Islamic Studies Cultural Forum - ISCF DU

Islamic Studies Cultural Forum - ISCF DU ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ ব

 #ডাকসুু ভোটার তালিকায় যেসব নারী শিক্ষার্থী ছবি প্রদর্শন বন্ধ করতে চান, তারা এই গুগল ফরম পূরণ করে দিন।
26/08/2025

#ডাকসুু ভোটার তালিকায় যেসব নারী শিক্ষার্থী ছবি প্রদর্শন বন্ধ করতে চান, তারা এই গুগল ফরম পূরণ করে দিন।

১. সাইবার নিরাপত্তা ও হয়রানিঃ প্রতিরোধ তালিকায় মেয়েদের ছবি প্রকাশ করলে তা সহজেই কেটে-ছেঁটে, বিকৃত বা ভুয়া প্রোফাই....

📌 Important [Related to  ]ডাকসু ভোটার তালিকায় মেয়েদের ছবি প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে আমাদের আবেদন বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন ...
26/08/2025

📌 Important [Related to ]

ডাকসু ভোটার তালিকায় মেয়েদের ছবি প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে আমাদের আবেদন বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন সেসব মেয়েদের তালিকা চেয়েছেন যারা নিজেদের চেহারা প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। সে তালিকা ২৭ তারিখে মধ্যে জমা দিলে নির্বাচন কমিশন তালিকার ভিত্তিতে আমাদের মেয়েদের ছবি প্রকাশ করবেন না বলে জানিয়েছেন।

এ প্রেক্ষিতে প্রত্যেক স্টুডেন্টের আলাদা করে আবেদন করা এই অল্প সময়ের মধ্যে কঠিন কাজ। তাই আমরা গুগল ফর্ম ওপেন করি। আমরা একক আবেদনে এই লিস্ট চিফ রিটার্নিং অফিসার মহোদয় এর কাছে জমা দিব ইনশা আল্লাহ। অনেকে অলরেডি রেস্পন্স করেছেন, যারা এখনো করেননি, তারা করে ফেলেন।

মাত্র এক মিনিটের কাজ। সহজেই হয়ে যাবে। আর যত বেশি পারুন শেয়ার করুন। প্লিজ।

গুগল ফরম লিংক
https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSff9cexoiJQMpcT9pWgsr2Ug_6veWN5UWO6lW6_5nlwkJyY-A/viewform?fbclid=IwVERDUAMZe7xleHRuA2FlbQIxMAABHqWFmrVEoztMTPUj4DNbU0e5CKJbfHveRM-VnQmZEV0gDCNBiT05Zh7GfNgD_aem_ArMZi_YIX-vaV7d1LIExmg

ঈদ মুবারক
31/03/2025

ঈদ মুবারক

10/12/2024

Bangladesh Islamic Studies Association (BISA)
আলহামদুলিল্লাহ হামদান কাসীরান কাসীরা
ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, ওয়া আলা আসহাবিহি ওয়া মান ওয়ালা।

সুপ্রিয় সুহৃদ, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভাই-বোন,
আমাদের ইসলামিক স্টাডিজ পরিবারের অনেক দিনের প্রতীক্ষিত স্বপ্নের সমন্বিত একটি সংগঠন গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। নামটি হয়ত আপনারা ইতোমধ্যে পড়ে নিয়েছেন - Bangladesh Islamic Studies Association (BISA)।

দেশের ইসলাম শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে কাজ করাই BISA (বিসা) এর মূল লক্ষ্য। এ প্রেক্ষিতে ইসলামিক স্টাডিজ সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু, সমস্যা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রদান, নিয়োগ-পাঠ্যক্রম সংক্রান্ত জটিলতার নিরসন এবং এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কাজ আঞ্জাম দেওয়া এর প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি সকল স্তর ও পর্যায়ের ইসলামী শিক্ষা ও ইসলামী নৈতিকতা ও মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্ব করাও এ সংগঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য। বস্তুত এটি ইসলাম শিক্ষা পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য একটি কমন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে BISA কার্যকর দায়িত্ব পালন করবে বলেই আমরা বিশ্বাস করি।

