতর্কতা মেনে চললে সর্পদংশন এড়ানো সম্ভব।

🖋️..Rakib Al Mim
founder: Snake rescue & wildlife awareness organization rangpur.
(অ্যান্টিভেনোম ডোজ তথ্য সংগ্রহ: ইনসেপ্টা নির্দেশিকা)

⏺️জনসচেতনতা বাড়াতে পোস্টটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

অতি সহজ ভাষায় সর্পদংশন প্রতিরোধ ও প্রাথমিক চিকিৎসার নিয়মাবলি এই পোস্টারে দেয়া হয়েছে।যা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন ...
26/09/2025

অতি সহজ ভাষায় সর্পদংশন প্রতিরোধ ও প্রাথমিক চিকিৎসার নিয়মাবলি এই পোস্টারে দেয়া হয়েছে।
যা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে সর্প দংশন নিয়ন্ত্রণে ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে। জনস্বার্থে পোস্টটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

রংপুরে সর্পদংশন চিকিৎসার অন্যতম পথিকৃৎ ডাঃ রথীন্দ্র কুমার মন্ডল স্যার এবং SRWAOR এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি Rakib al Mim। সংগ...
21/09/2025

রংপুরে সর্পদংশন চিকিৎসার অন্যতম পথিকৃৎ ডাঃ রথীন্দ্র কুমার মন্ডল স্যার এবং SRWAOR এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি Rakib al Mim। সংগঠনের পথ চলার শুরুর দিক থেকেই রংপুরের সর্প দংশনের শিকার রোগীদের চিকিৎসা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ব্যাপারে স্যারের সহযোগিতা ও পরামর্শ পেয়ে আসচি আমারা। আমাদের Snake rescue & wildlife awarness organization Rangpur এর উপদেষ্টা হিসেবে স্যারের সহযোগিতা অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে আমাদের। আশা রাখি সামনেও সর্প দংশনের চিকিৎসায় ও সর্প দংশন রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্যারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

সাপের কামড় একটি জরুরি অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে কী কী করা উচিত? এবং কী কী করা উচিত নয় তা দ্রুত জানা থাকলে জীবন বাঁচানো সম্...
19/09/2025

সাপের কামড় একটি জরুরি অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে কী কী করা উচিত? এবং কী কী করা উচিত নয় তা দ্রুত জানা থাকলে জীবন বাঁচানো সম্ভব।
সাপের কামড়ের পর আপনার করণীয় বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো 👇
🔹 শান্ত থাকুন এবং রোগীকে আশ্বস্ত করুন 👇
সাপের কামড়ের পর আতঙ্কিত হলে হৃৎপিণ্ডের গতি বেড়ে যায়, ফলে বিষ দ্রুত সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই সবচেয়ে আগে জরুরি হলো শান্ত থাকা এবং রোগীকেও শান্ত থাকতে সাহায্য করা। রোগীকে হাঁটাচলা করতে দেবেন না।
🔹 দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন বা হাসপাতালে যান 👇
যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। যদি অ্যাম্বুলেন্স ডাকার সুযোগ থাকে, তাহলে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন। যদি অ্যাম্বুলেন্স না আসে, তাহলে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন। সময় নষ্ট না করে কাছের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান।
🔹 আক্রান্ত স্থানটি স্থির রাখুন 👇
যেখানে সাপ কামড়েছে, সেই অঙ্গটি যতটা সম্ভব স্থির রাখুন। যদি হাতে কামড়ায়, তাহলে হাতটি শরীরের সাথে স্বাভাবিকভাবে রাখুন। যদি পায়ে কামড়ায়, তাহলে পা স্থির করে রাখুন। অঙ্গটি বেশি নাড়াচাড়া করলে বিষ দ্রুত ছড়াতে পারে। আক্রান্ত স্থানটি হার্টের থেকে নিচের দিকে রাখার চেষ্টা করুন।
🔹 আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করুন 👇
যদি সাবান ও জল হাতের কাছে থাকে, তাহলে হালকাভাবে আক্রান্ত স্থানটি পরিষ্কার করে দিন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। তবে খুব বেশি ঘষাঘষি করবেন না।
🔹 কিছু তথ্য মনে রাখুন 👇
যদি সম্ভব হয়, তাহলে সাপটির ছবি তুলুন কিন্তু এর জন্য সাপের পিছু নেবেন না বা লুকিয়ে যাওয়া সাপকে খোঁজাখুজি করবেন না এবং সাপকে ধরার চেষ্টা করবেন না।

