TFP Film Club

TFP Film Club FILM CLUB of the department of Television, Film and Photography, University of Dhaka.

21/05/2026

The TFP Film Club of the Department of Television, Film and Photography at the University of Dhaka has been awarded the “BFFS Medal 2025 (Organisation of the Year)” in recognition of its significant contribution to the film society movement.

The honour was presented at the closing ceremony of the “National Film Society Conference 2026”, organised by the Bangladesh Federation of Film Societies (BFFS), held at the Bangladesh Film Archive in Agargaon, Dhaka on 16 May 2026. Representatives from across the country, including more than a hundred film societies, organisers, and independent filmmakers, attended the day-long event.

Read more: Link in comments

উত্তর মেসিডোনিয়ার এক প্রত্যন্ত, নির্জন পাহাড়ি গ্রামে দাঁড়িয়ে হাটিজে মুরাতোভা যখন বলেন, "অর্ধেক নিজের জন্য নাও, আর অর্ধে...
19/05/2026

উত্তর মেসিডোনিয়ার এক প্রত্যন্ত, নির্জন পাহাড়ি গ্রামে দাঁড়িয়ে হাটিজে মুরাতোভা যখন বলেন, "অর্ধেক নিজের জন্য নাও, আর অর্ধেক রেখে দাও মৌমাছিদের জন্য" তখন তা কেবল একটি সাধারণ বক্তব্য থাকে না বরং তা হয়ে ওঠে প্রকৃতির সাথে মানুষের সহাবস্থানের এক আদিম ও শাশ্বত দর্শন। তামারা কোতেভস্কা পরিচালিত "Honeyland" (2019) কেবল একটি তথ্যচিত্র নয়, এটি মানুষের লোভ বনাম প্রকৃতির ভারসাম্যের এক মহাকাব্যিক ভিজ্যুয়াল জার্নি।

সিনেমার গল্পটি আবর্তিত হয়েছে ইউরোপের শেষ নারী বন্য-মৌয়াল হাটিজেকে কেন্দ্র করে। বিদ্যুৎহীন, জনমানবহীন এক পাথুরে উপত্যকায় বুড়ো মায়ের দেখাশোনা আর প্রাচীন পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহ করেই তাঁর জীবন কাটে। কিন্তু এই শান্ত, মায়াবী জীবনে ঝড় নেমে আসে যখন এক যাযাবর পরিবার আধুনিক সভ্যতার অতি-উপভোগবাদী মানসিকতা নিয়ে সেখানে হাজির হয়।

হাটিজের সেই সহজ জীবনদর্শন বনাম নবাগতদের সীমাহীন লোভের দ্বন্দ্ব আমাদের বাধ্য করে আধুনিক সভ্যতার এই অন্ধ দৌড় নিয়ে নতুন করে ভাবতে।
অস্কারের ইতিহাসে একই সাথে 'সেরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র' এবং 'সেরা তথ্যচিত্র' এই দুই বিভাগে নমিনেশন পাওয়া প্রথম সৃষ্টি এটি।

কেন এই সিনেমা এত স্পেশাল? কারণ কোনো স্ক্রিপ্ট বা কৃত্রিম আলো ছাড়াই, দীর্ঘ তিন বছর ধরে নির্মাতারা যেভাবে হাটিজের জীবনের প্রতিটি ফ্রেম ক্যামেরায় বন্দি করেছেন, তা কল্পকাহিনীর চেয়েও সুন্দর এবং বাস্তবতার চেয়েও তীব্র। রূপালী পর্দার আলো-ছায়ার আড়ালে এটি আসলে জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রকৃতির প্রতি আমাদের অন্যায়ের এক নীরব প্রতিবাদ।

প্রকৃতির এই অমোঘ বাণী আর হাটিজের সেই লড়াকু জীবনকে বড় পর্দায় অনুভব করতে আগামী ২১ মে টিএফপি ফিল্ম ক্লাব আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে আমাদের নিয়মিত সাপ্তাহিক প্রদর্শনীতে।

