Roza Foundation

Roza Foundation আমরা সমাজ,দেশ এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করবো হাতে- হাত রেখে👫

29/06/2024
💥আসছে নওতাপ ২০২৪🔥☀️🔥NASA রা জানিয়েছেন যে আগামী ২৫ মে থেকে শুরু হবে নওতাপ। এই সময় সূর্য যেন আগুন ছড়াতে শুরু করবে পৃথিবীর...
26/04/2024

💥আসছে নওতাপ ২০২৪🔥☀️🔥

NASA রা জানিয়েছেন যে আগামী ২৫ মে থেকে শুরু হবে নওতাপ। এই সময় সূর্য যেন আগুন ছড়াতে শুরু করবে পৃথিবীর বুকে। সূর্য প্রতি বছর যে সময় রোহিণী নক্ষত্রে অবস্থান করে, সেই সময়টায় সবেচেয়ে বেশি গরম পড়ে। আগামী ২৫ মে ৩টে ১৬ মিনিটে সূর্য রোহিণী নক্ষত্রে প্রবেশ করবে। ১৫ দিন রোহিণী নক্ষত্রে অবস্থান করে মৃগশিরা নক্ষত্রে গোচর করবে সূর্য। রোহিণী নক্ষত্রে সূর্যের অবস্থানের এই ১৫ দিন সারা বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ হয়। *সূর্য রোহিণী নক্ষত্রে ১৫ দিন থাকলেও তার মধ্যে প্রথম ৯ দিন গরম সবচেয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করে। এই ৯ দিনকে নওতাপ বলা হয়। এই বছর নওতাপ চলবে আগামী ২৫ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত।*

🌡️🌞 সাবধানে থাকবেন সবাই 🙂

পৃথিবীতে যারা মিথ্যাচারী, পাপী ও সীমালংঘনকারী তাদের ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে- "কখনো নয়, সে যদি বিরত না হয় তবে ...
01/03/2024

পৃথিবীতে যারা মিথ্যাচারী, পাপী ও সীমালংঘনকারী তাদের ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে- "কখনো নয়, সে যদি বিরত না হয় তবে আমরা তাকে অবশ্যই হেঁচড়ে নিয়ে যাব, মাথার সামনের চুলের গুচ্ছ ধরে।” (সূরা আলাক: ১৫-১৬)

এই আয়াত সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবগত আছি। অনেক জায়গায় পড়েছিও! যে; আল্লাহ তাআ'লা অপরাধীদের মাথার সামনের চুল ধরে হেঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার শাস্তি রেখেছেন। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন তিঁনি ঠিক মাথার সামনের চুলটাই কেন ধরার নির্দেশ দিবেন?

এই কেশগুচ্ছের কি কোন বিশেষ গুরুত্ব আছে? নাকি এটা স্রেফ শাস্তির জন্য ব্যবস্থা মাত্র!

আপনি জানলে অবাক হবেন যে, মাথার সামনের কেশগুচ্ছ ধরার বিশেষ একটা কারণ আছে! বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে মানুষের সামনের কেশগুচ্ছোর নিচে তথা মাথার অগ্রভাগে মস্তিষ্কের যে অংশ থাকে তা হচ্ছে সেরেব্রামের প্রিফ্রন্টাল এরিয়া। Gray's Anatomy অনুযায়ী "মানুষের পরিকল্পনা, কর্মের সিদ্ধান্ত এবং ভাল অথবা খারাপ কাজের সিদ্ধান্তের উৎস হচ্ছে প্রিফ্রন্টাল এরিয়া"। অর্থাৎ মানুষ খারাপ কাজ করবে না ভাল কাজ করবে তার সিদ্ধান্ত হয় মাথার সম্মুখপ্রান্তের কেশগুচ্ছের নিচে অবস্থিত প্রিফ্রন্টাল এরিয়াতে। যেটি চিকিৎসা বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে মাত্র এই শতকে।

অথচ মহাপ্রজ্ঞাময় স্রষ্টা তাঁর পবিত্র বাণীতে অন্তর্নিহিত ইঙ্গিতের মাধ্যমে এই সত্য উপস্থাপন করেছেন। যাঁরা চিন্তাশীল তাদের জন্য এতে নিদর্শন রয়েছে।

এসব ভেবে ভেবে আরও বেশি করে মাথা নুইয়ে দেওয়া উচিত সেই মহা প্রতিপালকের দুয়ারে৷ তিঁনি তো আমাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য সৃষ্টি করেননি বরং পুরস্কারই দিতে চান। কিন্তু আমরাই সেই অপরিসীম ক্ষমাশীলের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াই!

