Rajshahi Thalassemia Foundation

Rajshahi Thalassemia Foundation থ্যালাসেমিয়া রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ,
তারুণ্যের সচেতনতায় করবো প্রতিরোধ।

আজ ৮ মে.. "বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস"এ বছরে দিবসটির প্রতিপাদ্য  ‘থ্যালাসিমিয়ার জন্য সামাজিক ঐক্য গড়ি, রোগীর অগ্রাধিকার নিশ...
08/05/2025

আজ ৮ মে.. "বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস"

এ বছরে দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘থ্যালাসিমিয়ার জন্য সামাজিক ঐক্য গড়ি, রোগীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করি’। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য থেকে জানা গেছে বলেন, বাংলাদেশে ১১ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ থ্যালাসিমিয়া রোগের বাহক। ২০১৪-১৫ সালে বাংলাদেশে ৭ থেকে ৮ শতাংশ মানুষ থ্যালাসিমিয়া রোগের বাহক ছিল। দেশে ৬০ থেকে ৭০ হাজার থ্যালাসিমিয়া রোগী রয়েছে।

আর নয় রক্তচোষা থ্যালাসেমিয়া.! শুধুমাত্র ব্যাপক সচেতনতার মাধ্যমেই রক্তচোষা থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা, আপনার সন্তানকে দিবে সুরক্ষা।

থ্যালাসেমিয়া একটা মারাত্মক বংশগত রক্তরোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে সাধারণত অন্যের রক্ত গ্রহণ করে বেঁচে থাকতে হয়। বাংলাদেশে প্রতিবছর হাজার হাজার থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর জন্ম হচ্ছে এবং প্রতিবছর অনেক শিশু অকালমৃত্যু বরণ করছে। শুধুমাত্র বাবা-মা দুইজনই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলেই কেবলমাত্র সন্তান থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হতে পারে। তাই বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করে দুইজন বাহকের মধ্যে বিয়ে রোধের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব।

আসুন আমরা সকলেই রক্তচোষা থ্যালাসেমিয়া রোধে নিজে সচেতন হয় এবং অন্যদের সচেতন করি। আমাদের সম্মিলিত সচেতনতা গড়ে তুলতে পারে থ্যালাসেমিয়া মুক্ত আগামী প্রজন্ম।

থ্যালাসেমিয়া রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ,
তারুণ্যের সচেতনতায় করবো প্রতিরোধ।




আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৪ থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কার্যক্রম রাজশাহী থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এর ৩ বছর পূর্ণ হল। ২০২১ সালের আজকের এই ...
18/10/2024

আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৪ থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কার্যক্রম রাজশাহী থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এর ৩ বছর পূর্ণ হল।

২০২১ সালের আজকের এই দিনে অর্থাৎ ১৮ অক্টোবর ৫ জন সহযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কার্যক্রম রাজশাহী থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এর যাত্রা শুরু করেছিলাম। এর আগে ২০১৪ সালে যখন সূর্যকিরণ এর উদ্যোগে রক্তদান নিয়ে কাজ শুরু করি তখন থেকেই সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে কাজ করতে। আমার জীবনে প্রথম যেই ব্লাড রিকুয়েষ্ট টা এসেছিলো, আমি প্রথম যেই রোগীর জন্য রক্তদাতা সংগ্রহ করতে ছুটাছুটি করেছিলাম সেটাও একজন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর জন্য।

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, রক্তদাতা সংগ্রহ সহ অসহায় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবার উদ্দেশ্যে ২০২১ সালে দিনা আপু, নাইম, ফাতেমা, সুমাইয়া, মুরাদ এই ৫ জনকে সাথে নিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করি। পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা সকল কাজ করতে না পারলেও বেশ অনেকগুলো রোগীকে প্রতিমাসে রক্তদাতা সংগ্রহ করে দেওয়াসহ নানামুখি সচেতনতা কার্যক্রম এগিয়ে নিয়েছিলাম। জীবনের ব্যাস্ততায় অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। এরমধ্যেও বিভিন্ন যায়গায় আমরা থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা প্রচারাভিযান করেছি। রাজশাহীর বাইরেও সচেতনতা কার্যক্রম করেছি।

