Indigenous Voice of Bangladesh - IVOBD

Indigenous Voice of Bangladesh - IVOBD We fights for the Human Rights, Environment, Peace And Freedom of Indigenous Peoples in Bangladesh. We fight for self-determination and people's human rights.

Stand Up For Human Rights."We want to peace, not conflict" Because Christians, Hindus, Muslims, Buddhists are all human beings." We are Indigenous, Stop calling small ethnic groups in everywhere" We Are Chakma, Marma, Tripura, Tanchangya, Bawm, Mro, Santal, Khasi, Jaintia, Garo, Manipuri, Keot and etc."Everything Can Be Given Up, But Not Rights"

18/05/2026

সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আদিবাসীরা আজও কি তাদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার পেয়েছে? বৃহত্তর ময়মনসিংহের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রীয় বঞ্চনার ইতিহাস এবং একটি সত্যিকারের বৈষম্যহীন ‘রেইনবো নেশন’ গড়ে তোলার প্রত্যাশা নিয়ে লিখেছেন টনি চিরান।

17/05/2026

এই অঞ্চলের মানব সভ্যতার ইতিহাস যদি দেখেন তাদের পদাচারণায় প্রথম হয়েছে, তো সেই হিসাবে আমরা তাদেরকে আদিবাসী বলি: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

চলেশ রিছিলকে হত্যা বিচারহীনতার ১৯ বছর!লিখেছেন আদিবাসী যুব নেতা টনি চিরান _______________________________________আজ ১৮ মা...
18/03/2026

চলেশ রিছিলকে হত্যা বিচারহীনতার ১৯ বছর!

লিখেছেন আদিবাসী যুব নেতা টনি চিরান

_______________________________________

আজ ১৮ মার্চ। মধুপুরের ইকোপার্কবিরোধী ও ভূমি রক্ষার সংগ্রামের সাহসী আদিবাসী নেতা চলেশ রিছিলের ১৯তম হত্যা দিবস। কিন্তু প্রশ্ন একটাই - ১৯ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার কোথায়? ইকোপার্কবিরোধী আন্দোলন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে যৌথবাহিনীকে ব্যবহার করে হত্যা করা হয়েছিলো চলেশ রিছিলকে।

২০০৭ সালের এই দিনে, ময়মনসিংহ থেকে বাড়ি ফেরার পথে মুক্তাগাছার কালীবাড়ি বাজারে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হন চলেশ রিছিল। তার সঙ্গে ছিলেন প্রতাপ জাম্বিল, পীরেন সিমসাং ও তুহিন হাদিমা। দু'জন পালাতে পারলেও চলেশ ও প্রতাপকে তুলে নেওয়া হয় অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পে। সেখানে চলেশ রিছিলের ওপর চালানো হয় মধ্যযুগীয় বর্বরতা, মানবিকতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করা নির্যাতন।

মেজর তৌফিক এলাহীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনির ৯ জন সদস্য জানালার গ্রীলে ঝুলিয়ে মধ্যযোগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়। তার আঙুলের নখ উপড়ে ফেলা হয়, অন্ডকোষে আঘাত করা হয়, শরীরের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। এই নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর তার ক্ষতবিক্ষত দেহ ফেলে রাখা হয় মধুপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

তারপর সত্য ধামাচাপা দিতে সাজানো হলো মিথ্যা গল্প। বলা হলো - দৌড়ে পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারিয়েছেন! আবার দাবি করা হলো ‘হার্ট অ্যাটাক’। কিন্তু এই মিথ্যার মুখোশ বেশিদিন টেকেনি। দেশ-বিদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো, তদন্ত প্রতিবেদন - সবই প্রমাণ করেছে, এটি ছিলো পরিকল্পিত নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড।

১৯ বছরেও বিচার নেই!

রাষ্ট্রের এই নীরবতা কিসের ঈঙ্গিত দেয়? এই বিচারহীনতা কাদের রক্ষা করছে? রাষ্ট্র কি এভাবেই বছরের পর বছর অন্যায়ের পাশে দাঁড়াবে?