উল্লেখ্য যে, যদিও এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন, তবুও ইসলাম সংক্রান্ত যে কোন রাজনৈতিক ইস্যুতেও এর সরব উপস্থিতি থাকবে ইনশাআল্লাহ। দেশের ক্রান্তিলগ্নে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেও এটি সচেতন নাগরিক হিসেবে জাতীয় দায়িত্ব পালন করতে ইচ্ছুক।

**
অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম এমন একটি সংগঠন আমাদের থাকবে। শুধু আমিই বা কেন, আমি জানি অনেকেরই এই স্বপ্ন ছিল। আমি অনেকের নাম জানি, অনেকের সাথে হয়ত যোগাযোগই হয়নি। তবুও স্বপ্ন আমাদের এক। অবশ্য, গতকালের পর থেকে, এখন তা আমাদের স্বপ্ন নয়, বরং নিরেট বাস্তবতা।

এ লক্ষ্যে গত ৩/৪ মাস ধরেই প্রস্তুতিমূলক কমিটি করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। গতকাল আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে এর প্রাথমিক কাজ শুরু হলো। ইসলামী-আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভিসি স্যারের (Md Shamsul Alam) উপস্থিতিতে ঢাকায় অবসস্থানরত ২৫ এরও বেশি সদস্যের ঐক্যমতে, ঢাবি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউসুফ ইবন হোছাইন- (Muhammad Yousuf) কে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি করা হয়।

বাংলাদেশের সকল স্তরের ইসলাম শিক্ষার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত এ কমিটিতে প্রতিনিধিত্ব করছেন পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজ মাদ্রাসার সাথে জড়িত সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ। এছাড়া অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত ইসলাম শিক্ষা পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণও এ কমিটিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ কমিটির উদ্দেশ্য ও কর্মনীতি হচ্ছে, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে BISA (বিসা) এর মৌলিক প্রাথমিক কাজসমূহ সম্পাদন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর, যেন BISA পুরোদমে নিজের কাজ করতে পারে।

**
আমরা জানি ও বিশ্বাস করি, এ কমিটির সদস্যের তুলনায় যোগ্য ব্যক্তিবর্গ আমাদের আছেন। তাদের মূল্যবান পরামর্শ ও সহযোগিতা আমাদের একান্ত কাম্য। আমরা চাই, সকলকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে। প্রতিষ্ঠান, আঞ্চলিকতা ও নানারূপ বৈষম্যের বিপরীতে সাম্য ও উপযুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তিমূলক সংগঠনই আমাদের কামনা।

আমরা ক্ষমাপ্রার্থী যে, সময়ের স্বল্পতা ও ব্যস্ততায় আমরা সকলের কাছে পৌঁছাতে পারিনি। তবে দীন ও ইসলাম শিক্ষার স্বার্থে সকলেই আমাদের এ অপারগতাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, এ আশাই রাখি। তবে অদূর ভবিষ্যতে আমরা সকলের সাথেই যোগাযোগের প্রত্যাশা রাখি। সাথে সাথে আপনাদের দিক থেকেও যে কোন ধরনের যোগাযোগ আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতার সাথে গ্রহণ করব।

প্রাক্তন ও বর্তমান ইসলাম শিক্ষার সব শিক্ষার্থীই আমাদের অংশ। সকলেই ইসলাম শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আপনাদের নিয়েই আমরা; তাই BISA তে কেউই ছোট বা বড় নয়, কেউই কম গুরুত্বপূর্ণ নন। মুসলিম হিসেবে এমনিতেই আমরা এক দেহ, BISA এটিকে আরো দৃঢ়তার সাথে বাস্তবায়ন করবে। আপনাদের সকলের অংশগ্রহণ একে আরো বেগবান করবে।