এবং যেসব কাজ কখনোই করবেন না
🔸 কামড়ের স্থানে কাটবেন না: কোনোভাবেই ছুরি বা ব্লেড দিয়ে কামড়ের স্থান কাটবেন না। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
🔸 বিষ চুষে বের করবেন না: মুখ দিয়ে বিষ চুষে বের করার চেষ্টা করবেন না, এটি একেবারেই কার্যকর নয়, বরং বিষ আপনার শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
🔸 শক্ত করে বাঁধবেন না: কামড়ের স্থানের ওপর খুব শক্ত করে কোনো কিছু (যেমন: দড়ি বা কাপড়) বাঁধবেন না। এতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে টিস্যুর ক্ষতি হতে পারে।
🔸 ওষুধ দেবেন না: ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া রোগীকে কোনো ধরনের ওষুধ বা ব্যথানাশক দেবেন না।
🔸 ঝাড়ফুঁকে সময় নষ্ট করবেন না: ঝাড়ফুঁক বা ওঝার কাছে গিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যান।
সাপের কামড়ের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দ্রুত এবং সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া। উপরোক্ত বিষয়গুলো মনে রাখলে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে আপনি সঠিক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

সাপ ও বন্যপ্রাণী উদ্ধার সহযোগিতা পেতে আমাদের হটলাইনে যোগাযোগ করুন।

দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা, কি ভাবছেন উনি কোন চোর কিনবা ডাকাত? পড়ুন বিস্তারিতঃ চমকে উঠবেন।না উনি চোর কিনবা ডাকাত কোনটাই নন ...
25/08/2025

দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা, কি ভাবছেন উনি কোন চোর কিনবা ডাকাত? পড়ুন বিস্তারিতঃ চমকে উঠবেন।

না উনি চোর কিনবা ডাকাত কোনটাই নন উনি একজন সর্প দংশনের রোগি। কিন্তুু কুসংস্কারাছন্ন সমাজ তাকে এমন ভাবে বেঁধেছে, যে কেউ এক পলকে ভেবে নিতে পারেন উনি চোর কিনবা ডাকাত। তাও যদি জীবনটা বাঁচত এরকম করে বাঁধার কারনে তাহলেও একটা সান্তনা পাওয়া যেত। ভাবতেই অবাক লাগে ২০২৫ সনের আধুনিক যুগে এসেও মানুষ সাপে কাটা রুগীকে, চোর ডাকাতের মত রশি দিয়ে বেঁধে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালের পরিবর্তে ওঝা কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট করে রোগিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

গতকাল নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামে বিষধর Common krait বা পাতি কালাচ সাপের কামড়ে রশিদুল নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে এটাও মনে হয় না বলাটা ঠিক হবে কারণ হাসপাতালের পরিবর্তে তারা ওঝার কাছে গিয়েছিল যার কারনে সুচিকিৎসার অভাবে তার মৃত্যু হয়েছে। হ্যা এটা বলা উচিত।
গতকাল রাত দুইটার দিকে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামের রশিদুল নামের ওই যুবক Common krait/পাতি কালাচ সাপের কামড়ের শিকার হন।

তার পরিবার প্রথমে তাকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় কবিরাজের দ্বারস্থ হয়। কবিরাজ তার ভ্রান্ত আল বাল ছাল ঝাড় ফুঁ করে অতি মূল্যবান সময় নষ্ট করে। পরবর্তীতে অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকলে রোগিকে নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। পথিমধ্যে রশিদুলের শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে বোকার মত পুনরায় তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। সম্ভবত সকালে অন্য কোন কবিরাজের চিকিৎসার আশায়। মূল্যবান সময় এভাবেই গড়াতে থাকে রাত গড়িয়ে সকাল হয়। ততক্ষণে রশিদুল তার প্রাণ হয়তো হারিয়ে ফেলেছেন
কোন মুভমেন্ট ছিল না। কিন্তুু সকালে আরেকজন কবিরাজ এসে জানান, রোগী এখনো জীবিত আছে এবং তিনি ঝাড় ফু করবেন। তারপর কয়েক ঘণ্টা ঝারফু চিকিৎসা করার পর সেই কবিরাজ নিজেই নাকি রোগিকে মৃত ঘোসনা করেন।