চলচ্চিত্র: Honeyland (2019)
পরিচালক ও লেখক: তামারা কোতেভস্কা
রানটাইমঃ ১ ঘন্টা ২৬ মিনিট
তারিখ: ২১ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার
সময়: দুপুর ১টা ৩০ মিনিট
স্থান: কক্ষ ৭০৯, ৬ষ্ঠ তলা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে অনন্য স্বীকৃতি: টিএফপি ফিল্ম ক্লাব পেলো বর্ষসেরা সংগঠনের সম্মাননা!অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সাথে জা...
18/05/2026

চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে অনন্য স্বীকৃতি: টিএফপি ফিল্ম ক্লাব পেলো বর্ষসেরা সংগঠনের সম্মাননা!

অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সাথে জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) কর্তৃক আয়োজিত দিনব্যাপী ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ২০২৬’-এ "বর্ষসেরা সংগঠন" হিসেবে "বিএফএফএস পদক" অর্জন করেছে টেলিভিশন, ফিল্ম এন্ড ফটোগ্রাফি (টিএফপি) ফিল্ম ক্লাব।

গত ১৬ মে ২০২৬, শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে জাঁকজমকপূর্ণ এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আমাদের হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (পলিসি, তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক) ডা. জাহেদ উর রহমান।

বিগত দিনগুলোতে সুস্থ চলচ্চিত্র চর্চা, চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে টিএফপি ফিল্ম ক্লাবের প্রতিটি সদস্যের অক্লান্ত পরিশ্রম, সাধনা এবং চলচ্চিত্রের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসারই এক অনন্য স্বীকৃতি এই পুরস্কার।
এই গৌরবময় অর্জনে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস)-কে। সেই সাথে কৃতজ্ঞতা ক্লাবের সকল বর্তমান ও প্রাক্তন সদস্যদের, শুভানুধ্যায়ী এবং দর্শকদের প্রতি, যাদের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন আমাদের এই পথচলাকে করেছে মসৃণ।

চলচ্চিত্রকে মানুষের জ্ঞানচর্চা ও মানসিকতা প্রকাশের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার এই স্বপ্নযাত্রায় আমরা অবিচল থাকব। আমাদের এই পথচলা আগামীতেও অব্যাহত থাকুক।

The houseful screening of Grave of the Fireflies this week ended in total silence, with the whole room left in tears. Th...
14/05/2026

The houseful screening of Grave of the Fireflies this week ended in total silence, with the whole room left in tears. The movie captures the raw agony of war and the way it destroys innocent lives. Seeing Seita and Setsuko deal with starvation and the loneliness of being abandoned is a gut-wrenching reminder of how much children
suffer in conflicts they didn't create.

What touched us most was the pure and unconditional love between the siblings. Even in the darkest moments, they held onto each other with warmth, care, and hope. Their bond became a symbol of humanity surviving amidst devastation.

The movie delivered a heavy truth: war not only destroys cities; it destroys families, childhoods, and futures. It forced everyone to really think about the weight of peace and human connection, leaving an emotional impact that will stay with us for a long time.

After the screening, we had our quiz and discussion session, where Fatin Ilham won today’s book “And The Mountains Echoed” handed by Khandakar Rubyat Mursalin sir. We talked about how war makes the sufferers suffer more, hurting innocent souls. That being said, we hope the world becomes a softer place for all of us.

Lastly, thank you to everyone who joined us in today’s experience.

যুদ্ধের কোনো রঙ থাকে না, থাকে শুধু ধ্বংসের ছাই আর একরাশ হাহাকার। ইসাও তাকাহাতা এর মাস্টারপিস "Grave of the Fireflies" কে...
13/05/2026