**
ইসলাম শিক্ষা, ইসলামী আচার-আচরণ, নৈতিকতা-মূল্যবোধ ইত্যাদির অনুশীলনের মাধ্যমে আমাদের প্রিয় দীন ইসলামের বিজয় এ দেশে আমাদের দ্বারাই অর্জিত হবে ইনশা আল্লাহ। এ লক্ষ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইসলাম শিক্ষা পরিবারের সবাইকে BISA এর পতাকাতলে সবাইকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

আল্লাহ তাআলা দীনের স্বার্থে আমাদের সবাইকে একত্রিত হওয়ার ও কাজ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

©মোস্তফা মঞ্জুর

04/11/2024

কাওয়ালি জবিতে---১

04/11/2024

কাওয়ালি জবিতে---

04/11/2024

কাওয়ালি জবিতে

24/10/2024

বাংলাদেশের প্রান্ত হতে সালাম জানাই হে রাসূল!

24/10/2024
21/10/2024

"শিক্ষা- প্রশিক্ষণের সর্বস্তরে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অত্যাবশ্যক"
ড. শাহ মুহাম্মাদ আবদুর রাহীম

১.
বাংলাদেশের রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম। এটা রাষ্ট্রের পবিত্র সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে বিতর্ক বা প্রশ্ন তোলা অবান্তর ও রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। হ্যাঁ, দেশের অন্যান্য নাগরিকগণ নিজ নিজ ধর্ম পালনে স্বাধীন। ধর্ম বর্ণ শ্রেণি পেশা নির্বিশেষে কোনো কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার রাষ্ট্র বা তার কোনো নাগরিক করতে পারবেনা। এটা সাংবিধানিক স্বীকৃত অধিকার।
দূর অতীতে যাবো না। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের নাগপাশ ছিন্ন করে বিগত শতকের পঞ্চাশের দশকে সংখ্যাগরিষ্ট দুটৌ জনগোষ্ঠির ধর্ম বিশ্বাসের ভিত্তি মূলে প্রতিষ্ঠিত হয় দুটো রাষ্ট্রসত্তা। এটাকে অস্বীকার বা ইগ্নোর করা যাবেনা। কারো উন্নাসিকতা থাকতেই পারে। এই পরাবাস্তবতা কেউ অস্বীকার করতে পারে না।
রানৈতিক উত্থান পতন হতেই পারে। কিন্তু ভূমিপ্রত্রদের ধর্মবিশ্বাসকে সমূলে উৎখাত করা যায়না। যতই ধর্মবিশ্বাস থেকে মানুষকে দূরে টেনে আনার কসরত করুক না কেনো, সফল হওয়া যায়না। সেক্যুলার কামাল পাশা তুরস্ককে ইসলামধর্ম বিমুক্ত করার জন্য অর্ধশতক বছরের বেশি সময় ধরে অবর্ণনীয় অত্যাচার নিগ্ৰহ হত্যা গুম এবং আইন ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের কাঠামোয় ফেলে নির্মূল করার হীন চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়েছে। ইরানে রেজা শাহ পাহলভী, ইরাকে জেনারেল সাদ্দাম, লিবিয়ায় কর্ণেল গাদ্দাফী, মিশরের শাসক গোষ্ঠি, আফগানিস্তানে কোথাও সফল হয়নি। এমনকী রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের মাধ্যমে নির্মম ভাবে কোটি কোটি ধর্মবিশ্বাসী মানুষকে হত্যা করেও ধর্ম থেকে দূরে সরাতে পারেনি। সোভিয়েত ভেঙ্গে অনেকগুলো মুসলিম কান্ট্রির অভ্যুদয় তারই প্রমাণ দিচ্ছে। পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং পরবর্তী রাজনৈতিক সেক্যুলার মতাদর্শিক নেতৃত্ব একটি চরম বৈরি রাষ্ট্রের আনুকুল্যে জাতির মধ্যে বিভাজন ও ধর্মনিরেপক্ষ সেক্যুলার করার সীমাহীন কসরত করে। ইসলাম ও মুসলিম জাতি সত্তার বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে নামে। ইসলাম ও মুসলিম সংস্কৃতি সভ্যতা তাহজীব তমাদ্দুন আদর্শ মূল্যবোধ ধ্বংশ ও বিনাশের জন্য সব কিছু করে। ধর্মীয় মূল্যবোধকে কলুষিত করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করে। সাংস্কৃতিক আগ্ৰাসনের দুয়ার খুলে দেয়। মুসলিম জাতি সত্তার বিরুদ্ধে মিডিয়া সৃষ্টি করে। বহু কিসিমের ল্যান্সপেন্চার নিয়োগ দেয়। পার্শ্ববর্তী আগ্ৰাসী রাষ্ট্রের কৌটল্যনীতি বাস্তবায়ন করে। মুসলিম সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে অনবরত অবিরাম বিষোদগার করে।দেশ ও মুসলিম জাতিসত্তার পক্ষের নেতৃবৃন্দকে মামলা হামলা গুম খুন ও জুডিসিয়ারি কিলিং-এর মাধ্যমে নির্মূল ও নাস্তানাবুদ করার হীন প্রয়াস চালায়।

