“ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোটার্স ফাউন্ডেশন” একটি মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিক সংগঠন। অত্র সংগঠনের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো “আমি নিজে অপরাধ করবো না ও অপরাধীদের আইনের হাতে তুলে দিয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করব”। মানবাধিকার লংঘন হয় ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে। সংগঠনর পর্যালোচনায় “ঘুষই অপরাধের জনক” এই বাক্যটি অত্র সংগঠনের কার্যক্রামের মধ্যে প্রতিপাদ্য বটে। ২০০৩ সালের ৭ জুলাই মাত্র ৭ জন সদস্যের সমন্বয়ে অত
্র সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। অতপর সংগঠনের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে দেশের আইন রক্ষাকবজ হিসাবে অক্ষরে অক্ষরে পালনের নির্দেশ প্রদান করা হইয়াছে। এই সংগঠনের মাধ্যমে বন্যা দূর্গতদের মাঝে বস্ত্র দান করেছি। শত শত অসহায় মানুষের আইনী সহায়তা প্রদান করেছি। সামাজিক বন্ধন দৃঢ় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শত শত দম্পতিদের যৌতুকের কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ থেকে বিরত করার জন্য পরামর্শ প্রদান করে সফল হয়েছি। যৌতুক শাস্তিমূলক অপরাধ মর্মে প্রচার প্রচারনা করেছি এবং অনেকাংশ সফল হয়েছি। ভূমি দস্যুদের হাত থেকে সাধারণ মানুষদের রক্ষা করার জন্য আইন প্রয়োগকারীদের সহায়তায় বিশেষ ভূমিকা রেখে সফল হয়েছি। মাদকের কড়াল গ্রাস হতে যুব সমাজকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। এসব কাজ করার জন্য কোন প্রকার সরকারী বা বেসরকারী সাহায্য কিংবা অনুদান গ্রহন করা হয় নাই। দান খয়রাত করে মানবাধিকার বাস্তবায়ন করা যায় না। আর মানবাধিকার বাস্তবায়নের জন্য গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রদত্ত আইন কানুনই ১০০% ভূমিকা রাখে। কতক দূনীতিগ্রস্থ এন.জি.ও কর্মীরা বক্তব্য দিচ্ছে। যদি এন.জি.ও কর্মীরা বলেন আমরা সকলেই বাংলাদেশী সবার জন্য আইন সমান, সবার জন্য অধিকার সমান তবে পাহাড়ী বাঙ্গালী ভেদাভেদ দূর হয়ে সকলেই বাংলাদেশী হয়ে যেত। এই দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হউক, এই কামনা বাসনা করা সকলের কর্তব্য। “ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোটার্স ফাউন্ডেশন” অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন। আমরা মানবাধিকার কর্মী, আমরা গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশের আইন বাস্তবায়নের সহায়ক সংগঠন। মানবাধিকার লংঘন জনিত ঘটনা সরকারকে অবহিত করি, সেটা সরাসরি অথবা ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, চিঠি, মোবাইল, ফোন, ফ্যাক্স কিংবা ই-মেইল এর মাধ্যমে। তাই আমরা গণমাধ্যমে অত্র সংগঠন ১৫ বছরে প্রায় ২৩ হাজার কর্মী আমার কাছে এই মর্মে শপথ করেছেন যে, আমরা অপরাধ করব না এবং অপরাধীদের আইনের হাতে তুলে দিয়ে স্বেচ্ছায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করব। আর কিছু না হলেও ২৩ হাজার কর্মী অপরাধ থেকে বিরত আছে।