ক্ষণিকের রঙিন দুনিয়ার ফাঁদে পড়ে আখিরাতকে ডুবিয়ে দেই। তাই সময় থাকতে আসুন কোরআন নিয়ে চিন্তা গবেষণা করি।

আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন- "তারা কি এই কুরআন সম্পর্কে চিন্তা গবেষণা করে না? নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ" (সূরা মুহাম্মদ: ২৪)
..

টমাস ফুলারআমেরিকার ইতিহাস অকল্পনীয় হিংস্রতার ইতিহাস, কালো মানুষের বিরুদ্ধে সাদাদের নির্মম দাসত্বের ইতিহাস, নেটিভ আমেরিকা...
28/02/2024

টমাস ফুলার

আমেরিকার ইতিহাস অকল্পনীয় হিংস্রতার ইতিহাস, কালো মানুষের বিরুদ্ধে সাদাদের নির্মম দাসত্বের ইতিহাস, নেটিভ আমেরিকান (রেড ইন্ডিয়ান)-দেরকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মেরে শেষ করে তাদের জমি, তাদের দেশ দখলের ইতিহাস।

১৭২৪ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে তাকে বিক্রি করে দেয়া হয় দাস হিসেবে, তার নাম টমাস ফুলার। তাকে ভার্জিনিয়ার ক্যালকুলেটর বা অসাধারণ গণিতবিদ বলা হতো। যেমন, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল দেড় বছরে কতগুলো সেকেন্ড হবে। দুই মিনিটের ভেতর তিনি মনে মনে অংক করে বলে দিয়েছিলেন ৪৭,৩০৪,০০০। তখন তারা তাকে প্রশ্ন করল, একজন মানুষ যদি ৭০ বছর, ১৭ দিন, ১২ ঘন্টা বেঁচে থাকে, তাহলে সে সর্বমোট কত সেকেন্ড বেঁচে থাকল। দেড় মিনিটের ভেতরে তিনি মানসাংক করে বলে দিলেন, ২,২১০,৫০০, ৮০০।

বেশ ক'জন পণ্ডিত যারা তার অংক যাচাই করছিলেন, তাদের একজন লাফিয়ে উঠলেন, খুব খুশি হয়ে যে অবশেষে টমাসের অংকে ভুল ধরা গেছে। উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে তিনি বললেন, টমাসের উত্তর ঠিক নয়, সে বেশি সেকেন্ড বলেছে, আসলে মোট সেকেন্ড কম হবে। টমাস খুব ঠাণ্ডা মাথায় ভদ্রতা বজায় রেখে জবাব দিলেন, "দেখুন, ও সম্মানিত প্রভু, আপনি তো লিপ ইয়ার হিসেবের ভেতরে ধরেন নাই। লোকটা যদি এত দিন বেঁচে থাকে, তাহলে যতগুলো লিপ ইয়ার হয়, আমি সেই হিসেবও করে ফেলেছি। এবার আরো ভালো করে যাচাই করে দেখুন। দেখবেন আমার উত্তর একেবারেই সঠিক।"

একুশে বইমেলা ২০২৪-এ আমার নতুন বই 'জেগে ওঠো আবার'। এ বইতে আপনি খুঁজে পাবেন রবের সাথে সম্পর্ক আরও গভীর করার অনুপ্রেরণা। এক...
04/02/2024

একুশে বইমেলা ২০২৪-এ আমার নতুন বই 'জেগে ওঠো আবার'। এ বইতে আপনি খুঁজে পাবেন রবের সাথে সম্পর্ক আরও গভীর করার অনুপ্রেরণা। একটু ব্যতিক্রমী উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটিকে কিছুটা ইউনিক করার চেষ্টা করা হয়েছে, যেন লাখো পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যায় আমাদের কথাগুলো।

কত মেঘ, কত রঙ, আর কত জোছনা। কুরআনের নান্দনিকতা ব্যাখ্যা করার জন্য এ বাক্যটি কতটা যুতসই? না, কুরআনকে আসলে সংজ্ঞার ফ্রেমে বাঁধা যায় না। এ এক মহা বিস্ময়ের নাম।