২০২১ সালে যে ৬ জনকে সাথে নিয়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা প্রচারাভিযান নতুনভাবে শুরু করেছিলাম সেই প্রিয় মানুষগুলোকে ৩ বছরে ৩ জনকে হারাইলাম। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারিতে আমরা দিনা আপুকে হারিয়েছি, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি মুরাদ আমাদের মধ্য থেকে বিদায় নিলো আর ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর সুমাইয়া পরপারে পাড়ি দিলো। সত্যিই এটা কল্পনাকেও হার মানিয়েছে। এতো তাড়াতাড়ি প্রিয় মানুষগুলোকে হারাতে হবে ভাবিনি। আল্লাহর যেমনটা ইচ্ছা তার বান্দার জন্য যেটা মঙ্গল সেটাই উনি করেছেন। আল্লাহ যেনো প্রিয় মানুষগুলোকে ক্ষমা করে জান্নাতবাসী করেন। ভাবতেই চোখে পানি চলে আসছে যে আমাদের মাঝে দিনা আপু, মুরাদ আর সুমাইয়াকে কখনোই পাবোনা। প্রতিদিন একবার হলেও নামাজের মোনাজাতে প্রিয় মানুষগুলোর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি। আল্লাহ যেনো তাদেরকে সহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করেন।

প্রিয় মানুষগুলোকে সবসময় সব ধরনের ভালো কাজে সাথে পেয়েছি। রাজশাহী থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন থাকবে কি জানিনা কিন্তু থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে আমাদের যে স্বপ্ন ছিলো সেটাকে এগিয়ে নিবো ইনশাআল্লাহ। শুধুমাত্র বাবা-মা দুজনেই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে সন্তান থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। অর্থাৎ বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া টেস্ট করে দুইজন থ্যালাসেমিয়া বাহকের মধ্যে বিয়ে রোধের মাধ্যমে এই রক্তচোষা ঘাতক রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। এই একটা সচেতনতার অভাবে প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করছে থ্যালাসেমিয়া নামক অভিশাপ নিয়ে।

এতোগুলা তাজা প্রাণ অকালে ঝড়ে পরেছে, তারা কষ্ট করেছে কিন্তু তারা চাইনি তাদের মতো আরও একজন থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করুক, তাই তারাও অন্যদের থ্যালাসেমিয়া রোধে সচেতন করতে এগিয়ে এসেছে। আসুন আমরা নিজে থ্যালাসেমিয়া সচেতন হয় এবং অন্যদের সচেতন করি।

গতকাল এই সময়ে যে মানুষটা জীবন নিয়ে কতো কিছু ভেবেছে আজ সে আল্লাহর মেহমান হয়ে গেছে। মানুষের জীবন সত্যিই কচু পাতার উপরে পান...
17/10/2024

গতকাল এই সময়ে যে মানুষটা জীবন নিয়ে কতো কিছু ভেবেছে আজ সে আল্লাহর মেহমান হয়ে গেছে। মানুষের জীবন সত্যিই কচু পাতার উপরে পানির মতো, যেকোনো মুহুর্তে ডাক আসলেই বিদায় নিতে হবে।

"সুমাইয়া আক্তার সুমা" আর আমি একইসাথে দুইটা প্লাটফর্মে কাজ করেছি। সে ২০২১ সাল থেকে সূর্যকিরণ পরিবারের একজন নিয়মিত এবং নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবী ছিলো। খুবই অনুগত ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলো সে, সবসময় সব ধরনের ভালোকাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। একইসাথে রাজশাহী থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এর সে প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।

সেই প্রিয় বোন "মোসা: সুমাইয়া আক্তার সুমা" আজ রাত ১২ টায় রাজশাহী মেডিকেলে সুমাইয়া ইন্তেকাল করেছে। সত্যিই একজন বিশ্বস্ত ও নিবেদিত সাংগঠনিক সহযোদ্ধাকে হারালাম। থ্যালাসেমিয়া নামক রক্তচোষা ঘাতক রোগটি এই প্রিয় বোনটাকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেকে দিলো।

