18/08/2026
রুয়েটে গাজীপুর জেলা সমিতির নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) গাজীপুর জেলা সমিতির উদ্যোগে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাজীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীনদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে স্বাগত জানানো এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানানো হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন রুয়েটের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক মো. মুশিউর রহমান, মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দীপ কুমার সাহা এবং ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা আক্তার।
অতিথিবৃন্দ নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই নিয়মিত অধ্যয়ন, শৃঙ্খলা, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে নিজেদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
এ সময় বিদায়ী ২০ সিরিজের শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বিভিন্ন স্মৃতি, অর্জন ও অবদানের কথা স্মরণ করা হয়। সমিতির সদস্যরা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষার জন্য শুভকামনা জানান এবং নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং গাজীপুর জেলা সমিতির বিদায়ী সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবন আমাদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দেয় না, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা, বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ করে দেয়। গাজীপুর জেলা সমিতির সঙ্গে কাটানো সময়গুলো আমাদের জন্য সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে—তারা যেন পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা বিকাশে মনোযোগী হয় এবং রুয়েটের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সংগঠনের সঙ্গে পথচলার নানা অনুভূতি তুলে ধরেন এবং নবীনদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত উন্নয়নে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।
এ আয়োজন জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি নবীনদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সদস্যদের। একই সঙ্গে বিদায়ী ও নবীন শিক্ষার্থীদের এ মিলনমেলা সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা এবং সার্বিক কল্যাণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করবে।