আচ্ছা, কুরআনকে নানা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পড়ার ইচ্ছে কি কখনো উঁকি দিয়েছে আপনার মনে? মানে, কুরআনের ভাষাগত সৌন্দর্য, ব্যাকরণের সাত-সতেরো, আগের যুগের ইমামদের ব্যাখ্যা, কিংবা আধুনিক যুগের আয়নায় কুরআন-পাঠ—এমন শত আকাঙ্ক্ষা ভর করেছে কখনো আপনার মাথায়? কুরআন কি হিউম্যান সাইকোলজি নিয়ে কথা বলে? কুরআন কি মানুষের প্রতিদিনকার আটপৌরে বিষয় নিয়েও আলাপ করে? আচ্ছা, কুরআন নিয়েও কি গল্প করা যায়? এমন প্রশ্ন নিশ্চই আপনার মনে হামেশাই ঘুরপাক খায়। আপনার এ প্রশ্নগুলোর উত্তর পেয়ে যাবেন ‘জেগে ওঠো আবার’ বইটির পাতা ওলটালে।

ঝরঝরে বাংলায়, অনেকটা সাহিত্যের ঢঙে কুরআনকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে নানা দৃষ্টিকোণ থেকে। বইটি পড়ার পর জ্যামে-আটকে-থাকা বাসে বসেও আপনি টের পাবেন—কুরআন আপনার সাথে কথা বলছে। অলস দুপুরে পুকুর-ঘাটে বসেও আপনি অনুভব করবেন—কে যেন আপনার কানে কানে কুরআনের কথা শুনিয়ে যাচ্ছে। জীবনের সাথে যদি কুরআনকে একাকার করে ফেলতে চান, যদি জীবনটা সাজাতে চান কুরআনের ছন্দ-সূত্র বা মূলনীতি মেনে, তাহলে আর এক পলকও দেরি নয়। খাটের কোণায় একটি সোনালি আলোর ল্যাম্প জ্বেলে, বালিশে হেলান দিয়ে ডুব দিন ‘জেগে ওঠো আবার’-এর রহস্য-অরণ্যে—সেথায় কখনো মেঘ, কখনো রোদ্দুর, আর কখনো-বা জোছনা ফোটে।

আমি বিশ্বাস করি, বাংলা সাহিত্যে 'জেগে ওঠো আবার' বইটি একটু হলেও জায়গা করে নেবে। সত্যায়ন প্রকাশন-এর আন্তরিক প্রচেষ্টা আমাকে মুগ্ধ করেছে। অনেক অনেক ধন্যবাদ পুরো টিমকে। আল্লাহ তাআলা এ কাজটিকে কবুল করুন।

বই এক ভালোবাসার অনুভূতি! কষ্টে বই, আনন্দে বই, টেনশনে বই, রাগে বই, ডেট এ বই, গরমে বই, শীতে বই, চায়ের পরে বই!ইনশাআল্লাহ আশ...
27/01/2024

বই এক ভালোবাসার অনুভূতি! কষ্টে বই, আনন্দে বই, টেনশনে বই, রাগে বই, ডেট এ বই, গরমে বই, শীতে বই, চায়ের পরে বই!
ইনশাআল্লাহ আশা রাখি আমার আর আমার আর সকল বই প্রেমীদের নিজস্ব একটা বইয়ের রাজ্য হবে।(লাভ ইমোজি)

**৭ম শ্রেণির শরিফ-শরিফার গল্পটা এরকমও হতে পারতো:- ** শরিফ আর শরিফা দুই ভাই-বোন...বাবা আর মায়ের সাথে ঢাকার বনানীতে বসবাস ...
27/01/2024

**৭ম শ্রেণির শরিফ-শরিফার গল্পটা এরকমও হতে পারতো:-
** শরিফ আর শরিফা দুই ভাই-বোন...বাবা আর মায়ের সাথে ঢাকার বনানীতে বসবাস করেন। স্কুলের ছুটি পেয়ে ঢাকা থেকে দাদু বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও বেড়াতে যাচ্ছে , এটাই তাদের প্রথম ট্রেন ভ্রমণ,তাই ওরা দুজনেই খুব উৎফুল্ল,শরিফ পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে আর শরিফা চতুর্থ শ্রেণিতে,শরিফ-শরিফার বাবা জনাব আশরাফ সাহেব রাজধানীর স্বনামধন্য ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক.....