নিজে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ছিলো কিন্তু থ্যালাসেমিয়া রোধে সচেতনতা কার্যক্রমে কখনো অযুহাত দেখায়নি। থ্যালাসেমিয়া মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছে, কাজ করেছে। থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে আরও অনেক পরিকল্পনা ছিলো, বাস্তবতা অনেক কাজ বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়নি। তবুও সাধ্যমতো একসাথে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে কাজ করেছি।

তার মৃত্যুর সংবাদ হৃদয়ে রক্তক্ষরণ শুরু করে দিয়েছে। যেই মানুষগুলোকে আপন করে পেয়েছি তাদের বিদায় সত্যিই বেদনাদায়ক। জানাজা ও দাফনে গিয়ে নিজেকে অপরাধী বোধ করেছি, মানুষগুলোকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা করতে পারিনি পাশে থাকতে পারিনি। হয়তো আরো বেশি কাজ করতে পারতাম। আমরা যদি থ্যালাসেমিয়া সচেতন হয়, অন্যদের সচেতন করে তুলি তাহলে হয়তো একদিন থ্যালাসেমিয়া মুক্ত বাংলাদেশ দেখতে পাবো। জীবনযুদ্ধে সত্যিই অনেক কিছুই করতে পারিনা। কিন্তু সেই শুরু থেকেই যে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে কাজ করছি তা অব্যাহত রাখবো ইনশাআল্লাহ। যেভাবে যতটুকু পারি থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে কাজ করবো। আল্লাহ যেনো এই রক্তচোষা থ্যালাসেমিয়া থেকে আমাদের প্রিয় ভাইবোনদের, আগামী প্রজন্মকে মুক্তি দান করেন। অসচেতনতার ফলে এভাবে অকালমৃত্যু মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন।

সবাই আমাদের এই স্বেচ্ছাসেবী বোন সুমাইয়ার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ তুমি প্রিয় সহযোদ্ধা বোনটাকে ক্ষমা করে জান্নাতবাসী করো। আর যারা জীবিত আছে তাদের নেক হায়াত দান করো। আমিন।
-
শাইখ তাসনীম জামাল

রাজশাহী থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবী আমাদের প্রিয় বোন "মোসা: সুমাইয়া আক্তার সুমা"...
17/10/2024

রাজশাহী থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবী আমাদের প্রিয় বোন "মোসা: সুমাইয়া আক্তার সুমা" আর দুনিয়ায় নাই। একজন সাংগঠনিক সহযোদ্ধা থ্যালাসেমিয়াযোদ্ধা প্রিয় বোনকে হারালাম।

আজ রাত ১২ টায় রাজশাহী মেডিকেলে সুমাইয়া ইন্তেকাল করেছে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

নিজে অসুস্থ ছিলো তবুও জনসেবা মূলক কার্যক্রমে সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। কখনোই কোনোকিছুতে না বলতোনা। সাধ্যমতো চেষ্টা করতো সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে। বড়ভাইয়ের মতো শ্রদ্ধা-সম্মান করতো। থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একসাথে কতো পরিকল্পনা করেছি, থ্যালাসেমিয়া মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি। একসাথে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা নিয়ে কাজ করেছি।

এই দুঃসংবাদ যেনো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ শুরু করে দিয়েছে। যাদের নিয়ে রাজশাহী থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এর যাত্রা শুরু করেছিলাম সেই ৬ জনের মধ্যে ৩ জনই আমাদের মধ্য থেকে বিদায় নিয়েছে। দিনা আপু, মুরাদ, সুমাইয়া। মানুষগুলো বড়ই আপন, যাদের সাথে হৃদয়ের বন্ধন ছিলো, সকল ভালো কাজে নিঃস্বার্থভাবে পাশে পেয়েছি। ধীরে ধীরে ৩ জন আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছে। আল্লাহ তুমি প্রিয় মানুষগুলোকে ক্ষমা করে জান্নাতবাসী করো। যারা জীবিত আছে তাদের নেক হায়াত দান করো। আমিন।

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajshahi Thalassemia Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share