আপনারা জানেন' দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরে সর্পদংনে মৃত্যু রোধে আমি এবং আমার সংগঠন কাজ করছি, যতটা সম্ভব জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রোগ্রাম করে চলেছি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় এবং তা অনলাইন প্লাটফর্মে প্রচার চালাচ্ছি দূর-দূরান্তের প্রান্তিক মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে। তাই এরকম ঘটনা আমার কাছে নতুন কিছু নয়।
আমার নিজের এলাকাতেও কবিরাজের ঝাড়ফু চিকিৎসার কারণে এক টগবগে যুবক ফিরোজ মিয়া প্রাণ হারিয়েছিল।

কিন্তুু এর শেষ কোথায়? আমাদের প্রচারণা গুলো কি কাজে লাগছে না নাকি আমরা সহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুল যারা সারা বাংলাদেশব্যাপী কাজ করছে তাদের কথায় মানুষজনের কোন আস্থা পাচ্ছে না?

এক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত মতামত যদি বলি তাহলে বলতে হয়, আমাদের তথা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো প্রচারণা কাজে দিচ্ছে।
কিন্তুু সব এলাকাতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কুসংস্কার আচ্ছন্ন ওঝা কবিরাজরা সমাজের বয়স্কদের একটা আস্থার জায়গা দখল করে রেখেছে। সাথে এই ওঝা কবিরাজরা নিজেদের এমন ভাবে উপস্থাপন করেযে
গ্রামের সহজ সরল মানুষ অবলীলায় বিশ্বাস করে নেয় ঝারফু করেও সাপে কাটা রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব।

এক্ষেত্রে বহু প্রাচীন কাল থেকে সমাজে বয়ে চলা
সর্পদংশন সম্পর্কিত কিছু মিথ মানব মনে
আস্থার যোগান দেয়।
বিধায় মানুষ সর্পদংশনের ক্ষেত্রে প্রথমত ওঝা কবিরাজের দিকেই চিকিৎসার জন্য ঝুকে পরে।

কাজেই সর্প দংশনের সুচিকিৎসায় জনসাধারন
হাসপাতালমুখী হওয়ার সামনে ওঝা কবিরাজরা এখনো
মূল বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

অতএব সর্পদংশনের সুচিকিৎসায় বাধা হয়ে দাঁড়ানো ওঝা কবিরাজদের ঠেকাতে সরকার এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অতীব জরুরী।

ওঝা কবিরাজদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে না পারলে বা তাদের এই পেশা থেকে দূরীভূত করতে না পারলে, সর্প দংশনে সুচিকিৎসা নিতে জনগণকে হাসপাতাল মুখী করা এবং মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা
সহজ ও সম্ভব হবে না।

🖋️..Rakib al Mim
founder: Snake rescue & wildlife awareness organization rangpur.

আজ অদ্য বিকেলে রংপুর কারমাইকেল কলেজের ঐতিহাসিক বটতলা প্রাঙ্গনে Snake Rescue & Wildlife Awarness Organization Rangpur এর ...
15/08/2025

আজ অদ্য বিকেলে রংপুর কারমাইকেল কলেজের ঐতিহাসিক বটতলা প্রাঙ্গনে Snake Rescue & Wildlife Awarness Organization Rangpur এর আয়োজনে বন্যপ্রাণী উদ্ধার সংরক্ষণ সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শীর্ষক একটি সাংগঠনিক গ্রুপমিটিং করা হয়। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা Rakib AL Mim, কার্যকরী সদস্য Sojib Chandra Roy সহ অন্যান্য রেসকিউয়ার ও সদস্যগণ।

Address

Rangpur

Telephone

+8801824886877

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Snake Rescue & Wildlife Awarness Organization Rangpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share