যুদ্ধের কোনো রঙ থাকে না, থাকে শুধু ধ্বংসের ছাই আর একরাশ হাহাকার। ইসাও তাকাহাতা এর মাস্টারপিস "Grave of the Fireflies" কেবল একটি সিনেমা নয়, এটি একটি যুদ্ধের লেলিহান শিখায় পুড়ে যাওয়া দুটি প্রাণের অব্যক্ত আর্তনাদ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেইতা আর সেতসুকো নামের দুই ভাই-বোনের বেঁচে থাকার আকুল সংগ্রাম আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রাজনীতির খেলায় সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় নিষ্পাপ শিশুদের।
​অ্যানিমেশন মানেই যে শুধু রূপকথা নয়, বরং এটিও যে বাস্তবতার সবচেয়ে নিষ্ঠুর আর সংবেদনশীল রূপ ফুটিয়ে তুলতে পারে, তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ এই চলচ্চিত্রটি। জাপানের কোবে শহরের সেই জ্বলন্ত আকাশ আর তার নিচে জোনাকির আলোর মতো ক্ষণস্থায়ী কিছু সুখ স্মৃতির প্রতিটি ফ্রেম অসম্ভব মমতায় বুনেছেন তাকাহাতা। জোনাকিরা যেমন অল্প সময়ের জন্য আলো দিয়ে আঁধারে মিলিয়ে যায়, তেমনি সেইতা আর সেতসুকোর স্বপ্নগুলোও যেন সেই জোনাকির কবরেই ঠাঁই পায়।
​কেন আমরা আজও এই সিনেমা দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারি না? কারণ এটি আমাদের শেখায় ভালোবাসার অপরিসীম শক্তি এবং যুদ্ধের অসারতা। মানবিক সম্পর্কের এমন নিপুণ আর হৃদয়বিদারক চিত্রায়ন সিনেমা ইতিহাসে বিরল। স্টুডিও গিবলির এই অমর সৃষ্টিটি আমাদের বাধ্য করে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করতে।
​আসন্ন প্রদর্শনীতে এই কালজয়ী সিনেমার মাধ্যমে আমরা স্মরণ করতে চাই সেইসব নাম না জানা শিশুদের, যাদের গল্প ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে গিয়েছে। তাইতো এই বৃহস্পতিবার টিএফপি ফিল্ম ক্লাব আপনাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এমন এক বিষণ্ণ অথচ সুন্দর অভিজ্ঞতার অংশ হতে।

​চলচ্চিত্র: Grave of the Fireflies (1988)
তারিখ: ১৪ ই মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার
সময়: দুপুর ২টা
স্থান: কক্ষ ৭০৯, ৬ষ্ঠ তলা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আজকের টিএফপি ফিল্ম ক্লাব-এর ‘চারুলতা’ স্ক্রিনিং ছিল সত্যিই এক মায়াবী অভিজ্ঞতা। সত্যজিৎ রায়ের এই মাস্টারপিসটি এতই সূক্ষ্ম...
07/05/2026

আজকের টিএফপি ফিল্ম ক্লাব-এর ‘চারুলতা’ স্ক্রিনিং ছিল সত্যিই এক মায়াবী অভিজ্ঞতা। সত্যজিৎ রায়ের এই মাস্টারপিসটি এতই সূক্ষ্ম আর জীবন্ত যে, কখন আমরা অজান্তেই চারুর একাকীত্বের গহীনে হারিয়ে গিয়েছিলাম, টেরই পাইনি। পরিচালক নিজেও ছবিটিকে তাঁর অন্যতম প্রিয় কাজ বলতেন, যেখানে কথা কম থাকা সত্ত্বেও চোখের চাহনি আর নিস্তব্ধতাই বলে দেয় হাজারো না বলা গল্প।

আপনারা যেভাবে খুঁটিনাটি বিষয়গুলো লক্ষ্য করেছেন আর ফিল্ম কুইজে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন, তাতে আজকের আড্ডাটা অন্য মাত্রা পেয়েছিল। সত্যি বলতে, সবার গভীর পর্যবেক্ষণ দেখে ‘সেরা দর্শক’ বেছে নেওয়াটা আমাদের জন্য একরকম অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আসলে প্রেক্ষাগৃহের অন্ধকারে সবাই মিলে একসাথে সিনেমা দেখা, একই মুহূর্তে আবেগপ্রবণ হওয়া আর সবশেষে সিনেমা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ, এই অনুভূতির কোনো তুলনা হয় না।

আপনাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণেই আমাদের সাপ্তাহিক স্ক্রিনিংগুলো প্রতিবার আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে। এভাবেই পাশে থাকুন।

চারুলতা সিনেমায় চারু যখন জানালার খড়খড়ির ফাঁক দিয়ে দূরবীন হাতে বাইরের পৃথিবীটাকে দেখেন, সেই দৃশ্যটা যেন একাকীত্ব আর মনের ...
05/05/2026

চারুলতা সিনেমায় চারু যখন জানালার খড়খড়ির ফাঁক দিয়ে দূরবীন হাতে বাইরের পৃথিবীটাকে দেখেন, সেই দৃশ্যটা যেন একাকীত্ব আর মনের গহীনের হাজারো না বলা কথার এক জীবন্ত ছবি। চার দেয়ালের মাঝে বন্দি থেকেও তিনি আসলে খুঁজছিলেন নিজের চেনা একটা জগৎ, নিজের মনের ভাষা। এই আকুতি শুধু চারুর একার নয়; আমাদের সবার ভেতরেই এমন কিছু অব্যক্ত অনুভূতি থাকে, যা কখনও বলা হয় না।

বাংলা সিনেমার ইতিহাসে সত্যজিৎ রায় ছাড়া আর কেই-বা মানুষের মনের এত গভীরে ডুব দিতে পেরেছেন? তাঁর সিনেমা মানে শুধু পর্দার গল্প নয়; সেখানে কথা বলে মানুষের নীরবতা, চোখের ভাষা আর সম্পর্কের টানাপোড়েন। সমাজের বদলে যাওয়াকে তিনি যে কী মমতায় পর্দায় ফুটিয়ে তুলতেন, তা ভাবলে আজও অবাক হতে হয়।

এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ বোধহয় চারুলতা। রবীন্দ্রনাথের নষ্টনীড় অবলম্বনে গড়া এই সিনেমায় রায় দেখিয়েছেন উনিশ শতকের এক শিক্ষিত নারীর নিঃসঙ্গ পথচলা আর নিজেকে খুঁজে পাওয়ার সংগ্রাম। চারু, ভূপতি আর অমল, এই তিনজনের সম্পর্কের রসায়ন তিনি এমনভাবে বুনেছেন, যা আজও আমাদের ভীষণভাবে ছুঁয়ে যায়।

সত্যজিৎ রায়ের সিনেমার আসল জাদু হলো এর পরিমিতিবোধ। তিনি চিৎকার করে কিছু বলেন না, অথচ তাঁর একেকটি ফ্রেম যেন মহাকাব্য। পথের পাঁচালী থেকে নায়ক, কিংবা অরণ্যের দিনরাত্রি, প্রতিটি কাজই বাংলা সিনেমাকে পৃথিবীর কাছে গর্ব করার মতো জায়গা করে দিয়েছে।

সময় অনেক এগিয়েছে, সমাজ বদলেছে, কিন্তু সত্যজিৎ রায়ের সিনেমার সেই টান আজও একটুও কমেনি। তিনি আমাদের ভাবতে শিখিয়েছেন, অনুভব করতে শিখিয়েছেন। বাংলা সিনেমার আকাশে তিনি সবসময়ই এক উজ্জ্বল ধ্রুবতারা হয়ে থাকবেন।

প্রিয় এই গুণী নির্মাতার জন্মদিন উপলক্ষে টিএফপি ফিল্ম ক্লাব তাঁকে জানাচ্ছে বিনম্র শ্রদ্ধা। এই বিশেষ দিনটি উদ্‌যাপনে আগামী ৭ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার আমরা আয়োজন করছি চারুলতা-র একটি বিশেষ প্রদর্শনী ও আড্ডার।

📽️ চলচ্চিত্র: চারুলতা

📅 তারিখ: ৭ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার

⏰ সময়: দুপুর ১টা ৩০ মিনিট

📍 স্থান: কক্ষ ৭০৯, ৬ষ্ঠ তলা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

চারুর সেই জানালার ওপাশের জগতকে নতুন করে চিনতে আর সত্যজিৎ রায়ের জাদুকরী নির্মাণকে আরও একবার অনুভব করতে আপনাদের সবার আমন্ত্রণ রইল। আশা করি দেখা হবে!