ময়মনসিংহগামী -মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি জয়দেবপুর রেলস্টেশনে থামলে একদল হিজড়া//তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ ট্রেনটিতে উঠে, ট্রেনের জানালার কাঁচ দিয়ে সে দৃশ্য দেখে শরিফ ও শরিফা,, দুই ভাই-বোনই ওদের দেখে খুব অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে । 'মানুষগুলো মেয়েদের মত দেখতে,কিন্তু অনেক লম্বা,ঠোঁটে কড়া লিপস্টিক লাগানো,মুখেও অনেক মেকাপ,দেখতে কেমন যেন একটু অদ্ভুত লাগে। ওরা সবচেয়ে অবাক হয়,মেয়েদের মত দেখতে হলেও ওদের গলার আওয়াজ ঠিকই ছেলেদের মত...শরিফা ভয় পেয়ে মায়ের আঁচলে লুকোতে চায়...কৌতুহল জাগে শরিফের মনে...সে বাবাকে জিজ্ঞেস করে,'বাবা, কে এরা তাদের দেখতে এমন কেন ?'

আশরাফ সাহেব বলেন,'ওরা তোমার আমার মতই স্বাভাবিক মানুষ...সৃষ্টিকর্তা তোমাকে যেমন ছেলে বানিয়েছেন...তোমার ছোট্ট বোনটাকে যেমন মেয়ে বানিয়েছেন...তেমনি সৃষ্টিকর্তা ওদেরও এক বিশেষভাবে বানিয়েছেন, ওরা ছেলেও না,আবার মেয়েও না, ওদের বলা হয় থার্ড জেন্ডার বা তৃতীয় লিঙ্গ'

বাবা-ছেলের এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলতে চলতেই সেই হিজড়াদের দলের একজন ওদের কাছে আসে, কিছুটা পুরুষের মত ভাঙ্গা গলা সুরে টাকা দিয়ে সাহায্য করতে বলে শরিফের বাবাকে, ...শরিফের বাবা আশরাফ সাহেব পকেট থেকে ২০ টাকার একটা নোট শরিফের হাতে দিয়ে বলেন,'নাও বাবা,এটা আন্টিকে দাও'...শরিফ ভয়ে ভয়ে টাকাটা হিজড়া মানুষটির দিকে বাড়িয়ে দেয়, টাকা নিয়ে মুচকি হাসি দেয় সে হিজড়া মহিলা, শরিফের গাল টেনে আদর করে দিয়ে বলে,'অনেক বড় হও বাবা'আর শরীফার দিকে চেয়ে মুচকি হেসে দিল...

এক পর্যায়ে চলে যায় হিজড়ার দল অন্য এই বগি থেকে অন্য বগিতে । কিন্তু কৌতুহল তখনও কাটেনি শরিফের,আবারও শরিফ জিজ্ঞেস করে তার বাবাকে,'আচ্ছা বাবা,ওরা যদি আমাদের মত স্বাভাবিক মানুষ হয়,তাহলে ওরা ট্রেনে ট্রেনে এভাবে ভিক্ষা করে কেন ?

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,শরিফ-শরিফার বাবা সুন্দর করে তার দুই ছেলে-মেয়েকে বুঝিয়ে বলেন,'ওরা আমাদের মত স্বাভাবিক মানুষ হলেও স্বাভাবিক মানুষের মত কাজ করার সুযোগ তেমন একটা ওরা সমাজে পায় না ,ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার সুযোগও ওদের তেমন নেই ,, সমাজে কিছু মানুষ ওদের দূর দূর করে, বেশিরভাগ মানুষ তাদের দিকে আর চোখে তাকিয়ে থাকে। ওরা যদি সমাজে আট দশটা ছেলে মেয়ের মত সব জায়গায় সমান তালে পড়ালেখা ও চাকুরি করার সুযোগ পেত,,তাহলে ওদের ট্রেনের বগিতে, বগিতে এভাবে ভিক্ষা করার প্রয়োজন হত না। তাহলে তোমার মত বাবা-মার আদর স্নেহ পেয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে তারা প্রতিষ্ঠিত হতে পারত। সমাজের কিছু মানুষের কারণে তারা আজ সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন।

এ কথা শুনে শরিফ এবং শরিফা দুঃখ প্রকাশ করে বাবা-মায়ের কাছে ওরা বলে,ওরা বড় হয়ে তৃতীয় লিঙ্গের এই অবহেলিত মানুষদের শিক্ষার ব্যবস্থা করবে আর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে, শরিফ-শরিফার বাবা-মা এই কথা শুনে খুব খুশি হয়‌ । বাবার সাথে শরীফ শরিফা হিজড়াদের নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে বলতে ট্রেনটি এসে গফরগাঁও স্টেশনে থেমে যাই পরে তারা ট্রেন থেকে নেমে দাদুর বাড়িতে চলে যায়।...................

Address

Aliyerhat, Shibganj Upazila, Bogura
Rajshahi
5810

Telephone

+8801749449349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Roza Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Roza Foundation:

Share