২.
সেক্যুলার একটি দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের নামে ধর্মীয় মূলাকাঙ্ক্ষা ও আদর্শ কে নিরবাসিত করার সংগ্ৰামে সারাক্ষণ লিপ্ত থাকে। বিশেষত, এই দলটি মুক্তিযুদ্ধত্তোর দেশ থেকে ধর্মীয় শিক্ষা বাতিল করে। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করে। আলেম ওলামাদের কে স্বাধীনতা বিরোধী তকমা লাগিয়ে মামলা হামলা গুম খুন করে। স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস ও কারিকুলাম থেকে ইসলামী শিক্ষা বিষয় ও ভাবধারা বাদ দিয়ে দেয়। প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দীনিয়াত বা ইসলামিয়াত এবং আরবী ভাষা শিক্ষা বাদ দিয়ে দেয়। অন্যান্য বিষয়াবলী যেমন বাংলা সাহিত্য থেকে আদর্শিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বিরচিত্ প্রবন্ধ নিবন্ধ কাব্য কবিতা বাদ দিয়ে দেয়।

৩.
ইতিহাস, সমাজ বিজ্ঞান, বিজ্ঞান, পৌরনীতি, গণিত প্রভৃতি সাবজেক্ট থেকেও নীতিবোধ মূলক উপস্থাপন বাদ দিয়ে সেক্যুলার ভাবধারার অনুপ্রবেশ ঘটায়। পঁচাত্তর পরবর্তীতেও কিছুই করা হয়নি। জাতীয়তাবাদী শক্তি ক্ষমতায় এলো ঠিকই। কিন্তু ক্ষমতা ছিলো বাম ঘরানার লোক বেষ্টিত। শিক্ষা বিভাগে আস্তিক ও ধর্মপ্রাণ লোক এলেও গোটা রাষ্ট্রযন্ত্র ছিলো উদার-সেক্যুলার। পাছে লোকে কিছু বলে, ভয়ে সর্বক্ষণ উদারিকরণ নীতি অনুসরণ করায় রাষ্ট্রযন্ত্রের দ্বারা জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন হয়নি। খণ্ডিতভাবে মোটা দাগে অল্পকিছু দৃশ্যমান ধর্মীয় আবহ সৃষ্টি ছাড়া তেমন কিছুর উৎকর্ষ হয়নি। শিক্ষায় ইসলামাইজেশানের যে আকাঙ্ক্ষা ও দাবী জনতার ছিলো, তা ছিটে ফোঁটাও অর্জিত হয়নি। সামরিক জান্তা জেনারেল এরশাদ স্কুল শিক্ষায় তৃতীয় শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ধর্মশিক্ষা বাধ্যতামূলক করে। উচ্চমাধ্যমিকে ইসলাম শিক্ষা নৈর্বাচনিক মানবিকে করা হয়েছিলো। বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষায় মুক্ত ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে পড়ার সুযোগ রাখা হয়।