01/05/2026

Wes Anderson always saw things differently. Long before he was a director, he was obsessed with theater and the way a single, still frame could tell a story. For him, a movie wasn't just motion; it was a living painting.

His career really started in college when he teamed up with Owen Wilson. They made a short that eventually became Bottle Rocket in 1996. It wasn't a huge hit at the time, but people in the industry knew right away that a unique voice had arrived.

He drew a lot of inspiration from world cinema, too. You can see the humanistic touch of filmmakers like Satyajit Ray in his work, that specific blend of whimsy and genuine emotional depth. From Rushmore to The Grand Budapest Hotel, he’s spent his career ignoring the usual Hollywood rules to build his own meticulous worlds.

He proved that cinema is more than just a way to kill two hours; it’s a visual language of its own.

The TFP Film Club is proud to celebrate a true visionary today. Happy Birthday, Wes Anderson.

Send a message to learn more

TFP Film Club warmly welcomed the freshers, followed by an introduction to the club and what we all share, a love for ci...
01/05/2026

TFP Film Club warmly welcomed the freshers, followed by an introduction to the club and what we all share, a love for cinema.

We watched “Children of Heaven”, a story of simplicity, love, and little dreams that stay with you long after the credits roll.

Dear Freshers,
“Cinema is a matter of what’s in the frame and what’s out.”- Martin Scorsese

You are now our new stories, our new frames. Maybe one day, we’ll create something together, on screen or behind it.
Until then, every week, in the same room, in front of the same screen, let’s watch films together.
And who knows, one film a week might just turn into inside jokes, shared tears, random debates, and a bunch of people you didn’t know you needed.

টিএফপি ফিল্ম ক্লাবের পরিবারে  যুক্ত হতে  যাওয়া ১৩ তম ব্যাচের সকল বন্ধুদের জানাই টিএফপি ফিল্ম ক্লাব পরিবার থেকে ভালোবাসা...
29/04/2026

টিএফপি ফিল্ম ক্লাবের পরিবারে যুক্ত হতে যাওয়া ১৩ তম ব্যাচের সকল বন্ধুদের জানাই টিএফপি ফিল্ম ক্লাব পরিবার থেকে ভালোবাসা ও অভিনন্দন। তোমাদের আগমনে আমাদের এই পথচলা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে, এটাই প্রত্যাশা।

তোমাদের সাথে আমাদের এই নতুন যাত্রার শুরুটা আমরা করতে চাই সিনেমার জাদুকরী আবহে। নবীন বরণের এই বিশেষ দিনে বড় পর্দায় আমরা সবাই মিলে দেখবো বিশ্ববিখ্যাত ইরানি চলচ্চিত্রকার মাজিদ মাজিদির মাস্টারপিস 'Children of Heaven' (১৯৯৭)। একজোড়া জুতো হারানোর গল্প আর ভাই-বোনের সেই অমলিন ভালোবাসার কাহিনী আমাদের মনে করিয়ে দেয় জীবনের সবচেয়ে সরল কিন্তু গভীর আবেগগুলোকে।

নতুন মুখ, নতুন স্বপ্ন আর অফুরান আড্ডায় আমাদের এই প্রথম দিনটি কাটুক চলচ্চিত্রের মায়ায়। তোমাদের বরণ করে নিতে আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

ইভেন্ট: ১৩ তম ব্যাচ এর বরণ
ফিল্ম: Children of Heaven (1997)
পরিচালক: মাজিদ মাজিদি
রানটাইম ১ ঘণ্টা ২৯ মিনিট
তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬
সময়: দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট
ভেন্যু: কক্ষ নম্বর:৭০৯, সপ্তম তলা, সামাজিক বিজ্ঞান ভবন , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

(শুধুমাত্র বিভাগের ১৩ তম ব্যাচের জন্য)

Address

Room #706, 6th Floor, Social Sciences' Building, University Of Dhaka
Ramna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TFP Film Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to TFP Film Club:

Share