চলেশ রিছিল শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি মধুপুরে গড়ে আদিবাসীদের ভূমি অধিকার প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। তার হত্যার বিচার না হওয়া মানে এই দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত নিপীড়ন, বৈষম্য ও অবিচারকে স্বীকৃতি দেওয়া।

চলেশ রিছিল হত্যার বিচার চাই, বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতেই হবে।

প্রতিবাদে সংহতি ✊🏾✊🏾✊🏾
14/03/2026

প্রতিবাদে সংহতি ✊🏾✊🏾✊🏾

বাগাছাস/প্রতিবাদলিপি-২০২৬-০১
তারিখঃ১৩/০৩/২০২৬

মধুপুরের ধরাটি গ্রামে গারো আদিবাসী পরিবারের ওপর যে বর্বরোচিত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে, তা কেবল একটি ঘর ভাঙা নয়—এটি মানবিকতা, সভ্যতা এবং নারীর মর্যাদার ওপর এক চরম কুঠারাঘাত। বন শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (বশিউক) এবং আনসার বাহিনীর এই আচরণ প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্র আজ দুর্বলের ওপর চড়াও হতে কতটা বেপরোয়া।
​আমাদের তীব্র প্রতিবাদ ও প্রশ্ন:
​মায়ের ওপর আঘাত, শিশুর কান্না: ভিডিওতে দেখা গেছে, পিঠে অবুঝ শিশু থাকা অবস্থায় একজন আদিবাসী মায়ের ওড়না টেনে ধরছে আনসার সদস্য! আমরা প্রশ্ন করতে চাই—ওই আনসার সদস্যের নিজের মা, বোন বা কন্যা যদি আজ এমন পরিস্থিতিতে পড়তেন, তবে কি তিনি একইভাবে হাত তুলতে পারতেন? উর্দি পরলেই কি মানুষের বিবেক মরে যায়?
​বনের দখলদার বনাম ভূমিপুত্র: প্রভাবশালীদের দখলে থাকা হাজার হাজার একর বনভূমি উদ্ধার করার সাহস আপনাদের নেই, অথচ যে আদিবাসীদের পূর্বপুরুষের ঘাম ও রক্তে এই বন টিকে আছে, তাদের বন্দুকের মুখে উচ্ছেদ করতে আপনাদের বুক কাঁপে না? এটি কি আপনাদের ‘উন্নয়ন’ নাকি দখলদারিত্ব?
​পরিচয়হীন দাপট: কেন আপনাদের ইউনিফর্মে নামফলক ছিল না? আপনারা কি জানতেন যে আপনারা যা করছেন তা অন্যায় এবং অমানবিক? পরিচয় লুকিয়ে হামলা চালানো তো কাপুরুষের লক্ষণ, কোনো সুশৃঙ্খল বাহিনীর কাজ নয়।
​একাত্মতা ও ঘোষণা:
​মধুপুরের মাটি আজ আদিবাসীদের অস্তিত্বের সংকটে কাঁপছে। আজ যদি আমরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব থাকি, তবে কাল হয়তো কোনো আদিবাসীরই নিজের ঘর বলে কিছু থাকবে না। এটি কেবল এক খণ্ড জমির লড়াই নয়; এটি আমাদের মর্যাদা, সংস্কৃতি এবং বেঁচে থাকার শেষ লড়াই।
​আমাদের দাবি:
​১. অবিলম্বে ওই আদিবাসী নারীর শ্লীলতাহানিকারী এবং হামলাকারী আনসার সদস্যদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
২. ভুক্তভোগী পরিবারকে তাদের ভিটেমাটিতে সসম্মানে পুনর্বাসিত করতে হবে এবং ঘর ভাঙার পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৩. মধুপুরের আদিবাসীদের প্রথাগত ভূমির অধিকারের আইনি স্বীকৃতি দিতে হবে এবং উচ্ছেদের নামে সাধারণ মানুষের ওপর হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
​শেষ কথা:
স্মরণ রাখবেন, বন্দুকের নলে ঘর ভাঙা যায়, কিন্তু শত বছরের শিকড় আর লড়াইয়ের স্পৃহা উপড়ে ফেলা যায় না। আমরা আর নীরব থাকব না। আমাদের ভিটেমাটি এবং মা-বোনের সম্মানের প্রশ্নে কোনো আপস হবে না।
​"আমার মাটি আমার মা, কাইড়া নিতে দিবো না।"

আমরা আবারও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে আছি।

খা সাংমা
খা মারাক
✊✊✊

Address

Chittagong Hill Tracts
Rangamati

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Indigenous Voice of Bangladesh - IVOBD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share