৪.
তেপ্পান্নটি পাবলিক ইউনিভার্সিটির মধ্যে কেবল ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্ৰাম, কুষ্টিয়া, জগন্নাথ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ আছে। ৪৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম বিষয়ক অধ্যয়নের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। তা ছাড়া প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি সমূহের মধ্যে আইআইইউসি, এশিয়ান, উত্তরা, শান্তমারিয়াম, হামদর্দ, নর্দান, ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ আছে। আর বাকি অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম জানার কোনো সুযোগ নেই। বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর্টস কমার্সের বিভাগ থাকলেও ইসলামিক কোনো বিষয় নেই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি বেসরকারি কলেজ গুলোর মধ্যে খুব অল্প কয়েকটি কলেজে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে অনার্স মাস্টার্স প্রোগ্ৰাম আছে। অধিকাংশ কলেজেই বিষয়টি পাস্ ও অনার্স কোর্স নেই। চাহিদা থাকা সত্তেও বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়টি খোলার পার্মিশন্ দেওয়া হয়নি ও হচ্ছেনা। আপনারা জানেন, ইসলাম হলো নূর বা আলো। যে ঘরে ইসলামের আলো নেই, সেই ঘর বিরানভূমি, ভূতপ্রেতের চারণভূমি। এই প্রকৃত শিক্ষার আলো থেকে এই জাতির শিক্ষাঙ্গন বঞ্চিত।
ফলে জাতি পাচ্ছে আল্লাহ তাআলার অহীর জ্ঞানবিবর্জিত প্রজন্ম। যাদের নৈতিক ও মানবিক মান অতীব নীচু স্তরের। তা ছাড়া মেডিকেল, প্রকৌশল, অ্যগ্ৰিক্যালচার, প্যারা মেডিকেল, ভোকেশনাল প্রভৃতি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যালয় সমূহের কোথাও অ্যকাডেমিক্যাললি ইসলাম বা মানবিকতা কিংবা নৈতিক মূল্যবোধ অথবা সভ্যতা- সংস্কৃতি অধ্যয়নের কোনো সুযোগ সৃষ্টি করা হয়নি। আর এই মহাঅপকর্মটি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্বিত্তায়নের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে কৌশলে। এই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে নিজেদের অপরিহার্য ধর্মবিশ্বাস সম্বন্ধে না জেনেই।

৫.
একজন ডাক্তার এফআরসিএস হচ্ছে, তাঁর মধ্যে ন্যূনতম মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ গোটা শিক্ষাজীবনে কোথাও শিখেছি। এর ফলিত ফসল হলো সরকারী মেডিকেলে চাকরির সময় রোগী দেখায় অনীহা প্রচুর। প্রাইভেট প্রাকটিসে একই দিনে কয়েক জায়গায় চিকিৎসা দেন উচ্চ ফি নিয়ে। রাত ১২টা পর্যন্ত রোগী দেখেন। একদিনে তাঁর রোজগার লক্ষাধিক টাকা। রোগীর রোগের কী হলো বা না হলো, সে দিকে মোটেও খেয়াল নেই। বিনা প্রয়োজনে ১৫/২০ রকম ইনভেস্টিকেশন/পরীক্ষা। যার রেজাল্ট সবই নরম্যাল্। এ জন্য তার বিবেক এতটুকু নাড়া দেয় না। কারণ, অধ্যয়ন কালে তাঁর বিবেক জাগ্ৰত করা হয়নি। একজন ইঞ্জিনিয়ার, সেও তার দীর্ঘ অধ্যয়ন কালে ন্যুনতম একটি বাক্যও স্রষ্টা সৃষ্টির রহস্য দায়িত্ববোধ নীতি আদর্শ জাতীয় ঐতিহ্য মূল্যবোধ মানবিক শিক্ষার দর্শন পড়ার সুযোগ পায়নি। ফল যা তাদের থেকে পাচ্ছি তা সকলেই বিদিত্। একজন বন রক্ষক কর্মকর্তা নিজে বন উজার করছে, উজার করার আয়োজন করছে। কিন্তু তার বিবেক ও দায়িত্ববোধে একটুও বাধে না। কারণ, তাঁকে শিক্ষার কোনো স্তরেই ঐ দায়িত্ববোধ ও জবাবদিহিতার অনুভূতি জাগ্ৰত করার ব্যবস্থা ছিলোনা। শিক্ষিত হলে নাকি, সুশীল হয়। বিবেকের তাড়নায় সকল ভালো কাজ করে। পুলিশ আইন কানুন বিচার লাগেনা। কিন্তু আফসোস আমাদের শিক্ষার শিখন ফল জাতি কী পাচ্ছে। কাজেই ঘোরে দাঁড়াবার সময় হয়েছে। জাতির প্রজন্মকে ঢেলে সাজাতে শিক্ষার আমূল সংস্কার করতে হবে। জাতি হিসেবে আর কতো লজ্জাস্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হবো? কতো দিকের কথা বলবো! বিচার বিভাগে টাকা বা ফরমায়েশ ছাড়া রায় হয়না। কী লজ্জা! পুলিশ আইন-শৃংখলা বাহিনী একটি জাতির গৌরব ও রক্ষাকবচ। অথচ, কী বিচ্ছিরি অবস্থা এই বাহিনীগুলোর। হবে না কেনো? তাদের শিক্ষা- প্রশিক্ষণের কোনো স্তরে ধর্মীয় মূল্যবোধ মানবিকতা নৈতিকতা শেখানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। সর্বত্র সবখানে ভোগবাদী সেক্যুলার অথর্ব জেনারেশান তৈরির ব্যবস্থা চলমান।

৬.
এই জঘন্য শিক্ষা কারিকুলাম ও নীতি -পদ্ধতি অবসান ঘটাতে হবে। তদস্থলে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা ফলিত করে চৌকস কারিকুলাম ও নীতি -পদ্ধতি প্রণয়ন করা অত্যাবশ্যক। তথাকথিত সংস্কারই নয়, বরং নতুন করে শিক্ষানীতি ও কারিকুলাম সাজাতে হবে। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা স্তর থেকে মাধ্যমিক- উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চতম স্তর পর্যন্ত সংস্কার করতে হবে।
এই মহা কর্মযজ্ঞ আঞ্জাম দেওয়ার নিমিত্ত তিন স্তর বিশিষ্ট শিক্ষা কমিশন গঠন করে জাতীয় শিক্ষা নীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা এবং জাতীয় শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।
১. জাতীয় শিক্ষা কমিশনের উচ্চতর স্তর ২.জাতীয় শিক্ষা কমিশন মাধ্যমিক স্তর ৩. জাতীয় শিক্ষা কমিশন প্রাথমিক স্তর।
আরো একটি জাতীয় প্রশিক্ষণ কমিশন করতে হবে। এই কমিশন রাষ্ট্রযন্ত্রের সার্বিক শাখা প্রশাখায় এবং জনবল ও জনশক্তির প্রশিক্ষণ কৌশল নির্ধারণ ও দিকনির্দেশনা প্রণয়ন করবে।
মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য পৃথক জাতীয় মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশন করতে হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা ও সামরিক শিক্ষা কমিশন নামে আরো একটি কমিশন গঠন করতে হবে। প্রতিটি নাগরিককে মৌলিক শিক্ষা স্তর থেকে যাতে সামরিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ গ্ৰহণ করতে পারে, সেই কৌশল প্রণয়ন করবে।

প্রতিটি শিক্ষা স্তরে এবং সকল সাবজেক্ট ও ডিসিপ্লিনে প্রোগ্ৰামে ইসলাম ও ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ কোর্স বাধ্যতামূলকভাবে অধ্যয়নে রাখতে হবে।

#রাহীমসআইডিয়া
21:10:2024

গ্রাফিতি
17/10/2024

গ্রাফিতি

Address

Dept. Of Islamic Studies, Arts Building, University Of Dhaka
Ramna
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Studies Cultural Forum - ISCF DU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Islamic Studies Cultural Forum - ISCF DU:

Share